কর্পোরেট সংবাদ
সাজিদা ফাউন্ডেশনের সেকেন্ড জিরো কুপন বন্ড ইস্যু সম্পন্ন
সাজিদা ফাউন্ডেশনের সেকেন্ড জিরো কুপন বন্ডের সফল ইস্যু সম্পন্ন করেছে ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস ও ব্র্যাক ব্যাংক। এই বন্ডের ফেস ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১৯৮ কোটি টাকা, যা দেশের বন্ড মার্কেটে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।
যৌথ অ্যারেঞ্জার হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক ও ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস এই বন্ডের ইস্যু সম্পন্ন করেছে। যা দেশের ক্রমবর্ধমান বন্ড মার্কেটকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান দুটির নেতৃত্বস্থানীয় অবস্থানকে সুদৃঢ করেছে।
বন্ডটির সাবস্ক্রিপশন সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক ও হাই-নেট-ওর্থ বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গিয়েছে। বিনিয়োগকারীদের এমন আগ্রহ দেশে বন্ড মার্কেট সম্প্রসারণের পরিচায়ক। এতে প্রচলিত বিনিয়োগকারী, যেমন- ব্যাংক, এনবিএফআই ও বিমা কোম্পানির বাইরেও নতুন বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়েছে।
ব্যাংক, এনবিএফআই এবং বিমা কোম্পানি ব্যতীত অন্যান্য বিনিয়োগকারীর জন্য এ বন্ড থেকে প্রাপ্ত ইন্টারেস্ট- আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত, যা বন্ডটির একটি বাড়তি সুবিধা। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কাজে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এই বন্ড ইস্যু মার্কেটে সাজিদা ফাউন্ডেশনের ক্রেডিট অবস্থানের ওপর বিনিয়োগকারীদের দৃঢ় আস্থা এবং উদ্ভাবনী ডেট সল্যুশন তৈরির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি মার্কেট উন্নয়নে ব্র্যাক ব্যাংক ও ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টসের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
সাজিদা ফাউন্ডেশন হলো বাংলাদেশের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, যা স্বাস্থ্য, ক্ষুদ্রঋণ, শিক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি জনকল্যাণ ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড হলো দেশের শীর্ষস্থানীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকগুলোর একটি, যা ক্লায়েন্টদের ইস্যু ম্যানেজমেন্ট, কর্পোরেট অ্যাডভাইজরি ও পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্টের মতো সেবা প্রদান করে।
জিরো কুপন বন্ড একটি ফিক্সড-ইনকাম সিকিউরিটি, যা ডিসকাউন্টে ইস্যু করা হয় এবং এতে কোনো পিরিয়ডিক ইন্টারেস্ট প্রদান করা হয় না। এখানে বিনিয়োগকারীরা মেয়াদপূর্তিতে পূর্ণ ফেস ভ্যালু ফেরত পান। সাজিদা ফাউন্ডেশনের সেকেন্ড জিরো কুপন বন্ড ইস্যু সম্পন্নের মধ্যে দিয়ে দেশের বন্ড মার্কেটে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, উন্নয়নমূলক খাতে মূলধন প্রবাহ বাড়ানো এবং কর-সাশ্রয়ী ও নিরাপদ বিনিয়োগ সুযোগ তৈরিতে ব্র্যাক ব্যাংক ও ব্র্যাক ইপিএলের সক্ষমতা আবারও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
কর্পোরেট সংবাদ
২৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬’
নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত দেশীয় পণ্যের প্রসার ও বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে চতুর্থবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬’। ব্র্যাক ব্যাংকের আয়োজনে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর গুলশানে ‘আলোকি কনভেনশন সেন্টারে’ এই মেলার পর্দা উঠবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এই প্রদর্শনী, যা চলবে ১ মার্চ পর্যন্ত।
মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৮৮ জন নারী উদ্যোক্তা তাঁদের তৈরি দেশীয় পণ্য নিয়ে এই এ অংশ নেবে। এই মেলায় অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগ নারী উদ্যোক্তা উৎপাদন খাতে জড়িত, যারা দেশের ঐতিহ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। প্রতিবারের মতো এবছরও নারী উদ্যোক্তাদের এই মেলায় অংশ নিতে নিজেদের কোনো খরচ হচ্ছে না, মেলার সব খরচ বহন করবে ব্র্যাক ব্যাংক।
মেলায় সম্ভাবনাময় নারী উদ্যোক্তারা বুটিক, হাতে সেলাই করা পোশাক, হাতে তৈরি কারুশিল্প, মাটি ও পাটের তৈরি পণ্য, প্রক্রিয়াজাত চামড়া-পণ্য, জামদানি ও মসলিনের পোশাক, খাদ্যপণ্য, অর্গানিক স্কিনকেয়ার আইটেম এবং বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্যসহ স্থানীয়ভাবে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পণ্যের সমাহার নিয়ে হাজির হবেন। এছাড়াও মেলায় আগতদের জন্য থাকবে বায়োস্কোপ, ইফতার ও ডিনার ফুড কোর্ট, হাওয়াই মিঠাইসহ অন্যান্য স্টল।
