লাইফস্টাইল
কাগজের কাপে চা কফি খেলে হতে পারে বিপদ
চা–কফি ছাড়া আমাদের দিন যেন শুরুই হয় না। আবার অফিসে মনোযোগ রাখতে বা ঘুম কাটাতে ক্যাফে বা রাস্তার পাশের দোকানে অনেকেই কাগজের কাপে চা-কফি পান করেন। তবে কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে – কাগজের কাপে পানি দিলেও তা ভিজে যায় না কেন? কারণ, কাগজের কাপগুলোর গায়ে থাকে অত্যন্ত পাতলা একটি প্লাস্টিকের আবরণ। আর এতে গরম পানীয় ঢাললে সেখান থেকে আপনার পানীয়তে মিশে যায় মাইক্রোপ্লাস্টিক।
মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে গবেষণা যা বলছে
২০২১ সালে ভারতের গবেষক রঞ্জন ভিপি জার্নাল অব হ্যাজার্ডাস ম্যাটেরিয়ালস-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখান, কাগজের কাপ গরম পানির সংস্পর্শে এলে এর ভেতরের প্লাস্টিক কোটিং থেকে বিপুল পরিমাণ ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক পানিতে মিশে যায়।
এরপর ২০২৩ সালে জোসেফ এ কেমোস্ফিয়ার জার্নালে প্রকাশিত আরেক গবেষণায় দেখান, নিয়মিত কাগজের কাপে চা–কফি খেলে একজন মানুষ জীবদ্দশায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে ঢুকে যায়। অর্থাৎ, প্রতিদিনকার অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে।
কেন এটি চিন্তার বিষয়?
মাইক্রোপ্লাস্টিক সরাসরি চোখে দেখা যায় না। কিন্তু এগুলো শরীরে জমতে থাকলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা কমে যাওয়া কিংবা নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
বিকল্প কী হতে পারে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরম পানীয় পান করার জন্য স্টেইনলেস স্টিল, সিরামিক বা কাঁচের কাপ ব্যবহার করা ভালো। এমনকি পুনঃব্যবহারযোগ্য কাপ বহন করার অভ্যাস গড়ে তুললেও ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।
এক কাপ চা বা কফি আমাদের প্রাণ জুড়ায় বটে, তবে কোন পাত্রে তা খাচ্ছি — সেটিও ভেবে দেখার সময় এসেছে। আন্তর্জাতিক গবেষণাগুলো বলছে, আজকের ছোট্ট অসাবধানতা ভবিষ্যতে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।
লাইফস্টাইল
স্ক্রিন টাইমে চোখের ক্লান্তি, তিন ব্যায়ামে মিলবে স্বস্তি
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সব কাজেই এখন ব্যবহৃত হচ্ছে মোবাইল এবং ল্যাপটপ। অফিসের কাজ থেকে বিনোদন সবটা জুড়েই এখন স্ক্রিন টাইম। স্নানঘরে যেতে গিয়েও কেউ দেখছেন ওয়েব সিরিজ়, কেউ বুঁদ হয়ে যাচ্ছেন গেমের নেশায়। এর প্রভাব পড়ে চোখে।
দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে বাড়ছে চোখের সমস্যা। কারও চোখ জ্বালা করছে, কারও চোখ ব্যথা করছে। কারও আবার চোখের জল শুকিয়ে যাচ্ছে। চোখের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হতে পারেন সহজ কয়েকটি ব্যায়ামে।
চক্ষু চিকিৎসকেরা বলছেন, এই ধরনের ব্যায়াম চোখের পেশি, স্নায়ুগুলিকে শিথিল হতে সাহায্য করে। চোখের উপর চাপ কমায়।
প্রথম ব্যায়াম
দুই হাতের তালু ঘষে একটু গরম করে নিতে হবে। মেরুদণ্ড সোজা করে বসে, ঘর্ষণের ফলে গরম হয়ে যাওয়া তালু দু’টি আলতো করে বন্ধ চোখের ওপর রাখতে হবে।
চোখের মণির উপর সরাসরি যেন চাপ না পড়ে। লম্বা লম্বা শ্বাস নিতে হবে এবং ছাড়তে হবে। ২ মিনিট পর হাত সরিয়ে নিন এবং আস্তে আস্তে চোখ মেলুন।
দ্বিতীয় ব্যায়াম
কাছে এবং দূরে তাকানোও একটি সহজ অথচ কার্যকরি ব্যায়াম। হাতের বুড়ো আঙুলটি চোখের সামনে প্রায় ১০ ইঞ্চি দূরে ধরে, মনোযোগ দিয়ে সেই দিকেই তাকাতে হবে।
কয়েক সেকেন্ড পরে আঙুলের উপর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে প্রায় ১০-২০ ফুট দূরে থাকা কোনও বস্তুর দিকে তাকাতে হবে। এই ভাবে পর্যায়ক্রমে অন্তত ৫-৬ বার ব্যায়ামটি করতে হবে।
তৃতীয় ব্যায়াম
এই জন্য দরকার একটি পেন্সিল বা পেন।নাকের সামনে এক হাত দূরত্বে সেটি ধরে, সেই দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থকতে হবে।মাথা স্থির রেখে পেন্সিলটিকে ধীরে ধীরে ডানে এবং বামে সরাতে হবে। পেন্সিল লক্ষ্য করে দৃষ্টিও সরবে। একই ভাবে পেন্সিলটিকে উপরে এবং নীচে সরান। পেন্সিলটিকে ধীরে ধীরে আপনার নাকের কাছে আনুন এবং আবার দূরে সরিয়ে নিন। সব সময় পেন্সিলের শিসে লক্ষ্য স্থির রাখুন। এতেও চোখের ক্লান্তি কমবে।
