পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারে বেড়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারীর সংখ্যা
দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা দীর্ঘদিন ধরেই কমছিল। তবে বিদেশিদের পুঁজিবাজার ছাড়ার প্রবণতা বন্ধ হয়েছে। সেইসঙ্গে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। সদ্য-সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব বেড়েছে ৪০টি। সেইসঙ্গে বেড়েছে স্থানীয় বিনিয়োগকারীর সংখ্যা।
২০২৩ সাল থেকে শেয়ারবাজারে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কমতে শুরু করে। ওই বছরের নভেম্বর থেকে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ধারাবাহিকভাবে শেয়ারবাজার ছাড়তে থাকেন, যা অব্যাহত থাকে চলতি বছরের আগস্ট মাসেও। তবে সেপ্টেম্বর মাসে এসে বিদেশি ও প্রবাসীদের বিও হিসাব বাড়তে দেখা গেলো।
বিও হল শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ব্রোকারেজ হাউজ অথবা মার্চেন্ট ব্যাংকে একজন বিনিয়োগকারীর খোলা হিসাব। এ বিও হিসাবের মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে লেনদেন করেন। বিও হিসাব ছাড়া শেয়ারবাজারে লেনদেন করা সম্ভব নয়। বিও হিসাবের তথ্য রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)।
সিডিবিএলের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে (৩০ সেপ্টেম্বর) শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫২ হাজার ২২৭টি, যা গত ৩১ আগস্ট ছিল ১৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪০১টি। এ হিসাবে গত এক মাসে শেয়ারবাজারে বিও হিসাব বেড়েছে ৬ হাজার ৮২৬টি।
বর্তমানে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের নামে বিও হিসাব আছে ৪৩ হাজার ৮০১টি। গত ৩১ আগস্ট বিদেশি ও প্রবাসীদের নামে বিও হিসাব ছিল ৪৩ হাজার ৭৬১টি। অর্থাৎ গত এক মাসে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বেড়েছে ৪০টি।
এখন বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়লেও, এর আগে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার ছেড়েছেন। বিদেশিদের বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ছাড়ার প্রবণতা শুরু হয় ২০২৩ নভেম্বর থেকে। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের নামে বিও হিসাব ছিল ৫৫ হাজার ৫১২টি। এ হিসাবে ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবরের তুলনায় বর্তমানে দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি ও প্রবাসীদের নামে বিও হিসাব কম আছে ১১ হাজার ৭১১টি।
বিদেশি ও প্রবাসীদের পাশাপাশি সেপ্টেম্বর মাসে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের সংখ্যাও বাড়ছে। সিডিবিএলের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশি বিনিয়োগকারীদের নামে বিও হিসাব ১৫ লাখ ৯০ হাজার ৬৯৫টি, যা গত ৩১ আগস্টে ছিল ১৫ লাখ ৮৪ হাজার ১০৪টি। অর্থাৎ গত এক মাসে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বেড়েছে ৬ হাজার ৫৯১টি।
এখন শেয়ারবাজারে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও এর আগে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার ছেড়েছেন। ২০২৪ সালের শুরুতে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব ছিল ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫১টি। আর বর্তমানে বিও হিসাব আছে ১৬ লাখ ৫২ হাজার ২২৭টি। অর্থাৎ ২০২৪ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বিও হিসাব কমেছে ১ লাখ ২১ হাজার ৩২৪টি।
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে নতুন জেনারেল ম্যানেজার হাসান তারেক চৌধুরী
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে জেনারেল ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড এডমিন হিসাবে যোগদান করেছেন হাসান তারেক চৌধুরী। (ডিএসইতে যোগদানের পূর্বে তিনি জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেডে হেড অব পিপল অ্যান্ড কালচার বিজনেস পার্টনারিং হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারী) এ পদে তিনি যোগদান করেছেন। ডিএসই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জেনারেল ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড এডমিন হাসান তারেক চৌধুরী বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য মানবসম্পদ (এইচআর) পেশাজীবী। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় তাঁর রয়েছে ২৯ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা, যার মধ্যে প্রায় ২০ বছর তিনি স্বনামধন্য বহুজাতিক ও বৃহত দেশীয় প্রতিষ্ঠানে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে এইচআর কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল (বাংলাদেশ), নোভার্টিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড, মেটলাইফ বাংলাদেশ, এসিআই লিমিটেড, এমজিএইচ গ্রুপ এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।
ফার্মাসিউটিক্যাল, এফএমসিজি, বীমা, শিপিং, রেস্টুরেন্ট, কৃষি ও পশুস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে এইচআর চ্যালেঞ্জ ব্যবস্থাপনায় তাঁর রয়েছে বহুমুখী অভিজ্ঞতা। তিনি মানবসম্পদ নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ট্যালেন্ট অ্যাকুইজিশন, কর্মী উন্নয়ন, পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট, সাংগঠনিক উন্নয়ন, কর্মী সম্পর্ক, পারিশ্রমিক ও সুবিধা ব্যবস্থাপনা এবং এইচআর পরিকল্পনা প্রণয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন।
জেনারেল ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড এডমিন হাসান তারেক চৌধুরী জেটিআই ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেডে বাংলাদেশের বৃহত্তম জনবল রূপান্তর প্রকল্পসহ, নোভার্টিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড ও অ্যালকনে একাধিক সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও বিজনেস ট্রান্সফরমেশন প্রকল্পে নেতৃত্ব প্রদান করেন। এছাড়া তিনি ২০১২ সালে মেটলাইফ সাউথ এশিয়া এবং ২০১৫–২০১৬ সালে নোভার্টিসে এইচআর রূপান্তর কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিদেশে নতুন প্রতিষ্ঠান (পিপল সেটআপ) গঠনে তাঁর রয়েছে বাস্তব অভিজ্ঞতা। তিনি পাকিস্তানের লাহোর ও শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে এমজিএইচ গ্রুপের জন্য নতুন সংগঠন প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেন।
শিক্ষাগতভাবে তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এমবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিস্ট্রিতে এমএসসি (প্রথম শ্রেণী), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানেজমেন্টে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা (প্রথম শ্রেণীতে প্রথম) এবং ইনস্টিটিউট অব পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট (আইপিএম) থেকে হিউম্যান রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্টে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা (প্রথম শ্রেণীতে প্রথম) ডিগ্রি অর্জন করেন।
পুঁজিবাজার
জিপিএইচ ইস্পাতের ক্যাটাগরি অবনতি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের ক্যাটাগরির অবনতি হয়েছে। গত ৩০ জুন,২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশের উপর ভিত্তি করে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্যাটাগরিতে এই পরিবর্তন আনা হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, গত ৩০ জুন,২০২৫ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ফলে কোম্পানিটিকে ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আগামী রবিবার (০৪ জানুয়ারি) থেকে কোম্পানিটির শেয়ার ‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে।
এসএম
পুঁজিবাজার
নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে ইবনে সিনা ফার্মা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ৩০ জুন,২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিটি নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএন সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
গত ৩০ জুন,২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি ৬৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।
এসএম
পুঁজিবাজার
ফিনিক্স ফাইন্যান্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি। কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদী ‘বি’ এবং স্বল্পমেয়াদি ‘এসটি-৫’ রেটিং হয়েছে।
কোম্পানিটির গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত ও ৩১ ডিসেম্বর,২০২৫ পর্যন্ত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।
এসএম
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ১৯ কোটি টাকার লেনদেন
বছরের প্রথম কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ১৫টি কোম্পানির ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, কোম্পানিগুলোর মোট ১৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৩৫ টি শেয়ার ৭৫ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশনের ৪ কোটি ৯৪ লাখ ০৫ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে ফাইন ফুডসের ৩ কোটি ৭১ লাখ ০৭ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে গ্রামীনফোনের ৩ কোটি ২২ লাখ ৪৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমকে




