Connect with us
৬৫২৬৫২৬৫২

লাইফস্টাইল

কাগজের কাপে চা কফি খেলে হতে পারে বিপদ

Published

on

ডিএসই

চা–কফি ছাড়া আমাদের দিন যেন শুরুই হয় না। আবার অফিসে মনোযোগ রাখতে বা ঘুম কাটাতে ক্যাফে বা রাস্তার পাশের দোকানে অনেকেই কাগজের কাপে চা-কফি পান করেন। তবে কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে – কাগজের কাপে পানি দিলেও তা ভিজে যায় না কেন? কারণ, কাগজের কাপগুলোর গায়ে থাকে অত্যন্ত পাতলা একটি প্লাস্টিকের আবরণ। আর এতে গরম পানীয় ঢাললে সেখান থেকে আপনার পানীয়তে মিশে যায় মাইক্রোপ্লাস্টিক।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে গবেষণা যা বলছে

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২০২১ সালে ভারতের গবেষক রঞ্জন ভিপি জার্নাল অব হ্যাজার্ডাস ম্যাটেরিয়ালস-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখান, কাগজের কাপ গরম পানির সংস্পর্শে এলে এর ভেতরের প্লাস্টিক কোটিং থেকে বিপুল পরিমাণ ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক পানিতে মিশে যায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এরপর ২০২৩ সালে জোসেফ এ কেমোস্ফিয়ার জার্নালে প্রকাশিত আরেক গবেষণায় দেখান, নিয়মিত কাগজের কাপে চা–কফি খেলে একজন মানুষ জীবদ্দশায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে ঢুকে যায়। অর্থাৎ, প্রতিদিনকার অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে।

কেন এটি চিন্তার বিষয়?

মাইক্রোপ্লাস্টিক সরাসরি চোখে দেখা যায় না। কিন্তু এগুলো শরীরে জমতে থাকলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা কমে যাওয়া কিংবা নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিকল্প কী হতে পারে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরম পানীয় পান করার জন্য স্টেইনলেস স্টিল, সিরামিক বা কাঁচের কাপ ব্যবহার করা ভালো। এমনকি পুনঃব্যবহারযোগ্য কাপ বহন করার অভ্যাস গড়ে তুললেও ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।

এক কাপ চা বা কফি আমাদের প্রাণ জুড়ায় বটে, তবে কোন পাত্রে তা খাচ্ছি — সেটিও ভেবে দেখার সময় এসেছে। আন্তর্জাতিক গবেষণাগুলো বলছে, আজকের ছোট্ট অসাবধানতা ভবিষ্যতে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।

শেয়ার করুন:-

লাইফস্টাইল

বাংলাদেশে কেন অনেক মানুষের জন্ম ১ জানুয়ারি

Published

on

ডিএসই

বাংলাদেশে বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় অধিকাংশ মানুষের জন্মদিন পহেলা জানুয়ারি। বাংলাদেশের জন্ম নিবন্ধন বা পাসপোর্টের জন্মতারিখ যাচাই করে এ তথ্য পাওয়া যায়। কী ভাবছেন আপনার জন্মদিনও পহেলা জানুয়ারি?

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ বিষয়ে কোনো গবেষণা না থাকলেও বিভিন্ন জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের জন্ম তারিখ দেখা গেছে ১ জানুয়ারি। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রতিবেদনে এক শিশু বিশেষজ্ঞ ড. ইশতিয়াক মান্নান জানিয়েছেন, সব শিশু যে জানুয়ারির ০১ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছে ব্যাপারটি এমন নয়। বাংলাদেশে এখনো অনেক শিশু বাড়িতে, গ্রামীণ এলাকায় জন্মগ্রহণ করে। যেখানে শিক্ষার হার এখনো অনেকটা কম। যার ফলে শিশু বাবা-মা জন্মনিবন্ধনের ব্যাপারে অনেক তথ্য জানেন না।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, তারিখ মনে না থাকার কারণে জন্মনিবন্ধনে তারিখও সঠিক হয় না। একই সঙ্গে বাড়িতে বা হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদেরও ঠিকভাবে নিবন্ধন হচ্ছে না। পরবর্তী সময়ে স্কুলে ভর্তির সময় তাদের জন্ম তারিখটা দরকার হয়ে পড়ে।

