Connect with us

অর্থনীতি

আকিজ গ্রুপের নতুন সিওও মোস্তাফিজুর রহমান

Published

on

ডিএসই

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ কনগ্লোমারেট আকিজ গ্রুপ তাদের ইলেকট্রনিক্স বিভাগে দ্রুতগতির সম্প্রসারণ, পণ্য বৈচিত্র্য এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে নতুন চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, বহুমাত্রিক দক্ষতা এবং বাজার-চালিত কৌশল বাস্তবায়নে তার সুনাম আকিজ গ্রুপের রূপান্তর-যাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

নতুন দায়িত্বে তিনি আকিজ ইলেকট্রনিক্স ডিভিশনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য একটি বিস্তৃত রোডম্যাপ নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার অধীনে গ্লোবাল পার্টনারশিপ সম্প্রসারণ, নতুন প্রযুক্তি ও পণ্যের উন্নয়ন এবং SKD/CKD-ভিত্তিক স্থানীয় ম্যানুফ্যাকচারিং সক্ষমতা দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। পাশাপাশি উৎসবস্ত্র সংগ্রহ, মূল্য নির্ধারণ, বিতরণ নেটওয়ার্ক, ব্র্যান্ড পজিশনিং এবং আফটার-সেলস সার্ভিসসহ পুরো অপারেশনাল চক্রকে তিনি কৌশলগতভাবে পরিচালনা করছেন, যা ভবিষ্যৎ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বৃদ্ধির লক্ষ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আকিজে যোগদানের আগে মোস্তাফিজুর রহমান AUX RAC-এর কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে স্বল্প সময়েই বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া তার অন্যতম বড় সাফল্য। শক্তিশালী সেলস প্ল্যানিং, চ্যানেল ডেভেলপমেন্ট ও কাস্টমার-ড্রিভেন কৌশল প্রণয়নে তার দক্ষতা প্রতিষ্ঠানের বাজার অবস্থানকে দ্রুত শক্তিশালী করে। AUX-এর মতো প্রতিযোগিতাপূর্ণ সেক্টরে এমন অর্জন তার নেতৃত্বগুণ এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতারই প্রমাণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে Zaynax Group-এ ক্যাটাগরি হেড হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অ্যানালিটিক্স, পূর্বাভাস, ভেন্ডর ম্যানেজমেন্ট ও ক্যাটাগরি পারফরম্যান্স উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখান। তার নেতৃত্বে বাজার-সমন্বয় সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, যা সংগঠনের একাধিক ক্যাটাগরিতে পারফরম্যান্স উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।

নিজের কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপেই তিনি দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টি, টেকসই গ্রোথ এবং বাজার-চালিত ইনোভেশনে বিশ্বাসী। কৌশলগত নেতৃত্ব, অপারেশনাল দক্ষতা এবং ভোক্তা-কেন্দ্রিক চিন্তাভাবনার সমন্বয় তার কাজের মূল ভিত্তি। সিওও হিসেবে তার নিয়োগ আকিজ গ্রুপের ইলেকট্রনিক্স ডিভিশনের ভবিষ্যৎ রূপান্তর পরিকল্পনাকে আরো সুদৃঢ় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আকিজ গ্রুপ ইতোমধ্যে দেশীয় ইলেকট্রনিক্স বাজারে নতুন করে নিজেদের অবস্থান গঠন করছে। এই প্রেক্ষাপটে মো. মোস্তাফিজুর রহমানের অভিজ্ঞতা প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং পণ্যের বৈচিত্র্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে- যা দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে নতুন প্রতিযোগিতামূলক ভারসাম্য তৈরি করতে পারে।

শেয়ার করুন:-

অর্থনীতি

ডিম-পেঁয়াজে স্বস্তি, চড়া দামে সবজি-মুরগি

Published

on

ডিএসই

চলতি মৌসুমের শুরুর দিকে সবজির সরবরাহ ভালো ছিল। বাজারদর ছিলো নাগালের মধ্যেই। কিন্তু গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সবজির দামের সেই চিত্র পাল্টে গেছে। বাজারে এখন প্রায় সব ধরনের সবজির দামই চড়া। সবজির সঙ্গে মুরগিও কিনতে হচ্ছে চড়া দামে। তবে ডিম ও মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকার কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মৌসুমের নতুন আলুর দাম খানিকটা বাড়তির দিকে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হওয়া এই আলু এখন বাজার ও মানভেদে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু আলুর দামই নয়, ফুলকপির দামও এখন চড়া। ছোট আকারের একেকটি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দামে। কয়েক দিন আগেও প্রতিটি ফুলকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এছাড়া লাউয়ের দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, শীত কমে এলেও সরবরাহ সেভাবে বাড়েনি। যে কারণে সবজির দাম কমছে না।

এদিকে বাজারে নানা জাতের বেগুন বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে মান ও জাতের বিবেচনায় কিছু বেগুন প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভালোমানের কিছু বেগুন বাজারভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিমের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। সাধারণ মানের সবুজ শিম প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। যা ক’দিন আগেও ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় নেমে এসেছিল। তবে ভালোমানের শিম বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। যা আগে ছিল ৫০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে। একইভাবে ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হওয়া দেশি লাউ এখন প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে বাজারভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।

তবে খানিকটা সহনীয় দামে বিক্রি হচ্ছে বাঁধাকপি। বড় আকারের প্রতি পিস বাঁধাকপি বাজারভেদে ৩৫ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভরা মৌসুম হলেও টমেটোর দাম এখনো চড়া। মান ও বাজারভেদে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। তবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গাজরের দাম খানিকটা কম। বাজারভেদে প্রতি কেজি গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে।

এদিকে, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। সেইসঙ্গে দামও বেশ কমেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ এখন ৫০ টাকা কেজি দরেও পাওয়া যাচ্ছে। তবে বেশিরভাগ ভ্যানগাড়ির বিক্রেতারা এই দামে বিক্রি করলেও মুদি দোকানগুলোতে মানভেদে মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে।

এছাড়া ফার্মের ডিমের দাম কমে ১১০ থেকে ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। তবে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বাজারে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকার মধ্যে। তবে সোনালি মুরগির দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২৪০ টাকা থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরা এলাকার মুরগি বিক্রেতা এনামুল হক বলেন, বছরের শুরুতে নানা অনুষ্ঠানের কারণে মুরগির চাহিদা বেড়েছে। এতে দামও কিছুটা বেড়েছে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

১৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ১.৭ বিলিয়ন ডলার

Published

on

ডিএসই

চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে এসেছে প্রায় ১.৭ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী মাসগুলোতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন ও রমজানকে কেন্দ্র করে পরিবারের বাড়তি খরচ মেটানো এবং দেশে অতিরিক্ত অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বাড়ে প্রবাসীদের মধ্যে। এর ফলে সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জানা গেছে, সর্বশেষ ডিসেম্বর মাসে দেশে প্রবাসী আয় হয়েছে ৩২২ কোটি ডলার, যা একক মাস হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় ৩২৯ কোটি ডলার ছিল, গত বছরের মার্চে। তখন ঈদুল ফিতরের সময় প্রবাসীরা বেশি অর্থ পাঠিয়েছিলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫ সালে দেশের মোট প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৮২ কোটি ডলার, যা প্রায় বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের সমান।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থ পাচার কমে যাওয়ায় অবৈধ হুন্ডি ব্যবসাও কমেছে। পাশাপাশি, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের বিনিময় হার কয়েক মাস ধরে স্থিতিশীল থাকার কারণে বৈধ পথে প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতিতে প্রবাহিত হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধের পর গত ৮ জানুয়ারি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩২ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার। চলতি মাসে আকুর বিল বাবদ ১৫৩ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ২৭ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

স্বর্ণের দামে ফের রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার

Published

on

ডিএসই

বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম সব রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এবার ভরিতে ২ হাজার ৬২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে, সবশেষ চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল ১৩ জানুয়ারি থেকে।

এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ৭ম বারের মতো সমন্বয় করা হলো সোনার দাম। যেখানে দাম ৫ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৬ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

Published

on

ডিএসই

চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) ৪ দশমিক ৬ শতাংশ হবে- এমন পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলেছে, পরের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশ্বব্যাংক বলছে, মানুষের ভোগ ব্যয় বাড়বে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমবে। এছাড়া ২০২৬ সালের শুরুতে জাতীয় নির্বাচন হলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমবে। এর পাশাপাশি নতুন সরকার এসে কাঠামোগত সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে। এতে শিল্পখাত শক্তিশালী করবে। এসব প্রত্যাশা করে বিশ্বব্যাংক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এসব কারণে সরকারি খরচ বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগও বাড়বে—মনে করছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশে এখন লক্ষ্যের চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি কঠোর করা হয়েছে। বাংলাদেশে ঋণের প্রবাহ কমেছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বাধা সৃষ্টি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।

সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে ভুটানে। দেশটিতে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। এর পরের স্থানে আছে ভারত। চলতি অর্থবছরে ভারতের প্রবৃদ্ধি হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ। এছাড়া শ্রীলঙ্কায় সাড়ে ৩ শতাংশ, নেপালে ২ দশমিক ১ শতাংশ, মালদ্বীপে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। তবে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের প্রবৃদ্ধির কোনো পূর্বাভাস দেয়নি বিশ্বব্যাংক।