নারী উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে নিয়ে এসে ক্যাশলেস পেমেন্ট সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে মেলায় ব্র্যাক ব্যাংক কিউআর এবং কার্ড পেমেন্ট-সক্ষম প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। মেলায় কিউআর কোড ব্যবহার করে পেমেন্ট করলে ক্রেতারা কেনাকাটায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।
এই প্রদর্শনীটি নারী উদ্যোক্তাদের পণ্যের প্রচার এবং দেশের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ন রেখে পণ্য উদ্ভাবনের মাধ্যমে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। আয়োজনটি নারী উদ্যোক্তাদের পণ্যের বিক্রি বাড়াতে এবং চলমান ঈদ কেনাকাটার আবহে আরও বেশি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।
আয়োজনটি সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, উন্নয়নের সম-অংশীদার হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক নারী উদ্যোক্তাদের তাঁদের পূর্ণ সম্ভাবনার বিকাশে সহায়তা করে। এই তারা উদ্যোক্তা মেলার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে থাকা দেশীয় পণ্যের প্রচার ও প্রসারের সুযোগ পাচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও তাঁদের পণ্যের প্রসারে প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এরকম আরও অনেক মেলার আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পরিষদের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় পরিচালনা পরিষদের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মোঃ আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ হাবিবুর রহমান।
সূত্রে মতে, সভায় ব্যাংকের সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমের বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যাংকের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহক সেবা উন্নত করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
কেনাকাটায় হেলিকপ্টার ভ্রমণের সুযোগ নিয়ে এলো নগদ
দেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নগদ পবিত্র রমজান উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসেছে বিশেষ ‘হেলিকপ্টার অফার’। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় কেনাকাটা করে পেমেন্ট করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন এক স্মরণীয় হেলিকপ্টার ভ্রমণের সুযোগ এবং আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক রিওয়ার্ড।
এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে গ্রাহকদের জুতা, পোশাক, অনলাইন শপিং, ইলেকট্রনিক্স, সুপারস্টোর এবং রেস্টুরেন্টসহ নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির মার্চেন্টদের নগদ অ্যাপ বা ইউএসএসডি (*১৬৭#) ডায়াল করে পেমেন্ট করতে হবে। মার্চেন্ট ক্যাটাগরি অনুযায়ী সর্বোচ্চ পেমেন্টের ভিত্তিতে পয়েন্ট তালিকার মাধ্যমে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে। পুরো ক্যাম্পেইন চলাকালীন একজন গ্রাহক একবারই এই অফারের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।
মূল পুরস্কারের পাশাপাশি নগদ গ্রাহকরা বিভিন্ন মার্চেন্ট পেমেন্টে ২,০০০ টাকারও বেশি ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন। শীর্ষস্থানীয় জুতার ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে এপেক্স, বাটা, বে এম্পোরিয়াম ও ওরিয়ন। পোশাকের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ইনফিনিটি মেগা মল, লুবনান, রিচম্যান, রাইজ, জেন্টল পার্ক, টুয়েলভ ক্লোথিং, আর্টিসান আউটফিটার্স, সারা লাইফস্টাইল, র নেশন, মেনস ওয়ার্ল্ড, বি-টু, স্বদেশ পল্লী, তাহুর ও অঞ্জন’স অন্যতম। অনলাইন মার্চেন্টগুলো মধ্যে রয়েছে দারাজ, ফুডি, অথবা ডটকম ও অন্যান্য। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত চলবে।
এ প্রসঙ্গে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার মো. ইমরান হায়দার বলেন, হেলিকাপ্টার ভ্রমন অনেকের জন্যই খুব সাধারণ কোনো ঘটনা নয়। হরহামেশা উড়োজাহাজে ভ্রমণ করলেও হেলিকাপ্টার নানান কারণেই অধরা থেকেই যায়। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের জন্যে এমন একটি আনন্দ উপলক্ষ্য তৈরী করতে চেষ্টা করেছি যা তার জীবনের একটা বিশেষ ঘটনা হয়ে থাকবে। আর হেলিকাপ্টার রাইড অফারের পাশাপাশি দুই হাজার টাকারও বেশি ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ তো সকলের জন্যে থাকছেই।
