জাতীয়
সিঙ্গাপুর থেকে দেশের পথে ওসমান হাদির মরদেহ
আততায়ীর গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার ৬ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুরে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৮৫ ফ্লাইটটি শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিটে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিমানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকতা জানান, বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটটি সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। শহীদ ওসমান হাদির মরদেহ মর্যাদাপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে দেশে আনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। তার মৃত্যুর সংবাদ ঢাকায় পৌঁছালে কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয় রিকশায় থাকা শরিফ ওসমান হাদিকে। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক একটি অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
এমকে
জাতীয়
নির্বাচনী দায়িত্বে পেশাদারিত্ব ও নাগরিকবান্ধব আচরণের নির্দেশ সেনাপ্রধানের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ শরীয়তপুর জেলা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি শরীয়তপুর, ফরিদপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা করেন।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সেনাবাহিনী প্রধান শরীয়তপুর জেলা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
শরীয়তপুর জেলা পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধানের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া; সেনাসদর ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দের পাশাপাশি অসামরিক প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন
জাতীয়
চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিকদের লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার বিদেশি অপারেটর ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’কে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারী সংগঠনের নেতারা। আগামীকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল আটটা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বন্দর এলাকায় আয়োজিত এক অবরোধ কর্মসূচি থেকে এই ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন।
ইব্রাহিম খোকন বলেন, নৌ-উপদেষ্টা আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়েছেন। আমাদের লোকদের বদলি করছেন এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তির কথা বলছেন। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আগামীকাল সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করছি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু করেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এর ফলে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
শ্রমিকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-এনসিটি জেটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা না দেওয়া, বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ এবং আন্দোলন কেন্দ্র করে দেওয়া সব বদলির আদেশ বাতিল করা।
বর্তমানে এনসিটি, চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ও জেনারেল কার্গো বার্থসহ সব টার্মিনালেই অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। স্কপের যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল জানান, কর্মবিরতির কারণে কনটেইনার ও সাধারণ পণ্য ওঠানামা পুরোপুরি বন্ধ থাকায় বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। সমাবেশ শেষে মিছিলটি বন্দর অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির অভিযোগ করেন, সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে কর্তৃপক্ষ উল্টো দমন-পীড়ন ও বদলির মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
এদিকে চার দিন ধরে জেটিতে জাহাজ অপেক্ষমাণ থাকায় এবং পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিজিএমইএর সহসভাপতি সেলিমুর রহমান বলেন, এই অচলাবস্থার কারণে আমদানি ব্যয় বাড়ছে এবং পোশাক খাতের রপ্তানি শিডিউল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
জাতীয়
র্যাবের নাম পরিবর্তন করে রাখা হচ্ছে নতুন নাম
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ) রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নামের পরিবর্তনের পাশাপাশি বাহিনীটির পোশাকেও পরিবর্তন আনা হবে। শিগগিরই এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কোর কমিটির সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
নাম পরিবর্তনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, নামটির প্রতি মানুষের খারাপ ধারণা ছিল, মানুষের ইচ্ছেই ছিল এই নামটির পরিবর্তন হোক। মানুষের ইচ্ছে পূরণ করতেই র্যাবের নামের পরিবর্তন হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকেই র্যাবের কার্যক্রমে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। র্যাবের নামের পরিবর্তনের সাথে কাজেরও পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর পুলিশের মনোবল অনেক ভালোভাবে ফিরে এসেছে। আগের পুলিশ এখন আর নেই।
কোর কমিটি সভায় আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এবারের নির্বাচন খুবই সুষ্ঠু, উৎসবমুখর, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য হবে। নির্বাচনে মব হবে না বলে আশা করছি। সেভাবেই সব ধরনের চেষ্টা করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এমএন
জাতীয়
বাহিনীর সদস্যরা রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, কোস্ট গার্ড অথবা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো ব্যক্তি, দল বা রাজনৈতিক এজেন্ডার সঙ্গে জড়িত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁও কোস্ট গার্ডে সদর দপ্তরে আয়োজিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিরপেক্ষতার প্রশ্নে সরকার বিন্দুমাত্র শৈথিল্য দেখাবে না।
তিনি কোস্ট গার্ড সদস্যদের অবদান তুলে ধরে বলেন, উপকূলীয় এলাকা ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, ডাকাতি ও জলদস্যুতা দমনে কোস্ট গার্ড সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি নিয়মিত টহল কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্ঘটনাকবলিত নৌযান ও নাবিকদের উদ্ধার কার্যক্রমও সফলভাবে পরিচালনা করছে বাহিনীটি।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কোস্ট গার্ডের ভূমিকায় তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগে উপকূলীয় জনগণকে সচেতন করা, উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ, শীতবস্ত্র ও লাইফ জ্যাকেট বিতরণ এবং রোহিঙ্গা সংকট নিরসন কার্যক্রমে কোস্ট গার্ডের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সীমান্তবর্তী নদী এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে মানবপাচার, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ বাহিনীটির প্রশংসা করেছে এবং যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ জন সদস্যসহ সারাদেশে প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এরই মধ্যে ১০০টি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।
নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়ে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি, দল বা রাজনৈতিক এজেন্ডার সঙ্গে জড়িত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দুর্নীতিকে রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে এবং জনগণের আস্থা ধ্বংস করে।
অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৪০ জন কোস্ট গার্ড সদস্যদের পদক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এমএন
জাতীয়
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত কার্যকর করার দাবিতে ৩ দিনের কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।
সমন্বয় পরিষদ জানায়, আগামী ৩ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা তিন দিন সারা দেশের সব সরকারি দপ্তরে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মচারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এর পাশাপাশি চলমান গণকর্মবিরতি কর্মসূচিও অব্যাহত থাকবে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করা হবে। নেতারা জানান, সরকার দাবি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আন্দোলনের পরিসর আরও বাড়ানো হবে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত সাত বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা বেতন কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর লক্ষাধিক কর্মচারীর অংশগ্রহণে বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলেও ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের যে প্রত্যাশা ছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ২১ জানুয়ারি কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হলেও গেজেট প্রকাশ না করে নতুন কমিটি গঠনের কথা বলে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এতে কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
এ ছাড়া জ্বালানি উপদেষ্টার এক সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়েও সমাবেশে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। বক্তারা দাবি করেন, ওই মন্তব্যে বলা হয়েছিল বর্তমান সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন ঠেকাতেই কমিশন গঠন করা হয়েছিল। এমন বক্তব্য প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে গভীর হতাশা সৃষ্টি করেছে।
সমন্বয় পরিষদের নেতারা বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ধারাবাহিক কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এমএন



