জাতীয়
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় রূপান্তরমূলক পরিবর্তন আনতে উন্নত বিশ্বকে বাড়তি অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু অভিযোজন নিশ্চিত করতে খণ্ডকালীন ও সীমিত প্রকল্প থেকে সরে এসে কৃষি, পানি, জীববৈচিত্র্য ও উপকূলীয় ব্যবস্থাপনাসহ সব খাতে সমন্বিত ও পদ্ধতিগত পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। এ জন্য জলবায়ুবান্ধব প্রযুক্তি, প্রকৃতিনির্ভর সমাধান এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো অত্যাবশ্যক। তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে-চরম ঝুঁকির মধ্যেও অভিযোজন সম্ভব।
বুধবার (১ অক্টোবর) ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ‘রেজিলিয়েন্স ফর অল: ক্যাটালইজিং ট্রান্সফরমেশনাল অ্যাডাপ্টেশন’- শীর্ষক ৯ম এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপ্টেশন ফোরামের মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
রিজওয়ানা হাসান উল্লেখ করেন, সাহসী ও উদ্ভাবনী পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশ গত কয়েক দশকে শুধু জীবন রক্ষা করেনি, বরং ভূমি, পানি, জীববৈচিত্র্য ও উপকূলীয় ব্যবস্থাপনাও সুরক্ষিত করেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা, যেখানে আটটি ক্ষেত্রে ১১৩টি কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং যার আনুমানিক ব্যয় ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, এসবই বাংলাদেশের অভিযোজন সক্ষমতার মাইলফলক।
এছাড়া বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড বিশ্বের প্রথম দেশীয় অভিযোজন তহবিল হিসেবে জলবায়ু প্রকল্পে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির আওতায় ৭৮ হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক, যার অর্ধেক নারী, কাজ করছে। স্থাপন করা হয়েছে ৪ হাজার ২৯১টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র ও ৫২৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ উদ্ধার নৌযান এবং উপকূলীয় অঞ্চলে কমিউনিটি রেডিওর মাধ্যমে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ খরা, লবণাক্ততা ও জলমগ্ন সহনশীল ধান প্রজাতি উদ্ভাবন করেছে এবং ভাসমান কৃষি জনপ্রিয় করেছে। বরেন্দ্র অঞ্চল ও হাওরাঞ্চলে প্রকৃতিনির্ভর অভিযোজন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে এবং টাঙ্গুয়ার হাওরের সহ-ব্যবস্থাপনা জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্থিতিশীলতা বাড়িয়েছে। উপকূলীয় বাঁধ ও মিঠাপানির ব্যবস্থাপনা লবণাক্ততা মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের অভিযোজন সাফল্যের মূল চালিকা শক্তি হলো শক্তিশালী নীতি ও শাসনব্যবস্থা, জনগণভিত্তিক নেতৃত্ব এবং উদ্ভাবনী অর্থায়ন। সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদ এ ক্ষেত্রে আইনগত ভিত্তি দিয়েছে, আর তৃণমূল পর্যায়ের উদ্ভাবন ও স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ক মানুষকেন্দ্রিক অভিযোজনের উদাহরণ স্থাপন করেছে। পাশাপাশি ক্লাইমেট ফিসকাল ফ্রেমওয়ার্ক ও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডসহ জিইএফ, জিসিএফ, এলডিসিএফ ও অ্যাডাপ্টেশন ফান্ডের মতো আন্তর্জাতিক উৎস অভিযোজন কার্যক্রম সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
মন্ত্রিপর্যায়ের এ গোলটেবিল বৈঠকে জাপানের গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক উপমন্ত্রী ডোই কেনতারো, ব্রিটিশ হাইকমিশন দিল্লির ইন্দো-প্যাসিফিক রিজিওনাল ডিপার্টমেন্টের প্রধান জন ওয়ারবার্টন, ইউএনইপি এশিয়া-প্যাসিফিক অফিসের আঞ্চলিক পরিচালক দেচেন সেরিং, ফিলিপাইনের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগের সহকারী সচিব নোরালেন উয় এবং এডিবি থাইল্যান্ড রেসিডেন্ট মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর আনুজ মেহতা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জাতীয়
৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ইনকিলাব মঞ্চের
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। একই সঙ্গে আগামী ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেয় এবং সড়ক অবরোধ করে।
