Connect with us

জাতীয়

শুক্রবার স্বাক্ষর হচ্ছে ৮৪ দফার জুলাই সনদ

Published

on

ডিএসই

বহুল কাঙ্ক্ষিত ‘জাতীয় জুলাই সনদ, ২০২৫’ স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর)। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এদিন বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আয়োজনে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেইসঙ্গে এ আয়োজনে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ও উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তার।

এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের ১৭টি বিষয়ে ৩২টি রাজনৈতিক দল ও জোটের পূর্ণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে ৮৪ দফার জুলাই জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন; বাকি ৬৭টি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কেউ কেউ বিরোধিতা করেছে এবং দিয়েছে নোট অব ডিসেন্ট।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজের স্বাক্ষরিত চিঠিতে মোট ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে পৌঁছেছে চূড়ান্ত জুলাই জাতীয় সনদ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আগামীকাল শুক্রবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বড় আয়োজনে এই জুলাই সনদ স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

জুলাই সনদে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের যে ৮৪ দফা, তার মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন/অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন।

জুলাই সনদের পটভূমি ব্যাখ্যা করে সংস্কারযজ্ঞ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রম তুলে ধরার পর সংস্কারের ৮৪ দফা তুলে ধরা হয়েছে ৪০ পৃষ্ঠার সনদে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর কী অঙ্গীকার করছে, তা উল্লেখ করার পর রাখা হয়েছে স্বাক্ষরের জায়গা।

দফাগুলো বলার আগে ‘ঐকমত্যের ঘোষণা’য় রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিশ্রুতি দিতে যাচ্ছে– জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে, আমরা অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধিরা স্ব-স্ব দলের পক্ষ থেকে- বিদ্যমান শাসন ব্যবস্থা তথা সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে নিম্নলিখিত কাঠামোগত, আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের ব্যাপারে ঐকমত্যে উপনীত হয়েছি; এসব বিষয়কে এই জাতীয় সনদে (কিছু বিষয়ে ভিন্নমতসহ) সন্নিবেশিত করতে সম্মত হয়েছি; এবং ২০০৯ সাল পরবর্তী ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ, গ্রেপ্তার ও কারাবরণকারীদের প্রতি সহমর্মিতা এবং উক্ত গণঅভ্যুত্থানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতার স্মারক হিসেবে আমরা এই সনদকে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ হিসেবে ঘোষণা করছি।

সংবিধান সংস্কার করে বাস্তবায়িত বিষয়ের মধ্যে বাংলার পাশাপাশি অন্য ভাষার স্বীকৃতি, বাংলাদেশি নাগরিক পরিচয়, সংবিধান সংস্কারের বিধান, সংবিধান বিলুপ্তি ও স্থগিতকরণ ইত্যাদির অপরাধের অনুচ্ছেদ বাতিল এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধানে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে এই সনদে।

সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি অংশে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি বদলে যুক্ত করা হয়েছে ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি’।

সকল সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের বিধান সংযুক্তি, মৌলিক অধিকারের তালিকা সম্প্রসারণ, উচ্চকক্ষ ও নিম্মকক্ষের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্ব সুনির্দিষ্টকরণ, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন প্রক্রিয়ায় সংশৈাধন এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সম্মতি নেওয়ারও বিধান যুক্ত করার কথা রয়েছে।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কিত অংশে প্রধানমন্ত্রী পদে এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার সীমা, প্রধানমন্ত্রীর দলীয় প্রধানের পদে না থাকা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার গঠন প্রক্রিয়া, কার্যাবলি ও মেয়াদ প্রভৃতি বিষয়ে সংবিধান সংশোধন করা হবে।

এদিকে একই ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গঠন নিয়ে ৩০টি দল ও জোট একমত পোষণ করলেও প্রধানমন্ত্রী পদে দলীয় প্রধানের থাকা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ ও গঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের ভিন্নমত ও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে।

এছাড়া, আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করার ক্ষেত্রে ২৫টি রাজনৈতিক দল একমত পোষণ করেছে। বিপরীতে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছে পাঁচটি দল।

নিম্নকক্ষে প্রাপ্ত ভোটে উচ্চকক্ষ গঠনের যে প্রস্তাব জাতীয় ঐকমত্য কমিশন করেছে, তাতে ২৪টি রাজনৈতিক দল একমত হতে দেখা যাচ্ছে। আর সেখানে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ আছে বিএনপিসহ ৭টি রাজনৈতিক দলের।