যার ফলস্বরূপ, তখন অনেকে ইচ্ছেমতো একটি তারিখ বসিয়ে দেন। নতুন করে জন্মদিন বসাতে গিয়ে তারা একটি সাধারণ তারিখ বসিয়ে দেন, যা সহজে মনে রাখা যায়। যেমন, পহেলা জানুয়ারি।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

শীতকালে গলা ব্যথা এড়াতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি

Published

on

ডিএসই

চিকিৎসকদের মতে, দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হলো সকালের নাশতা। বিশেষ করে শীতকালে সকালে কী খাচ্ছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সুষম নাশতা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে ভুল ধরনের খাবার খেলে গোটা শীতকালজুড়ে গলার সমস্যা বা খুশখুশ ভাবের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শীতকালে খালি পেটে কিছু খাবার খেলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে যায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে সহজেই ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথার সমস্যা দেখা দেয়। তাই এই সময়ে কিছু খাবার এড়ানো উচিত। চলুন, জেনে নিই।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ফ্রিজের খাবার ও ঠাণ্ডা দুধ: খালি পেটে খেলে শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায়, যা ঠাণ্ডা লাগা এবং গলা ব্যথার ঝুঁকি বাড়ায়।

টক খাবার: যেমন লেবুর রস বা ভিনেগারযুক্ত পানীয়, খালি পেটে গলার সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে এবং ঠাণ্ডা লাগার আশঙ্কা বাড়ায়।

চিনি বা মিষ্টি খাবার: সকালের শুরুতেই খেলে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয় এবং ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

সূত্র: এই সময়

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

প্রতি রাতে এক কোয়া রসুন খেলে কী হয়?

Published

on

ডিএসই

অনেক সময় ছোট ছোট অভ্যাসও আমাতের স্বাস্থ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তাই না? রসুন হলো সেই প্রাচীন প্রতিকারের মধ্যে একটি, যা মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিশ্বাস করে আসছে। এটি হজমে সাহায্য করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এটি সমর্থন করে, অ্যালিসিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো যৌগ থাকায় রসুনের গ্রহণযোগ্যতাও বেশি। কিন্তু আপনি কি জানেন যে রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র এক কোয়া রসুন খেলে তা শরীরের জন্য কীভাবে কাজ করে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১. হজম উন্নত হয়

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২০১৯ সালের গবেষণা অনুসারে, রসুন হজম এনজাইমকে উদ্দীপিত করে এবং পেট ফাঁপা কমিয়ে মসৃণ হজমে সহায়তা করে। কয়েক সপ্তাহ ধরে যদি প্রতি রাতে এক কোয়া কাঁচা রসুন খান তবে আপনি ধীরে ধীরে অনেকটাই হালকা বোধ করবেন এবং সকালে গ্যাসের সমস্যা কমে আসবে। এর প্রাকৃতিক প্রিবায়োটিক প্রভাব স্বাস্থ্যকর অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে বজায় রাখে, যা পুষ্টি শোষণ এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়

২০২৩ সালের একটি গবেষণাপত্র অনুসারে, রসুন অ্যালিসিনে ভরপুর যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কারণ অ্যালিসিনে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা মৌসুমী সংক্রমণকে দূরে রাখতে সাহায্য করতে পারে। তাই প্রতি রাতে একটি রসুনের কোয়া খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী থাকে, বিশেষ করে ঠান্ডা মৌসুমে। এর অর্থ এই নয় যে আপনি অসুস্থ হবেন না, তবে এটি ধীরে ধীরে ঠান্ডা এবং ফ্লুর তীব্রতা কমাতে পারে।

৩. প্রদাহ কমায়

২০১৫ সালের গবেষণা অনুসারে, রসুন প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ সমৃদ্ধ। এক মাস রাত্রে নিয়মিত রসুন খেলে তা অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা সূক্ষ্মভাবে প্রতিফলিত হতে পারে। যেমন আরও বেশি শক্তি, ব্যথা কম হওয়া অথবা কেবল কম অলসতা বোধ করা।

৪. হৃদযন্ত্র ভালো রাখে

নিয়মিত রসুন খেলে তা কোলেস্টেরলের ভারসাম্য এবং রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণা গবেষণায় দেখা গেছে যে, রসুন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে, উভয়ই হৃদরোগের প্রধান ঝুঁকির কারণ। এটি রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে, রক্তনালীকে শিথিল করে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। রাতে রসুন খেলে আমাদের শরীর এই যৌগগুলো প্রক্রিয়া করার জন্য দীর্ঘ সময় পায়।

৫. রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে

২০২৩ সালের গবেষণা অনুসারে, রসুনের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের একটি হালকা প্রভাব রয়েছে। প্রতি রাতে এক কোয়া রসুন খেলে তা আপনার শরীরকে আরও কার্যকরভাবে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। যদিও এটি চিকিৎসা পরামর্শ বা ওষুধের বিকল্প নয়, তবে এটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে যুক্ত করলে সুস্থ থাকা আরেকটু সহজ হবে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

শীতে শুষ্ক ত্বকে কোন প্রসাধনী ব্যবহার করবেন

Published

on

ডিএসই

শীত এলেই ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। চামড়ায় টান ধরে। এই শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় সঠিক সমাধান দরকার হয়। প্রয়োজন পড়ে ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়ার। তাই সঠিক ময়শ্চারাইজার, ক্রিম, টোনার বেছে নেওয়া জরুরি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কিন্তু শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় কোন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করবেন, তাতে কী কী উপাদান থাকবে, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। ভুল প্রসাধনী ব্যবহারে ত্বক আরও খসখসে হয়ে উঠতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুষ্ক ত্বকের যত্নে কেন প্রসাধনী ব্যবহার করা জরুরি
শীতকালে ত্বক যতই শুষ্ক হয়ে যাক, নিয়মিত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিন ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করা আবশ্যক।
টোনার ত্বকের উপরে জমে থাকা মৃত কোষ সরিয়ে দেয় এবং ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখে। তাই স্কিন কেয়ার রুটিনে টোনার রাখা জরুরি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যদি ত্বক বেশি শুষ্ক হয়, সিরাম ব্যবহার করুন। এটি ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি দেয়। আর শীতের দিনে ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম রাখার জন্য ময়শ্চারাইজার ছাড়া উপায় নেই। রোদে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, যাতে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ত্বককে আরও শুষ্ক না করে দেয়।
শুষ্ক ত্বকের জন্য প্রসাধনীতে থাকা উচিত গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো হলো-

১. হায়ালুরোনিক অ্যাসিড
এই উপাদান ত্বককে গভীরভাবে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। তাই হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সিরামও শীতকালে ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম রাখতে সাহায্য করে।

২. শিয়া বাটার
ত্বকের শুষ্ক ভাব এড়াতে শিয়া বাটার ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ত্বককে দীর্ঘক্ষণ আর্দ্র রাখে এবং নরম ও কোমল রাখে। ময়েশ্চারাইজার বা বডি লোশন কেনার সময় যাচাই করুন যে পণ্যের মধ্যে শিয়া বাটার রয়েছে কি না, যাতে শীতের দিনে ত্বক সুস্থ ও সতেজ থাকে।

৩. গ্লিসারিন
গ্লিসারিন শুষ্ক ত্বকের যত্নে অত্যন্ত কার্যকর। এটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে আর্দ্রতা যোগ করে এবং ত্বককে কোমল রাখে। তাই ফেসওয়াশ বা ময়েশ্চারাইজার বাছাই করার সময় নিশ্চিত করুন এতে গ্লিসারিন রয়েছে। এছাড়া শুষ্ক ত্বকের যত্ন আরও বাড়াতে সিরামাইড, ভিটামিন ই, এবং অ্যালোভেরা জেল জাতীয় উপাদানও ব্যবহার করতে পারেন, যা ত্বককে পুষ্টি এবং সুরক্ষা প্রদান করবে।

প্রসাধনীতে এড়িয়ে চলতে হবে যে উপাদান
শুষ্ক বা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য কিছু উপাদান থেকে দূরে থাকা জরুরি। যেসব প্রসাধনীর মধ্যে অ্যালকোহল, স্যালিসিলিক অ্যাসিড, প্যারাবেন, বা সালফেট থাকে, সেগুলো ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের উপাদান ত্বককে আরও শুষ্ক ও সংবেদনশীল করে তোলে। যদি কোনো উপাদান থেকে অ্যালার্জি বা ফুসকুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, পণ্যটি ব্যবহার করার আগে বাহুতে বা কানের পিছনে ২৪ ঘন্টা প্যাচ টেস্ট করুন। চুলকানি, লালভাব বা জ্বালা দেখা দিলে সেই পণ্য ব্যবহার করবেন না। গুরুতর অ্যালার্জির ক্ষেত্রে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সূত্র: ভোগ ইন্ডিয়া, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত

Published

on

ডিএসই

বর্তমানে সারাবিশ্বে ডায়াবেটিস একটি অত্যন্ত প্রচলিত রোগ। এটি পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য না হলেও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কোন খাবার খাওয়া উচিত এবং কোন খাবার পরিহার করা প্রয়োজন,এ বিষয়ে সচেতন থাকা খুবই জরুরি। অনেকে জানেন না কোন খাবারগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আজ ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই দিনটি পালন করা হয়। এ উপলক্ষে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১. স্যাচুরেটেড ফ্যাট
উচ্চ চর্বিযুক্ত দুধজাত খাবার, মাখন, গরুর মাংস, সসেজ, বেকন, নারকেল ও পাম তেল -এসব স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নিউট্রিলার্নবিডির পুষ্টিবিদ তানজুম তাসনিম স্বপনীল জানান, ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি আগে থেকেই বেশি থাকে। তাই অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট এই ঝুঁকি আরও বাড়ায়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন জানান, প্রতিদিন মোট ক্যালোরির ১০%-এর কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, কারণ এটি কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, উভয়ই বাড়াতে পারে।

২. ট্রান্স ফ্যাট
কুকিজ, কেক, পেস্ট্রি, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রাইড চিকেন, মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন, ফ্রোজেন পিজ্জা- ইত্যাদি ট্রান্স ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার রক্তের চর্বির ভারসাম্য নষ্ট করে। পুষ্টিবিদ স্বপনীল বলেন, ‘ট্রান্স ফ্যাট খারাপ কোলেস্টেরল (এলএলডি)বাড়ায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (এইচএলডি) কমায়। এটি ইনফ্লামেশন বাড়ায়, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের কারণ। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ট্রান্স ফ্যাট হৃদরোগের ঝুঁকি দ্বিগুণ বাড়াতে পারে।’ তাই ট্রান্স ফ্যাট সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলাই ভালো।

৩. উচ্চ সোডিয়াম (লবন) যুক্ত খাবার
লবণ সরাসরি রক্তে গ্লুকোজ (শর্করা) বাড়ায় না, কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য লবণের অত্যধিকতা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা কিডনি সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। যদিও লবণ কম খাওয়ার বিষয়েও কিছু বিতর্ক রয়েছে। কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে খুব কম লবণ খাওয়া হলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়তে পারে। তাই একবারে লবন বন্ধ না করে উচ্চ লবণযুক্ত খাবার কম খাওয়া ভালো।’

৪. উচ্চ কোলেস্টেরল জাতীয় খাবার
পুষ্টিবিদ স্বপনীল জানান, অরগান মিট, শেলফিশ, রেড মিট, সসেজ-এসব খাবারে উচ্চ কোলেস্টেরলের পাশাপাশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি এবং ফাইবার কম থাকে। এ ধরনের খাবার ওজন বাড়ায়, রক্তচাপ বাড়ায় এবং বিপাকীয় সমস্যা তৈরি করে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ওজন নিয়ন্ত্রণ ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই উচ্চ কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা জরুরি।

৫. সরল শর্করা
মিষ্টি, কেক, প্যাকেটজাত জুস, কোমল পানীয়, ফাস্টফুড, চিনি-সমৃদ্ধ খাবার ও উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত খাবার যেমন সাদা ভাত-এসব রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।পুষ্টিবিদ স্বপনীল বলেন, ‘সরল শর্করা দ্রুত শর্করার মাত্রা বাড়ায়, ফলে ইনসুলিনের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সকে আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই এসব খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত।’

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। সুষম ও পরিমিত খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রোগের জটিলতা প্রতিরোধ করে। তাই সুস্থ থাকতে ডায়াবেটিস রোগীদের এসব ঝুঁকিপূর্ণ খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

ডিএসইতে নতুন জেনারেল ম্যানেজার হাসান তারেক চৌধুরী

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে জেনারেল ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড এডমিন হিসাবে যোগদান করেছেন হাসান তারেক চৌধুরী। (ডিএসইতে যোগদানের পূর্বে...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

