সারাদেশ
ফেনীতে বাস উল্টে তিন জন নিহত
ফেনী-নোয়াখালী সড়কের সিলোনিয়া বাজারে সুগন্ধা পরিবহনের একটি বাস উল্টে তিনজন মারা গেছেন। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগে আগেই স্থানীয়রা বাসটি ও আহতদের উদ্ধার করেন।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজন মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতদের মধ্যে দুজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন ফেনীর দাগনভূঞাঁ এলাকার খুশিপুর এলাকার শহিদুলের স্ত্রী শামীমা আরা বেগম (৫০) ও দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ জয়লষ্কর গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে মো. শ্রাবণ (২০)।
আহত অন্তত আটজনকে ফেনীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশিদ জানান, মৃত্যু এবং গুরুতর আহতের খবর পেয়েছি। তবে এর সংখ্যা এখনো জানতে পারিনি। পুলিশ এনিয়ে কাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, সুগন্ধা পরিবহনের বাসটি ফেনী থেকে নোয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। পথে রাস্তার পাশে থাকা একটি খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সারাদেশ
মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থান হওয়ায় কনকনে তীব্র শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ পঞ্চগড় জেলা। এক সপ্তাহের বেশি সময় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পর আজ হঠাৎই কমে গেছে এ জেলার তাপমাত্রা। তাপমাত্রা নেমে গেছে ৯ ডিগ্রির ঘরে। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে শীতের প্রকোপ। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে।
এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৯ শতাংশ ছিল। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ৮-১০ কিলোমিটার বয়ে যাচ্ছিল। গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, পঞ্চগড়ের আশপাশের জেলায় কয়েক দিন থেকে হিমালয়ের হিমেল বাতাসে ঠান্ডা অব্যাহত রয়েছে। রাতে ও সকালে ঠান্ডার কারণে গ্রাম-গঞ্জের মানুষ শীতের গরম কাপড় পরিধান করছে। তবে গত কয়েকদিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। এ ছাড়াও দিনের বেলা রোদের দেখা মিললেও কমেনি শীতের তীব্রতা।
অপরদিকে এ ছাড়া শীতের তীব্রতা বাড়ায় হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় থাকছেই। হাসপাতালে প্রতিদিন রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের বেশির ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ। যারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারাই কেবল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
তেঁতুলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ জানান, কয়েকদিন পর আজ হঠাৎই তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় তেঁতুলিয়ায় মৃদু শৈত্য বয়ে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৯ শতাংশ ছিল। ফলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে এ জেলায়। সামনের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
সারাদেশ
সাতসকালে নিয়ন্ত্রণ হারাল বালুর ট্রাক, নিহত ৪
রাজশাহীতে সাতসকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালুভর্তি ট্রাক বাজারের ভেতরে ঢুকে উল্টে যায়। এতে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৭টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ৭টা ৫৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস। স্টেশন থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব ২ কিলোমিটার। বালুভর্তি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাজারের ভেতরে ঢুকে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুঠিয়া ফায়ার স্টেশনের ১টি ইউনিট ও নাটোর ফায়ার স্টেশনের ১টি ইউনিট উদ্ধারকাজ করছে। এ ঘটনায় ৪ জন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
এমকে
সারাদেশ
সারজিস আলমের ৩৩ লাখ টাকার সম্পদ, নেই বাড়ি-গাড়ি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পঞ্চগড়-১ আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেন।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, সারজিস আলমের হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ৩ লাখ ১১ হাজার ১২৮ টাকা। পাশাপাশি তাঁর একটি ব্যাংক হিসাবে জমা আছে ১ লাখ টাকা। হলফনামায় তিনি তাঁর বর্তমান পেশা হিসেবে ব্যবসা এবং পূর্বতন পেশা হিসেবে ছাত্র উল্লেখ করেছেন। তাঁর নামে দানকৃত কৃষিজমির পরিমাণ ১৬ দশমিক ৫০ শতক। অর্জনকালে ওই জমির আর্থিক মূল্য ছিল ৭ হাজার ৫০০ টাকা, যা বর্তমানে আনুমানিক ৫ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবসা থেকে বছরে তাঁর আয় ৯ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তিনি স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) উল্লেখ করেছেন।
হলফনামার তথ্যে আরও দেখা যায়, সারজিস আলমের নামে একটি মামলা রয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন। তাঁর নামে কোনো বন্ড, ঋণপত্র বা স্টক এক্সচেঞ্জভুক্ত শেয়ার নেই। আসবাবপত্রের মূল্য দেখানো হয়েছে ৭৫ হাজার টাকা এবং ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ৭৫ হাজার টাকা। তাঁর কোনো আগ্নেয়াস্ত্র নেই। এ ছাড়া তাঁর নামে কোনো বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা ভবনও নেই।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে সারজিস আলম তাঁর মোট আয় দেখিয়েছেন ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকা। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তাঁর মোট সম্পদের মূল্য ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ৬২৮ টাকা। এই খাতে তিনি ৫২ হাজার ৫০০ টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন।