উচ্চকক্ষের গঠন, সদস্য নির্বাচন পদ্ধতি ও এখতিয়ার অংশে উচ্চকক্ষের দায়িত্ব ও ভূমিকা, উচ্চকক্ষের সদস্যদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা, জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব একশ জন করা, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচন, ৭০ অনুচ্ছেদের সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি আইনসভায় অনুমোদনের বিষয় যুক্ত করা হয়েছে।

সাংবিধানিকভাবে অস্থায়ী বিশেষ কমিটির গঠনের মাধ্যমে অনধিক ১০ বছরের পর সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে নির্বাচন ব্যবস্থা অংশে।

সেইসঙ্গে বিচার ব্যবস্থা অংশে আপিল বিভাগের বিচারপতিদের মধ্য থেকে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ, সুপ্রিম কোর্টের প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারপতি নিয়োগ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগে ‘স্বাধীন বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কমিশন’ গঠন ও এই কমিশনকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্তকরণ, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা, সুপ্রিম কোর্টের বিকেন্দ্রিকরণ, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে শক্তিশালীকরণ, অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরি নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টকে দেওয়া এবং স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করতে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো।

এছাড়া, বাছাই কমিটি গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন এবং তাদের কাজের ক্ষেত্রে যেসব সংশোধনীর প্রস্তাব জুলাই সনদে রাখা হয়েছে, তাতে ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোট একমত পোষণ করেছে।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের বিধান হিসাবে ন্যায়পাল নিয়োগ, সরকারি কর্ম কমিশনে এবং মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংস্কারের অঙ্গীকারও থাকছে জুলাই সনদে।

সনদে দুর্নীতি দমন কমিশনকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান থেকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনের কথাও বলা হয়েছে।

‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কারের বিষয়সমূহের’ মধ্যে প্রথমে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৮ (৫) সংশোধন সাপেক্ষে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংসদের কমিটিসমূহ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার, অধিকারের সীমা এবং দায় নির্ধারণের অঙ্গীকার থাকছে জুলাই সনদে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সীমানা পুনর্নির্ধাণে আইন প্রণয়ন, বিচারকদের জন্য অবশ্য পালনীয় আচরণবিধি, সাবেক বিচারপতিদের জন্য অবশ্য পালনীয় আচরণবিধি, সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, স্বতন্ত্র ফৌজদারি তদন্ত সার্ভিস গঠন, বিচার বিভাগের জনবল বৃদ্ধি, জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থাকে অধিদপ্তরে রূপান্তর, বিচারক ও সহায়ক কর্মচারীদের সম্পত্তির বিবরণ, আদালত ব্যবস্থাপনা সংস্কার ও ডিজিটাইজ করা, আইনজীবীদের আচরণবিধি সংক্রান্ত বিষয় রাখা হয়েছে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কারের জন্য।

জনপ্রশাসন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি স্বাধীন ও স্থায়ী জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন, প্রজাতন্ত্রের কর্মে জনবল নিয়োগের জন্য সরকারি কর্ম কমিশন (সাধারণ), সরকারি কর্ম কমিশন (শিক্ষা) এবং সরকারি কর্ম কমিশন (স্বাস্থ্য) গঠন করার কথা বলা হয়েছে জুলাই সনদে।

জুলাই সনদে বলা হয়েছে, নিরীক্ষা কার্যক্রমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, হিসাব বিভাগ হতে নিরীক্ষা বিভাগের পৃথকীকরণ এবং নিরীক্ষার গুণগতমান উন্নতির জন্য নিরীক্ষা আইন প্রণয়ন করা হবে।

ভৌগোলিক অবস্থান ও যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কুমিল্লা ও ফরিদপুর নামে দুইটি প্রশাসনিক বিভাগ গঠন করার কথা বলা হয়েছে জুলাই সনদে।

স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন যেভাবে

জুলাই সনদে বলা হয়েছে, পুলিশ বাহিনীর পেশাদারত্ব ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণ এবং পুলিশি সেবাকে জনবান্ধব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে একটি ‘পুলিশ কমিশন’ গঠন করা হবে। এই প্রস্তাবের সঙ্গে ৩০টি দল ও জোট একমত পোষণ করেছে, কারও ভিন্নমত পাওয়া যায়নি।