উল্লেখ্য, এই অফারের জন্য গ্রাহকের নগদ অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই সচল এবং পূর্ণাঙ্গ প্রোফাইলভুক্ত হতে হবে। বিজয়ীদের নগদের অফিসিয়াল কাস্টমার সার্ভিস নম্বর (১৬১৬৭ বা ০৯৬০৯৬১৬১৬৭) থেকে কল করে জানানো হবে। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের পিন বা ওটিপি কারো সাথে শেয়ার না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
‘মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার’ ও ‘মাতৃভূমি ট্যুরসের’ এমডি হলেন জহিরুল
‘মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার’ ও ‘মাতৃভূমি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেডের’ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, বর্তমানে যিনি মাতৃভূমি গ্রুপের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের পরিচালক।
মাতৃভূমি গ্রুপ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন, রিয়েল এস্টেট, আতিথেয়তা, উৎপাদন ও বিনিয়োগ খাতে তারা ‘শক্ত অবস্থান’ তৈরি করে ফেলেছে। বর্তমানে তাদের ছয়টি কোম্পানি রয়েছে।
সেগুলো হল- মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার, মাতৃভূমি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেড, মাতৃভূমি হোল্ডিংস লিমিটেড, বাংলাদেশ লাক্সারি হ্যান্ডিক্রাফটস লিমিটেড, মাতৃভূমি সিটি এবং মাতৃভূমি গ্র্যান্ড রিসোর্ট অ্যান্ড হোটেল।
কর্পোরেট সংবাদ
জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ারের ২০২৬ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ইলিয়াস আহমেদ ইফাজ
জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ার-এর ২০২৬ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইলিয়াস আহমেদ ইফাজ। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইলিয়াস আহমেদ ইফাজের হাতে ‘প্রেসিডেন্ট চেইন’ পরিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব অর্পণ করেন জেসিআই বাংলাদেশের ২০২৬ সালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন আহমেদ রাফি। এরপর নতুন বোর্ডের সকল সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।
নতুন এই বোর্ডে বিভিন্ন পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, ‘এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সানজিদা ইমাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুস সালাম হেমেল ও সজল মাহমুদ,সেক্রেটারি জেনারেল খন্দকার ফারাবি আহমেদ, ট্রেজারার হিসেবে আজিম ভূঁইয়া এবং জেনারেল লিগ্যাল কাউন্সিলর হিসেবে তাসমিয়া নুহিয়া আহমেদ।’
ডিরেক্টর হিসেবে গাজী শাহরিয়ার ইসলাম এবং ডিরেক্টর গাজী মুন্তাসির জহির অনন্ত। ২০২৫ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট গাজী নাঈম মানজুর ইমিডিয়েট পাস্ট লোকাল প্রেসিডেন্ট হিসেবে বোর্ডে থাকবেন।
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইলিয়াস আহমেদ ইফাজ বলেন, সদস্যদের এই আস্থার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। শক্তিশালী নেতৃত্ব, টেকসই প্রজেক্ট এবং সদস্যদের মধ্যে দৃঢ় বন্ধন তৈরির মাধ্যমে জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ারকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।
চ্যাপ্টারটির সেক্রেটারি জেনারেল খন্দকার ফারাবি আহমেদ বলেন,আমি বিশ্বাস করি শক্তিশালী সিস্টেম ও স্বচ্ছ প্রশাসনই একটি সংগঠনের মূল ভিত্তি। আমরা টিমওয়ার্ক, জবাবদিহিতা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ারকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করে তুলবো।
লোকাল প্রেসিডেন্ট গাজী নাঈম মানজুর বলেন, জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ার একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে। নতুন নেতৃত্ব ঐক্য ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এটিকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন আহমেদ রাফি নতুন টিমকে অভিনন্দন জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, এই বোর্ড একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং উদাহরণযোগ্য কাজের মাধ্যমে তরুণ সমাজকে অনুপ্রাণিত করবে।
জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ার তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, সামাজিক প্রভাব তৈরি এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে কাজ করে। ২০২৫ সালের সফল ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন এই বোর্ড ২০২৬ সালে সংগঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেবে।
এমএন