এমএন
লাইফস্টাইল
নিজের ফোনেই দেখতে পারবেন ভোটের ফলাফল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর ফলাফল দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে একটি আধুনিক মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষের থেকেই অ্যাপটি ব্যবহারে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জেনে নিতে পারবেন।
যেভাবে এই অ্যাপ ব্যবহার করে জানা যাবে ফলাফল
অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফরমে পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করা যাবে। ইনস্টলের পর অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।
সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করার প্রয়োজন হয় না।
তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে অ্যাপটি। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।
নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ নামে একটি অপশনটি থাকবে। সেখানে নির্বাচনের ধরণ (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন) নির্বাচন করে নিতে হবে।
এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।
কাস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড করা হবে। ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।
গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোনো প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়।
লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি সহজেই দেখা যাবে।
এমএন
লাইফস্টাইল
এটিএম বুথে কার্ড আটকে গেলে যা করবেন
বর্তমান সময়ে নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন আর্থিক লেনদেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড। তা ছাড়া ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা তুলতে চান না বেশির ভাগ গ্রাহক।
তাই আধুনিক ব্যাংকিংয়ের যুগে এটিএম বা অটোমেটেড টেলার মেশিন এখন অনেকের নিত্যসঙ্গী।
তবে হঠাৎ যদি এটিএম বুথে কার্ড আটকে যায়, তখন অনেকেই আতঙ্কে পড়েন। বিভিন্ন কারণে এটিএম মেশিনে কার্ড আটকে যেতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম হলো বারবার ভুল পিনকোড প্রবেশ করানো, এটিএম কার্ড বেরিয়ে আসার পরও সংগ্রহ না করা, বিদ্যুৎ চলে যাওয়া, মেশিনের যান্ত্রিক সমস্যা এবং ইন্টারনেট কানেকশন চলে যাওয়া।
কেন এমন হয় আর এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে কী করবেন, এসব বিষয়ে জানালেন ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞরা।
কার্ড আটকে যাওয়ার সাধারণ কিছু কারণ
ভুল পিন নম্বর প্রদান
• পরপর তিনবার ভুল পিন নম্বর দিলে নিরাপত্তার স্বার্থে মেশিন কার্ড আটকে দিতে পারে।
কার্ডের মেয়াদ শেষ
• মেয়াদোত্তীর্ণ কার্ড অনেক সময় মেশিন গ্রহণ করলেও লেনদেনের সময় আটকে ফেলতে পারে।
প্রযুক্তিগত ত্রুটি
• বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, নেটওয়ার্ক সমস্যা কিংবা সফটওয়্যার গ্লিচের কারণে কার্ড আটকে যেতে পারে।
কার্ডে চুম্বকীয় স্ট্রিপ বা চিপ নষ্ট
• কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ বা ইএমভি চিপ ক্ষতিগ্রস্ত হলে, মেশিন তা পড়ে নিতে ব্যর্থ হয় এবং কার্ড আটকে যেতে পারে।
সন্দেহজনক লেনদেন
• কার্ড যদি সন্দেহজনক বা ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেনে ব্যবহৃত হয় বলে মনে করে ব্যাংক। তবে সতর্কতামূলকভাবে এটিএম মেশিন কার্ড আটকে দিতে পারে।
করণীয় : বুথ ত্যাগ করবেন না
• কার্ড আটকে গেলে প্রথমেই আতঙ্কিত না হয়ে বুথে অপেক্ষা করুন। অনেক সময় মেশিন কিছুক্ষণ পর নিজেই কার্ড ফিরিয়ে দেয়।
ব্যাংকের হেল্পলাইন নম্বরে কল করুন
• প্রতিটি বুথেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের জরুরি যোগাযোগ নম্বর দেওয়া থাকে। এমন সমস্যার মুখোমুখি হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই নম্বরে ফোন করে পরিস্থিতি জানান।
