আন্তর্জাতিক
জাপানে ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
উত্তর জাপানের উপকূলে ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দেশটির আবহাওয়া বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।
কয়েক দিন আগেই একই অঞ্চলে ৭.৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে অন্তত ৫০ জন আহত হয়।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা শুরুতে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ৬.৫ হিসেবে জানিয়েছিল, পরে তা সংশোধন করে ৬.৭ মাত্রা নিশ্চিত করে।
সংস্থাটি উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে সর্বোচ্চ এক মিটার (তিন ফুট) উচ্চতার সুনামি ঢেউ আঘাত হানতে পারে বলে সতর্ক করেছে।
জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় নিয়মিতভাবেই ভূমিকম্পের সম্মুখীন হয়। ২০১১ সালে ৯ দশমিক ১ মাত্রার তোহোকু ভূমিকম্প ও সুনামি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। এতে ২২ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা দাইইচি পারমাণবিক কেন্দ্রে চুল্লি গলে ভয়াবহ তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে।
আন্তর্জাতিক
তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, প্রাণহানি বেড়ে ৩০
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী তুষারঝড়ে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে টেক্সাস থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ভারী তুষারপাত, জমাট বরফ ও তীব্র ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দফতর (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, দেশের পূর্বাংশের বড় একটি অংশে আগামী কয়েক দিন ‘হিমশীতল বাতাস’ ছড়িয়ে পড়বে। অনেক এলাকায় শূন্য ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে এবং রেকর্ড পরিমাণ ঠান্ডা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ফেব্রুয়ারির শুরু পর্যন্ত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম তাপমাত্রা থাকতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
এদিকে, ঝড়ের প্রভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সারা দেশে ৬ লাখ ৭০ হাজারের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন ছিলেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলে।
এ পরিস্থিতিতে ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপি জানিয়েছে, চলমান চরম শীত ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের কারণে অক্সফোর্ড ক্যাম্পাসে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্লাস বন্ধ থাকবে।
এছাড়া শীতকালীন ঝড়ে ভ্রমণ ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত হয়েছে। রোববার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সাড়ে ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। সোমবারও প্রায় ৫ হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
প্রথমবারের মতো ৫ হাজার ডলার ছাড়ালো সোনার দাম
ইতিহাসে প্রথমবার সোনার দাম ৫ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে সোনা মজুতের দিকে ঝুঁকছেন। এতে সোনার দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। খবর রয়টার্সের।
সোমবার সোনার দাম প্রতি আউন্সে রেকর্ড পাঁচ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। স্পট গোল্ড প্রতি আউন্স ১.৭৯ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৭১ দশমিক ৯৬ ডলার দাঁড়িয়েছে।
২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ধাতুর দাম ৬৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতি শিথিল হওয়ার প্রত্যাশা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর বাড়তি চাহিদা এবং এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) রেকর্ড বিনিয়োগ। বিশেষ করে ডিসেম্বরে চীনের সোনা কেনার ধারা টানা ১৪ মাস ধরে অব্যাহত ছিল। এদিকে চলতি বছর এখন পর্যন্ত সোনার দাম ১৭ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
ক্যাপিটাল ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক কাইল রোডা বলেন, মার্কিন প্রশাসন এবং মার্কিন সম্পদের ওপর আস্থার সংকট বিশেষ করে গত সপ্তাহে ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু অনিয়মিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
মেটালস ফোকাসের পরিচালক ফিলিপ নিউম্যান বলেন, সোনার দামে আমরা আরও ঊর্ধ্বগতির আশা করছি। আমাদের বর্তমান পূর্বাভাস অনুসারে, চলতি বছরের শেষের দিকে দাম প্রায় পাঁচ হাজার ৫০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। স্পট রুপার দাম ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১০৭ দশমিক ৬৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। স্পট প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২ হাজার ৮৫৭ দশমিক ৪১ ডলারে পৌঁছেছে। অপরদিকে স্পট প্যালাডিয়ামের দাম তিন দশমিক দুই শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২ হাজার ৭৪ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছেছে।
এমকে
আন্তর্জাতিক
চীনের উপর নির্ভরতা কমাতে ভারতের দিকে ঝুঁকছে ইইউ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির প্রভাবে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) একটি বড় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির দিকে এগোচ্ছে। একে উভয় পক্ষই ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ বলে উল্লেখ করছে। আগামী সোমবার ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা লিয়েন ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
বিবিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক অচলাবস্থা এবং ট্রাম্পের উচ্চ শুল্কের কারণে ভারত বিকল্প অংশীদার খুঁজছে। একইভাবে ইউরোপও চীনের উপর নির্ভরতা কমাতে ভারতের দিকে ঝুঁকছে।
আগামী ২৭ জানুয়ারি দুই পক্ষের শীর্ষ বৈঠকে চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে। এটি হলে গত দুই দশকের আলোচনার অবসান ঘটবে।
এই চুক্তি কার্যকর হলে এটি হবে চার বছরে ভারতের নবম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। অন্যদিকে ইইউ এর আগেও জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে এমন চুক্তি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অর্থনৈতিক দিকের মতোই বড়। এতে ভারতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব কমবে এবং ইউরোপের জন্য নির্ভরযোগ্য বাজার তৈরি হবে। তবে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। যেমন- মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, কার্বন কর ও কৃষিপণ্য। এসব বিষয় ধাপে ধাপে সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদে এই চুক্তি উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন ভারসাম্য তৈরি করবে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ তুষারঝড়: ১৬ রাজ্যে জরুরি অবস্থা, বাতিল ৮ হাজারের বেশি ফ্লাইট
টেক্সাস থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার মাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এ ঝড়টি জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এ পরিস্থিতিকে আবহাওয়াবিদরা ‘বিপজ্জনক’ ও ‘বিপর্যয়কর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। ১৬টি অঙ্গরাজ্যে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা।
আমেরিকার এক বিশাল অংশ এখন এক ভয়াবহ তুষারঝড় ও হাড়কাঁপানো ঠান্ডার কবলে। টেক্সাস থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার মাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এ ঝড়টি জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এ পরিস্থিতিকে আবহাওয়াবিদরা ‘বিপজ্জনক’ ও ‘বিপর্যয়কর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। ১৬টি অঙ্গরাজ্যে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। খবর সিএনএন।
সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘আইস স্টর্ম’ বা বরফ বৃষ্টি। দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্যগুলোয় গাছের ডাল ও বিদ্যুতের লাইনের ওপর ভারী বরফ জমে তা ছিঁড়ে পড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়তে পারেন এবং বিদ্যুৎ ফিরতে কয়েক দিন সময় লেগে যেতে পারে।
ভয়াবহ এই ঝড়ের কারণে এরইমধ্যেই আট হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সড়কগুলোয় বরফ জমে পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় গাড়ি চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকার এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
আগামী এক সপ্তাহে আমেরিকার অর্ধেকের বেশি মানুষ শূন্য ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা অনুভব করবেন। এই চরম ঠান্ডার কারণে জমে থাকা তুষার ও বরফ সহজে গলবে না। এতে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতি চরম কষ্টদায়ক হয়ে ওঠবে।
মার্কিন আবহাওয়া দপ্তর বরফের পুরুত্ব অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতির একটি ধারণা দিয়েছে। বলা হয়েছে, সামান্য স্তরের বরফের কারণে রাস্তাঘাট পিচ্ছিল ও যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। দশমিক ২৫ ইঞ্চি বা তার বেশি পুরুত্বের বরফের কারণে গাছের ডাল ভাঙে এবং বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। আবার, দশমিক ৫ ইঞ্চি বা তার বেশি পুরুত্বের বরফ ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সৃষ্টি করতে পারে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে ৭ জন নিহত, নিখোঁজ ৮২
ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলে ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৮২ জন। দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি এ তথ্য জানিয়েছেন। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এর আগে গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা, পশ্চিম সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যায় এক হাজার ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়।
দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি বলেন, নিখোঁজের সংখ্যা অনেক বেশি। আজ আমরা অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম সর্বোচ্চভাবে চালানোর চেষ্টা করবো।
ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম কম্পাস জানায়, শনিবার ভোরের দিকে পশ্চিম বান্দুংয়ের পাসিরলাঙ্গু গ্রামে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।
কম্পাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাউন্ট বুরাংরাংয়ের ঢাল থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোত ও আলগা মাটি প্রায় ৩০টি বাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে, যখন অধিকাংশ বাসিন্দা ঘুমিয়ে ছিলেন। কম্পাস আরও জানায়, নিহত ও আহতের সংখ্যা নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া এখনও চলমান এবং সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভারী বৃষ্টিতে এলাকাটি প্লাবিত ছিল।
আরও দুর্ঘটনার আশঙ্কায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কম্পাসের মতে, ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা প্রায় ৩০ হেক্টর (৭৪ একর) জুড়ে বিস্তৃত। সংবাদ অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা শুক্রবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিসহ চরম আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল।
জাকার্তাভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আন্তারা জানায়, চিতারুম ও চিবিত নদীর পানি উপচে পড়ায় পশ্চিম জাভার কারাওয়াং জেলার ৩০টি উপ-জেলার মধ্যে ২০টিতে বন্যা দেখা দিয়েছে। আন্তারার প্রতিবেদনে বলা হয়, নদীর কাছাকাছি বসবাসকারী বাসিন্দাদের দ্রুত সরে যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আন্তারা আরও জানায়, দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির মধ্যে পূর্ব জাকার্তায় বন্যার কারণে শত শত মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
শনিবারের এই দুর্যোগের আগে গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা, পশ্চিম সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যায় এক হাজার ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন।
এমকে



