কর্পোরেট সংবাদ
কার্বন হিসাব প্রকাশের মধ্য দিয়ে ব্যাংকিং খাতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) প্রথমবারের মতো প্রকাশ করেছে ‘সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট ২০২৪’। এ রিপোর্টের মাধ্যমে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্বন হিসাব প্রকাশ করেছে। যা দেশের ব্যাংকিং খাতে টেকসই উদ্যোগের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রিপোর্টে ইউসিবি তাদের ঋণ ও বিনিয়োগ কার্যক্রম থেকে সৃষ্ট মোট কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ পরিমাপ ও প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি টেকসই ব্যাংকিং অনুশীলনে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
সম্প্রতি ইউসিবির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রিপোর্টটি উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব শরীফ জহীর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ এবং ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের কর্মকর্তারা।
রিপোর্টে স্কোপ ৩ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে জিম ফাউন্ডেশনের পিসিএএফ (পিসিএএফ)-ভিত্তিক টেমপ্লেট ব্যবহার করে। পাশাপাশি ব্যাংকের নিজস্ব কার্যক্রম থেকে সৃষ্ট স্কোপ ১ ও ২ (প্রত্যক্ষ ও জ্বালানি-সম্পর্কিত নির্গমন) হিসাবও সীমিত আকারে যুক্ত করা হয়েছে।
ইউসিবি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ব্যাংকটি সবুজ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অর্থায়ন আরও জোরদার করবে এবং ধীরে ধীরে উচ্চ কার্বন-নির্ভর শিল্পে বিনিয়োগ কমাবে। একই সঙ্গে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে বিদ্যুৎ ও কাগজ ব্যবহারে সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ, কার্বন ফুটপ্রিন্ট নিয়মিত পরিমাপ ও প্রকাশের মাধ্যমে ২০৫০ সালের মধ্যে শূন্য কার্বন নিঃসরণে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব শরীফ জহীর বলেন, “মানবজাতির অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় হুমকি হলো বায়ুমণ্ডলে লাগামহীন কার্বন নির্গমন। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। ইউসিবির ২০২৪ সালের সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট কেবল একটি দলিল নয়; এটি আমাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন—যেখানে আর্থিক অগ্রগতি, সামাজিক কল্যাণ ও পরিবেশ সুরক্ষা একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত।”
রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইউসিবি পরিবেশ, সামাজিক ও গভর্নেন্স (ইএসজি) নীতিমালাকে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে রেখেছে। ২০২৪ সালে ব্যাংকটি গ্রিন ও সাসটেইনেবল ফাইন্যান্সিং খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি-দক্ষ প্রযুক্তি, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ স্থাপনা ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি উদ্যোগে অর্থায়নের মাধ্যমে ইউসিবি কৃষক ও জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তায় সরাসরি অবদান রাখছে।
টেকসই ব্যাংকিং মানেই ভালো ব্যাংকিং। ইউসিবির এই টেকসই উদ্যোগ কেবল পরিবেশের জন্য নয়, বরং তাদের গ্রাহক, ঋণগ্রহীতা এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্যও সুফল বয়ে আনবে-গ্রাহকরা আরও স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল ব্যাংকিং সেবা পাবেন। ঋণগ্রহীতারা সবুজ প্রকল্পে অর্থায়নের সুযোগ পাবেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খরচ কমাবে। শেয়ারহোল্ডাররা নিশ্চিত হতে পারবেন যে তাদের বিনিয়োগ টেকসই ও কম-ঝুঁকিপূর্ণ খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
‘সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট ২০২৪’ ইউসিবির আর্থিক স্থিতি, পরিবেশগত দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক ন্যায়ের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির সুস্পষ্ট প্রতিফলন।
কর্পোরেট সংবাদ
সাউথইস্ট ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন
সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির ‘বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান এম. এ. কাশেম। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খালিদ মাহমুদ খান।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারপারসন রেহানা রহমান। এছাড়াও পরিচালকবৃন্দের মধ্যে জুসনা আরা কাশেম, দুলুমা আহমেদ, নাসির উদ্দিন আহমেদ, খন্দকার বদরুল হাসান, নূর নাহার তারিন এবং মো. রফিকুল ইসলাম (এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মনোনীত) অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে, ২০২৫ সালে ব্যাংকের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা পর্যালোচনা করা হয়েছিল এবং সন্তুষ্টির অনুভূতি প্রকাশ করা হয়েছিল। ২০২৬ সালের জন্য একটি সুসংগঠিত কৌশলগত ব্যবসায়িক নীতি এবং পরিকল্পনা তৈরির উপর আলোকপাত করা হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীরা সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রগুলি অনুসন্ধান করেন এবং ব্যাংককে আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এছাড়াও, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান, শাখা প্রধান, ব্যবস্থাপক অপারেশন এবং সংশ্লিষ্ট শাখার বিভাগীয় প্রধান, উপ-শাখা প্রধান এবং অবসর ব্যাংকিং ইউনিটের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন, যা এই অনুষ্ঠানকে জ্ঞান ভাগাভাগি এবং সহযোগিতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
মুহূর্তেই পদ্মাসেতুর টোল পরিশোধ করা যাচ্ছে নগদের মাধ্যমে
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের সাথে সাথে নগদের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন মানুষকে আরো বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন উপহার দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার পদ্মাসেতু পারাপারে যাত্রীরা টোল পরিশোধ করতে পারবেন নগদের মাধ্যমে।
এখন থেকে নগদ গ্রাহকেরা তাদের নগদ ওয়ালেট দিয়ে নিমিষেই পদ্মাসেতুর টোল পরিশোধ করতে পারবেন। সম্প্রতি অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের ‘এক পে’ (ঊশচধু) প্ল্যাটফর্মের ইন্টারঅপারেবল টোল পেমেন্ট সিস্টেম ডি-টোলের সাথে নগদ যুক্ত হয়ে গ্রাহকদের জন্য এই সুবিধা নিয়ে এসেছে।
নগদের মাধ্যমে টোল পরিশোধ করতে গ্রাহককে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। প্রথমে একজন নগদ গ্রাহককে নগদ অ্যাপের টোল অপশনে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করতে নগদ অ্যাপে লগইন করে টোল অপশন বাছাই করতে হবে। এরপর ট্যাপ টু ইউজ অপশন বাছাই করে রেজিস্টার অপশনে ক্লিক করে নিজের নাম লিখতে হবে এবং টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন্স-এ ক্লিক করে সাবমিট করতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে গ্রাহককে নগদ ওয়ালেট অ্যাটাচ অপশন ক্লিক করে অ্যাকসেপ্ট অপশনে ক্লিক করতে হবে এবং নিজের নগদ ওয়ালেট নম্বর প্রদান করতে হবে। এরপর গ্রাহক একটি ওটিপি পাবেন, যা প্রদান করতে হবে এবং নগদ পাসওয়ার্ড প্রদান করে ওয়ালেট অ্যাটাচ সম্পন্ন করতে হবে। তৃতীয় ধাপে টপ আপ অপশনে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত অঙ্ক বসিয়ে টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন্স-এ ক্লিক করে সাবমিট করলে টপ আপ সম্পন্ন হবে।
টোল প্রদানে নিজের যানবাহন নগদ ওয়ালেটে যুক্ত করতে যানবাহনের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে এবং ইয়েস (হ্যাঁ) অপশনে ট্যাপ করে ওটিপি প্রদান করতে হবে এবং সাবমিট করতে হবে। এসব প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে এরপর থেকে খুব সহজে নগদের মাধ্যমে পদ্মাসেতুর টোল প্রদান করা যাবে।
পাশাপাশি গ্রাহকেরা তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর মাওয়া টোল প্লাজায় বিআরটিএ অনুমোদিত আরএফআইডি ট্যাগ যাচাই করে নিতে হবে। নতুন বা প্রথম নিবন্ধন করা গ্রাহকদের একবার এই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করতে হবে। এরপর পদ্মাসেতুর ইটিসি লেন ব্যবহার করে পারাপারের সময় নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ করে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা।
নগদের এই সেবার মাধ্যমে যাতায়াত এখন আরো দ্রুত, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং কোনো ধরনের অপেক্ষা ছাড়া পদ্মাসেতু পারাপার করা যাবে। এরফলে আগে যে ছোটখাটো যানজটে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হতো, এখন আর সেই সমস্যাও থাকবে না নগদের মাধ্যমে টোল পরিশোধ করার মাধ্যমে। এবিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য নগদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ বা ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
অভিযোগ জানাতে বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো ‘সেলফ কমপ্লেইন্ট’
এখন বিকাশ অ্যাপ থেকেই গ্রাহক নিজেই বিকাশ টু ব্যাংক, সেভিংস, মোবাইল রিচার্জ ও পে বিল সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন সহজেই। অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ, তাৎক্ষণিক ও কার্যকর করতে সম্প্রতি বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হয়েছে ‘সেলফ কমপ্লেইন্ট (ই-সিএমএস)’ সেবা।
অভিযোগ জানানোর পর এ সংক্রান্ত সর্বশেষ অগ্রগতির তথ্যও জানার সুযোগ থাকবে এই সেবায়। কয়েকটি সহজ ধাপেই অভিযোগ জানানো এবং পরে এর অগ্রগতি জেনে নেয়ার এই স্বয়ংক্রিয় সেবা বিকাশ গ্রাহককে আরও সক্ষমতা দেবে, পাশাপাশি দ্রুত সেবা পাওয়াকেও নিশ্চিত করবে।
বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে প্রথমে হোম স্ক্রিনের মেন্যু থেকে ‘গ্রাহক সেবা’ সিলেক্ট করে ‘কমপ্লেইন্ট’ অপশনে যেতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট সেবার ধরন বেছে নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সাবমিট করলেই অভিযোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এছাড়া, ‘কমপ্লেইন্ট’ সেকশনের ‘পূর্ববর্তী অভিযোগ দেখুন’ অপশনে ট্যাপ করে গ্রাহক নিজেই দেখে নিতে পারবেন আগে করা অভিযোগগুলোর বিষয়ে কী অগ্রগতি হয়েছে।
এই সেবাটি ব্যবহারের জন্য নিজস্ব বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে এবং শুধুমাত্র নিজের লেনদেন সংক্রান্ত সমস্যাই জানানো যাবে। গ্রাহকের মূল্যবান সময় বাঁচানো এবং দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করাই এই সেবার মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, নতুন এই সেবার পাশাপাশি লাইভ চ্যাট, ১৬২৪৭ এবং গ্রাহকসেবা কেন্দ্রেও অভিযোগ জানানোর সুযোগ আগের মতোই চালু রয়েছে।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের উপশাখা ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির উপশাখাসমূহের ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এ সম্মেলন উনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. জুবায়দুর রহমান।
ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান। সম্মেলনে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসীমসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও ২৭১টি উপশাখার ইনচার্জগণ অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক এবং জাতীয় অর্থনীতির স্তম্ভ। এই ব্যাংককে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কর্মকর্তাদের দ্বিগুণ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। নিবেদিত হয়ে পেশাদারিত্বের সাথে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। উন্নত সেবা প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করে ব্যাংককে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এসএমই খাতে বিনিয়োগ আরো সম্প্রসারিত করতে হবে’।
তিনি ইসলামী ব্যাংকের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অব্যাহত রাখতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করার জন্য সকলকে পরামর্শ দেন।
কাফি



