জাতীয়
গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের পরিচয় শনাক্তে মরদেহ তোলা হবে আজ (রোববার)। রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থান থেকে মরদেহগুলো তোলার পর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রোববার সকাল থেকে সেখানে কাজ শুরু করবে সিআইডি। মরদেহগুলো তোলার পর ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা নিয়ে আবার যথাযথ প্রক্রিয়ায় দাফন করা হবে।
সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ শহীদদের মরদেহ তোলার আগে রায়েরবাজার স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে এ নিয়ে ব্রিফিং করবেন। সেখানে উপস্থিত থাকবেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ লুয়িস ফনডিব্রাইডার, ফরেনসিক অ্যানথ্রোপোলজিস্ট ও ফরেনসিক কনসালট্যান্ট।
জানা গেছে, যে জায়গায় শহীদদের দাফন করা হয়েছে, সেই জায়গা সিটি করপোরেশনের বিশেষ উদ্যোগে মার্বেল পাথর, টাইলস দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। রায়েরবাজার কবরস্থানে জুলাই আন্দোলনে অজ্ঞাতনামা শহীদদের মরদেহ উদ্ধারে কবরস্থান এলাকায় তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে।
গত ৪ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দেন। পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে আবেদনটি করেন মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহিদুল ইসলাম।
জাতীয়
উপদেষ্টা পরিষদে ১১ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ ও নীতি অনুমোদন
উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ, প্রস্তাব ও নীতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ বৈঠকে মোট ১৩টি প্রধান এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে মোট ১৩টি প্রধান এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ১১টি এজেন্ডা চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পেয়েছে এবং দুটি অধ্যাদেশের খসড়া আরও পর্যালোচনার জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে।
উপদেষ্টা পরিষদ বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল আইন (রোহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬; নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬; বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬; জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬; ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬; বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড অধ্যাদেশ, ২০২৬ এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
এ ছাড়া তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়াও উপদেষ্টা পরিষদে নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে।
বৈঠকে আরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স (এমএলএ) চুক্তির খসড়া; বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (বিজিইপিএ) স্বাক্ষরের প্রস্তাব এবং জাতীয় পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালা, ২০২৬।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোট গ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারির সরকারি ছুটির পাশাপাশি ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) নীতি, ২০২৬-এর খসড়া আরও পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানান তিনি।
জাতীয়
নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে চট্টগ্রাম–কুমিল্লা পরিদর্শনে সেনাপ্রধান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় মোতায়েনরত সেনাসদস্যদের পরিদর্শনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে, সেনাবাহিনী প্রধান চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান এবং অসামরিক প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় করেন।
সফরকালে, সেনাপ্রধান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার, বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় করেন এবং পরবর্তীতে, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুরূপ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময়কালে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। সেনাপ্রধান পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শনকালে, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; কমান্ড্যান্ট, ইবিআরসি; এ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল; জিওসি, ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া এবং সেনাসদর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দের পাশাপাশি বিভাগীয় কমিশনার ও অসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি বাড়াল সরকার
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জুলাই সনদের ওপর একইদিন অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এই নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে, তা আগেই জানানো হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে। এবার এই ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নতুন এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আর ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে।
প্রেস সচিব বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়। আজকে কেবিনেট বৈঠকে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ও ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ও কর্মচারীদের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রমিকরা তিনদিন ছুটি পাবেন।
এমকে
জাতীয়
ইসলামপন্থি দলগুলোতে প্রার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে বড়ো আকারে: টিআইবি
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামপন্থি দলগুলোতে প্রার্থীদের সংখ্যা বড়ো আকারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, নির্বাচনে মোট প্রার্থীর ৩৬ শতাংশের বেশি ইসলামপন্থি দলগুলোর। বিগত পাঁচটি নির্বাচনের মধ্যে এই হার সর্বোচ্চ।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত ‘হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ এবং কেওয়াইসি ড্যাশবোর্ড উন্মুক্তকরণ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় সংস্থাটি।
টিআইবি জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী ১৯৮১ জন। প্রথমবার নির্বাচন করছেন ১৬৯৬ জন। এতে ১৩ শতাংশ স্বতন্ত্র, ৮৭ শতাংশ রাজনৈতিক দলের প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া ৩৬ শতাংশ ইসলামী দলের প্রার্থী প্রায় ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক পাস। প্রার্থীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশ ব্যবসায়ী।
টিআইবি জানায়, নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে রাজনীতিকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী। প্রার্থীদের মধ্যে বছরে ১ কোটি টাকা আয় করেন এমন প্রার্থী সংখ্যা ১২৪ জন। ১০০ কোটি টাকার বেশি অস্থাবর সম্পদ আছে এমন প্রার্থী ১৩ জন।
কোটিপতি প্রার্থীদের তালিকা করেছে টিআইবি। কোটিপতি প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির রয়েছেন ৭১ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রার্থী, জামায়াতের ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ প্রার্থী, জাতীয় পার্টির ১৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ প্রার্থী, এনসিপির ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ প্রার্থী রয়েছেন। একশ কোটি টাকা মালিক রয়েছেন ২৭ জন প্রার্থী।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৫৩০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা আছে, যা মোট প্রার্থীর ২২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এ ছাড়া মোট প্রার্থীর সাড়ে ২৫ শতাংশ ঋণগ্রস্ত বলেও জানিয়েছে টিআইবি।
এমকে
জাতীয়
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে আসছে কমনওয়েলথের দল
ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট এইচ ই নানা আকুফো-আদোর নেতৃত্বে বাংলাদেশে আসছে কমনওয়েলথের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি পর্যবেক্ষক দল। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই চার্টারের ওপর অনুষ্ঠিতব্য গণভোট পর্যবেক্ষণ করবেন তারা।
গতকাল বুধবার লন্ডনে এক ঘোষণায় এ কথা জানান কমনওয়েলথের মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আমাদের দল মোতায়েনের মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মৌলিক গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করছি। বাংলাদেশে আমাদের উপস্থিতি কেবল পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব থেকেই পরিচালিত নয়, বরং এই গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা সমুন্নত রাখার প্রতিশ্রুতির অংশ।
কমনওয়েলথ মহাসচিব আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতিতে নতুন বছরের শুরুতে নিজেদের সময় দেবার জন্য এই বিশিষ্ট কমনওয়েলথ নাগরিকদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
প্রতিনিধি দলের প্রধান আকুফো-আদোর সঙ্গে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, আইন, গণমাধ্যম, জেন্ডার ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা যোগ দেবেন। পর্যবেক্ষক দলকে সহায়তা করবে কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট -এর একটি দল, যার নেতৃত্বে থাকবেন ইলেক্টোরাল সাপোর্ট সেকশনের প্রধান ও উপদেষ্টা লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজ।
কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের ম্যান্ডেট হলো নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা এবং নির্বাচন ও গণভোট বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না—সে বিষয়ে একটি স্বাধীন মূল্যায়ন প্রদান করা। দলটি বাংলাদেশের জাতীয় আইনসহ যেসব মানদণ্ডে বাংলাদেশ নিজেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করেছে, তার আলোকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিচালনা সম্পর্কে প্রতিবেদন দেবে।
মিশন সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যবেক্ষক দল তাদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশসম্বলিত একটি প্রতিবেদন কমনওয়েলথ মহাসচিবের কাছে জমা দেবে। পরবর্তীতে এই প্রতিবেদন বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলসমূহ, সকল কমনওয়েলথ সরকার এবং সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে।



