কর্পোরেট সংবাদ
থাই এক্সপ্রেস ও স্যাফরন ডাইন’র সঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের চুক্তি
কার্ডহোল্ডারদের এক্সক্লুসিভ ডাইনিং সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে প্রিমিয়াম ফাইন ডাইনিং রেস্টুরেন্ট ‘থাই এক্সপ্রেস’ ও ‘স্যাফরন ডাইন’র সঙ্গে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এই চুক্তির আওতায় ব্র্যাক ব্যাংকের সকল ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডহোল্ডাররা থাই এক্সপ্রেস এবং স্যাফরন ডাইনের সকল খাবারে উপভোগ করবেন ১৫ শতাংশ ফ্ল্যাট ডিসকাউন্ট। অফারটি চলবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। ঢাকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার উল্লিখিত রেস্টুরেন্টগুলোর জন্য অফারটি প্রযোজ্য থাকবে।
থাই এক্সপ্রেস রেস্টুরেন্ট বৈচিত্র্যময় ও সুস্বাদু থাই খাবারের জন্য সুপরিচিত। অন্যদিকে স্যাফরন ডাইন পাকিস্তানি ও ভারতীয় খাবারের জন্য বেশ জনপ্রিয়। দুটি রেস্টুরেন্টই নিজেদের সুস্বাদু খাবার, আভিজাত্য ও আতিথেয়তার জন্য সমাদৃত, যা গ্রাহকদের ডাইনিংয়ে দেবে অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
সম্প্রতি ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় থাই এক্সপ্রেস ও স্যাফরন ডাইনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন রেস্টুরেন্ট চেইনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এনামুল হক, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এবং অপারেশন্স ম্যানেজার মিনহাজ মুস্তাকিম সাকি।
ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম, হেড অব মার্চেন্ট অ্যাকোয়্যারিং খাইরুদ্দিন আহমেদ বাপ্পি, হেড অব অ্যালায়েন্সেস মো. আশরাফুল আলম, হেড অব প্রিমিয়াম ব্যাংকিং প্রপোজিশন আরমিন আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এই চুক্তির বিষয়ে মো. মায়ীয়ুল ইসলাম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো, এ ধরনের উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে গ্রাহকদের লাইফস্টাইলে আরও বেশি সুবিধা প্রদান করা, যা তাঁদের প্রতিটি ডাইনিং অভিজ্ঞতাকে করে তুলবে আরও বিশেষ ও আনন্দদায়ক।”
এই চুক্তিটি গ্রাহকদের ভিন্ন ভিন্ন রুচি ও পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাঁদের লাইফস্টাইল-ভিত্তিক সুবিধা প্রদানের ব্যাপারে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যক্ত করা প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
কাফি
কর্পোরেট সংবাদ
বিআইবিএম থেকে ‘সিপিএই’ সনদ পেলেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তা
ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পাঁচজন কর্মকর্তা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) থেকে ‘সার্টিফাইড প্রফেশনাল ইন ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড ব্যাংক ইন্সপেকশন’ (সিপিএই) কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন।
ছয় মাস মেয়াদি এই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কোর্সে উত্তীর্ণ কর্মকর্তারা হলেন— মোঃ সাইদুল ইসলাম (এভিপি), আবদুল্লাহ আল হেলাল (এফএভিপি), মোঃ আসাদুজ্জামান (এফএভিপি), মোঃ বরকতুল্লাহ হাসান (এফএভিপি) এবং মোহাম্মদ আখতার হোসেন (এসপিও)। তারা সকলেই অনলাইন ও অফলাইন মডিউলের মাধ্যমে আধুনিক অডিট এবং ইন্সপেকশন পদ্ধতির ওপর এই উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।
উল্লেখ্য যে, এই পাঁচজন কর্মকর্তাই পেশাগতভাবে অত্যন্ত দক্ষ এবং তারা প্রত্যেকেই দি ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (ইবিবি)-এর ‘ডিপ্লোমায়েড এসোসিয়েট (ডিএইবিবি)’। দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তাদের এই নতুন প্রফেশনাল দক্ষতা অর্জন ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি উত্তরণে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই কর্মকর্তাদের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা এবং বিশেষায়িত জ্ঞ্যান ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা ও শরিয়াহ কমপ্লায়েন্স তদারকিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা (ইন্টারনাল অডিট) ও পরিদর্শন বিষয়ে বিআইবিএম-এর এই উচ্চতর প্রশিক্ষণ পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে এবং ব্যাংকিং খাতের কমপ্লায়েন্স ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
জেসিআই ঢাকা ওয়েস্টের ২০২৬ সালের চেইন হস্তান্তর অনুষ্ঠিত
জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) ঢাকা ওয়েস্টের নতুন কমিটির প্রেসিডেন্টের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চেইন হস্তান্তর করা হয়েছে। ২০২৬ সালের নির্বাচিত লোকাল প্রেসিডেন্ট সুবাহ আফরিনের কাছে চেইন হস্তান্তর করেন ২০২৫ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট সুজাউর রহমান ইমন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর গুলশান ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশ ২০২৬ ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন রাফি আহমেদ সহ জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল কমিটির নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ওয়ান ব্যাংক পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান এবং আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, রিয়াদ কায়সার।
চেইন হস্তান্তরের পর সাধারণ সদস্যদের উপস্থিতিতে জেসিআই ঢাকা ওয়েস্টের ২০২৬ সালের প্রথম জেনারেল মেম্বারস মিটিং (জিএমএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জেসিআই ঢাকা ওয়েস্টের ২০২৬ বোর্ড মেম্বারসহ চ্যাপ্টারটির অর্ধশতাধিক সদস্য।
জেসিআই ঢাকা ওয়েস্টের নির্বাচিত লোকাল প্রেসিডেন্ট সুবাহ আফরিন বলেন, আমাদের যুবসমাজই আমাদের দেশের সম্পদ এবং যুবশক্তির মাধ্যমে আমরা ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে, আমার উদ্দেশ্য হবে এই সংগঠনকে একটি অভিন্ন লক্ষ্যের দিকে নেতৃত্ব দেওয়া! এসডিজি লক্ষ্যমাত্রার আলোকে মানসিক স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রকল্পগুলিতে কাজ করাও আমার অন্যতম উদ্দেশ্য!