অবরোধ কর্মসূচিতে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকারের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং তা তারা বিশ্বাস করেন না। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই হাদিকে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার ২১ দিন পার হলেও সরকার এখনো প্রকৃত হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পারেনি, যা সরকারের সদিচ্ছার অভাবের প্রমাণ। সরকারের পক্ষ থেকে ৭ জানুয়ারি চার্জশিট দেওয়ার কথা বলা হলেও শুধু ফয়সল করিম মাসুদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানান তিনি।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে চার্জশিট দিতে হবে। তা না হলে ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
জাতীয়
ভুল স্বীকার না করলে জনগণ আ.লীগকে গ্রহণ করবে না: প্রেস সচিব
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, মানুষ ভুল করলে ক্ষমা চায় বা অনুতপ্ত হয়। আমরা সবাই ভুল করি। কিন্তু দীর্ঘ ১৭ মাস পার হয়ে গেলেও (আওয়ামী লীগ) দলটি তাদের দ্বারা সংঘটিত হত্যা ও গুমের ঘটনার জন্য কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। এমনকি তারা শান্তিপূর্ণ থাকার কথাও বলেনি।
তিনি বলেন, এখন যদি তারা (আওয়ামী লীগ) এসে ভুল স্বীকার করে বা সরি বলে, তবে তার কোনো মূল্য নেই। কারণ সময় পার হয়ে গেছে এবং তাদের মনোনয়নের সুযোগও আর নেই।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকার গৌর গোপাল সেবা আশ্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ দেখছি না। মানুষের কাছে দলটির গ্রহণযোগ্যতা এখন নেই। বিদেশে বসে দলটির নেতাকর্মীরা উল্টো মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তারা দাবি করছে ৩০০০ পুলিশকে মেরে ফেলা হয়েছে, যা বাস্তবসম্মত নয়। তারা আন্দোলনে অংশ নেওয়া লাখ লাখ ছাত্র-ছাত্রীকে জঙ্গি হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। যাতে তাদের ওপর চালানো হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া যায়। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশের মানুষ তাদের আর গ্রহণ করবে না।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নিলে নির্বাচন গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে—এমন কোনো ধারণা সাধারণ মানুষের মধ্যে নেই। বরং দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি অস্ত্র হাতে তুলে নেয়, তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর তা ব্যবহার করে এবং গুম-খুন ও গণহত্যার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তবে পৃথিবীর কোনো সভ্য রাষ্ট্রই তাকে আর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে না। প্রকৃতপক্ষে, এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ নিজেরাই নিজেদেরকে নির্বাচনে অযোগ্য বলে প্রমাণ করেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষে আবার সাংবাদিকতায় ফিরতে চান বলেও তিনি জানান।
এর আগে, শফিকুল আলম নিজনান্দুয়ালী গৌর গোপাল সেবা আশ্রমের সার্বিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং আশ্রম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আশ্রমের ধর্মীয় ও মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আশ্রমের ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।
নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রম পরিদর্শন শেষে শফিকুল আলম শ্রীপুরে উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের চৌগাছি নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
জাতীয়
ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার ৯ ফ্লাইট নামলো চট্টগ্রাম-কলকাতা-ব্যাংকক
ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে পারেনি ৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। এসব ফ্লাইট চলে গেছে চট্টগ্রাম, কলকাতা ও ব্যাংকক।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত থেকে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোর পর্যন্ত কুয়াশায় রানওয়ে দৃশ্যমান না থাকায় নিরাপত্তাজনিত কারণে ফ্লাইটগুলোকে বিকল্প তিন বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।
শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ।
তিনি জানান, কুয়াশার কারণে চারটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে, চারটি কলকাতা বিমানবন্দরে ও একটি ফ্লাইট ব্যাংকক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে সকাল ৯টার পর থেকে সব ফ্লাইট অপারেশন পুনরায় স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়। ডাইভারশন হওয়া ফ্লাইটগুলোকে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাতীয়
