ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইবি অধ্যাপকের স্পর্শকাতর মন্তব্যের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফোকলোর স্টাডিজ ও চারুকলা বিভাগ নিয়ে স্পর্শকাতর মন্তব্য করার অভিযোগে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (০১ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা মৌন অবস্থান ও ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ’র কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন পাবলিক মঞ্চে (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ) ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগকে নাস্তিকতা বা ইসলাম পরিপন্থী স্পর্শকাতর বিষয়ে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন মন্তব্য প্রচারের ঘটনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধরনের বক্তব্য কেবল বিভাগের মর্যাদাকেই ক্ষুন্ন করছে না, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশকেও নষ্ট করছে।
এই প্রেক্ষিতে সুস্পষ্ট দাবিসমূহ- বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী বা শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে কোনো পাবলিক মঞ্চে (সামাজিক মাধ্যমসহ) ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগকে স্পর্শকাতর বিষয়ের (যেমন: নাস্তিকতার সাবজেক্ট, ইসলাম পরিপন্থী সাবজেক্ট) সাথে যুক্ত করে কোনো ধরনের মন্তব্য বা অভিব্যক্তি প্রচার করতে পারবে না। দ্বিতীয়ত, এ বিষয়ে সকল দায়-দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গ্রহণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও বিধি-নিষেধ আরোপ করবে। সর্বশেষ, ভবিষ্যতে ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগ বা বিভাগের কোনো সদস্য এ ধরনের আক্রমণ, অপপ্রচার বা হয়রানির শিকার হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজ উদ্যোগে অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এসময় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ফোকলোর স্টাডিজ ও চারুকলা বিভাগ নিয়ে একজন সিনিয়র অধ্যাপকের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। এর আগে আমরা উপাচার্য স্যারের কাছে ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের নাম পরিবর্তনের জন্য গেলে তিনি আমাদের বিভাগের প্রশংসা করেন। কিন্তু একজন সিনিয়র অধ্যাপক কেন এটিকে ইসলাম বিদ্বেষী বিভাগ বললো তা আমাদের অজানা। যদি আমাদের বিভাগে ইসলাম বিদ্বেষের মত কোনো পড়াশুনা হয়ে থাকে তাহলে তিনি সেটি পরিবর্তন করে দিক।
এদিকে মৌন অবস্থান শেষে চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী জানান, নির্দিষ্ট দুইটি বিভাগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রবীণ অধ্যাপকের এমন নেতিবাচক মন্তব্যে আমরা খুবই ব্যাথিত হয়েছি। তার কাছ থেকেম এমন বক্তব্য আমরা প্রত্যাশা করি না। আমরা এই বক্তব্যের প্রতিবাদে নিরব প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি এইসকল ক্ষেত্রে নীরব প্রতিবাদ সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিবাদ।
ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও এস এম সুইট বলেন, “গতকাল স্যারের এ বক্তব্য প্রদানের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন কিন্তু তারা তখন কোনো প্রতিবাদ করেননি। এমনকি তারা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রেস রিলিজ দিয়ে প্রতিবাদ করে কিন্তু তারা এ পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো প্রতিবাদ জানায়নি।”
তিনি আরও বলেন, ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগ একাই একশ। পরবর্তীতে কেউ এ বিভাগ নিয়ে কিছু বললে আপনারা তার টুটি চেপে ধরবেন। উপাচার্য স্যার যদি সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের সন্তান মনে করেন তবে ফোকলোর স্টাডিজ ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের সৎ সন্তান মনে করেন কিনা আমাদের জানার বিষয়।
ছাত্রদলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, গতকালের অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের নেতারা থাকার পরেও কোনো প্রতিবাদ করেননি এবং এখন পর্যন্ত কোনো সংহতি জানায়নি। কথায় কথায় প্রতিবাদ জানিয়ে প্রেস রিলিজ জানান কিন্তু এখন আপনারা চুপ কেন? আপনারা নির্যাতিত বিভাগের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আমাদের পক্ষে কথা বলার মতো সাহস আপনাদের নেই।
এদিকে মন্তব্য প্রদানকারী অধ্যাপক ড. আশ্রাফী ব্যাখ্যা করে বলেন, সত্যিকার অর্থে আমি কাউকে আঘাত করার জন্য বা দুই সাবজেক্টের ছেলেমেয়েদেরকে আঘাত করার জন্য বক্তব্য দেই নাই। বিগত ১৬ বছর অথবা এর আগেও (শুধু এখানে কালটাকে সুনির্দিষ্ট করছি না) এখানে অনেক ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়রা আসছেন, তারা কিন্তু এই উদ্যোগটা কেউ গ্রহণ করেন নাই। আমি বুঝাতে চেয়েছি যে ওইসময় ইসলামিক সাবজেক্টগুলোকে মাইনোরিটি হিসেবে ধরে নিয়ে অন্যান্য সাবজেক্টগুলো করা হয়েছে। এই সাবজেক্টগুলো এখন যাতে করে ইসলাম ব্রান্ডিং নিয়ে করতে হবে। ওই ধরনের সাবজেক্টগুলো খুলে ইসলামী মূল্যবোধটাকে এবং ইসলামটাকে সারা পৃথিবীতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে তুলে ধরতে হবে। আমি আমার বক্তব্যে এ কথাটা বলেছি। কিন্তু এই বক্তব্যটা কিন্তু আসে নাই। আসলেই সত্যিকার অর্থে আমি একজন এলামনাই হিসেবে কাউকে আঘাত করে এই জাতীয় বক্তব্য দেওয়া আমার কোনো উদ্দেশ্যই ছিল না।
প্রসঙ্গত, গতকাল রবিবার বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আয়োজন করা আলোচনা সভায় অধ্যাপক ড. আ. ব. ম. ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী ফোকলোর স্টাডিজ ও চারুকলা বিভাগ ইসলামী মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন।
অর্থসংবাদ/সাকিব/এসএম
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বন্ধ থাকছে চবির সকল কার্যক্রম
চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আগামী ১০ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং অধিভুক্ত কলেজের পরীক্ষাও এই সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দফতর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায় ১০ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত সকল বিভাগ, ইন্সটিটিউট, ও অধিভুক্ত সকল কলেজের পরীক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দাফতরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে শুধুমাত্র জরুরি সেবা এবং স্বাস্থ্যসেবা চালু থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমদ জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নীতি মেনে নেয়া হয়েছে।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ছুটির আগেই জবি উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি ইউট্যাবের
ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমের পদত্যাগ দাবি করেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজে মনোযোগ না দিয়ে তিনি রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছেন এবং ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছেন।
রোববার (৮ মার্চ) ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযোগ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক পুরান ঢাকার জগন্নাথ কলেজকে ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হলেও পরবর্তীতে নানা রাজনৈতিক কারণে প্রতিষ্ঠানটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ইউট্যাব দাবি করছে, বর্তমান উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যৌথ আন্দোলনের ফল বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে, যা ক্যাম্পাসে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
সংগঠনটি আরও অভিযোগ, উপাচার্য নিজ ক্ষমতা ধরে রাখতে রাজনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে অস্থির করে তুলছেন।
এ অবস্থায় ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বর্তমান উপাচার্যের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে তাকে দ্রুত সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। অন্যথায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাকে সর্বাত্মক অসহযোগিতা করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটি ঘোষণা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। ইনকিলাব, ইনসাফ, সততা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের আদর্শকে ধারণ করে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) ভোরে ইনকিলাব মঞ্চের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের স্বাক্ষরিত এই কমিটিতে মোট ৪৭ জন সদস্য রয়েছেন।