এদিকে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক, অর্থাৎ গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির সাময়িক হিসাব দিয়েছে। বিবিএসের হিসাব অনুসারে, চলতি অর্থবছর প্রথম প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

সংস্থাটি জানায়, আগামী দুই বছর ধরে বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি ব্যাপকভাবে স্থিতিশীল থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে তা কমে ২ দশমিক ৬ শতাংশ হবে এবং ২০২৭ সালে তা হবে ২ দশমিক ৭ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুসারে, বৈশ্বিক আর্থিক পরিস্থিতির স্বস্তি এবং বেশ কয়েকটি বৃহৎ অর্থনীতির আর্থিক সম্প্রসারণ মন্দা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। ২০২৬ সালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ২ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা নরম শ্রমবাজার ও নিম্ন জ্বালানির দামের প্রতিফলন। বাণিজ্যপ্রবাহ সামঞ্জস্য ও নীতিগত অনিশ্চয়তা হ্রাস পাওয়ায় ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

অপচয় ও ঝুঁকির পথে সিটি ব্যাংক, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ

Published

on

ডিএসই

পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারী ও আমানতকারীদের স্বার্থ বিবেচনা না করে বাজারমূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি দামে জমি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিটি ব্যাংক। এই সিদ্ধান্তে বিপুল অপচয় ও দুর্নীতির গুঞ্জন উঠেছে। ব্যাংকটির গ্রাহকের আমানত থেকে খরচ করার কারণে আমানতের ঝুঁকি বাড়বে। ব্যাংকের পরিচালন ব্যয় বাড়বে। এতে ব্যাংকের মুনাফার অংশ কমে যাবে। এ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

এই সিদ্ধান্তে ব্যাংকটির ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কাঙ্ক্ষিত লভ্যাংশ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন। শুধু তা-ই নয়, অপচয়ের কারণে ব্যাংকটির মুনাফা কমে গিয়ে খরচ বেশি হওয়ার কারণে সরকারকে দেওয়া করের অংশও কমে যাবে। ফলে সরকার কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। এমনই হটকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোচ্ছে ব্যাংকটির কর্তৃপক্ষ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জানা গেছে, সিটি ব্যাংক রাজধানীর গুলশানে ৪০ কাঠা জমির ওপর ২৮ তলা নিজস্ব ভবন তৈরি করার জন্য এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়েছে। ভবন বানাতে গুলশান অ্যাভিনিউয়ে আগের ২০ কাঠার জমির সঙ্গে পার্শ্ববর্তী আরো ২০ কাঠা জমিও কেনা হচ্ছে। নতুন জমি কেনাসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য ব্যয় মিলিয়ে খরচ হবে ৩৪৫ কোটি টাকা। কিন্তু গুঞ্জন উঠেছে, বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে কেনা হচ্ছে এ জমি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নতুন করে যে ২০ কাঠা জমি কিনতে যাচ্ছে ব্যাংকটি, তাতে কাঠাপ্রতি খরচ হচ্ছে প্রায় ১৭ থেকে ১৮ কোটি টাকা, যা অনেকটাই অপ্রত্যাশিত। স্থানীয়রা জানায়, এখানে যে জমির কথা বলা হয়েছে, তার দাম এত হওয়ার কথা নয়। জমি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের ধারণা এই উচ্চমূল্যে জমি কেনাবেচা হলে পার্শ্ববর্তী জমি ও ভবন মালিকদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। কিন্তু এত দাম দিয়ে সিটি ব্যাংক কেন জমি কিনছে তা নিয়ে এরই মধ্যে সমালোচনা ও বির্তক শুরু হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গুলশান এভিনিউতে প্রতি কাঠা কমার্শিয়াল জমি এখন কম বেশি আট কোটি টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। কিন্তু সিটি ব্যাংক সেখানে জমি কিনছে প্রতি কাঠা ১৭ কোটি ২৫ লাখ টাকায়।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, ‘যদি বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দরে জমি কেনা হয় তাহলে সেখানে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার চেষ্ট হয়েছে কি না সেটা দেখার অবকাশ থাকে। বিক্রেতা সেই টাকা পেয়েছি কি? সেই জমির দাম প্রকৃতপক্ষে কত হওয়া উচিত এবং কোনো দুর্নীতি হয়েছে কি না এসব বিষয়ে তদন্তের অবকাশ থাকে।’

এদিকে আগের ২০ কাঠা ও নতুন কেনা ২০ কাঠা মিলিয়ে মোট ৪০ কাঠা জমির ওপর নিজস্ব ২৮তলা ভবন নির্মাণে খরচ ধরা হয়েছে ৮৫৫ কোটি টাকা। তাতে জমি কেনা ও ভবন নির্মাণে আপাতত খরচ ধরা হয়েছে এক হাজার ২০০ কোটি টাকা। এরই মধ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রয়োজনীয় অনুমোদনও পেয়েছে ব্যাংকটি।

