ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক শিক্ষার্থী ও সাহসী জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে আগামীকাল ঢাবিতে শোক দিবস পালন করা হবে।
এ কারণে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান ইউনিটের প্রথম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে আগামীকাল শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক দিবস পালন করা হবে। সাহসী জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি এবং ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব জুলাই যোদ্ধা ও শহীদের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে আগামীকাল অনুষ্ঠেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান ইউনিটের প্রথম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, স্থগিত ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি শিগগির ঘোষণা করা হবে।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে দুই কলেজের নামকরণ
ঢাকা ও ফেনীর দুটি কলেজের নাম পরিবর্তন করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে টাঙ্গাইল ও রাজশাহীর আরও দুটি কলেজের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শন দপ্তর থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত বছরের ২৯ ডিসেম্বরের নির্দেশনার আলোকে অধিভুক্ত চারটি বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকার মিরপুরের পল্লবী মহিলা ডিগ্রি কলেজের নাম পরিবর্তন করে শহীদ জিয়া মহিলা কলেজ রাখা হয়েছে। ফেনীর ফুলগাজী মহিলা কলেজের নতুন নাম হয়েছে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ।
এ ছাড়া, টাঙ্গাইলের বাসাইল ডিগ্রি কলেজের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বাসাইল এমদাদ হামিদা কলেজ এবং রাজশাহীর বাগমারার সালেহা-ইমারত ডিগ্রি কলেজের নতুন নামকরণ করা হয়েছে সাঁকোয়া কলেজ।
প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট সব অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ পেলেন ১১ হাজার ৭১৩ জন
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭ম বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে ১১ হাজার ৭১৩ জনকে নিয়োগ সুপারিশ করা হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সুপারিশ প্রকাশ করে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. আমিনুল ইসলাম।
সুপারিশ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ৪ জানুয়ারি প্রকাশিত ৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তির (বিশেষ) আওতায় নিবন্ধনধারী প্রার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রার্থীদের মেধাক্রম, পছন্দক্রম ও প্রতিষ্ঠানের চাহিদার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শূন্যপদে প্রথম প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের করা হয়েছে।
নিয়োগ সুপারিশকৃত প্রার্থীদের ফলাফল এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) ৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)- ২০২৬ নামক সেবা বক্সে এবং http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে পাওয়া যাবে।
নির্বাচিত প্রার্থীগণ স্ব স্ব ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Login করে ফলাফল দেখতে পারবেন।
একইভাবে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ তাদের স্ব স্ব ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে তার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত প্রার্থীগণের তথ্য দেখতে পাবেন।
কোন নির্বাচিত প্রার্থী কিংবা প্রতিষ্ঠানপ্রধান টেকনিক্যাল কারণে SMS না পেলে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের ৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)- ২০২৬ সেবা বক্স থেকে ফলাফল দেখতে পারবেন।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ডাকসু থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সর্বমিত্র চাকমার
হাটাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সর্বমিত্র চাকমা। একইসঙ্গে কান ধরে ওঠবসের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ৪৪ মিনিটে নিজের ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, কারো প্রতি ক্ষুব্ধ বা অভিমানবশত নয়। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আমি সে প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হইনি। প্রশাসনের অসহযোগিতা ও ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি লিখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাঠটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ একটি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিয়েছে। বহিরাগত ব্যক্তিদের দ্বারা প্রায় নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটে, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপদ পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সর্বমিত্র লিখেন, ‘উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বারবার প্রশাসনকে অবগত করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি, এমনকি বহিরাগতদের প্রবেশ রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘস্থায়ী নীরবতা ও অসহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।’
তিনি আরও লিখেন, ‘বহিরাগতরা নিয়মিতভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিপরীত পাশের দেয়াল টপকে প্রবেশ করে। তাদের একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা তা অগ্রাহ্য করেছে। নিষেধ করতে গেলে তারা উল্টো স্টাফদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুঁড়ে পালিয়ে যায়— যা একটি চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির ইঙ্গিত বহন করে। এমন বাস্তবতায় শিক্ষার্থীরা বারবার অভিযোগ জানালেও কার্যকর সমাধান না আসায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক ক্রমেই বাড়তে থাকে।’
সর্বমিত্র চাকমা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের কান ধরে ওঠবস করাতে বাধ্য হই। এটি কোনোভাবেই আমার প্রত্যাশিত বা কাম্য আচরণ ছিল না। আমি স্বীকার করছি— এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
১৩ জেলার প্রাথমিকের ভাইভার সূচি প্রকাশ
দেশের ১৩ জেলায় প্রাথমিকের ভাইভার সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে মৌখিক পরীক্ষার এই সময়সূচি প্রকাশ করে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এসব জেলায় আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রের মূল কপি সঙ্গে রাখার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
এর আগে বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে সারা দেশে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী।
ভাইভা তারিখ ঘোষিত জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- গাজীপুর, রাজশাহী, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, মাগুরা, যশোর, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ঠাকুরগাঁও, বরিশাল, মানিকগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলার প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত যেকোনো হালনাগাদ তথ্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ–২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, যেসব জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি, সেখানে একাধিক বোর্ড গঠন করে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারেই এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনকালে জমা দেওয়া ছবি, আবেদনপত্রের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র অথবা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরের প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদ দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান কোটায় আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেট এবং সম্পর্ক সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। এছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের সমাজসেবা অধিদপ্তরের সনদ এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসকের সনদ জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
সব কাগজপত্র ন্যূনতম ৯ম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত করে আগামী ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর প্রার্থীদের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং একই সঙ্গে মূল কাগজপত্র প্রদর্শন করতে হবে।
মৌখিক পরীক্ষার দিন প্রার্থীদের সব মূল সনদ, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। সাক্ষাৎকারের নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থান সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন।
এমকে