এদিকে পঞ্চগড়-১ আসনে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জমে উঠেছে। এই আসনে সারজিস আলম ছাড়াও আরও সাত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
অন্য প্রার্থীরা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির, বাংলাদেশ জাসদের নাজমুল হক প্রধান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র আল রাশেদ প্রধান, গণঅধিকার পরিষদের মো. মাহাফুজুর রহমান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. ফেরদৌস আলম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো. সিরাজুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. আব্দুল ওয়াদুদ বাদশা।
সারাদেশ
একই আসনে লড়বেন হান্নান মাসউদ ও তার বাবা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) সংসদীয় আসনে ভিন্ন দলের হয়ে নির্বাচন করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ ও তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন হান্নান মাসউদ ও তার বাবা।
জানা গেছে, আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) হয়ে একতারা প্রতীকে এবং আব্দুল হান্নান মাসউদ শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচন করবেন।
এনিয়ে এলাকায় জন্ম দিয়েছে আলোচনা, সমালোচনা ও কৌতূহলের। কেউ কেউ বলছেন, এটি নবীন ও প্রবীণের প্রতীকী লড়াই, আবার কেউ দেখছেন রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের নতুন এক মাত্রা অথবা ভিন্ন কৌশল।
জানা গেছে, নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনে এবারের নির্বাচনে ১৪ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে বিএনপি থেকে মো. মাহবুবুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী থেকে অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, এনসিপি থেকে আবদুল হান্নান মাসউদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন মোহাম্মদ ফজলুল আজিম, শামীমা আজিম, তানভীর উদ্দিন রাজিব, মুহাম্মদ নুরুল আমীন।
এছাড়া জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে এটিএম নবী উল্যাহ, নাছিম উদ্দিন মো. বায়েজীদ। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) মোহাম্মদ আবদুল মোতালেব, গণঅধিকার পরিষদের মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম শরীফ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মোহাম্মদ আবুল হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
হান্নান মাসউদ ও তার বাবার নির্বাচন নিয়ে হাতিয়ার বাসিন্দা আবদুস সালাম বলেন, একই পরিবার থেকে দুই বা ততোধিক প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ হাতিয়ার রাজনীতিতে নতুন কোনো বিষয় নয়। এটি মূলত একটি সুপরিকল্পিত কৌশল, যার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রভিত্তিক প্রভাব বজায় রাখা যায়। একাধিক প্রার্থী থাকলে একদিকে যেমন বেশি এজেন্ট নিয়োগ করা সম্ভব হয়, তেমনি মাঠে লোকবল ও শক্তির উপস্থিতিও বাড়ে, যা নির্বাচনের দিন বড় ভূমিকা রাখে।
এ বিষয়ে আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাংলাদেশের আন্দোলনে আমি সক্রিয়ভাবে লড়াই করেছি। তবে ভোটের অভিজ্ঞতা আমার জন্য একেবারেই নতুন। ভোটার হওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারিনি। নোয়াখালী–৬ আসনের বাকি ১৩ জনের মধ্যে আমার বাবা একজন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ মানুষ। তাই তার মনোনয়নপত্র দাখিল করাকে আমি উৎসাহিত করেছি। ভোটের মাঠে তার কাছ থেকেও নতুন কিছু শেখার সুযোগ হবে। আমি শাপলা কলি প্রতীকে লড়ব এবং বাবার এই নির্বাচনি লড়াইকেও আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।
তবে এ বিষয়ে আব্দুল মালেকের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, নোয়াখালীর ছয়টি আসনে ৮৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ৬২ জন প্রার্থী। আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম চলবে।
তিনি জানান, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়ে চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সারাদেশ
লুৎফুজ্জামান বাবরের আসনে স্ত্রীও প্রার্থী
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনা-৪ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তার স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী।
সোমবার (২৯ তারিখ) বিকেল ৪টার দিকে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নিজের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন লুৎফুজ্জামান বাবর। এর প্রায় আধা ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাহমিনা জামান শ্রাবণীর পক্ষে তার ব্যক্তিগত সহকারী মির্জা হায়দার আলী মনোনয়নপত্র জমা দেন।
একই সংসদীয় আসনে স্বামী-স্ত্রীর পৃথক মনোনয়ন দাখিল নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নির্বাচনী রাজনীতিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
মনোনয়ন দাখিলকালে বিএনপি ও সমর্থক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা জামান শ্রাবণীর পক্ষ থেকে এ সময় কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।