যোগাযোগ করুন নিকটস্থ শাখায়
কার্ড না ফেরত পেলে আপনার ব্যাংকের নিকটস্থ শাখায় গিয়ে রিপোর্ট করুন। পরিচয়পত্র ও অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস সঙ্গে রাখুন।
কার্ড ব্লক করুন
• যদি সন্দেহ থাকে কার্ড অপব্যবহারের ঝুঁকি আছে, তবে সঙ্গে সঙ্গে হেল্পলাইনে ফোন করে কার্ডটি ব্লক করে দিন।
লিখিত অভিযোগ জমা দিন
• নিরাপত্তার স্বার্থে কার্ড আটকে যাওয়ার পর ব্যাংকে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিতে হয়। সেই অভিযোগ অনুযায়ী তারা কার্ড ফেরত দেয় বা নতুন কার্ড ইস্যু করে।
এসব সমস্যার বিষয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা পরামর্শ দিয়েছেন, কার্ড ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেমন: পিন নম্বর গোপন রাখা, মেয়াদোত্তীর্ণ কার্ড ব্যবহার না করা, সন্দেহজনক বুথে লেনদেন না করা এবং নিয়মিত কার্ড চেক করা।
এটিএম বুথে কার্ড আটকে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। ব্যাংকের সহায়তা নেওয়াই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ।
এমকে
লাইফস্টাইল
বাংলাদেশে কেন অনেক মানুষের জন্ম ১ জানুয়ারি
বাংলাদেশে বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় অধিকাংশ মানুষের জন্মদিন পহেলা জানুয়ারি। বাংলাদেশের জন্ম নিবন্ধন বা পাসপোর্টের জন্মতারিখ যাচাই করে এ তথ্য পাওয়া যায়। কী ভাবছেন আপনার জন্মদিনও পহেলা জানুয়ারি?
এ বিষয়ে কোনো গবেষণা না থাকলেও বিভিন্ন জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের জন্ম তারিখ দেখা গেছে ১ জানুয়ারি। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে এক শিশু বিশেষজ্ঞ ড. ইশতিয়াক মান্নান জানিয়েছেন, সব শিশু যে জানুয়ারির ০১ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছে ব্যাপারটি এমন নয়। বাংলাদেশে এখনো অনেক শিশু বাড়িতে, গ্রামীণ এলাকায় জন্মগ্রহণ করে। যেখানে শিক্ষার হার এখনো অনেকটা কম। যার ফলে শিশু বাবা-মা জন্মনিবন্ধনের ব্যাপারে অনেক তথ্য জানেন না।
তিনি আরও বলেন, তারিখ মনে না থাকার কারণে জন্মনিবন্ধনে তারিখও সঠিক হয় না। একই সঙ্গে বাড়িতে বা হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদেরও ঠিকভাবে নিবন্ধন হচ্ছে না। পরবর্তী সময়ে স্কুলে ভর্তির সময় তাদের জন্ম তারিখটা দরকার হয়ে পড়ে।
যার ফলস্বরূপ, তখন অনেকে ইচ্ছেমতো একটি তারিখ বসিয়ে দেন। নতুন করে জন্মদিন বসাতে গিয়ে তারা একটি সাধারণ তারিখ বসিয়ে দেন, যা সহজে মনে রাখা যায়। যেমন, পহেলা জানুয়ারি।
এমকে
লাইফস্টাইল
শীতকালে গলা ব্যথা এড়াতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি
চিকিৎসকদের মতে, দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হলো সকালের নাশতা। বিশেষ করে শীতকালে সকালে কী খাচ্ছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সুষম নাশতা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে ভুল ধরনের খাবার খেলে গোটা শীতকালজুড়ে গলার সমস্যা বা খুশখুশ ভাবের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
শীতকালে খালি পেটে কিছু খাবার খেলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে যায়।
এতে সহজেই ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথার সমস্যা দেখা দেয়। তাই এই সময়ে কিছু খাবার এড়ানো উচিত। চলুন, জেনে নিই।
ফ্রিজের খাবার ও ঠাণ্ডা দুধ: খালি পেটে খেলে শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায়, যা ঠাণ্ডা লাগা এবং গলা ব্যথার ঝুঁকি বাড়ায়।
টক খাবার: যেমন লেবুর রস বা ভিনেগারযুক্ত পানীয়, খালি পেটে গলার সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে এবং ঠাণ্ডা লাগার আশঙ্কা বাড়ায়।
চিনি বা মিষ্টি খাবার: সকালের শুরুতেই খেলে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয় এবং ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
সূত্র: এই সময়



