কর্পোরেট সংবাদ
বিএপিএলসির নতুন সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ, সহ-সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ
বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পাবলিকলী লিষ্টেড কোম্পানীজের (বিএপিএলসি) ২০২৬-২০২৭ কার্যকালের জন্য নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে। সংগঠনের নির্বাচন বিধিমালা ও তফসিল অনুসারে এবং নির্বাচন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ মাহমুদ সভাপতি এবং সায়হাম কটন মিল্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
বিএপিএলসি দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অন্যতম শীর্ষ ও প্রভাবশালী বাণিজ্যিক সংগঠন। সম্প্রতি বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- দেশ গার্মেন্টসের চেয়ারম্যান রোকেয়া কাদের, আমরা নেটওয়ার্কসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ ফরহাদ আহমেদ, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. নুরুন নেওয়াজ, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংকের ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুস, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. ইমাম শাহীন, গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফারজানা চৌধুরী, এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলসের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আহমেদ, এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হুমায়ূন রশিদ, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক জিয়াদ রহমান, রবি আজিয়াটার পরিচালক শরীফ শাহ জামাল রাজ, পিপলস ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান জাফর আহমেদ পাটওয়ারী, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক মো. শরীফ হাসান, সামিট পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল ইসলাম আখন্দ, রংপুর ফাউন্ড্রির পরিচালক চৌধুরী কামরুজ্জামান, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান তারেক, জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উজ্জ্বল কুমার সাহা এবং ই-জেনারেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল এমরান।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
এসবিএসি ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন
এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির বার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার (২৩ ও ২৪ জানুয়ারি) গাজীপুরের সারাহ রিসোর্টে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেসুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস.এম. মঈনুল কবীর।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ আইয়ুব, একেএম দেলওয়ার হুসেন এফসিএমএ ও মেজর জেনারেল (অব.) শাহেদুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর মো. মাকসুদুর রহমান সরকার এবং জিয়াউর রহমান জিয়া। বিজনেস সেশন পরিচালনা করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন ভুঁইয়া। সম্মেলনে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক এবং উপশাখার ইনচার্জবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, এসবিএসি ব্যাংকের ২০২৫ সাল শেষে আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং ঋণ দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা। বর্তমানে ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ৮২৪ কোটি টাকা।
সম্মেলনে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকিং খাত গতকয়েক বছরে চলমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এসবিএসি ব্যাংক সেসব সীমাবদ্ধতা মোকাবেলা তার আর্থিক সূচক স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের ব্যাংকে কোনো তারল্য সমস্যা হয়নি, এ জন্য গ্রাহক তার চাহিদামতো অর্থ উত্তোলন করতে পেরেছে। এসবিএসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করায় আর্থিক সূচকে টেকসই অগ্রগতি অর্জন করেছে। যার ফলশ্রুতিতে চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক হয়েও আমরা আর্থিকসূচকগুলোতে ভালো একটা ভিত গড়তে সক্ষম হয়েছি।’