পোস্টাল ভোট দিতে ১২ লাখ ১৮ হাজার নিবন্ধন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দেশ থেকে ভোট দেওয়ার জন্য ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে মোট নিবন্ধন করেছেন ১২ লাখ ১৮ হাজার ৮৯৩ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৭৫৩ জন বাংলাদেশ থেকে এবং বাকিগুলো অন্যান্য দেশ থেকে। এ ছাড়া ১০ লাখ ৫২ হাজার ১৩৮ জন পুরুষ এবং ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৩ জন নারী। নির্দিষ্ট সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রবাসীদের ঠিকানায় ব্যালট পেপার পাঠিয়ে দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ইসির ওয়েবসাইট থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
এবারই প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইসি। এ ক্ষেত্রে প্রবাসী, আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তি, ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিতরা এ ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারবেন। এ জন্য অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে।
গত ১৯ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু হয়েছে, চলবে ৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। এর আগে শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর থাকলেও মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার পরে এক প্রেসব্রিফিংয়ের মাধ্যমে পোস্টাল বিডি অ্যাপে নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
যেসব দেশে নিবন্ধন চলছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, মিসর, মোজাম্বিক, লিবিয়া, মরিশাস, হংকং, ব্রাজিল, উগান্ডা, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, লাইবেরিয়া, বতসোয়ানা, কেনিয়া, রুয়ান্ডা, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, তানজানিয়া, সোমালিয়া, ঘানা, গিনি, মরক্কো, দক্ষিণ সুদান, চিলি, সিয়েরা লিওন, ইকুয়েডর, তাইওয়ান, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, গাম্বিয়া, পেরু, জিম্বাবুয়ে, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ইত্যাদি।
ইসি জানিয়েছে, অ্যাপে নিবন্ধনকারীদের ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ভোটার ভোট দিয়ে ফিরতি খামে তা আবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন।
উল্লেখ্য, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। এ ক্ষেত্রে ৫০ লাখ প্রবাসী ভোট টানার টার্গেট নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে সংস্থাটি।
জাতীয়
পে-স্কেলে গ্রেড নিয়ে কমিশনে ৩ প্রস্তাবনা
সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল গতকাল বুধবারের সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি থাকায় ওই সভা স্থগিত করা হয়েছিল।
স্থগিত এই সভার নতুন তারিখ দ্রুতই নির্ধারণ করে সদস্যদের জানিয়ে দেওয়া হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে প্রধান করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
গত ২৭ জুলাই এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। কমিশনের প্রথম সভার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নবম পে-স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বজায় থাকবে নাকি কমানো হবে, তা নিয়ে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে তিনটি ভিন্ন মত দেখা দিয়েছে।
প্রথম পক্ষ- বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে কেবল যৌক্তিক হারে বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা।
দ্বিতীয় পক্ষ- বেতন বৈষম্য কমাতে গ্রেড সংখ্যা ২০টি থেকে কমিয়ে ১৬টি করার প্রস্তাব।
তৃতীয় পক্ষ- বৈষম্য দূর করতে আরো আমূল পরিবর্তন এনে গ্রেড সংখ্যা ১৪টি করার পক্ষে মত দিয়েছেন অনেকে।
গ্রেড সংখ্যা বেশি হওয়ায় নিম্নধাপের কর্মচারীদের মধ্যে বেতন বৈষম্য প্রকট হওয়ায় গ্রেড কমিয়ে একটি বাস্তবসম্মত সুপারিশ তৈরির চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন থেকে প্রাপ্ত মতামতগুলো বর্তমানে ‘চুলচেরা বিশ্লেষণ’ করা হচ্ছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।