উল্লেখ্য, জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী উদ্যমী তরুণদের একটি বৈশ্বিক সংগঠন। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির সেন্ট লুইসে অবস্থিত। ১২০টিরও বেশি দেশে এর কার্যক্রম রয়েছে এবং সারাবিশ্বে সদস্য সংখ্যা ২ লাখের বেশি। তরুণদের দক্ষতা, জ্ঞান ও বুদ্ধির বিকাশের মাধ্যমে ব্যক্তিগত উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে এ সংগঠন। বাংলাদেশে বর্তমানে জেসিআইয়ের প্রায় ৪৭ টি লোকাল চ্যাপ্টার কাজ করছে। এরমধ্যে জেসিআই ঢাকা ওয়েস্ট সবচেয়ে বড় এবং পুরোনো।
কর্পোরেট সংবাদ
উদ্যোক্তাবান্ধব নীতিমালায় জোর, আবাসন খাতে নিবন্ধন ব্যয় কমানোর দাবি
আসন্ন জাতীয় বাজেটে উদ্যোক্তা বান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ। “জাতীয় বাজেট ২০২৬-২০২৮: ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা” শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক তিনি এ কথা বলেন।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস এন্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে রিহ্যাব এর নব নির্বাচিত সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক আবাসন খাতে নিবন্ধন ব্যয় কমানোর দাবি জানান। তিনি বলেন, আমাদের জায়গা কম, কৃষি জমা রক্ষা করতে হবে। এ জন্য পরিকল্পনা করে আমাদের অবশ্যই হাইরাইজ বিল্ডিং বানাতে হবে।
তিনি বলেন, করনীতি হওয়া উচিত বিনিয়োগবান্ধব, বাস্তবমুখী এবং দীর্ঘমেয়াদি। নতুন করনীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে বাজারের বাস্তবতা, বিনিয়োগের পরিবেশ এবং জাতীয় অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। আবাসন খাত শক্তিশালী হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং একটি পরিকল্পিত, আধুনিক বাংলাদেশ গঠনের পথ আরও সুগম হবে বলেও মনে করেন রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট।
অনুষ্ঠানে রিহ্যাব এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. মোঃ হারুন অর রশিদ ফ্ল্যাট ২য় বার বিক্রির ক্ষেত্রে কর যৌক্তিক করার দাবি জানান। ব্যবসায়ীরা অনেক চাপে আছে এমন মন্তব্য করে টিডিএস কমানোর দাবি জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাস্তবমুখী, সময়োপযোগী ও ব্যবসাবান্ধব বাজেট প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। তিনি কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং উদ্যোক্তাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট এন্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে উদ্যোক্তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য কর সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ এবং উৎপাদন ব্যয় হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে বক্তারা স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ বৃদ্ধি, সরকারি হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন, ওষুধ শিল্পের বিকাশ এবং চিকিৎসা ব্যয় কমানোর দাবি জানান। একইসঙ্গে শিক্ষা খাতে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ এবং গবেষণা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি ও খাদ্য খাতে ভর্তুকি ও বরাদ্দ বৃদ্ধি, কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ এবং খাদ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি শিল্প ও বিনিয়োগ খাতে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল সম্প্রসারণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রপ্তানি খাতের উন্নয়ন এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বাস্তবসম্মত নীতিমালার দাবি তোলা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, পরিবহন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বরাদ্দ বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।
অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ওষুধ শিল্প, লিফট সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বিজিএমই এর পরিচালক মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া ব্যাংকের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামার দাবি জানান। বিকেএমইএ এর পরিচালক মনিরুজ্জামান মনির দ্রুত জ্বালানী নিরাপত্তার জোর দেন। এছাড়া মো. নাসির উদ্দীন, হাজী এনায়েত উল্লাহ, শফিউল আলম উজ্জ্বল, আতিকুর রহমান, হালিমুজ্জামান, মোজাম্মেল হক এবং গোলাম সরওয়ার সাঈদসহ অন্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইবিডব্লিউএফ-এর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. আনোয়ারুল আজিম, সংগঠনের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী, শিল্পোদ্যোক্তা এবং অর্থনীতিবিদরা।
গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা আসন্ন জাতীয় বাজেটকে আরও কার্যকর, গণমুখী ও বিনিয়োগবান্ধব করতে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে তারা আশা প্রকাশ করেন, জনকল্যাণমুখী ও ব্যবসাবান্ধব বাজেট দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে এবং টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
শুরু হল বাংলার সবচেয়ে বড় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬’
বাংলার উৎসবের রঙ, আনন্দ ও ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে আবারও শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬’ (Wiki Loves Bangla)। অংশ নিয়ে জিতে নেয়ার সুগোগ থেকছে মোট $১,১০০ নগদ পুরস্কার। উইকিমিডিয়া আন্দোলনের এই উদ্যোগটি বাংলা সংস্কৃতিকে ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম।
২০২৪ সাল থেকে প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ বছর প্রতিযোগিতার তৃতীয় আসর শুরু হয়েছে গত ১৪ আগস্ট এবং চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ কার্যক্রম’-এর অংশ হিসেবে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করছে ‘বাংলা উইকিমৈত্রী’। প্রতিবছর বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে বাংলা বৈশাখ মাস জুড়ে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য ‘বাংলার উৎসব’—পহেলা বৈশাখ থেকে দুর্গাপূজা, ঈদ, নবান্ন কিংবা গ্রামীণ মেলা—বাংলার প্রাণের প্রতিটি উৎসবই হতে পারে আপনার ক্যামেরার গল্প। বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ছবি ও ভিডিও জমা দিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যাবে, এবং একজন অংশগ্রহণকারী একাধিক কাজ জমা দিতে পারবেন।
আয়োজকদের মতে, বাংলার উৎসবের চিত্র কেবল সৌন্দর্যের মুহূর্ত নয়—এগুলো আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জীবনধারার গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ডিজিটাল মাধ্যমে এসব আলোকচিত্র সংরক্ষণ ভবিষ্যৎ গবেষণা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্য ও জীবনাচার দীর্ঘস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।
প্রতিযোগিতায় সেরা ১০টি আলোকচিত্র আন্তর্জাতিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। এর মধ্যে ১ম স্থান অর্জনকারী পাবেন $৪০০, ২য় স্থান অর্জনকারী $৩০০ এবং ৩য় স্থান অর্জনকারী $২০০ নগদ পুরস্কার। এছাড়াও শীর্ষ ১০ জন বিজয়ীর জন্য থাকবে ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র। এছাড়াও সেরা ভিডিওর জন্য থাকছে $১৫০ নগদ পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র।
প্রতিযোগিতার আয়োজক ‘বাংলা উইকিমৈত্রী’ একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যা বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বাংলাভাষী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। ২০২৩ সালে মার্কিন অলাভজন প্রতিষ্ঠান উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের স্থানীয় চ্যাপ্টার উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ উইকিমিডিয়া ব্যবহারকারী দলের যৌথ উদ্যোগে এই উইকিমিডিয়া হাব প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আরও জানতে ও অংশগ্রহণ করতে দেখুন: https://w.wiki/KLbd
কর্পোরেট সংবাদ
বিদেশি বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে বিডা-ইউসিবি সমঝোতা স্মারকে সই
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)। এর ফলে ইউসিবির সেবা বিডার অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত হবে।
সম্প্রতি বিডার প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিডার মহাপরিচালক জীবন কৃষ্ণ সাহা এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদনান মাসুদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এই চুক্তিতে সই মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজ আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিডার নির্বাহী সদস্য এয়ার কমোডর মো. শাহারুল হুদা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহীনুজ্জামান, ইউসিবির ট্রানজেকশন ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান শাহবাজ তালাতসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, বিডার অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস পোর্টালটি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কোম্পানি নিবন্ধন, ইউটিলিটি সংযোগ, আমদানি অনুমোদনসহ ৫০টিরও বেশি সেবা এক জায়গায় পাওয়া যায়। এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার ফলে ইউসিবি এখন সরাসরি ব্যাংকিং সেবা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সহায়তা সহজেই প্রদান করতে পারবে।
এমএন