তিনি জানান, ‘পর্ষদের পক্ষ থেকেও আমরা সবধরণের নীতি ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা দিয়ে আসছি। আমরা মুনাফা অর্জনকে বড় করে না দেখে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ব্যাংকিং নিয়মাচার পরিপালনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি ব্যাংকের আমানত সুরক্ষা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংকারদের গতানুগতিক ধ্যানধারনা থেকে বেরিয়ে এসে উদ্যোক্তা তৈরির মনোভাব নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। যাতে সমাজে ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। আমরা কৃষি, এসএমই, নারীউদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার দিতে দিতে চাই। পাশাপাশি রেমিট্যান্স আহরণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যেও সমান গুরুত্বারোপ করতে হবে। আমরা গ্রাহকের সন্তুষ্টিকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে থাকি।’
মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমানতকারীরাই ব্যাংকের প্রকৃত মালিক, আমরা শুধুমাত্র তাদের স্বার্থ রক্ষায় আমানতদারিতার সঙ্গে কর্তব্য পালন করছি।’ সম্মেলনে শরিয়াহ যথাযথ পালনে এসবিএসি ইসলামী ব্যাংকিং সেবার পরিসর বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস.এম. মঈনুল কবীর বলেন, নতুন বছরে এসবিএসি ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতার শক্তভিত গড়ে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেওয়া হবে। আমরা রিটেইল ব্যাংকিং ও কার্ড বিজনেসকে মূল ফোকাস রেখে প্রত্যেক সূচকে উন্নতির জন্য অ্যাসেট কোয়ালিটি বৃদ্ধি করা হবে। তিনি ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় গ্রাহকবান্ধব সর্বোচ্চ আধুনিকায়নের উদ্যোগ এবং তরুণ প্রজন্মকে ব্যাংকিং সেবায় অন্তর্ভুক্ত করার কৌশলের ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, এসবিএসসি ব্যাংক দ্রুততম সময়ের মধ্যে সারাদেশে ৯০টি শাখা ও ৩২টি উপশাখা এবং এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ৩৭টি আউটলেটের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
সাউথইস্ট ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন
সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির ‘বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান এম. এ. কাশেম। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খালিদ মাহমুদ খান।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারপারসন রেহানা রহমান। এছাড়াও পরিচালকবৃন্দের মধ্যে জুসনা আরা কাশেম, দুলুমা আহমেদ, নাসির উদ্দিন আহমেদ, খন্দকার বদরুল হাসান, নূর নাহার তারিন এবং মো. রফিকুল ইসলাম (এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মনোনীত) অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে, ২০২৫ সালে ব্যাংকের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা পর্যালোচনা করা হয়েছিল এবং সন্তুষ্টির অনুভূতি প্রকাশ করা হয়েছিল। ২০২৬ সালের জন্য একটি সুসংগঠিত কৌশলগত ব্যবসায়িক নীতি এবং পরিকল্পনা তৈরির উপর আলোকপাত করা হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীরা সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রগুলি অনুসন্ধান করেন এবং ব্যাংককে আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এছাড়াও, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান, শাখা প্রধান, ব্যবস্থাপক অপারেশন এবং সংশ্লিষ্ট শাখার বিভাগীয় প্রধান, উপ-শাখা প্রধান এবং অবসর ব্যাংকিং ইউনিটের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন, যা এই অনুষ্ঠানকে জ্ঞান ভাগাভাগি এবং সহযোগিতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
মুহূর্তেই পদ্মাসেতুর টোল পরিশোধ করা যাচ্ছে নগদের মাধ্যমে
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের সাথে সাথে নগদের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন মানুষকে আরো বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন উপহার দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার পদ্মাসেতু পারাপারে যাত্রীরা টোল পরিশোধ করতে পারবেন নগদের মাধ্যমে।
এখন থেকে নগদ গ্রাহকেরা তাদের নগদ ওয়ালেট দিয়ে নিমিষেই পদ্মাসেতুর টোল পরিশোধ করতে পারবেন। সম্প্রতি অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের ‘এক পে’ (ঊশচধু) প্ল্যাটফর্মের ইন্টারঅপারেবল টোল পেমেন্ট সিস্টেম ডি-টোলের সাথে নগদ যুক্ত হয়ে গ্রাহকদের জন্য এই সুবিধা নিয়ে এসেছে।
