জাতীয়
পাশের দেশ থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ফ্যাসিস্টের দোসর ও পাশের দেশ থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিবেশি দেশ ও ফ্যাসিবাদী চক্রের সহায়তায় দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টার করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, কয়েকটি পূজা মণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি লাগিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা, গোয়েন্দা নজরদারি ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সহযোগিতায় এই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, খাগড়াছড়িতে মারমা কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ তুলে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার আরেকটি চেষ্টা হয়েছিল। তবে, মেডিকেল পরীক্ষার প্রতিবেদনে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, খাগড়াছড়িতে জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং জনজীবন স্বাভাবিকভাবে চলছে।
জাতীয়
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সংগঠনের নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত রাখতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব ধরনের পেশাজীবী ও অন্যান্য সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করার নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনী কার্যক্রমকে যেকোনো ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার লক্ষ্যে কমিশন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সব পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের নির্বাচন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতি, সাংবাদিক সমিতি, বণিক সমিতি (চেম্বার অব কমার্স), সমবায় সমিতি ও ট্রেড ইউনিয়নসহ অন্যান্য সব নিবন্ধিত বা অনিবন্ধিত সংগঠনের নির্বাচন বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দিয়েছে ইসি।
ইসির নির্দেশনায় আরও জানানো হয়েছে, উল্লিখিত সংগঠনগুলোর যেকোনো নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির পর আয়োজন করতে হবে। সংসদ নির্বাচনের সময় স্থানীয় বা পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব সৃষ্টি না হয়, সেজন্য এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন।
জাতীয়
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন-কমিশনার নিয়োগে বাছাই কমিটি
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন ও কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ দিতে বাছাই কমিটি গঠন করেছে সরকার।
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী, সোমবার (১২ জানুয়ারি) এ কমিটি গঠন করে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
ছয় সদস্যের এ কমিটির সভাপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হাসিব চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি বা তার মনোনীত মানবাধিকার বিষয়ে সাংবাদিকতায় অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কুবলেশ্বর ত্রিপুরা।
কমিটি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ বাচাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সচিবিক সহায়তা দেবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৭ নভেম্বর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেন। চেয়ারম্যানের পাশাপাশি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পাঁচজন অবৈতনিক সদস্যও মো. আমিনুল ইসলাম, কংজুরি চৌধুরী, বিশ্বজিৎ চন্দ, অধ্যাপক তানিয়া হক এবং সার্বক্ষণিক সদস্য সেলিম রেজাও পদত্যাগ করেন।
এরপর ৯ নভেম্বর ২০০৯ সালের আইন বাতিল করে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে সরকার। এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী চেয়ারপারসন ও চারজন কমিশনারের সমন্বয়ে কমিশন গঠন হবে। চেয়ারপারসন ও কমিশনারদের মেয়াদ হবে চার বছর।
জাতীয়
ভোট ডাকাতি আর যেন না ঘটে সেই ব্যবস্থা করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা ভোট ডাকাতির কথা শুনেছিলাম, কিছু কিছু জানতামও। কিন্তু এত নির্লজ্জভাবে পুরো প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে, সিস্টেমকে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলে নিজেদের মনের মতো একটা কাগজে রায় লিখে দেওয়া হয়েছে— এগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা দরকার। এসবের পুরো রেকর্ড থাকা প্রয়োজন। নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশন। প্রতিবেদন গ্রহণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর তদন্তের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন কমিশনের সদস্যরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিশন প্রধান সাবেক বিচারপতি শামীম হাসনাইন, সদস্য শামীম আল মামুন, কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হোসেন, ড. মো. আব্দুল আলীম। উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, তথ্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তদন্ত প্রতিবেদনে কমিশন জানায়, ২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং অবিশষ্ট ১৪৭টিতে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা’র নির্বাচন ছিল সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের নির্বাচন সারা বিশ্বে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন হিসেবে সমালোচিত হওয়ায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালের নির্বাচনকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক’ করার মিশন গ্রহণ করে। বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দল তাদের এ সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বুঝতে না পেরে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
প্রতিবেদন গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ভোট ডাকাতির কথা শুনেছিলাম, কিছু কিছু জানতাম। কিন্তু এত নির্লজ্জভাবে পুরো প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে সিস্টেমকে দুমড়ে মুচড়ে ফেলে নিজেদের মনের মতো একটা কাগজে রায় লিখে দিয়েছে… এগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা দরকার। পুরো রেকর্ড থাকা দরকার।’
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘দেশের টাকা খরচ করে, মানুষের টাকায় নির্বাচন আয়োজন করে পুরো জাতিকেই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ দেশের মানুষ সে সময় অসহায়ের মতো তাকিয়ে ছিল, কিছুই করতে পারেনি। এ দেশের জনগণ যেন কিছুটা হলেও স্বস্তি পায়, সেজন্য এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের চেহারা জাতির সামনে নিয়ে আসতে হবে। কারা করল, কীভাবে করল— সেটা জনসমক্ষে আসা জরুরি। নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে, আমাদের সেই স্থায়ী ব্যবস্থা করতে হবে।’
তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে রাতের বেলায় ব্যালট পেপারে সিল মেরে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করে রাখা হয়েছিল। আওয়ামী লীগকে জেতাতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের ‘অসৎ প্রতিদ্বন্দ্বিতা’ কাজ করেছিল। ফলে কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোট প্রদানের হার ১০০ শতাংশও ছাড়িয়ে যায়। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে বিএনপিসহ প্রধান বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় ‘ডামি’ প্রার্থী দাঁড় করিয়ে নির্বাচনকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক’ দেখানোর অপকৌশল গ্রহণ করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিগত তিনটি নির্বাচনের এই অভিনব জালিয়াতির পরিকল্পনা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়। এটি বাস্তবায়নে প্রশাসন, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন ও গোয়েন্দা সংস্থার একটি অংশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি কিছু কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছিল, যা ‘নির্বাচন সেল’ নামে পরিচিতি লাভ করে।
২০১৪-২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়কালে নির্বাচন ব্যবস্থাকে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে মূলত প্রশাসনের হাতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময়ে কমিশনের পরিবর্তে প্রশাসনই হয়ে ওঠে নির্বাচন পরিচালনার মূল শক্তি।
জাতীয়
বাংলাদেশ মিশনের চার প্রেস কর্মকর্তাকে দেশে ফেরার নির্দেশ
বিদেশে বাংলাদেশ মিশনের প্রেস উইংয়ে দায়িত্ব পালনরত চার কর্মকর্তাকে অবিলম্বে কর্মস্থল থেকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
চার কর্মকর্তা হলেন—মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে কন্স্যুলেট জেনারেল অফিস অব বাংলাদেশের প্রথম সচিব (প্রেস) আরিফুর রহমান, সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (প্রেস) আসাদুজ্জামান খান ও জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (প্রেস) ইমরানুল হাসান।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ বিদেশে বাংলাদেশ মিশনের প্রেস উইংগুলোর চার কর্মকর্তাকে তাদের বর্তমান পদ ও কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে পরবর্তী পদায়নের জন্য ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে দেশে ফেরার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরবর্তীকালে ১৩ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করে এ মিশনগুলোতে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেওয়া হয়।
এরই মধ্যে এসব মিশনে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে এবং তাদের অনুকূলে আর্থিক সরকারি আদেশ জারি হয়েছে বলেও জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে এসব কর্মকর্তাকে আবশ্যিকভাবে অবিলম্বে কর্মস্থল থেকে অব্যাহতি নিয়ে দেশে ফেরার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয় প্রজ্ঞাপনে।
জাতীয়
বিতর্কিত তিন নির্বাচন নিয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন জমা
বিতর্কিত ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিশন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তারা এ প্রতিবেদন জমা দেন। পরে যমুনার বাইরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদন বলা হয়, ২০০৮ সালের পর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাস্টারপ্ল্যান হয়েছিল। এসময়ে নির্বাচন কমিশন পাপেটে পরিণত হয়েছিল।
বিচারপতি শামীম হাসনাইনের নেতৃত্বে গত বছরের ২৯ জুলাই এ কমিশন গঠন করা হয়েছিল।