কমিশনের উদ্দেশ্য হিসাবে জুলাই সনদে বলা হয়েছে,

১। শৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে পুলিশ যাতে আইনানুগভাবে এবং প্রভাবমুক্তভাবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয় তা নিশ্চিত করা।

২। পুলিশ বাহিনীর যেকোনো সদস্যের উত্থাপিত অভিযোগের নিষ্পত্তিকরণ।

৩। নাগরিকদের পক্ষ হতে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্য বা সদস্যদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিষ্পত্তিকরণ।

কমিশনের গঠন প্রক্রিয়া জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের দ্বারা নির্ধারিত হওয়ার কথা তুলে ধরে সেক্ষেত্রে কিছু প্রস্তাব বিবেচেনায় নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে জুলাই সনদে।

১। চেয়ারম্যান: আপিল বিভাগের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, যার বয়স ৭৫ (পঁচাত্তর) বছরের ঊর্ধ্বে নয়।

২। সদস্য সচিব: অতিরিক্ত পুলিশ মহা-পরিদর্শকের নিচে নয়, এমন একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা, যার বয়স ৬২ (বাষট্টি) বছরের ঊর্ধ্বে নয়।

৩। জাতীয় সংসদের সংসদ নেতার একজন প্রতিনিধি, যিনি সংসদ সদস্য হবেন।

৪। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার একজন প্রতিনিধি, যিনি সংসদ সদস্য হবেন।

৫। জাতীয় সংসদের স্পিকারের একজন প্রতিনিধি, যিনি সংসদ সদস্য হবেন।

৬। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের (যিনি বিরোধী দল হতে নির্বাচিত) একজন প্রতিনিধি, যিনি সংসদ সদস্য হবেন।

৭। সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়, এমন একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা (জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন)।

৮। জেলা জজ পদমর্যাদার নিচে নয়, এমন একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা অথবা সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে তালিকাভুক্ত একজন আইনজীবী, যার আইন পেশায় ন্যূনতম ১৫ (পনেরো) বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

৯। একজন মানবাধিকার কর্মী থাকবেন। তিনি দেশে অথবা বিদেশে নিবন্ধিত মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থায় ন্যূনতম ১০ (দশ) বছরের কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।

১০। কমিশনের সদস্যগণের মধ্যে ন্যূনতম দুই জন নারী সদস্য রাখার কথা বলা হয়েছে সুপারিশে। চেয়ারম্যান এবং সদস্য সচিব কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য হবেন। কমিশনের বাকি ৭ জন সদস্য অবৈতনিক হবেন; তবে তাদের কমিশন সভায় যোগদান ও অন্যান্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভাতা বা সম্মানি প্রাপ্তি আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

১১। চেয়ারম্যান, সদস্য সচিব এবং অন্যান্য সদস্যদের দায়িত্ব, কর্তব্য, এখতিয়ার, জবাবদিহিতা, পদত্যাগের অধিকার এবং অপসারণের পদ্ধতি ইত্যাদি সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।

১২। কমিশনের নীতি-নির্ধারণী ও নির্বাহী কার্যাবলি কমিশনের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থনে অনুমোদিত হবে।

পুলিশ কমিশনের মৌলিক দায়িত্ব ও কার্যপরিধির বিষয়েও কিছু সুপারিশ থাকছে জুলাই সনদে। সেগুলো হল–

১৩। কোনো পুলিশ সদস্য কর্তৃক আইনের লঙ্ঘন তথা বেআইনি ও বিধি-বহির্ভূত কর্মকান্ড নিরূপণ করত অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ এবং তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান।

১৪। পুলিশের আইনানুগ ও স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডকে যে কোনো ধরনের বেআইনি প্রভাব বা হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষা প্রদানে কমিশন কর্তৃক নিজ বিবেচনায় যথাযথ নির্দেশনা প্রদান।

১৫। পুলিশের কোনো সদস্য বা সদস্যগণের বিরুদ্ধে নাগরিকদের অভিযোগ আমলে নিয়ে যথাযথ তদন্তের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত প্রদান।

১৬। কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা মহল কর্তৃক বেআইনি চাপ প্রয়োগ, অবৈধ বা বিধি-বহির্ভূত কাজে বাধ্য করা ইত্যাদি বিষয়ে যেকোনো অভিযোগ কমিশন আমলে নিতে পারবে।

১৭। পুলিশি ব্যবস্থা সম্পর্কিত বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধানের দুর্বলতা ও অসম্পূর্ণতা চিহ্নিত করত সেগুলোকে যথাযথ ও যুগোপযোগীকরণের লক্ষ্যে একটি চলমান সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ ও পরিচালনা করা।

