স্বাস্থ্য
ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৩৯ জন।
এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৬ জনে এবং শনাক্ত রোগী বেড়ে ৮৪ হাজার ৯৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে।
রবিবার (১৬ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৮১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪১ জন, ঢাকা বিভাগে ২৪৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৮২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১৮ জন, খুলনা বিভাগে ১১৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪৬, রংপুর বিভাগে ৮ জন ও সিলেট বিভাগে একজন রয়েছেন।
২৪ ঘণ্টায় যে পাঁচজনের মারা গেছেন তাদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজনের, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুজনের এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুজজনের মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে এক হাজার ১৯৯ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৪২ জন।
২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে মারা যান সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭০৫ জন এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
স্বাস্থ্য
বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে এক নারীর মৃত্যু
বাংলাদেশে চলতি বছরে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার এক নারী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
মৃত ঐ নারীর বয়স ছিল ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। গত ২১ জানুয়ারি তার শরীরে জ্বর ও মাথাব্যথাসহ নিপাহ ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়।
পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং এক সপ্তাহ পর তিনি মারা যান। পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, তিনি নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন।
জানা গেছে, ওই নারী সম্প্রতি কোনো ভ্রমণ করেননি, তবে তিনি কাঁচা খেজুরের রস খেয়েছিলেন। সাধারণত নিপাহ ভাইরাস বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়ায়।
বাদুড় খেজুরের রস বা কোনো ফল খেলে সেখান থেকে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
মারা যাওয়া ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ৩৫ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, তবে তাদের সবার পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এই ভাইরাসটি একজনের থেকে অন্যজনে সহজে ছড়ায় না, তাই আন্তর্জাতিকভাবে বড় কোনো ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালেও বাংলাদেশে এই ভাইরাসে চারজন মারা গিয়েছিলেন। এখন পর্যন্ত এই রোগের কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা আবিষ্কৃত হয়নি।
এমএন
স্বাস্থ্য
দেশে নতুন প্রাণঘাতী বাদুড়বাহিত ভাইরাস ‘পিআরভি’ শনাক্ত
দেশে শনাক্ত হওয়া রহস্যজনক এক রোগের কারণ হিসেবে ‘প্টেরোপাইন অরথোরিওভাইরাস’(পিআরভি) নামক নতুন একটি বাদুড়বাহিত ভাইরাসকে চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, এই ভাইরাসটি মানুষের জন্য মারাত্মক স্নায়ুবিক ও শারীরিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।
গবেষণা অনুযায়ী, ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঁচজন রোগী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তারা প্রত্যেকেই নিপাহ ভাইরাসের পরিচিত উৎস কাঁচা খেজুরের রস পান করেছিলেন। যদিও প্রাথমিকভাবে একে নিপাহ সংক্রমণ মনে করা হয়েছিল, তবে ল্যাব পরীক্ষায় কারও শরীরেই নিপাহ ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে উন্নত গবেষণায় প্টেরোপাইন অরথোরিওভাইরাস বা পিআরভি শনাক্ত হয়।
প্রাথমিকভাবে রোগটি নিপাহ ভাইরাসজনিত বলে ধারণা করা হলেও পরীক্ষায় দেখা যায়, কারও শরীরেই নিপাহ ভাইরাসের উপস্থিতি নেই। কয়েক সপ্তাহের চিকিৎসার পর সবাই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও তিনজন দীর্ঘদিন ধরে তীব্র দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, শ্বাসকষ্ট ও হাঁটাচলার জটিলতায় ভুগছিলেন। তাদের মধ্যে একজনের ২০২৪ সালে মৃত্যু হয়, যার সুনির্দিষ্ট স্নায়বিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
সর্বশেষ গবেষণায় বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন, এই রোগের প্রকৃত কারণ প্টেরোপাইন অরথোরিওভাইরাস (পিআরভি) একটি বাদুড়বাহিত ভাইরাস। গবেষকদের মতে, ভাইরাসটি জিনগত পুনর্গঠনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও বেশি সংক্রামক ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। এতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন জনস্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিজ্ঞানীরা জনগণকে খেজুর গাছ থেকে নামানো কাঁচা রস পান থেকে বিরত থাকার, রোগতত্ত্বীয় নজরদারি জোরদার, এবং দ্রুত গবেষণা ও প্রস্তুতি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: ব্যক্তিগত সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস এবং সন্দেহজনক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
এমএন
স্বাস্থ্য
৩৫ জেলায় শনাক্ত নিপাহ ভাইরাস, আক্রান্ত হলেই মৃত্যু
দেশের ৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এবং এর বিস্তার ও সংক্রমণের ধরন উদ্বেগজনক হারে পরিবর্তন হচ্ছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, গত বছর রেকর্ড করা চারটি কেসের সব কটিতেই ১০০ শতাংশ মৃত্যুর পাশাপাশি প্রথমবারের মতো একটি ‘অ-মৌসুমি কেস’ পাওয়া গেছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে আইইডিসিআরের মিলনায়তনে ‘নিপাহ ভাইরাসের বিস্তার ও ঝুঁকি বিষয়ে মতবিনিময়’ শীর্ষক সভায় উপস্থাপিত প্রবন্ধে সংস্থাটির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা এসব তথ্য জানান।
উপস্থাপিত প্রবন্ধে দেখা যায়, ২০২৫ সালে নওগাঁ, ভোলা, রাজবাড়ী ও নীলফামারী- এই চার জেলায় চার নিপাহ রোগী শনাক্ত হন এবং প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করেন। এদের মধ্যে নওগাঁর ৮ বছরের এক শিশুর ঘটনাটি ছিল দেশে প্রথম ‘অ-মৌসুমি নিপাহ কেস’, যা শীতকাল ছাড়াই আগস্ট মাসে শনাক্ত হয়। ওই শিশুর সংক্রমণের উৎস ছিল বাদুড়ের আধা-খাওয়া ফল (কালোজাম, খেজুর, আম) খাওয়া, যা নিপাহ ছড়ানোর একটি নতুন ও অ্যালার্মিং হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রবন্ধে নিপাহ ভাইরাসের ব্যাপক বিস্তার ঘটছে উল্লেখ করে বলা হয়, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৫টিতেই নিপাহ ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নওগাঁ ও লালমনিরহাটে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে বেশি। গত বছর শনাক্ত চারজনের সবাই মারা গেছেন (মৃত্যুর হার শতভাগ)। এছাড়া বিশ্বজুড়ে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তদের গড় মৃত্যুহার প্রায় ৭২ শতাংশ।
প্রবন্ধে আরও বলা হয়, ঐতিহাসিকভাবে খেজুরের কাঁচা রসকে প্রধান উৎস মনে করা হলেও ২০২৫ সালে নওগাঁর কেস প্রমাণ করে, বাদুড়ের লালা বা মূত্রে দূষিত যে কোনো আধা-খাওয়া ফল সরাসরি খাওয়ার মাধ্যমেও সংক্রমণ ঘটতে পারে এবং সারা বছরই তা সম্ভব। মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ ঘটে উল্লেখ করে আরও বলা হয়, প্রায় ২৮ শতাংশ ক্ষেত্রে নিপাহ আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সরাসরি অন্য ব্যক্তিতে সংক্রমণ ছড়ায়, যা স্বাস্থ্যকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের জন্য উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের অ-মৌসুমি কেস ও নতুন সংক্রমণ আমাদের জন্য একটি বড় ওয়ার্নিং সিগন্যাল। নিপাহ এখন শুধু শীত বা খেজুরের রসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটা একটি সারা বছরের ও বহুমুখী সংক্রমণের হুমকিতে পরিণত হচ্ছে।
নিপাহ ভাইরাস জরিপ সমন্বয়কারী ডা. সৈয়দ মঈনুদ্দিন সাত্তার জানান, ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় আরও জানানো হয়, ২০২৪ সালে দেশে নিপাহ ভাইরাসে পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তাদের সবারই মৃত্যু হয়েছিল।
এমকে
স্বাস্থ্য
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চিকিৎসা নিতে গেলে খরচ কেমন হয়?
দেশে অনেকেই অসুস্থ হয়ে বিদেশে চিকিৎসার কথা ভাবেন। আপনি যদি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে কোন দেশে চিকিৎসা নিতে চান তাহলে যে দেশে যাবেন সে দেশের বিমান বাংলাদেশে আসা এবং যাওয়া আপ ডাউন ভাড়া আপনাকে গুনতে হবে। এর ভাড়া নির্ভর করে বিভিন্ন দেশের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের খঁরচের উপর।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী, গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টায় সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স।
হাদিকে বহন করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটির ভাড়া ৫২ লক্ষ টাকা। আপনি যদি এটি ভাড়া করতে চান তাহলে আপনাকে ঘন্টায় গুনতে হবে ৩-৫ লাখ টাকা।
এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত সাধারণ চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া শুরু হতে পারে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা থেকে। তবে রোগীর অবস্থা জটিল হলে এবং আইসিইউ সুবিধা, ভেন্টিলেটর, চিকিৎসক ও নার্সসহ পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল টিম প্রয়োজন হলে এই ব্যয় ৪০ থেকে ৫৫ লাখ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। যা হাদির ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নির্ধারণে বিমানের ধরন, চিকিৎসা সরঞ্জাম, মেডিকেল টিম, অক্সিজেন সুবিধা, ফ্লাইট দূরত্ব এবং জরুরি অনুমতির বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি ভিসা, বিদেশি হাসপাতালের বুকিং ও গ্রাউন্ড অ্যাম্বুলেন্সের খরচও আলাদাভাবে যোগ হয়।
চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে কোন ধরনের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন হবে, সেটি চূড়ান্ত হলে খরচের সঠিক হিসাব পাওয়া যাবে।
এমকে
স্বাস্থ্য
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৩ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪১১ জন।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ১৬৯ জন এবং বাকিরা ঢাকা সিটির বাইরের।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯ হাজার ৪৯৩ জন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬৫৩ জন। মারা গেছেন ৪০৪ জন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সব জায়গায় প্রচার চালাতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেতনতা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।



