অর্থনীতি
৫ হাজার কোটি টাকা চেয়ে আইসিবি পাচ্ছে ১ হাজার কোটি
রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) আবেদনের প্রেক্ষিতে নতুনভাবে এক হাজার কোটি টাকার ঋণ দিচ্ছে সরকার। এবিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নির্দেশনা জারি হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের আওতায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ হাজার কোটি টাকা সুদযুক্ত ঋণ অনুমোদন দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক চিঠি থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, ‘পরিচালন ঋণ’ খাত থেকে আইসিবিকে প্রদত্ত এ অর্থ ১ হাজার কোটি টাকা সুদযুক্ত ঋণ হিসেবে প্রদান করা হবে। এটি অর্থ বিভাগে খাত নম্বর১০৯০১০১-১১০০০০০-৯১২১২০০-পরিচালন ঋণ হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারি এই সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্তাবলি মেনে চলতে হবে এবং আইসিবির আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতাধীন ডিভিডেন্ড বাবদ অনিষ্পন্ন অগ্রিম সমন্বয়ের নির্দেশও প্রদান করা হয়েছে।
জানা গেছে, ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়া প্রতিষ্ঠানটির ঋণ পরিশোধে সরকারের কাছে বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়াতে ও সুদ পরিশোধের সক্ষমতা ফিরে পেতে বিশেষ তহবিল চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে ১ হাজার কোটি টাকার এই ঋণ দিচ্ছে সরকার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ অর্থসংবাদকে বলেন, এই অর্থ পেলে কিছুটা ফাংশনাল (কার্যকরী) হবে। আমরা চেয়েছিলাম ৫ হাজার কোটি টাকা এবং মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠিয়েছিলো এই বিষয়টা। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইএমএফের দোহাই দিয়ে নাকচ করে দেয়। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় ১ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি হয়। আমরা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি যত দ্রুত সম্ভব টাকা ছাড় করার ব্যবস্থা করতে। সেটার জন্য আগামীকাল আইসিবি এবং মন্ত্রণালয়ের মধ্যে চুক্তি হবে।
এমকে
অর্থনীতি
দেশের নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ট্যাক্স বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী
দেশের নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অর্থনীতি সচল করতে ট্যাক্স বাড়াতে হবে এবং এর মাধ্যমে বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান হবে না, এজন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে সরকার জোর দিচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান আসছে বাজেটের অগ্রাধিকার।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় একটি সরকারি হাসপাতালের জায়গা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন জেলে পাড়া এলাকায় প্রস্তাবিত সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নির্ধারিত জমি সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বিকেল ৩টায় মন্ত্রী বানৌজা উল্কার আবাদ অঞ্চল-২ এর পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন মুসলিমাবাদ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত জমি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে তিনি পতেঙ্গায় একটি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত মোট ১৪.২১৯০ (চৌদ্দ দশমিক দুই এক নয় শূন্য) একর এবং ২.৭ (দুই দশমিক সাত) একর জমি সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল রিয়ার এডমিরাল মো. মঈনুল হাসান মন্ত্রীকে জমির অবস্থান, ভৌগোলিক পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পারিপার্শ্বিক অবকাঠামোগত সুবিধা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন।
এ সময় অধিনায়ক বানৌজা উল্কা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), জেলা প্রশাসক কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রস্তাবিত হাসপাতালটি বাস্তবায়িত হলে পতেঙ্গা ও আশপাশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর চিকিৎসা অবকাঠামো আরো শক্তিশালী হবে। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ নিয়ে ভোলা, সদস্য সরফরাজ কাদের রাসেল।
এমএন
অর্থনীতি
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩.৪৯ শতাংশ
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩.৪৯ শতাংশ। গতকাল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত চূড়ান্ত হিসাবে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগের অর্থবছর ২০২৩-২৪ এ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৪.২২ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৫.৭৮ শতাংশ।
জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন বলতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্য ও সেবার চূড়ান্ত মূল্যকে বোঝায়।
বিবিএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অর্থবছর (২০২৪-২৫ অর্থবছর) বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় হিসাবের চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিএস। এতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চূড়ান্ত হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।
আগের অর্থবছর (২০২৩-২৪ অর্থবছর) মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৩৮ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩১ মার্কিন ডলার বেড়েছে।
এর আগে সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয় ছিল ২০২১-২২ অর্থবছরে ২ হাজার ৭৯৩ মার্কিন ডলার। এরপর ডলারের মান বৃদ্ধির কারণে ডলারের সমমূল্যে মাথাপিছু আয় আর বাড়েনি।
বিবিএস-এর হিসাবে, ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৯৩ মার্কিন ডলার। এরপর ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৭৪৯ মার্কিন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা আরো কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৭৩৮ মার্কিন ডলার।
বিবিএস-এর হিসাবে মাথাপিছু আয়ের পার্থক্য মূলত ডলার বিনিময় হার বৃদ্ধির কারণে হয়েছে। গত অর্থবছরের মাথাপিছু আয় নির্ধারণে বিবিএস প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ধরেছিল ১২০.৮২ টাকা। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই বিনিময় হার ধরা হয়েছিল ১১১.০৬ টাকা।
গত অর্থবছর (২০২৪-২৫ অর্থবছর) মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫১১ টাকা। এর আগের অর্থবছর (২০২৩-২৪ অর্থবছর) তা ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ১০২ টাকা।
সূত্র : বাসস
এমএন
অর্থনীতি
দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ
দেশের বাজারে আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সর্বশেষ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে সবশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল সোয়া ১০টা থেকেই।
স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এমএন
অর্থনীতি
ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতা থেকে সরেই গভর্নরের দায়িত্বে মোস্তাকুর রহমান: মুখপাত্র
মোস্তাকুর রহমান ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতা থেকে সরে এসে গভর্নরের দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ব্যাংকের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নতুন গভর্নরের বৈঠক শেষে এই কথা জানান তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ‘গভর্নরের মূল উদ্দেশ্য কর্মসংস্থান তৈরি করা। উচ্চ সুদের হার ও মূল্যস্ফীতি গুরুত্ব পেয়েছে বৈঠকে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের সুশাসন প্রতিষ্ঠা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে আরিফ হোসেন বলেন, ‘প্রাইস স্ট্যাবল রেখে কীভাবে সুদের হার শিথিল করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন গভর্নর।’
বৈঠকে বন্ধ কারখানা চালু ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির ইস্যু গুরুত্ব পেয়েছে বলেও জানান মুখপাত্র।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন গভর্নর। দফতরগুলো অ-সমন্বয়ের কারণে সরকার যেন কোনো চ্যালেঞ্জে না পড়ে সেদিকে গুরুত্ব দেয়ার বিষয়েও কথা হয়েছে।’
এমএন
অর্থনীতি
ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৯ কোটি ডলার
ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনেই দেশে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ২৭৯ কোটি ২০ লাখ বা ২.৭৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৯ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ২২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ।
এর আগে জানুয়ারি মাসে দেশে এসেছে ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
আর গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। যা ছিল দেশের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের কোনো এক মাসে আসা সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। গত নভেম্বরে দেশে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
এমএন