১৮। যে কোনো পক্ষ হতে প্রাপ্ত অভিযোগের তদন্ত ও অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে কমিশন পুলিশের যে কোনো সংস্থা, (যেমন সিআইডি বা পিবিআই) এমনকি প্রয়োজন মনে করলে সরকারের সহায়তা গ্রহণের মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় তদন্ত পরিচালনারও অধিকার রাখবে।

১৯। কমিশনের নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাধ্য থাকবে।

জুলাই সনদের সাত দফা অঙ্গীকারনামা
সবশেষে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের সাতদফা অঙ্গীকারনামায় থাকছে রাজনৈতিক দল ও জোটের জন্য।

অঙ্গীকারনামায় বলা হয়েছে, “গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীগণ এই মর্মে অঙ্গীকার ও ঘোষণা করছি যে–

১। জনগণের অধিকার ফিরে পাওয়া এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের জীবন ও রক্তদান এবং অগণিত মানুষের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি ও ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত সুযোগ এবং তৎপ্রেক্ষিতে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রণীত ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করব।

২। যেহেতু জনগণ এই রাষ্ট্রের মালিক, তাদের অভিপ্রায়ই সর্বোচ্চ আইন এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত জনগণের অভিপ্রায় প্রতিফলিত হয় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে সেহেতু রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহ সম্মিলিতভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে জনগণের অভিপ্রায়ের সুস্পষ্ট অভিব্যক্তি হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ গ্রহণ করেছি বিধায় এই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে সংবিধানে তফসিল হিসেবে বা যথোপযুক্তভাবে সংযুক্ত করব।

৩। জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করব না, উপরন্তু উক্ত সনদ বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করব।

৪। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের দীর্ঘ ১৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম এবং বিশেষত ২০২৪ সালের অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক তথা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করব।

৫। গণঅভ্যুত্থানপূর্ব ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত সকল হত্যাকান্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারগুলোকে যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।

৬। জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ বাংলাদেশের সামগ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা তথা সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে যেসব সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান এবং বিদ্যমান আইনসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন বা নতুন আইন প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন বা বিদ্যমান বিধি ও প্রবিধির পরিবর্তন বা সংশোধন করব।

৭। জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত যে সকল সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সেগুলো কোনো প্রকার কালক্ষেপণ না করেই দ্রুততম সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে।

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

Published

on

ডিএসই

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৬ জন স্থায়ী পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ইইউ মিশনের উপ-প্রধান পর্যবেক্ষক ইন্তা লাসে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তারা নির্বাচন কমিশন, প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ এবং স্থানীয় নাগরিক পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পর্যবেক্ষকরা দেশের ৬৪টি জেলায় শহর ও গ্রাম উভয় এলাকায় কাজ করবেন। নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে আরও ৯০ জন স্বল্পকালীন পর্যবেক্ষক যুক্ত হবেন। নির্বাচনের দিনে মোট প্রায় ২০০ জন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবেন।

নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ঢাকায় একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তনের কথা জানাল ইসি

Published

on

ডিএসই

দেশের ভেতরে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালটে পরিবর্তন আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ফোনালাপে তিনি এ কথা জানান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসি মাছউদ বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য পাঠানো পোস্টাল ব্যালটে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। তবে দেশের ভেতরে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালটে পরিবর্তন আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশেষ করে আসনভিত্তিক প্রার্থীদের নাম সংযুক্ত করে পোস্টাল ব্যালট ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য ব্যালট পাঠানোর প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হওয়ায় সেখানে কোনো পরিবর্তন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রবাসীদের জন্য পাঠানো পোস্টাল ব্যালট অপরিবর্তিতই থাকছে।

ইসি বলেন, দেশের ভেতরের পোস্টাল ব্যালট এখনও ছাপানো হয়নি। তাই সেখানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে অনলাইন নিবন্ধনের পর প্রবাসী ভোটারের কাছে ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। ইসির তথ্য অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন। যার মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় আট লাখ। আর দেশের ভেতরে সরকারি চাকরিজীবী, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনি হেফাজতে থাকা ৭ লাখ ৬১ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে একই ঠিকানায় কয়েকশ ব্যালট কিংবা ব্যালট পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে বলে মনে করেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

