ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ফল প্রকাশ
শিক্ষা ক্যাডার নিয়োগে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন এক হাজার ২১৯ জন প্রার্থী।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১০টা ১০ মিনিটে এ ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে সই করেছেন পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার শাখা) মাসুমা আফরীন।
পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের এমসিকিউ লিখিত পরীক্ষা গত ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফলাফল কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) অথবা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে (http://bpsc.teletalk.com.bd) পাওয়া যাবে।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তিসংগত কারণে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে, কমিশন তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, পিএসসির রোডম্যাপ অনুযায়ী—৪৯তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু করা হবে। এতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।
গত ১০ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪৯তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র ঢাকা মহানগরে এ পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল। এতে অংশ নিতে আবেদন করেন ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন। তবে ঠিক কতজন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন, সে তথ্য জানায়নি পিএসসি।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে—৪৯তম বিসিএসের মাধ্যমে দেশের সরকারি সাধারণ কলেজে বিভিন্ন বিভাগে প্রভাষক পদে ৬৫৩টি শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আর সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ৩০টি শূন্যপদে প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
সবচেয়ে বেশি ৬১টি শূন্যপদ বাংলা বিভাগে। এছাড়া রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৫৫টি, ইংরেজিতে ৫০টি, অর্থনীতিতে ৪০টি, দর্শনে ৩০টি, রসায়নে ৩০টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ৩২টিসহ বিভিন্ন বিভাগে প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ–২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, যেসব জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি, সেখানে একাধিক বোর্ড গঠন করে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারেই এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনকালে জমা দেওয়া ছবি, আবেদনপত্রের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র অথবা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরের প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদ দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান কোটায় আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেট এবং সম্পর্ক সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। এছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের সমাজসেবা অধিদপ্তরের সনদ এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসকের সনদ জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
সব কাগজপত্র ন্যূনতম ৯ম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত করে আগামী ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর প্রার্থীদের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং একই সঙ্গে মূল কাগজপত্র প্রদর্শন করতে হবে।
মৌখিক পরীক্ষার দিন প্রার্থীদের সব মূল সনদ, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। সাক্ষাৎকারের নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থান সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
৪৮তম বিশেষ বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ৩ হাজার ২৬৩ জন
৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এর মাধ্যমে ৩ হাজার ২৬৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ২৯ সেপ্টেম্বর ও ২৭ অক্টোবর চিঠির তথ্যের আলোকে ৩ হাজার ২৬৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হলো। তারা জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ অনুসারে (২২ হাজার-৫৩ হাজার ৬০ টাকা) বেতন পাবেন।
নিয়োগের শর্তে বলা হয়, তাদেরকে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিশকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বাড়াতে পারবে। শিক্ষানবিশকালে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।
বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চাকরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার থেকে ইস্তফা গ্রহণের আগে কোনো কর্মকর্তা দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকলে তার কাছে সরকারের প্রাপ্য সব অর্থ আদায় করা হবে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুসারে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা–২০২৫ এর ফলাফলের ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। নিয়োগের পর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ আদেশ সংশোধন বা বাতিলের অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবে। এ ছাড়া, কোনো কর্মকর্তা বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করলে বা এ বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকলে তার নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, চাকরিতে যোগদানের সময় ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে যৌতুক না নেওয়া ও না দেওয়ার অঙ্গীকারসংবলিত বন্ড দিতে হবে এবং সরকারের প্রচলিত ও ভবিষ্যৎ বিধি-বিধান অনুযায়ী চাকরি পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে যোগদানের সময় ও পরবর্তীতে নির্ধারিত মেয়াদে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণী দাখিল করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের সনদ যাচাইয়ে জাল প্রমাণিত হলে নিয়োগ বাতিল ও মামলা হবে এবং চাকরিতে যোগদানের জন্য কোনো ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা দেওয়া হবে না। শর্ত মেনে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে নির্ধারিত দপ্তরে যোগদান করতে হবে, অন্যথায় নিয়োগ বাতিল হবে।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা
রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে (ইউএপি) চলমান উত্তেজনার মধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
গতকাল সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া অনুকূল নয়। বিষয়টি সমাধান ও দ্রুত স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস স্থগিত থাকবে।
এর আগে গত রোববার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের বেসিক সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লায়েকা বশীরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে কর্তৃপক্ষ। হিজাব ও নিকাব নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য, মুসলিম শিক্ষার্থীদের হেনস্তা এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
একইসঙ্গে আওয়ামী রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ওই বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মহসিনকেও বহিষ্কার করা হয়। দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
গত ১৮ জানুয়ারি দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা জানান, হিজাব ও নিকাব পরার কারণে মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের ক্লাসে প্রকাশ্যে অপমান, বৈষম্যমূলক আচরণ, ইসলামের বিধান নিয়ে কটূক্তি এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে লায়েকা বশীরের বিরুদ্ধে। এছাড়া ক্লাস চলাকালে নামাজে বাধা দেওয়া, নিকাব খুলতে চাপ সৃষ্টি এবং পরীক্ষায় বৈষম্যমূলক গ্রেডিংয়ের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এসব কর্মকাণ্ডের ভিডিও প্রমাণ শিক্ষার্থীদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তারা।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইবি শিক্ষার্থী সাজিদ হত্যার বিচারের দাবিতে ফের মানববন্ধন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আবদুল্লাহ্ হত্যার বিচারের দাবিতে ফের মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এসময় তাদের হাতে “জাস্টিস ফর সাজিদ; হত্যার ১৮৬তম দিন আজ আর কত অপেক্ষা? সাজিদ ভাই কবরে খুনি কেন বাহিরে? প্রশাসনের হেলাফেলা মানিনা মানবো না; কার ভয়ে প্রশাসন চুপ?” ইত্যাদি প্ল্যার্কাড দেখা যায়।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য কার্যালয়ে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অগ্রগতি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করেন।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের নিয়ে সাজিদ হত্যা মামলার অগ্রগতির বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কথা বলবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
অর্থসংবাদ/এমকে/সাকিব
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ে অধ্যাদেশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ পর্যায়ের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চূড়ান্ত খসড়া রোববার (১৮ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ চূড়ান্তকরণের আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে সম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়/বিভাগের মতামত সংগ্রহ, ওয়েবসাইটে প্রকাশের মাধ্যমে সর্বসাধারণের মতামত গ্রহণ, শিক্ষক-শিক্ষাথী-সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠান, বিশেষজ্ঞদের অভিমত গ্রহণ এর মত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করতে হয়েছে।
অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে সকলের যৌক্তিক প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়ে এবং উদ্বেগসমূহকে বিবেচনায় নিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার উপযোগী কাঠোমা নির্ধারণ করাই ছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর মূল লক্ষ্য। সকলের ধৈর্যশীল সহযোগিতা এবং গঠনমূলক ভূমিকার কারণেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় জটিল এ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সময়ে সময়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ধারাবাহিক অগ্রগতির তথ্য সর্বসাধারণকে অবহিত করেছে।
টেকসই ও বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মৌলিক ও উপরিকাঠামোগত সংস্কারের কাজগুলো সুশৃঙ্খলভাবে ধাপে ধাপে এবং যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হয়। যে কোন পর্যায়ে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা বিশৃঙ্খলা পুরো উদ্যোগকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধ্যাদেশটি যেহেতু এখন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে, সেহেতু জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয় এমন কোনো কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান করা যাচ্ছে। যেকোনো আবেগপ্রসূত বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দীর্ঘদিনের এই অর্জন ও শ্রমকে নসাৎ করে দিতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্বাস করে, দীর্ঘদিনের ধৈর্য্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার এই ধারা অব্যাহত রেখে আমরা অতি দ্রুত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা নিশ্চিত করতে পারব, যা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার প্রসারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
অধ্যাদেশ জারির এক দফা দাবিতে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে বিশাল গণজমায়েতের আয়োজন করেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেখানে অধ্যাদেশ মঞ্চ স্থাপন করা হবে বলে শুক্রবার সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের প্রতিনিধি ও ঢাকা কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাঈম হাওলাদার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।
এমকে



