জাতীয়
আ. লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই: প্রেস সচিব
আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, গুম ও হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই।
আজ সকালে মাগুরা-ঢাকা রোড এলাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুল আলম বলেন, ‘জুলাই শহীদদের যেন জাতি মনে রাখে, সে উদ্দেশ্যেই এই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় মাগুরার কিছু শহীদের কথা মানুষ ভুলে গেছে। কারণ, তাঁদের স্মরণে এমন কোনো স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি হয়নি।
জুলাই সনদে কিছু রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষর না করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ, অধিকাংশ দলই একমত পোষণ করে স্বাক্ষর করেছে। তিনি যোগ করেন, যারা স্বাক্ষর করেনি, তাদের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য আছে, এর বাইরে সব বিষয়ে তারা একমত।
শফিকুল আলম আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সব দল একমত এবং তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণে প্রস্তুত। এবার দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে শফিকুল আলম বলেন, তারা টাকার বিনিময়ে সব নির্বাচন করেছে, ভোট কারচুপি করেছে। কিন্তু এবার এর কোনোটি ঘটবে না। জনগণ ভোটকেন্দ্রে যাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে।
‘না ভোট’ প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, যদি কোথাও একজন প্রার্থী থাকে, তবে সেখানে “না ভোট” হবে। এটি আরপিওতে (RPO) উল্লেখ আছে। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আর কেউ নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ নেই।
জাতীয়
বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি সব মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় হোটেল ওয়েস্টিনে আমরা (কমিশনের সব সদস্য) দেশে অবস্থানরত সব বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসব।
তিনি আরও বলেন, এ বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে কমিশনের প্রস্তুতি, স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ নিয়ে আলোচনা হবে।
এমকে
জাতীয়
দেশে ভূমিকম্প অনুভূত
দেশের উত্তরাঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও জেলার প্রায় ৩৩ কিলোমিটার পূর্ব দিকে এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বলে জানা গেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সূত্রটি জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থলের গভীরতা তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিক বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি অগভীর ভূমিকম্প ছিল।
এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে হালকা কম্পনের কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এমকে
জাতীয়
ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য সাত দফা ‘পরিবেশ এজেন্ডা’ দিলেন রিজওয়ানা হাসান
স্বাধীনতার ৫৪ বছর ধরে পুঞ্জীভূত অব্যবস্থাপনা, দূষণ ও পরিবেশগত সংকট দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে পুরোপুরি সমাধান করা বাস্তবসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তবে বর্তমান সরকার একটি স্বচ্ছ সমাধান প্রক্রিয়ার ভিত্তি তৈরি করে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য সাত দফার একটি সুসংহত ‘পরিবেশ এজেন্ডা’ তুলে ধরেন।
উপদেষ্টা বলেন, “চীন যে সমস্যা ১০ বছরে শেষ করতে পারে না, তা বাংলাদেশের এই সরকারের কাছে দেড় বছরে প্রত্যাশা করা ঠিক নয়।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, সমস্যার পাহাড় রাতারাতি সরানো সম্ভব নয়। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই—এখন প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি কাঠামোগত সমাধানের পথ তৈরি করছে। এই সংস্কার কার্যক্রমকে টেকসই করতে এবং পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন হবে।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী ইশতেহারগুলোতে ভালো কথার অভাব নেই, কিন্তু বড় ঘাটতি বাস্তবায়নের রোডম্যাপে। রাজনৈতিক সস্তা জনপ্রিয়তার বাইরে এসে দায়বদ্ধ আচরণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ, কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে—তা স্পষ্ট না হলে জনগণ কিছুই পায় না।
উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত চারটি নির্বাচনে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে বারবার অঙ্গীকার করা হলেও বাস্তবে তা আজও পূরণ হয়নি। এই বাস্তবতা থেকেই শিক্ষা নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
আগামী সরকারের জন্য সাত দফা পরিবেশ এজেন্ডা
ভবিষ্যৎ সরকারের করণীয় হিসেবে উপদেষ্টা সাতটি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব দেন—
১. বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ: ইটের বিকল্প হিসেবে ব্লকের ব্যবহার বাড়ানো এবং জ্বালানি মান ইউরো-৪ থেকে ইউরো-৬ এ উন্নীত করে বায়ুমান উন্নয়ন।
২. শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ: পুলিশ সার্জেন্টদের সরাসরি জরিমানা করার ক্ষমতা দিয়ে নতুন বিধিমালা কার্যকর করে হর্ন ব্যবহারের সংস্কৃতি বদলানো।
৩. বন পুনরুদ্ধার: দখলকৃত বনভূমি উদ্ধার এবং বন সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রাকৃতিক বন অন্য কাজে ব্যবহার বন্ধ রাখা।
৪. বন্যপ্রাণী কল্যাণ: বন্যপ্রাণী ও বননির্ভর জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ।
৫. শিল্প দূষণ রোধ: অনলাইন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ।
৬. আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা: তিস্তা ও পদ্মা ব্যারেজসহ বড় প্রকল্পগুলোর ফিজিবিলিটি ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা।
৭. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: বিভাগীয় শহরগুলোতে উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে সার উৎপাদনের উদ্যোগ।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর দেশে প্রথমবারের মতো যানবাহন স্ক্র্যাপিংয়ের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ‘স্ক্র্যাপ পলিসি’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া বায়ুদূষণ কমাতে সরকার ১০০টি ইলেকট্রিক বাস আমদানির প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
এছাড়া তিনি জানান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) থেকে ২০ হাজার একর বনভূমি এবং কক্সবাজারে প্রশাসনের ট্রেনিং সেন্টারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৭০০ একর বনভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। সাভারকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়েছে এবং অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান চলছে।
বুড়িগঙ্গা নদীর নিচে ৫ থেকে ৭ মিটার পলিথিন স্তরের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, পলিথিনমুক্ত বাজার চাইলে কেবল সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না—জনগণকেও আচরণ বদলাতে হবে।
ভবিষ্যৎ সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যদি পরিবেশবান্ধব কাজ করা হয়, আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু পরিবেশের বিরুদ্ধে গেলে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার পরিবেশের যে সুদৃঢ় ভিত্তি তৈরি করছে, পরবর্তী সরকার সেটিকে মূল রাষ্ট্রীয় এজেন্ডায় পরিণত করবে।
এমএন
জাতীয়
দ্রুত পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর আহ্বান ইসির
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত ভোটারদের দ্রুত ভোট দিয়ে হলুদ খাম ডাকযোগে পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে ইসি। ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ভোটারদের ব্যালট রিটার্নিং অফিসারের নিকট পৌঁছালেই ভোট গণনায় সম্পৃক্ত হবে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এতে বলা হয়েছে, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ভোটারগন ব্যালট প্রাপ্তির পর যত দ্রুত সম্ভব ভোটদান সম্পন্ন করে নিকটস্থ পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে হলুদ খাম জমা দিন।
রিটার্নিং অফিসারের নিকট ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ব্যালট পৌঁছালেই শুধুমাত্র ভোট গণনায় সম্পৃক্ত হবে বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
এমএন
জাতীয়
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি: শিক্ষা উপদেষ্টা
শিক্ষা উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো কমিশনের (বিএনসিইউ) চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হলে তাদের সঙ্গে সরাসরি ও ধারাবাহিক সংলাপ অপরিহার্য। সংবেদনশীল প্রশাসন, অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে নীতিনির্ধারণের মাধ্যমেই বৈষম্য কমানো সম্ভব।
শনিবার আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবরার বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যপুস্তক নির্ভর জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি নাগরিকত্ব, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। তরুণদের চিন্তা-ভাবনা, সৃজনশীলতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চর্চার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে। এক্ষেত্রে তরুণদের অংশগ্রহণ যেন শুধু প্রতীকী না হয়ে বাস্তব ও কার্যকর হয়। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, মতামত ও সম্পৃক্ততা ছাড়া টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়। আমরা টোকেনিজম চাই না, চাই অ্যাকটিভ পার্টিসিপেশন ও এনগেজমেন্ট।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র জনগণের কল্যাণের অর্থে পরিচালিত হয় এবং সেই জনগণের বড় অংশ তরুণ সমাজ। নতুন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তরুণদের চিন্তাভাবনা, আকাঙ্ক্ষা ও অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সময় ছিল যখন তার প্রজন্ম নাগরিক অধিকার হারানোর শঙ্কায় ছিল, কিন্তু তরুণ সমাজই পরিবর্তনের পথ দেখিয়েছে।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু পাঠ্য শিক্ষার জায়গা নয়। শিক্ষার্থীদের ভেতরে থাকা সুপ্ত প্রতিভা, আগ্রহ ও মেধার বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে। সংগঠন, ক্লাব ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের নাগরিক হিসেবে সচেতন করে তোলে। এ জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সহায়ক পরিবেশ ও রিসোর্স মোবিলাইজেশনের ওপর জোর দিতে হবে।
জাতিগত সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব এবং সুযোগ নিশ্চিতের লক্ষ্যে ড. রফিকুল আবরার বলেন, সংবেদনশীল প্রশাসন ও ধারাবাহিক সংলাপের মাধ্যমে বাস্তব সমস্যার সমাধান সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে একাধিক বৈঠকের মাধ্যমে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। সমাজে বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতা বাড়ছে, যা উদ্বেগজনক। সংস্কৃতি, গান, নাচ কিংবা পরিচয়ের কারণে কাউকে হেয় করা অনুচিত। এই ধরনের একমাত্রিক চিন্তাভাবনার বিরুদ্ধে তরুণদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
আসন্ন নির্বাচন এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, প্রতিষ্ঠানগত পরিবর্তনে তরুণদের সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে হবে। শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, জাতীয় সংসদসহ রাষ্ট্রীয় কাঠামোতেও তরুণদের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে হবে। কারণ এসব প্রতিষ্ঠান জনগণের করের টাকায় পরিচালিত এবং জনগণই এর প্রকৃত মালিক।
বাংলাদেশ ইউনেস্কো কমিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সারভীনা মনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা সচিব ও বিএনসিইউর সেক্রেটারি জেনারেল রেহানা পারভীন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনেস্কোর হেড অব অফিস ও বাংলাদেশে প্রতিনিধি সুজান ভাইজ।
এমকে