এতে আহ্বায়ক হিসেবে মো. ফজলে রাব্বী সরকার ও সদস্যসচিব সাবিরা মারিয়াম মুশফির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক পদে নাজমুল ইসলাম ও মিলন হোসাইন, যুগ্ম সদস্য সচিব নূরে জান্নাত ফাতিমা ও নাফিস ইসতিয়াক আহাম্মেদ তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক ইসফানুল ইসলাম, শিল্প ও সাহিত্য সম্পাদক মুজতবা জহির জিসান, মিডিয়া সম্পাদক আবু বকর তালহা, পরিবেশ ও পর্যটন সম্পাদক জায়েদ আল বাশার, স্কিল ও ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক হাছানুর রহমান শান্ত এবং ইন্টারন্যাশনাল এফেয়ার্স হিসেবে মোহাম্মদ ফাতিন ইয়ামিন চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া ৩৫ সদস্য হলেন— আবদুল্লাহ ফাহাদ, মো. মাহাবুবুল আলম, মুহাম্মাদ যায়েদ আব্দুল্লাহ, মোহাম্মদ কাইফ, মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ খান, ইন্তেসাম সাদিয়া, মো. মিফতা উল হুদা, গালিব আল দ্বীন, মো. জাহিদ হাসান ফকির, মুনতাসির বিল্লাহ, শাহাদা নুর তামিমা, আব্দুল্লাহ আল মাসুম, নাফিস ইসতিয়াক আহাম্মেদ তালুকদার, মারিয়া ফারজানা ইতি, মোয়াম্মার তাজওয়ার ইবনে বদর অরিস, মুজাহিদা আফরিন মজুমদার, সাদিয়া আফরিন, মরিয়ম খাতুন, আজমাঈন আদিব, সাদিয়া জাহান সাইফা, আব্দুল্লাহ আল মুবাশ্বির, মুহাম্মদ জোবায়ের ইসলাম, সুহাইল মাহদীন, সাইফুল আলম শান্ত, আবদুল্লাহ হাসান আরাফাত, মো. রেজাউল ইসলাম ফুয়াদ, সিয়াম হোসেন রাজীব, আবির হুসাইন, নাজিয়া সিদ্দিকা, নাকীব হাসান, শাহরিয়ার রহমান, আবদুর রহমান বর্ণ, তাসনিয়া বিনতে তালেব, সুমাইয়া শিমু ও মো. মুতাসীম বিল্লাহ তাহমীদ।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
শিক্ষিকা রুনা হত্যার বিচারের দাবিতে ইবি পরিবারের মানববন্ধন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-এর সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব এবং গ্রিন ফোরাম।
রোববার (৮ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব এবং গ্রিন ফোরাম এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান-এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য ড. এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ ড. জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার ড. মনজুরুল হক, প্রক্টর ড. শাহীনুজ্জামান ও ছাত্র উপদেষ্টা ড. ওবায়দুল ইসলাম।
এছাড়াও কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন-এর নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
গ্রীন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দ্রুততম সময়ে রুনা হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় একটি অনিরাপদ স্থানে অবস্থিত। এজন্য সকল ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে ইউনিক আইডেনটিটির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যত থোক বা ডে লেবার হিসেবে কাজ করে প্রত্যেকের ডাটা সংগ্রহ করতে হবে যেন পরবর্তীতে তাদেরকে আমরা আয়ত্তে রাখতে পারি।
জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান বলেন, মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের কাছে একটাই অনুরোধ করব আপনি এই দুই খুনের বিচারের জন্য প্রশাসনের কাছে যতটুকু আগানো সম্ভব আপনি আগান প্রয়োজন বোধে আমরা যাব। যদি আপনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে বিচার না পান, রেসপন্স না পান, আমরা রাস্তায় নামবো। কিন্তু আপনি উদ্যোগ নেন, বসে থাকবেন না।
শিক্ষিকা রুনা হত্যার ঘটনায় প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটির আহবায়ক হিসেবে আমি দল, মত নির্বিশেষে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকান্ডের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে- বিশ্ববিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণভাবে একটি তদন্ত কমিটি করেছি এবং এই বিভাগ যাতে সচল থাকে সে ব্যবস্থা আমরা করেছি। রুনার অকাল মৃত্যুতে যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে রুনা আমাদের হৃদয়ে সারাজীবন জাগরক থাকবে। যত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে কোন ধরনের কার্পণ্য করা হবে না। আমরা প্রশাসনের কাছে, বিচার প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এমএন/এমএসএ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন আরইউ অ্যাকাউন্টিং ক্লাব লিমিটেড (আরইউএসিএল)-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে ইফতার মাহফিলের আয়োজনও করা হয়।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১৪ এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক ও বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানো, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এই সংগঠন গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্ঞানচর্চা, গবেষণামনস্কতা ও সৃজনশীলতা বিকাশ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের লক্ষ্যেও সংগঠনটি কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয় এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
সংগঠনটির সভাপতি মো. জাহেদুল ইসলাম (জাহিদ) এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়া।
এমএন