Published

on

ডিএসই

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ বিষয়ক জাতিসংঘের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও পঞ্চম এলডিসি সম্মেলনের মহাসচিব রাবাব ফাতিমা।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বর্তমানে এই সফর না করার অনুরোধ জানানো হয়। এই সফরের নতুন কোনো তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, আগামী মাসে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশ সফর করতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত নভেম্বরে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, এলডিসি থেকে উত্তরণের সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ এবং নির্বিঘ্ন উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়নের পথনকশা প্রণয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছ থেকে মতামত ও নথিপত্র সংগ্রহ করেছে জাতিসংঘ। এসব তথ্যের ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশা, জাতিসংঘের প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর স্থগিত হলেও নির্ধারিত সময়েই সংস্থাটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন বাংলাদেশে পাঠাবে।

এ বিষয়ে বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান গত বৃহস্পতিবার জানান, জাতিসংঘ এ দফায় আসছে না মানে পরে আসবে। তবে তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদনটা আমরা পেয়ে যাব। এরপর বাকি প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে এগোবে।

এদিকে প্রস্তুতির ঘাটতির বিষয়টি সামনে এনে এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছানোর দাবি জানিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটলে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিওটিও) আওতায় বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত বাণিজ্যসুবিধা আর থাকবে না, ফলে দেশের রপ্তানি ৬ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এলডিসির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ইতিবাচক অবস্থান নেই। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭ সদস্য দেশের যে কোনো একটি দেশ বিরোধিতা করলে সেটিকে সম্মিলিত বিরোধিতা হিসেবে গণ্য করা হয়।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, আইসিসি বাংলাদেশসহ মোট ১৬টি ব্যবসায়ী সংগঠন গত ২৪ আগস্ট একযোগে সংবাদ সম্মেলন করে এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছানোর দাবি তোলে। সরকার ইতোমধ্যে জাতিসংঘকে ব্যবসায়ীদের এই দাবির কথা জানিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত উত্তরণ পেছানোর বিষয়ে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক ইঙ্গিত পায়নি অন্তর্বর্তী সরকার। অন্যদিকে লাওস ও নেপাল এখনো এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি থেকে বেরিয়ে যাবে। এর আগে ২০১৮ সালে মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক- এই তিন সূচকেই উত্তীর্ণ হয়ে দেশটি উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। ২০২১ সালের পর্যালোচনার পর জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ দেয়।

বাংলাদেশ নিট পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি মো. ফজলুল হক বলেন, অন্তত তিন বছর উত্তরণ পেছানো প্রয়োজন, কারণ প্রস্তুতিতে ঘাটতি রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কারিগরি শিক্ষা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ীদের যেমন সীমাবদ্ধতা আছে, তেমনি সরকারের ঘাটতিও বড়।

তিনি বলেন, যে স্তরে বাংলাদেশ যেতে চায়, সেখানে অন্যান্য দেশের ব্যাংকঋণের সুদ ৫ শতাংশের নিচে, অথচ দেশে তা প্রায় ১৫ শতাংশ। অন্য দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিশ্চয়তা থাকলেও এখানে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সুশাসন ও অবকাঠামোর ঘাটতিও রয়েছে। তার প্রশ্ন, এসব সমস্যা রেখে কেবল নামমাত্র এলডিসি থেকে উত্তরণ হলে দেশের লাভ কী?

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ না হলে মিলবে না নতুন অনুমোদন

Published

on

ডিএসই

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ওষুধের নতুন মূল্য নির্ধারণ নীতিমালা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের মোট বার্ষিক বিক্রির অন্তত ২৫ শতাংশ আর্থিক মূল্যের সমপরিমাণ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বাজারে সরবরাহ ও বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি নতুন কোনো ওষুধের অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারবে না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে নীতিমালাটি অনুমোদন দিয়েছে। এখন এটি গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি সরকার জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ তালিকা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেয়। নতুন করে ১৩৫টি ওষুধ যুক্ত হওয়ায় তালিকায় মোট অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯৫টি। সরকার জানিয়েছে, শিগগিরই এসব ওষুধের দাম নির্ধারণ করা হবে এবং জাতীয় ঔষধ মূল্য নির্ধারণ নীতিমালা–২০২৫ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শিল্পমালিকদের আপত্তি

সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করলেও ওষুধ শিল্পের মালিকরা ২৫ শতাংশ উৎপাদন বাধ্যবাধকতাকে ‘বাস্তবতা-বিবর্জিত’ ও ‘বাজারবিরোধী’ বলে সমালোচনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণ বা মূল্য নির্ধারণ কাঠামো তৈরির সময় শিল্পের অংশীজনদের সঙ্গে কোনো অর্থবহ আলোচনা হয়নি।

বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির (বিএপিআই) মহাসচিব ডা. মো. জাকির হোসেন বলেন, দেশে কোনো কোম্পানিই শতভাগ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন করে না। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান ৫–১০ শতাংশের বেশি উৎপাদন করে না, আর অনেক নতুন কোম্পানি একেবারেই করে না। তাঁর ভাষায়, “দাম সংশোধন ছাড়া যদি ২৫ শতাংশ উৎপাদনে বাধ্য করা হয়, তাহলে লোকসান গুনে উৎপাদন করতে হবে, নইলে কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গত তিন দশকে মাত্র দু’বার মূল্য সংশোধন হওয়ায় অনেক ওষুধ উৎপাদন করলেই বড় অঙ্কের লোকসান হয়। এর ফলে স্যালাইনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উৎপাদন ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে।

রেনাটা লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ এস কায়সার কবিরও একই উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাজারের চাহিদা বিবেচনা না করে উৎপাদনের নির্দিষ্ট হার বেঁধে দেওয়া হলে তা কার্যকর হবে না। “চাহিদা না থাকলে অতিরিক্ত ওষুধ উৎপাদন করে গুদামে রাখা কোনো কোম্পানির পক্ষেই সম্ভব নয়,” বলেন তিনি।

বিএপিআই সভাপতি আবদুল মুক্তাদির অভিযোগ করেন, মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় শিল্পের স্টেকহোল্ডারদের সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর মতে, নীতিমালার ভালো-মন্দ দিক সম্পর্কে শিল্প এখনো স্পষ্ট ধারণা পায়নি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মত

ফার্মাসিস্ট ও বিশ্বব্যাংকের সাবেক পরামর্শক মো. আবু জাফর সাদেক অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণকে স্বাগত জানালেও সতর্ক করেন, অতিরিক্ত মূল্য নিয়ন্ত্রণ গুণগত মান ও সরবরাহ ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি বলেন, একতরফা সিদ্ধান্তের বদলে সরকার ও শিল্পের মধ্যে সহযোগিতামূলক মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি রোগীদের জন্য বেশি লাভজনক হবে।

সরকারের অবস্থান

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ দিয়েই প্রায় ৮০ শতাংশ সাধারণ রোগের চিকিৎসা সম্ভব। এসব ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে আনলে সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা আরও সহজ হবে। তিনি এই উদ্যোগকে ‘যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তার দাবি, গত ১৪ মাস ধরে একটি টাস্কফোর্স উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেই নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করেছে।

নতুন মূল্য নির্ধারণ কাঠামো

নতুন নীতিমালায় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ক্ষেত্রে ‘কস্ট-প্লাস বেঞ্চমার্কিং’ পদ্ধতিতে ভ্যাট বাদে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হবে। কাঁচামাল, প্রাইমারি প্যাকেজিং ব্যয় ও নির্ধারিত মার্কআপ যোগ করে এই দাম ঠিক করবে সরকার মনোনীত কমিটি বা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)।

অন্যদিকে, অত্যাবশ্যকীয় তালিকার বাইরে থাকা ওষুধের দাম নির্ধারণে রেফারেন্স প্রাইসিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। নির্দিষ্ট সংখ্যক কোম্পানি উৎপাদন করলে বাজারমূল্যের মধ্যম মান বা আন্তর্জাতিক দামের ভিত্তিতে দাম ঠিক হবে, যা নির্ধারিত বেঞ্চমার্কের ১৫ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে।

বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন

টাস্কফোর্সের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ বলেন, দীর্ঘদিন দাম সমন্বয় না হওয়ায় উৎপাদনকারীরা অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ থেকে সরে গিয়েছিল। নতুন নীতিমালা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে ওষুধের প্রাপ্যতা বাড়বে এবং দাম কমবে। তাঁর মতে, “নিয়ন্ত্রিত মুনাফার মাধ্যমে শিল্প ও জনস্বাস্থ্য—উভয়ই উপকৃত হবে।”

তবে শিল্পমালিকদের আশঙ্কা, বাজার বাস্তবতা বিবেচনা না করলে এই নীতিমালা বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এখন গেজেট প্রকাশের পর বাস্তবে নীতিমালাটি কীভাবে কার্যকর হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

সৌদিতে থাকা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেবে বাংলাদেশ

Published

on

ডিএসই

সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদানের প্রক্রিয়া দ্রুততর করার আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ তথ্য জানান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বৈঠকে সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাদের (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদানের অগ্রগতি, জনশক্তি রপ্তানি ও পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য ‘World Defense Show’-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্রসহ পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব ঘনিষ্ঠ বন্ধুপ্রতিম দেশ।

তিনি বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশি জনগণের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শুধু ইসলাম ধর্মের পবিত্র ভূমি হিসেবে নয়, বরং আমাদের ৩২ লাখেরও বেশি প্রবাসী কর্মীর দ্বিতীয় আবাসস্থল হিসেবেও এটি বাংলাদেশিদের হৃদয়ের গভীরে আসীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সৌদি প্রবাসীদের অবদান বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। উপদেষ্টা এ সময় বাংলাদেশ থেকে আরও অধিক হারে জনশক্তি আমদানির জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত উপদেষ্টাকে সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাদের (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদানের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন এবং বাংলাদেশের বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এ বিষয়ে পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছে। এটি ত্বরান্বিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কয়েকটি বিশেষ টিমও পাঠানো হয়েছে। তবে মিশনে আসা আবেদনের তুলনায় পাসপোর্টের এনরোলমেন্টে উপস্থিতির হার অনেক কম রয়েছে।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সৌদি আরবের ইন্টেরিয়র মিনিস্টারকে অবহিত করা হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। আমরা এ বিষয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন-সংক্রান্ত একটি পরিপত্রও জারি করা হয়েছে। অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অভিযান বেগবান করা হয়েছে। ‘ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান চলছে।

সৌদি রাষ্ট্রদূত স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে আগামী ৮-১৪ ফেব্রুয়ারি মেয়াদে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী (World Defense Show)-তে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান এবং এ সংক্রান্ত সৌদি ইন্টেরিয়র মিনিস্টারের একটি আমন্ত্রণপত্র উপদেষ্টার হাতে তুলে দেন।

উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কারণে তিনি এ ইভেন্টে অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উপযুক্ত প্রতিনিধি প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফয়সল আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব মু. জসীম উদ্দিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার23 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে সব মূল্য সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার24 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার24 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে পিপলস...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ফাইন ফুডস

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ফাইন ফুডস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা দুই বছরের মধ্যে টাকা পাবেন: গভর্নর

অবলুপ্ত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা আগামী দুই বছরের মধ্যে টাকা ফিরে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

বিএসইসি জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৯ সাংবাদিক

পুঁজিবাজারভিত্তিক সাংবাদিকতায় উল্লেখযোগ্য অবদান ও পেশাদারত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএসইসি ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস পেয়েছেন ৯ জন সাংবাদিক। এদের মধ্যে তিনটি...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

ব্লক মার্কেটে ২৭ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৪ টি কোম্পানির ২৭ কোটি ৭২ লাখ ৮৩ হাজার টাকার...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
ডিএসই
রাজনীতি19 minutes ago

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী

ডিএসই
জাতীয়21 minutes ago

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিককে ধাওয়া

ডিএসই
রাজধানী2 hours ago

ইসলামী আন্দোলনের ১০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

ডিএসই
রাজনীতি3 hours ago

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তনের কথা জানাল ইসি

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, জামায়াতের বিবৃতি

ডিএসই
আন্তর্জাতিক5 hours ago

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

ডিএসই
রাজনীতি19 minutes ago

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী

ডিএসই
জাতীয়21 minutes ago

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিককে ধাওয়া

ডিএসই
রাজধানী2 hours ago

ইসলামী আন্দোলনের ১০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

ডিএসই
রাজনীতি3 hours ago

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তনের কথা জানাল ইসি

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, জামায়াতের বিবৃতি

ডিএসই
আন্তর্জাতিক5 hours ago

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

ডিএসই
রাজনীতি19 minutes ago

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী

ডিএসই
জাতীয়21 minutes ago

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিককে ধাওয়া

ডিএসই
রাজধানী2 hours ago

ইসলামী আন্দোলনের ১০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

ডিএসই
রাজনীতি3 hours ago

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তনের কথা জানাল ইসি

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, জামায়াতের বিবৃতি

ডিএসই
আন্তর্জাতিক5 hours ago

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব