পুঁজিবাজার
মার্জিন আইন নিয়ে এক সপ্তাহের রুল জারি
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’ রুল জারি করা হয়েছে। আজ বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও আসিফ হাসান এর দ্বৈত বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।
রুলের বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, বিএসইসির করা মার্জিন আইন নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও আসিফ হাসান এর দ্বৈত বেঞ্চ এক সপ্তাহের একটি রুল জারি করেছে। এই আদেশ হাতে হাতে অর্থমন্ত্রণালয়,বিএসইসিসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠাতে বলেছে।
তিনি বলেন, এই আইনটি কেন অবৈধ হবে না মর্মে একটি রুল জারি করেছে আদালত। তবে আইনটি প্রয়োগে কোন বাধা নেই।
নতুন আইনে বলা হয়েছে-
(১) মার্জিন অর্থায়নকারী স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডে তালিকাভুক্ত ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারসমূহ ব্যতিত অন্য কোনো সিকিউরিটিতে মার্জিন অর্থায়ন করিতে পারিবে না। তবে শর্ত থাকে যে, ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোনো কোম্পানি বার্ষিক ন্যূনতম ৫ শতাংশ লভ্যাংশ বিতরণ না করিলে ‘বি’ ক্যাটাগরির কোনো শেয়ার ক্রয়ের নিমিত্ত মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না।
আরও শর্ত থাকে যে, মার্জিন অর্থায়নকৃত ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির কোনো শেয়ার পরবর্তীতে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে রূপান্তরিত হইলে, বা ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোনো কোম্পানি বার্ষিক ন্যূনতম ৫% লভ্যাংশ প্রদান না করিলে, মার্জিন অর্থায়নকারী সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে অনতিবিলম্বে নোটিশ প্রদান করত: তৎপরবর্তী ৬০ (ষাট) ট্রেডিং দিবসের মধ্যে উক্ত শেয়ারসমূহ আবশ্যিকভাবে বিক্রয় করিয়া উহা সমন্বয় করিবে।
(২) উপবিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, স্টক এক্সচেঞ্জ এর এসএমই, এটিবি বা ওটিসি প্ল্যাটফর্ম বা বোর্ডে তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিতে মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না;
(৩) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার কারণে বিদ্যমান মার্জিন হিসাবে রক্ষিত কোনো সিকিউরিটি মার্জিন অর্থায়ন অযোগ্য (non-marginable) সিকিউরিটিতে রূপান্তরিত হইলে, মার্জিন অর্থায়নকারী সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে অনতিবিলম্বে নোটিশ প্রদান করত: তৎপরবর্তী ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে, উক্ত সিকিউরিটি আবশ্যিকভাবে বিক্রয় করিয়া উক্ত হিসাব সমন্বয় করিবে; ব্যাখ্যা। এই উপবিধিতে “বিদ্যমান মার্জিন হিসাব” বলিতে এই বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার পূর্বের কোনো মার্জিন হিসাবকে বুঝাইবে।
১১ নং ধারায় মার্জিন অর্থায়নে বিধি-নিষেধে বলা হয়েছে- কোনো ‘মার্জিন অর্থায়নকারী’ নিম্নোক্ত বিধি-নিষেধ বা শর্তাবলি আবশ্যিকভাবে পরিপালন না করিয়া কোনো মার্জিন অর্থায়ন করিতে পারিবে না, যথা:
(১) কোনো গ্রাহকের হিসাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে, মার্জিন অর্থায়ন দিবসের অব্যবহিত পূর্বের ০১ (এক) বছর গড়ে, ন্যূনতম ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার বিনিয়োগ না থাকিলে, উক্ত হিসাবে মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না। তবে শর্ত থাকে যে, মার্জিন অর্থায়নের পর কোনো মার্জিন হিসাবে (margin account) মার্জিন অর্থায়নযোগ্য সিকিউরিটি ব্যতিত অন্য কোনো সিকিউরিটি সংরক্ষণ করা যাইবে না;
(২) উপবিধি (১) পরিপালন সাপেক্ষে, মার্জিন অর্থায়ন দিবসে উক্ত হিসাব বা পোর্টফোলিওতে ন্যূনতম ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা বা সমমূল্যের মার্জিন সংরক্ষিত না থাকিলে, কোনো ভাবেই, উক্ত হিসাবে মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, বিদ্যমান গ্রাহকের মার্জিন হিসাবে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার কম পোর্টফোলিও মূল্য বা বিনিয়োগ থাকিলে, এই বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার ১ (এক) বছরের মধ্যে উক্ত মার্জিন হিসাবের পোর্টফোলিও ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকায় উন্নীত করিতে হইবে, নতুবা মার্জিন অর্থায়নকারী উল্লিখিত গ্রাহকের মার্জিন হিসাব সমন্বয় করত: উহা বন্ধ করিবে; ব্যাখ্যা। “বিদ্যমান গ্রাহক” বলিতে এই বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার পূর্বের মার্জিন হিসাবধারী কোনো গ্রাহককে বুঝাইবে।
(৩) মার্জিন অর্থায়নের জন্য বিবেচ্য সিকিউরিটির উন্মুক্ত বাজার মূলধন ন্যূনতম ৫০ (পঞ্চাশ) কোটি টাকা না হইলে উহাতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, কোনো কারণে মার্জিন অর্থায়নকৃত কোনো সিকিউরিটি’র উন্মুক্ত বাজার মূলধন পরবর্তীতে ৫০ (পঞ্চাশ) কোটি টাকার নিচে নামিয়া গেলে, মার্জিন অর্থায়নকারী সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে অনতিবিলম্বে নোটিশ প্রদান করত: তৎপরবর্তী ৬০ (ষাট) ট্রেডিং দিবসের মধ্যে, উক্ত সিকিউরিটি আবশ্যিকভাবে বিক্রয় করিয়া উহা সমন্বয় করিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, মার্জিন অর্থায়নযোগ্য সিকিউরিটির উন্মুক্ত বাজার মূলধন (free float market capital), স্টক এক্সচেঞ্জ, উহার ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করিবে;
(৪) মার্জিন অর্থায়নের জন্য বিবেচ্য সিকিউরিটির পূর্ববর্তী মূল্য-আয় [trailing P/E (price earning ratio)] অনুপাত ৩০ (ত্রিশ) এর অধিক হইলে উহাতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত বিবেচ্য সিকিউরিটির মূল্য-আয় (পি/ই) অনুপাত ৩০ (ত্রিশ) বা খাতভিত্তিক মধ্যম মূল্য-আয় অনুপাত এর দ্বিগুণ, যাহা কম হয়, তাহার ভিত্তিতে মার্জিন অর্থায়নযোগ্য সিকিউরিটি নির্বাচন করিতে হইবে;
(৫) মার্জিন অর্থায়নের জন্য পূর্ববর্তী মূল্য-আয় অনুপাত নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পন্থা অবলম্বন করিতে হইবে:
পূর্ববর্তী মূল্য-আয় অনুপাত সিকিউরিটির সর্বশেষ ট্রেডিং দিবসের সমাপনী মূল্য ভাগ (1) সর্বশেষ ধারাবাহিক ০৪ (চার) প্রান্তিকের শেয়ার প্রতি আয় এর যোগফল: তবে শর্ত থাকে যে, মার্জিন অর্থায়নের জন্য বিবেচ্য সিকিউরিটি নির্ধারণের সুবিধার্থে স্টক এক্সচেঞ্জ, মূল্য-আয় অনুপাত উহার ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটির মূল্য-আয় অনুপাত বা খাতভিত্তিক মূল্য-আয় অনুপাত নির্ধারণের ক্ষেত্রে শেয়ার প্রতি ঋণাত্মক আয়কে কোনো ভাবেই বিবেচনা করা যাইবে না;
(৬) কোনো ইস্যুয়ার কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে, নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা ব্যবসার অস্তিত্বের হুমকি বা এইরূপ ঝুঁকি উল্লেখপূর্বক বিরূপ মন্তব্য প্রদত্ত হইলে, উক্ত সিকিউরিটি বা ইস্যুয়ার কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ের নিমিত্ত কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে উক্তরূপ ঝুঁকির উল্লেখ থাকিলে, স্টক এক্সচেঞ্জ, উহা নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিবে;
(৭) কোনো সিকিউরিটি ইস্যুয়ার কোম্পানির ব্যবসায় কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকিলে, উক্ত সিকিউরিটি বা ইস্যুয়ার কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ের নিমিত্ত কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, কোনো কোম্পানির ব্যবসায় কার্যক্রম বন্ধ সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকিলে, স্টক এক্সচেঞ্জ, উহা নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিবে;
(৮) কোনো স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃক উহার তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিকে ‘এন’, ‘জেড’, ও ‘জি’, ক্যাটাগরিভুক্ত করা হইলে উহাদিগতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না;
(৯) কোনো স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত নয় বা অ-তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না;
(১০) মার্জিন অর্থায়নকারী বা উহার উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ইস্যুকৃত তালিকাভুক্ত বা অ-তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রাহকের নিজস্ব তহবিল বা জমাকৃত অর্থে উক্ত সিকিউরিটি ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই বাধা-নিষেধ প্রযোজ্য হইবে না;
(১১) কোনো পাবলিক অফার বা রাইট ইস্যুতে অংশ গ্রহণের নিমিত্ত কোনো মার্জিন হিসাবধারীর অনুকূলে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না;
(১২) কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির কোনো পরিচালককে, কোনো অবস্থাতেই, স্বীয় কোম্পানির কোনো শেয়ার ক্রয়ের নিমিত্ত মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না; এবং
(১৩) কোনো অবস্থাতেই গ্রাহকের লককৃত বা বন্ধকীকৃত বা আবদ্ধকৃত বা কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালক কর্তৃক ধারণকৃত কোনো শেয়ার বা সিকিউরিটিকে মার্জিন হিসেবে জমা রাখিয়া কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না।
এসএম
পুঁজিবাজার
সূচক নিম্নমুখী, দুই ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ৩৪৩ কোম্পানির
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম দুই ঘণ্টার মধ্যে শেয়ার দর হারিয়েছে ৩৪৩ কোম্পানির।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রোববার (১ মার্চ) ডিএসইর লেনদেন শুরুর দুই ঘণ্টা পর অর্থাৎ বেলা সাড়ে ১২টা ০২ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ ১১২ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৪৮৭ পয়েন্টে।
প্রধান সূচকের সঙ্গে শরিয়াহ সূচক বা ‘ডিএসইএস’ ১৯ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট কমে আর ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৪৭ দশমিক ৭৮ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১০৯৬ ও ২১২১ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।
আলোচ্য সময়ে ডিএসইতে মোট ৫০৮ কোটি ৮৪ লাখ ১৪ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
এসময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৯টির, কমেছে ৩৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬কোম্পানির শেয়ারদর।
এমএন
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে ২ শতাংশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ২ শতাংশ বেড়েছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ৯.৯৪ পয়েন্টে আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ১০.১ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.১৬ পয়েন্ট বা ২ শতাংশ বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে ফান্ডটির ইউনিট দর কমেছে ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। ফান্ডটির সমাপনী মূল্য ছিল ৩.০০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা এসজেআইবিএল মুদ্রাবাদ পার্পেচ্যুয়াল বন্ডের ইউনিট দর কমেছে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ফান্ডটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫,৪০৮.০০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা বিডি ওয়েল্ডিংয়ের শেয়ার দর কমেছে ৬ দশমিক ৬০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১৮.৪০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে– মেঘনা সিমেন্টের ৬.৩৫ শতাংশ, এবি ব্যাংক পার্পেচ্যুয়াল বন্ডের ৬.২৫ শতাংশ, এপিএসসিএল নন-কনভারট্যোবল অ্যান্ড কূপন বেয়ারিং বন্ডের ৬.২৩ শতাংশ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ৬.১৯ শতাংশ, ন্যাশনাল ব্যাংকের ৫.৬৬ শতাংশ, পূবালী ব্যাংক পার্পেচ্যুয়াল বন্ডের ৫.০০ শতাংশ ও আইসিবি ইমপ্লোয়েস মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান : স্কিম ওয়ানের ৪.০০ শতাংশ শেয়ার দর কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে বিআইএফসি
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) লিমিটেড ।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, গত সপ্তাহে কোম্পানির দর বেড়েছে ৫২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫.৫০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রাইম ফাইন্যান্সের শেয়ার দর বেড়েছে ৪৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৪.০০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ার দর বেড়েছে ৩৬ দশমিক ১১ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৪.৯০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে–ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ৩৪.১৫ শতাংশ, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ৩২.০০ শতাংশ, অ্যাপোলো ইস্পাতের ৩১.৮২ শতাংশ, ফাস ফাইন্যান্সের ৩০.৭৭ শতাংশ, পিপলস লিজিংয়ের ৩০.৭৭ শতাংশ, সোনারগাঁও টেক্সটাইলের ২৯.৩৬ শতাংশ ও বে-লিজিংয়ের ২৮.৮৯ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৪৫ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৬.২৬ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ৩১ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৪.৩০ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের ২৬ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার টাকার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.৬৮ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- রবি আজিয়াটার ২১ কোটি ৭৬ লাখ ২০ হাজার টাকা , খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগের ১৭ কোটি ৪২ লাখ ৭০ হাজার টাকা , ওরিয়ন ইনফিউশনের ১৭ কোটি ৪২ লাখ ১০ হাজার টাকা , সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের ১৪ কোটি ৭৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা , স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ১৩ কোটি ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা , ইস্টার্ন ব্যাংকের ১২ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং যমুনা ব্যাংকের ১১ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।