সর্বশেষ গত বুধবার সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় ব্যাংকের নিজস্ব ভবন নির্মাণ ও এ জন্য নতুন করে আরো ২০ কাঠা জমি কেনার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

১৯৮৩ সালে দেশের তৎকালীন ১২ জন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী মিলে ব্যাংকটি গড়ে তোলেন। ১৯৮৬ সালে ব্যাংকটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার পর প্রথম নিজস্ব ভবনে প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করে ২০০৯ সালে। গুলশান-২-সংলগ্ন গুলশান এভিনিউয়ে ২০ কাঠার জমির ওপর আটতলা ভবনে ছিল প্রধান কার্যালয়। কিন্তু সেখানে সব জনবলের জায়গা না হওয়ায় পুরনো ভবনটি ভেঙে ২৮তলা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সিটি ব্যাংক শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানি। সেই হিসাবে বিপুল অর্থ ব্যয়ে জমি কেনা ও ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্তের বিষয়টি মূল্য সংবেদনশীল। এ তথ্যটির কারণে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ও পুঁজিবাজারে শেয়ারের দামে প্রভাব পড়তে পারে। যদিও ব্যাংকটি এ তথ্যটি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এ অপচয়ের কারণে ব্যাংকের মুনাফার অংশ কমে গেলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে কি না।

সূত্র জানায়, গত ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক সিটি ব্যাংককে ভবন নির্মাণ ও জমি কেনার প্রয়োজনীয় অনুমোদন দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পর গত বুধবার ব্যাংকটির পর্ষদ সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

ব্যাংকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজউক থেকে ২৮তলা সুউচ্চ ভবন নির্মাণের অনুমোদনও এর মধ্যে হয়ে গেছে। এই ২৮তলা ভবনের মধ্যে পাঁচতলা বরাদ্দ থাকবে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য। বাকি ২৩ তলাজুড়ে থাকবে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম। সেভাবেই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন জমির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ভবনের উচ্চতা ও পরিসর বৃদ্ধির আরো সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন গণমাধ্যমকে বলেন, পৃথিবীজুড়ে ব্যাংকের ভবন ও কার্যালয় খুবই নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন হয়ে থাকে। আমরাও দেশের ব্যাংক খাতে সে রকম একটি উদাহরণ তৈরি করতে চাই। এ জন্য আমাদের পরিকল্পনা ও উদ্যোগে সম্মতি দেওয়ার জন্য ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞ। খুব দ্রুততম সময়ে আমরা আমাদের নিজস্ব ভবন তৈরি ও সেখানে কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা করব।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার18 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে সব মূল্য সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার20 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে পিপলস...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার20 hours ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ফাইন ফুডস

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ফাইন ফুডস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা দুই বছরের মধ্যে টাকা পাবেন: গভর্নর

অবলুপ্ত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা আগামী দুই বছরের মধ্যে টাকা ফিরে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

বিএসইসি জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৯ সাংবাদিক

পুঁজিবাজারভিত্তিক সাংবাদিকতায় উল্লেখযোগ্য অবদান ও পেশাদারত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএসইসি ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস পেয়েছেন ৯ জন সাংবাদিক। এদের মধ্যে তিনটি...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

ব্লক মার্কেটে ২৭ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৪ টি কোম্পানির ২৭ কোটি ৭২ লাখ ৮৩ হাজার টাকার...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
ডিএসই
আন্তর্জাতিক40 minutes ago

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

ডিএসই
আবহাওয়া1 hour ago

টানা ১২ দিন ধরে পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ না হলে মিলবে না নতুন অনুমোদন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলেই নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ডিএসই
পুঁজিবাজার18 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

ডিএসই
জাতীয়19 hours ago

সৌদিতে থাকা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেবে বাংলাদেশ

ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

ডিএসই
পুঁজিবাজার20 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং

ডিএসই
আন্তর্জাতিক40 minutes ago

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

ডিএসই
আবহাওয়া1 hour ago

টানা ১২ দিন ধরে পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ না হলে মিলবে না নতুন অনুমোদন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলেই নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ডিএসই
পুঁজিবাজার18 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

ডিএসই
জাতীয়19 hours ago

সৌদিতে থাকা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেবে বাংলাদেশ

ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

ডিএসই
পুঁজিবাজার20 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং

ডিএসই
আন্তর্জাতিক40 minutes ago

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

ডিএসই
আবহাওয়া1 hour ago

টানা ১২ দিন ধরে পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ না হলে মিলবে না নতুন অনুমোদন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলেই নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ডিএসই
পুঁজিবাজার18 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

ডিএসই
জাতীয়19 hours ago

সৌদিতে থাকা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেবে বাংলাদেশ

ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

ডিএসই
পুঁজিবাজার20 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং