কর্পোরেট সংবাদ
সুস্থ শরীর ও সুন্দর মনই টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি: ইউসিবি চেয়ারম্যান
সবসময় ব্যস্ততার ছন্দে দৌড়ানো শহর ঢাকায় এক বিরল প্রশান্তি নেমে এসেছিল গুলশানের শাহাবুদ্দিন পার্কে। সংগীত, নৃত্য, যোগ ও ধ্যানের নরম সুরে মুখরিত সেই পার্কে ফিরে এসেছে ঢাকা ফ্লো ফেস্ট ২০২৫—এক উৎসব যা উন্মুক্ত আকাশের নিচে যোগব্যায়াম, নাচ, শিল্প আর সচেতন জীবনচর্চার সম্মিলন ঘটায়। এসময় এক আলোচনায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) চেয়ারম্যান শরীফ জহীর বলেন, সুস্থ শরীর ও সুন্দর মনই টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি।
এই উৎসবে আধুনিক জীবনের ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার আহ্বানে বহুমানুষের উপস্থিতিতে এক ভিন্ন রূপ ধারণ করে। দ্বিতীয় দিনের “পার্টনার্স ইন ফ্লো” প্যানেল আলোচনায় ইউসিবি চেয়ারম্যান বলেন, “ইউসিবি এখন নতুন উদ্যম ও উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে—যেখানে টেকসই প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের কর্মী, গ্রাহক ও সম্প্রদায়ের সুস্থতা ও কল্যাণই সবচেয়ে বড় প্রেরণা। আমি বিশ্বাস করি মানবিক সুস্থতা ও সচেতন জীবনদৃষ্টি ব্যক্তি থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।’’
তার বক্তব্যে প্রতিফলিত হয় ইউসিবির সাম্প্রতিক স্থায়িত্ব-অভিযান—যেখানে কর্মীদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, “আজকের দিনে ‘ওয়েলনেস’ ও ‘সাসটেইনেবিলিটি’ আর আলাদা কোনো প্রকল্প নয়; এগুলোই আধুনিক প্রতিষ্ঠানের মূল দর্শন, যা তাদের ভবিষ্যৎ গড়ে দিচ্ছে।”
সূর্য যখন গুলশানের আকাশরেখার ওপারে ঢলে পড়ছে, তখনও উৎসবের অংশগ্রহণকারীরা যোগম্যাট থেকে হাসির বৃত্তে, সুরের গভীরতা থেকে নীরব ধ্যানে-প্রবাহিত হচ্ছিলেন এক মননশীল ছন্দে। উপস্থিত অতিথিরা প্রশংসা করেন আয়োজকদের, যাঁরা এমন অনুপ্রেরণাদায়ী ও মননশীল পরিসর তৈরি করেছেন।
এখন প্রতি বছরই নিজের ছন্দে ফিরে আসে ঢাকা ফ্লো ফেস্ট। এটি কেবল একটি ওয়েলনেস ইভেন্ট নয়—এটি এক জীবনধারা, যা নগরবাসীকে মনে করিয়ে দেয় একটু থামতে, গভীরভাবে শ্বাস নিতে এবং নিজের সঙ্গে আবার সংযোগ স্থাপন করতে।
ইউসিবির জন্য এমন একটি উদ্যোগে অংশ নেওয়া কেবল পৃষ্ঠপোষকতা নয়, বরং এক বার্তা— একটি আধুনিক ব্যাংক শুধু আর্থিক সাফল্যের জন্য নয়, বরং মানবিক ভারসাম্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও টেকসই অগ্রগতির পক্ষেও দাঁড়াতে পারে।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রহণ করে মোটর সাইকেল পেলেন মাঈন উদ্দিন ও জিয়াউল হক
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে ক্যাশ রেমিট্যান্স উৎসবে ১৯তম মোটর সাইকেল পেলেন কুমিল্লা নাঙ্গলকোট শাখার গ্রাহক মাঈন উদ্দিন এবং ২০তম মোটর সাইকেল পেলেন ফেনী শাখার সেলফিন গ্রাহক মো. জিয়াউল হক। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নাসির উদ্দিনের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রেক্ষিতে মাঈন উদ্দিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী মোহাম্মদ মমিনুল হকের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রেক্ষিতে মো. জিয়াউল হক এই পুরস্কার পেয়েছেন।
২৯ মার্চ ২০২৬, রবিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল র্যাফেল ড্রতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন।
এসময় ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম, ফরেন রেমিট্যান্স সার্ভিসেস ডিভিশন প্রধান মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা, ওভারসিজ ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ফরেন ট্রেড প্রসেসিং ডিভিশন প্রধান মো. দাউদ খান এবং রিয়া মানি ট্রান্সফার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম তালুকদার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট অপারেশনস ম্যানেজার মো. আরাফাত হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য মাহে রমাদান উপলক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংকে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রহীতাদের মধ্যে ডিজিটাল র্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে প্রতি ব্যাংকিং কর্ম দিবসে (রবি-বৃহস্পতিবার) একটি করে মোট ২০টি মোটর সাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।
কর্পোরেট সংবাদ
রূপালী ব্যাংক যশোর জোনে খেলাপি ঋণ আদায়ে কর্মপরিকল্পনা সভা
রূপালী ব্যাংক পিএলসি যশোর জোনে খেলাপি ঋণ আদায় জোরদারে সকল শাখা ব্যবস্থাপক সমন্বয়ে খেলাপী ঋণ আদায় সংক্রান্ত কর্মপরিকল্পনা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রূপালী ব্যাংক পিএলসি খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক রোকনুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন যশোর জোনের জোনাল ম্যানেজার ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ সাহাদ আলী।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ের পাশাপাশি নতুন করে ঋণ খেলাপি যেন না বাড়ে, সে জন্য নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকি জোরদার করতে হবে।
রোকনুজ্জামান বলেন, নগদ আদায়, পুনঃতফসিল, নবায়ন এবং প্রয়োজনে সুদ মওকুফের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে হবে। খেলাপি ঋণ দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সভায় খেলাপি ঋণ আদায়ের পাশাপাশি নতুন সিএমএসএমই ঋণ বিতরণ, লো-কস্ট ও নো-কস্ট আমানত সংগ্রহ, কৃষি ও পল্লীঋণ এবং হোম লোন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে যশোর জোনের ১৮টি শাখার ব্যবস্থাপক ও নির্বাহীরা অংশগ্রহণ করেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা রেভিনিউ’র অংশ দিল নগদ
রেভিনিউ ভাগাভাগির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার ৪৭০ টাকা দিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময়ে নগদের রেভিনিউ থেকে ডাক বিভাগকে এই অর্থ প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ডাক ভবনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম কাছে এই চেক হস্তান্তর করেন নগদের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আফজাল আহমেদ। এ সময় ডাক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এস এম হারুনুর রশীদ, নগদে বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত সহযোগী প্রশাসক মো. নাহিম উদ্দিন, নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম এবং নগদ লিমিটেড ও ডাক বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডাক বিভাগের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, ব্যবসা পরিচালনার জন্যে প্রযুক্তিসহ প্রয়োজনীয় সকল বিনিয়োগই করবেন নগদ লিমিটেড। সেবা পরিচালনার ক্ষেত্রে ডাক বিভাগের কোনো আর্থিক বিনিয়োগও থাকবে না। তবে সেবা থেকে রেভিনিউ’র ৫১ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। নগদ লিমিটেড পাবে বাকি ৪৯ শতাংশ রেভিনিউ।
এর আগে সেবা শুরুর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ডাক বিভাগকে মোট ১৪ কোটি ৬০ লাখ ৯৪ হাজার ৬৬০ টাকা রেভিনিউ’র অংশ দিয়েছে নগদ লিমিডেট। এর মধ্যে ২০২৪ সালের মে মাসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৫ কোটি ৫১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫৮ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। তারও আগে ২০২২ সালে ৪ কোটি ৫০ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৭ টাকা এবং ২০২০ সালে ১ কোটি ১২ লাখ টাকা ডাক বিভাগকে প্রদান করে নগদ লিমিটেড।
চেক হস্তান্তরের পর নগদের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম । তিনি বলেন, নগদ এই খাতের বাজারে যথেষ্ট প্রতিযোগিতা সৃস্টি করতে সক্ষম হয়েছে যা ক্যাশলেস লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহককে আরো উৎসাহ দিচ্ছে। এর ফলে এই খাতে বাংলাদেশের প্রভূত উন্নতি ঘটছে।
তিনি বলেন, নগদ ডাক বিভাগেরই সেবা। ডাক বিভাগ এবং নগদের সবাই মিলে আমরা নগকে আরো এগিয়ে নেবো। ডাক বিভাগ থেকে আমরা যেমন নগদকে ওউন করি একইভাবে সরকারও ওউন করে। এখন বছরে ১৩/১৪ কোটি টাকা পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি সেই সময় দূরে নয় যখন বছরে এখান থেকে সরকার একশ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে।
নগদের প্রসাশক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ মানুষকে আর্থিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে নগদের অবদান অসামান্য। নতুন নতুন উদ্ভাবনের পাশাপাশি বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করে গ্রাহক স্বার্থ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নগদের অবদান সবচেয়ে বেশী। সেই সঙ্গে প্রতি বছর সরকারের রাজস্ব আয়েও নগদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
২০১৯ সালের মার্চে যাত্রার পর থেকেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে নগদ। পিছিয়ে পড়া মানুষকে আর্থিক অন্তৰ্ভুক্তিতে যুক্ত করার মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল আর্থিক খাতে বিপ্লব ঘটিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির দৈনিক গড় লেনদেন প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।
উদ্ভাবনী সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জসহ অত্যাধুনিক সব সেবা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে আর্থিক খাতে অভুতপূর্ব পরিবর্তন ঘটিয়েছে নগদ। সরকারের ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণের শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণ; প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অনুদান বিতরণ, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বিভিন্ন সহায়তা ও ভাতার টাকা স্বচ্ছতার সঙ্গে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে নগদ। ভবিষ্যতে কৃষক কার্ড, ইমাম-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বিতরণ এবং সরকারের অন্যান্য যে সব ভাতা ও অনুদান বিতরণ হবে সেখানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নগদ।
কর্পোরেট সংবাদ
‘ঈদের চাঁদ আকাশে, সালামি দিন বিকাশ-এ’, ডিজিটাল সালামিতে জমে উঠছে ঈদ উৎসব
ঈদের দীর্ঘ ছুটি শুরু হওয়ার আগে অফিসের শেষ কর্মদিবসটি এখন ভিন্ন এক আমেজ নিয়ে আসে। কাজের ব্যস্ততার মাঝেই কনিষ্ঠ সহকর্মীদের অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে দল বেঁধে অগ্রজদের কাছ থেকে সালামি আদায় করা। আর এই সালামি আদান-প্রদানকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় মজার সব স্মৃতি।
এক সময় নতুন কড়কড়ে নোটে সালামি দেয়ার চল থাকলেও, কালের বিবর্তনে সালামি আদান-প্রদানেও লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। গত কয়েক বছর ধরেই ঈদ ঘনিয়ে আসলে কানে বাজছে ‘ঈদের চাঁদ আকাশে সালামি দিন বিকাশ-এ।’
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন যাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করি, তাদের সঙ্গে ঈদের আগে সালামি বিনিময় এক বাড়তি আনন্দ যোগ করে। আগে নতুন নোটের জন্য ব্যাংকে যেতে হতো, এখন আগেভাগেই বিকাশ অ্যাকাউন্টে ‘অ্যাড মানি’ করে রাখি। এতে অফিসের জুনিয়র সহকর্মী থেকে শুরু করে এলাকার ছোট ভাইবোন, দূরে থাকা ভাগ্নে-ভাগ্নি কিংবা ভাতিজা-ভাতিজিদের সালামি পাঠানো কাছেও সহজ হয়ে গিয়েছে বিকাশ-এর কল্যাণে।”
এ বছরই চৌদ্দ বছরে পড়েছে কায়নাত আরিতা। মাকে বলে সে কয়েক মাস আগে বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলেছে। কায়নাত জানায়, “গত বছর সবাই বড় আপুর মোবাইলে আমার সালামি পাঠিয়ে দিয়েছিল। তবে এবার আমার নিজেরই বিকাশ অ্যাকাউন্ট আছে। তাই নিজের অ্যাকাউন্টেই এবার সালামি পাব।”
এমনি করে লাখো গ্রাহক এখন সালামি দিতে বিকাশ ব্যবহার করছেন। ২০২৫ সালে ঈদ-উল-ফিতরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বিকাশ অ্যাপ থেকে ঈদ কার্ড সহ সালামি পাঠিয়েছেন। এই গ্রাহকদের ৪০ শতাংশই নারী। আবার, গ্রাহকদের ৩০ শতাংশই সালামি পাঠিয়েছেন চাঁদ রাতে। প্রায় ৪৮ শতাংশ পাঠিয়েছেন ঈদের দিন, আর বাকিরা পরের দুই দিনে। এদিকে, ৭০ শতাংশের বেশি সালামি যাচ্ছে এক জেলা থেকে আরেক জেলায়। এছাড়াও, জেন-জি থেকে বেবি বুমার সব বয়সের গ্রাহকরাই বিকাশ থেকে
সালামি পাঠাচ্ছেন।
বিকাশ-এ সালামি পাঠানোর খুঁটিনাটি:
যেভাবে বিকাশ-এ সালামি পাঠাবেন: ঈদ সালামি পাঠাতে বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি অপশনে যেতে হবে, তারপর নিচে থাকা ঈদ মোবারক লেখা ঈদ কার্ড সিলেক্ট করতে হবে। সেখানে নিজের মতো করে ম্যাসেজ এবং সিগনেচার যোগ করে দেয়া যাবে। অথবা আগে থেকেই যুক্ত থাকা ম্যাসেজও পাঠানো যাবে। কার্ড যুক্ত হয়ে গেলে সালামির অংক বসিয়ে এবং সবশেষে বিকাশ পিন দিয়ে সালামি পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
গ্রুপ সেন্ড মানি: যারা একসঙ্গে অনেককে সালামি পাঠাবেন, তারা খুব সহজে বিকাশ অ্যাপে গ্রুপ সেন্ড মানি ফিচার ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য শুরুতেই বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি আইকনে ক্লিক করে গ্রুপ সেন্ড মানি অপশন ট্যাপ করে সর্বোচ্চ ৭টি নাম্বার অ্যাড করে সালামি পাঠানোর গ্রুপ তৈরি করে নেয়া যাচ্ছে। তারপর মোট সেন্ড মানির পরিমাণ দিয়ে চাইলে প্রতি নাম্বারে সমানভাগে অথবা একেক নাম্বারে একেক পরিমান সালামি পাঠাতে পারবেন। একজন গ্রাহক একাধিক গ্রুপ তৈরি করে সালামি পাঠাতে পারবেন।
সালামির সাথে বর্ণিল ঈদ কার্ড: সালামি পাঠানোর সময় বিকাশ অ্যাপে থাকা বর্ণিল ঈদ কার্ড সিলেক্ট করে তার উপর নিজের আবেগ-অনুভূতি, স্নেহ-ভালোবাসা জানিয়ে মেসেজ যুক্ত করতে পারবেন যেকোনো গ্রাহক। বাংলা ও ইংরেজি– দুই ভাষাতেই মেসেজ লেখার সুযোগ রয়েছে।
সালামি চেয়ে রিকোয়েস্ট মানি: সালামি শিকারিদের জন্য এক মোক্ষম অস্ত্র বিকাশ অ্যাপের রিকোয়েস্ট মানি ফিচার। অ্যাপ থেকে ‘রিকোয়েস্ট মানি’ আইকনে ট্যাপ করে সর্বোচ্চ ১০টি বিকাশ নাম্বারে পৃথকভাবে বা গ্রুপ তৈরি করে প্রিয়জনের কাছে সালামির রিকোয়েস্ট পৌঁছে দেয়া যাবে। রেমিটেন্স সেবার মাধ্যমে বিদেশ থেকে সালামি: যারা কাজের প্রয়োজনে প্রিয়জনকে দূরে রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করেন তারাও এখন বিকাশ-এর রেমিটেন্স সেবার মাধ্যমে প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে সালামি পাঠাতে পারেন।
সেন্ড মানি বান্ডেল: এদিকে, যারা অনেককে সালামি পাঠাবেন তারা সেন্ড মানির খরচ কমাতে বিকাশ অ্যাপের ‘আমার বিকাশ’ সেকশন থেকে পছন্দের ‘সেন্ড মানি বান্ডেল’ কিনে নিতে পারেন। বর্তমানে গ্রাহকরা ৩০ দিন মেয়াদে ৫, ১০, ২৫, ৫০, ও ১০০টি সেন্ড মানি বান্ডেল কিনতে পারবেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
নগদ ইসলামিকের তিন ব্যবহারকারী জিতলেন উমরাহ প্যাকেজ
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নগদ ইসলামিক ওয়ালেট ব্যবহার করে তিন পেশার তিনজন গ্রাহক জিতে নিয়েছেন পবিত্র উমরাহ প্যাকেজ। বিজয়ীদের প্রত্যেকের বাড়িতে গিয়ে নগদের পক্ষ থেকে এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়।
নগদ ইসলামিকের এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে সম্প্রতি ঢাকার উত্তরার অটোরিকশাচালক মো. জুবায়ের হোসেন, ঢাকার কাফরুল এলাকার ঠিকাদার মো. শাহজাহান ও লালমনিরহাটের একজন কৃষক মো. মানিক এই পুরস্কার বিজয়ী হয়েছেন। পুরস্কার হিসেবে পবিত্র উমরাহ করতে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে বিজয়ী তিনজনই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
পুরস্কার পাওয়ার নিজের অনুভূতি জানিয়ে অটোরিকশাচালক মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘মা অসুস্থ, ওষুধপত্র কেনার জন্য নগদ ইসলামিক অ্যাপ ব্যবহার করি। আল্লাহর ঘর পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতে যাব, এটা একটা পরম সৌভাগ্য।’
বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইস্কাটনের মসজিদুন নূরের খতিব মাওলানা গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী, নাশিদ শিল্পী মুনাইম বিল্লাহ ও নগদ ইসলামিক শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি।
এ বিষয়ে নগদ ইসলামিক শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, ‘নগদ ইসলামিকের এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তিনজন মুসলমান ভাই মহান আল্লাহর পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতে পারবেন, এটার জন্য আমরা অনেক আনন্দিত। আমরা নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে এরকম কিছু উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের গ্রাহকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।’
এমএন