নগদের মাধ্যমে টোল পরিশোধ করতে গ্রাহককে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। প্রথমে একজন নগদ গ্রাহককে নগদ অ্যাপের টোল অপশনে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করতে নগদ অ্যাপে লগইন করে টোল অপশন বাছাই করতে হবে। এরপর ট্যাপ টু ইউজ অপশন বাছাই করে রেজিস্টার অপশনে ক্লিক করে নিজের নাম লিখতে হবে এবং টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন্স-এ ক্লিক করে সাবমিট করতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে গ্রাহককে নগদ ওয়ালেট অ্যাটাচ অপশন ক্লিক করে অ্যাকসেপ্ট অপশনে ক্লিক করতে হবে এবং নিজের নগদ ওয়ালেট নম্বর প্রদান করতে হবে। এরপর গ্রাহক একটি ওটিপি পাবেন, যা প্রদান করতে হবে এবং নগদ পাসওয়ার্ড প্রদান করে ওয়ালেট অ্যাটাচ সম্পন্ন করতে হবে। তৃতীয় ধাপে টপ আপ অপশনে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত অঙ্ক বসিয়ে টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন্স-এ ক্লিক করে সাবমিট করলে টপ আপ সম্পন্ন হবে।
টোল প্রদানে নিজের যানবাহন নগদ ওয়ালেটে যুক্ত করতে যানবাহনের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে এবং ইয়েস (হ্যাঁ) অপশনে ট্যাপ করে ওটিপি প্রদান করতে হবে এবং সাবমিট করতে হবে। এসব প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে এরপর থেকে খুব সহজে নগদের মাধ্যমে পদ্মাসেতুর টোল প্রদান করা যাবে।
পাশাপাশি গ্রাহকেরা তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর মাওয়া টোল প্লাজায় বিআরটিএ অনুমোদিত আরএফআইডি ট্যাগ যাচাই করে নিতে হবে। নতুন বা প্রথম নিবন্ধন করা গ্রাহকদের একবার এই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করতে হবে। এরপর পদ্মাসেতুর ইটিসি লেন ব্যবহার করে পারাপারের সময় নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ করে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা।
নগদের এই সেবার মাধ্যমে যাতায়াত এখন আরো দ্রুত, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং কোনো ধরনের অপেক্ষা ছাড়া পদ্মাসেতু পারাপার করা যাবে। এরফলে আগে যে ছোটখাটো যানজটে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হতো, এখন আর সেই সমস্যাও থাকবে না নগদের মাধ্যমে টোল পরিশোধ করার মাধ্যমে। এবিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য নগদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ বা ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
অভিযোগ জানাতে বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো ‘সেলফ কমপ্লেইন্ট’
এখন বিকাশ অ্যাপ থেকেই গ্রাহক নিজেই বিকাশ টু ব্যাংক, সেভিংস, মোবাইল রিচার্জ ও পে বিল সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন সহজেই। অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ, তাৎক্ষণিক ও কার্যকর করতে সম্প্রতি বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হয়েছে ‘সেলফ কমপ্লেইন্ট (ই-সিএমএস)’ সেবা।
অভিযোগ জানানোর পর এ সংক্রান্ত সর্বশেষ অগ্রগতির তথ্যও জানার সুযোগ থাকবে এই সেবায়। কয়েকটি সহজ ধাপেই অভিযোগ জানানো এবং পরে এর অগ্রগতি জেনে নেয়ার এই স্বয়ংক্রিয় সেবা বিকাশ গ্রাহককে আরও সক্ষমতা দেবে, পাশাপাশি দ্রুত সেবা পাওয়াকেও নিশ্চিত করবে।
বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে প্রথমে হোম স্ক্রিনের মেন্যু থেকে ‘গ্রাহক সেবা’ সিলেক্ট করে ‘কমপ্লেইন্ট’ অপশনে যেতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট সেবার ধরন বেছে নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সাবমিট করলেই অভিযোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এছাড়া, ‘কমপ্লেইন্ট’ সেকশনের ‘পূর্ববর্তী অভিযোগ দেখুন’ অপশনে ট্যাপ করে গ্রাহক নিজেই দেখে নিতে পারবেন আগে করা অভিযোগগুলোর বিষয়ে কী অগ্রগতি হয়েছে।
এই সেবাটি ব্যবহারের জন্য নিজস্ব বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে এবং শুধুমাত্র নিজের লেনদেন সংক্রান্ত সমস্যাই জানানো যাবে। গ্রাহকের মূল্যবান সময় বাঁচানো এবং দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করাই এই সেবার মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, নতুন এই সেবার পাশাপাশি লাইভ চ্যাট, ১৬২৪৭ এবং গ্রাহকসেবা কেন্দ্রেও অভিযোগ জানানোর সুযোগ আগের মতোই চালু রয়েছে।
এমকে



