অর্থনীতি
সোনার দাম কমলো
দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম কমানো হয়েছে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৮ টাকা হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত ১৬ নভেম্বর ভালো মানের প্রতি ভরি সোনার দাম কমানো হয় ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা। তিনদিনের মাথায় এখন আবার দাম কমানো হলো।
এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৩৬৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৩০৬ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ২৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৯৫৭ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৬১ টাকা।
১৬ নভেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ২০২ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৫৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৮০২ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকা। আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।
সোনার দাম কমানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থনীতি
দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ
দেশের বাজারে আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সর্বশেষ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে সবশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল সোয়া ১০টা থেকেই।
স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এমএন
অর্থনীতি
ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতা থেকে সরেই গভর্নরের দায়িত্বে মোস্তাকুর রহমান: মুখপাত্র
মোস্তাকুর রহমান ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতা থেকে সরে এসে গভর্নরের দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ব্যাংকের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নতুন গভর্নরের বৈঠক শেষে এই কথা জানান তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ‘গভর্নরের মূল উদ্দেশ্য কর্মসংস্থান তৈরি করা। উচ্চ সুদের হার ও মূল্যস্ফীতি গুরুত্ব পেয়েছে বৈঠকে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের সুশাসন প্রতিষ্ঠা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে আরিফ হোসেন বলেন, ‘প্রাইস স্ট্যাবল রেখে কীভাবে সুদের হার শিথিল করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন গভর্নর।’
বৈঠকে বন্ধ কারখানা চালু ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির ইস্যু গুরুত্ব পেয়েছে বলেও জানান মুখপাত্র।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন গভর্নর। দফতরগুলো অ-সমন্বয়ের কারণে সরকার যেন কোনো চ্যালেঞ্জে না পড়ে সেদিকে গুরুত্ব দেয়ার বিষয়েও কথা হয়েছে।’
এমএন
অর্থনীতি
ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৯ কোটি ডলার
ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনেই দেশে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ২৭৯ কোটি ২০ লাখ বা ২.৭৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৯ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ২২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ।
এর আগে জানুয়ারি মাসে দেশে এসেছে ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
আর গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। যা ছিল দেশের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের কোনো এক মাসে আসা সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। গত নভেম্বরে দেশে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
এমএন
অর্থনীতি
ন্যাশনাল ব্যাংককে ১ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
তীব্র তারল্য সংকটে থাকা বেসরকারি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংককে জরুরি তহবিল হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আসন্ন ঈদের সময় গ্রাহকদের বাড়তি টাকা তোলার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ১১.৫ শতাংশ সুদে ৯০ দিনের জন্য এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ন্যাশনাল ব্যাংক তারল্য সংকটের মধ্যে আছে।
গ্রাহকদের অর্থ সময়মতো ফেরত দিতে পারছে না। এ জন্য তহবিল সমস্যার মধ্যে রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি দেয় ন্যাশনাল ব্যাংক। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংককে তারল্য সহায়তা দিয়েছে।
ন্যাশনাল ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকের ক্যাশ ফ্লো ঠিক রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আবেদন করা হয়েছিল।
ঈদের আগে ব্যাংকে গ্রাহকদের টাকা তোলার চাহিদা বেড়ে যায়। এ জন্য এ সময় তারল্য বেশি থাকা প্রয়োজন। তা ছাড়া ব্যাংকে যে পরিমাণ আমানত ও ঋণ আদায় হচ্ছে, তা দিয়ে তারল্য ঘাটতি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।
এমএন
অর্থনীতি
রেকর্ড চতুর্থ দফায় বাড়ছে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়
রেকর্ড চতুর্থ বারের মতো অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়াতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই সময় বাড়ানোর সুপারিশ ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন এনবিআরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।
এর আগে তৃতীয় দফায় অনলাইনে রিটার্ন জমার সময়সীমা বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় ৩১ জানুয়ারি এবং প্রথম দফায় ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। আইন অনুযায়ী, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৩০ নভেম্বর।
এমএন