জিপিএইচ ইস্পাতের ক্যাটাগরি অবনতি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের ক্যাটাগরির অবনতি হয়েছে। গত ৩০ জুন,২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশের উপর ভিত্তি করে...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে ইবনে সিনা ফার্মা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ৩০ জুন,২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।  AdLink...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

ফিনিক্স ফাইন্যান্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার21 hours ago

ব্লক মার্কেটে ১৯ কোটি টাকার লেনদেন

বছরের প্রথম কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ১৫টি কোম্পানির ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার21 hours ago

আরামিটের সর্বোচ্চ দরপতন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে আরামিট লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার21 hours ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে এপেক্স স্পিনিং ও নিটিং মিলস লিমিটেড। ডিএসই...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
ডিএসই
রাজনীতি28 minutes ago

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা

ডিএসই
জাতীয়33 minutes ago

পোস্টাল ভোট দিতে ১২ লাখ ১৮ হাজার নিবন্ধন

ডিএসই
রাজনীতি41 minutes ago

শেয়ারবাজার থেকে তারেক রহমানের বছরে আয় পৌনে ৭ লাখ টাকা

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

পে-স্কেলে গ্রেড নিয়ে কমিশনে ৩ প্রস্তাবনা

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মালদ্বীপের বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

খালেদা জিয়ার জন্য বিএনপির দোয়া মাহফিল আজ

ডিএসই
অর্থনীতি2 hours ago

ফয়জুল করিমের ব্যাংকে আছে ১ হাজার টাকা, স্ত্রীর কাছে ১৮৭ ভরি স্বর্ণালংকার

ডিএসই
অর্থনীতি2 hours ago

কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে চিনির দাম

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

জিএম কাদের নগদ টাকা বেড়েছে, রয়েছে বাড়ি ও ৮৫ লাখ টাকার গাড়ি

ডিএসই
রাজনীতি13 hours ago

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

ডিএসই
রাজনীতি28 minutes ago

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা

ডিএসই
জাতীয়33 minutes ago

পোস্টাল ভোট দিতে ১২ লাখ ১৮ হাজার নিবন্ধন

ডিএসই
রাজনীতি41 minutes ago

শেয়ারবাজার থেকে তারেক রহমানের বছরে আয় পৌনে ৭ লাখ টাকা

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

পে-স্কেলে গ্রেড নিয়ে কমিশনে ৩ প্রস্তাবনা

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মালদ্বীপের বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

খালেদা জিয়ার জন্য বিএনপির দোয়া মাহফিল আজ

ডিএসই
অর্থনীতি2 hours ago

ফয়জুল করিমের ব্যাংকে আছে ১ হাজার টাকা, স্ত্রীর কাছে ১৮৭ ভরি স্বর্ণালংকার

ডিএসই
অর্থনীতি2 hours ago

কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে চিনির দাম

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

জিএম কাদের নগদ টাকা বেড়েছে, রয়েছে বাড়ি ও ৮৫ লাখ টাকার গাড়ি

ডিএসই
রাজনীতি13 hours ago

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

ডিএসই
রাজনীতি28 minutes ago

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা

ডিএসই
জাতীয়33 minutes ago

পোস্টাল ভোট দিতে ১২ লাখ ১৮ হাজার নিবন্ধন

ডিএসই
রাজনীতি41 minutes ago

শেয়ারবাজার থেকে তারেক রহমানের বছরে আয় পৌনে ৭ লাখ টাকা

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

পে-স্কেলে গ্রেড নিয়ে কমিশনে ৩ প্রস্তাবনা

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মালদ্বীপের বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

খালেদা জিয়ার জন্য বিএনপির দোয়া মাহফিল আজ

ডিএসই
অর্থনীতি2 hours ago

ফয়জুল করিমের ব্যাংকে আছে ১ হাজার টাকা, স্ত্রীর কাছে ১৮৭ ভরি স্বর্ণালংকার

ডিএসই
অর্থনীতি2 hours ago

কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে চিনির দাম

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

জিএম কাদের নগদ টাকা বেড়েছে, রয়েছে বাড়ি ও ৮৫ লাখ টাকার গাড়ি

ডিএসই
রাজনীতি13 hours ago

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন