জাতীয়
কৃষক কার্ডে সার-বীজ দেবে সরকার, প্রণোদনা ২,৫০০ টাকা: কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের সার-বীজ সরাসরি দেওয়া হবে। কৃষকরা জনপ্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকার সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের জন্য প্রণোদনা পাবেন বলে তিনি জানান ।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী। এদিন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
এ সময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কৃষিকাজে সহায়তার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে কেবলমাত্র ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র শ্রেণির কৃষকদের কার্ডের মাধ্যমে এসব বিতরণ করা হবে।’
মন্ত্রী জানান, কৃষির উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বীজ, সার, কীটনাশক এবং অন্যান্য উপকরণ সহায়তা দেওয়া হয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে ৪০১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে।
এতে ২৫ লাখ ২২ হাজার কৃষক উপকৃত হয়েছেন। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে কৃষকপ্রতি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। এ কার্যক্রমে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এতে উপকৃত হচ্ছেন প্রায় ১২ লাখ কৃষক।
মন্ত্রী জানান, সরকার কৃষি উৎপাদনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সার, সেচকাজে বিদ্যুৎ, ইক্ষু ইত্যাদি খাতে মার্চ/২০২৬ পর্যন্ত ১৬ হাজার ২৪০ লাখ কোটি টাকা এবং ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ৯ দশমিক ৫০ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি, ১০ দশমিক ৫০ লাখ মেট্রিক টন এমওপি এবং ১৬ দশমিক ৮৫ লাখ মেট্রিক টন ডিএপি সার ভর্তুকি মূল্যে কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে।
কৃষকের উৎপাদিত শাক-সবজি ও ফল সংরক্ষণের জন্য ১৮০টি মিনি কোল্ড স্টোরেজ, আলু সংরক্ষণের জন্য ৭০৩টি মডেল ঘর, পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য ৮০০টি মডেল ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
জাতীয়
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে প্রথম বড় ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হতে পারে বাংলাদেশ, টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে সংঘাত এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের প্রভাবে ছড়িয়ে পড়া বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ প্রথম বড় ক্ষতিগ্রস্ত দেশে পরিণত হতে পারে। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ। সংবাদ মাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তেল ও গ্যাসের মারাত্মক ঘাটতির মুখে পড়তে পারে।
ঢাকায় টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে জ্বালানি রেশনিং চললেও সরকার এখনো কার্যকর পরিকল্পনা দাঁড় করাতে হিমশিম খাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
তবে সংকট শুধু বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নয়। হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে ভারতের শিল্প উৎপাদন কমে গেছে। একই সময়ে ফিলিপাইন, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে জ্বালানি রেশনিং শুরু হয়েছে, আর দক্ষিণ কোরিয়া জনসাধারণের জ্বালানি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপের কথা বিবেচনা করছে। কিছু দেশ বাধ্য হয়ে চীনের সঙ্গে জ্বালানি আমদানির জন্য আলোচনা শুরু করেছে, যেখানে বেইজিং এই সংকটকে কৌশলগতভাবে কাজে লাগাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে যুক্তরাজ্যেও দুই সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে।
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ১৭ কোটি মানুষের এ বাংলাদেশই প্রথম বড় ধাক্কা খেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেল ও তেলজাত পণ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং এলএনজির প্রায় ৯০ শতাংশই এশিয়ায় যায়, যার ওপর বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
বাংলাদেশ তার তেল ও গ্যাসের চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশ আমদানি করে, যার দুই-তৃতীয়াংশ আসে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকসহ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। টেলিগ্রাফ বলছে, চলতি মাসে বাংলাদেশ প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টন অপরিশোধিত তেল ও ডিজেল আমদানি করেছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার টন। অর্থাৎ আমদানি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
মার্চের শেষ দিকে রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রায় ৮০ হাজার টন অপরিশোধিত তেল মজুদ ছিল, যা দিয়ে মাত্র ১৭ দিন চলা সম্ভব। ডিজেল ও পেট্রলের মজুদও একইভাবে সীমিত। ফলে নতুন জ্বালানি সংগ্রহে সরকার বিশ্বজুড়ে দৌড়ঝাঁপ করছে।
সরকার এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৬ লাখ টন রাশিয়ান ফুয়েল অয়েল আমদানির অনুমতি চেয়েছে এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬০ হাজার টন পেয়েছে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এসব জ্বালানির দাম আগের তুলনায় অনেক বেশি। একই সময়ে ভারতের কাছ থেকে ৬০ হাজার টন ডিজেল পাওয়ার চুক্তি থাকলেও, নিজস্ব সংকটের কারণে দিল্লি সরবরাহে গড়িমসি করছে।
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঢাকায় ইতোমধ্যে পরিস্থিতির প্রভাব স্পষ্ট। পেট্রল পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে এবং সরকারি কর্মকর্তাদের দিনের বেলায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা দেয়া হয়েছে। রাজধানীতে গণপরিবহন কমে গেছে, ডেলিভারি কর্মীরা বসে থাকছে এবং শহরের স্বাভাবিক জীবন প্রায় থমকে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানির মজুদ মাত্র ১০ থেকে ২১ দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, নতুন চালান আসার সম্ভাবনা থাকায় পুরোপুরি জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি এখনই নিশ্চিত নয়। যদিও শিল্প খাতের সূত্রগুলো বলছে, কিছু অনানুষ্ঠানিক সিন্ডিকেট সরবরাহ আটকে রেখে সংকটকে আরো বাড়িয়ে তুলছে।
সরকার অবশ্য সংকটের কথা অস্বীকার করেছে। জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সংসদে বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই, বরং গত বছরের তুলনায় সরবরাহ বেড়েছে। তার মতে, অতিরিক্ত চাহিদাই সমস্যার মূল কারণ মোটরসাইকেল চালকেরা আগের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি জ্বালানি কিনছেন।
এদিকে ভারতেও গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন কমে চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে। যদিও দেশটি জানিয়েছে, তাদের কাছে ৬০ দিনের জ্বালানি মজুদ রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের চিন্তা চলছে।
ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনও সংকটে পড়েছে। ভিয়েতনামের কৌশলগত মজুদ তিন সপ্তাহ চলার মতো, আর ফিলিপাইনের কাছে মাত্র ৪০ দিনের জ্বালানি রয়েছে। দেশটি ইতোমধ্যে জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং চীনের সঙ্গে সরবরাহ নিয়ে আলোচনা করছে।
অন্যদিকে জাপান ৮০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ ছেড়েছে, যা প্রায় ৪৫ দিন চলবে। মিয়ানমারে সেনাবাহিনী রেশনিং চালু করেছে এবং কম্বোডিয়ায় এক-তৃতীয়াংশ পেট্রল পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে।
জাতীয়
সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ এবং অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে।
পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ে কমপক্ষে আটটি পদক্ষেপ আলোচনায় রয়েছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়তি একদিন যোগ করা অথবা কর্মকর্তাদের সপ্তাহে দুদিন ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ দেওয়া।
এছাড়া অফিসের কাজ দ্রুত শুরু করা অথবা কাজের মোট সময় কমিয়ে আনার প্রস্তাবও রয়েছে। বিদ্যুৎ খরচ কমাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সপ্তাহের অর্ধেক ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রিসভায় ঠিক করা হবে কোন পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষে শিগগিরই সারা দেশের স্কুলগুলোতে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনেও ক্লাসের ব্যাপারে সরকার চিন্তাভাবনা করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রী নানা নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে এখন থেকে দেশের স্কুলগুলো পাঁচ দিনের পরিবর্তে সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস খোলা রেখে অন্তত তিন দিন অনলাইনে ক্লাস চালু রাখার চিন্তা রয়েছে।
বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে অনলাইন ভিত্তিক ক্লাস চালুর ব্যাপারে ৫৫ শতাংশ মানুষ একমত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
জাতীয়
আরও ১৪ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এবং ‘জেলা পরিষদ আইন, ২০০০’ অনুযায়ী তাদের এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন প্রশাসক পাওয়া জেলাগুলো হচ্ছে : ঢাকা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, পাবনা, নড়াইল, বরগুনা, জামালপুর, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, হবিগঞ্জ, চাঁদপুর ও ফেনী।
নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি অনুযায়ী ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রাপ্য হবেন।
জাতীয়
চিকিৎসাধীন মুগ্ধের বাবার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
চব্বিশের জুলাই গণআন্দোলনে শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন জুলাই শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমানকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাঃ আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু। এ সময় তাঁর শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন তিনি।
একই সাথে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাও তুলে দেন মীর মুগ্ধের পরিবারের হাতে। দায়িত্ব নেন চিকিৎসারও।
এসময় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাঃ আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন– ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, প্রফেসর ডাঃ মো. খালেকুজ্জামান, প্রফেসর ডাঃ মোঃ মহসীন হোসেন, প্রফেসর ডাঃ তৌফিকুজ্জামান, প্রফেসর ডাঃ আশরাফ, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এটিএম নূরন্নবী, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোস্তফা কামাল, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ শ্যামল, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সারোয়ার হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মাহবুব হাসান রিপন, সহকারী পরিচালক ডাঃ মেজবাহ, ডাঃ মোঃ সামিউর রহমান, ডাঃ হাসিবুল ইসলাম, ড্যাবের আইন বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ এম আর হাসান, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল নেতা আজহারুল ইসলাম হামীম, মোঃ আমান উল্লাহ ও অপু দেবনাথ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত সোমবার শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমানের হার্টে রিং পরানো হয়। রিং পরানোর পর এখন শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিজি হলেন নুরজাহান খানম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হয়েছেন অর্থ বিভাগে সংযুক্ত যুগ্নসচিব নুরজাহান খানম।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার চাকরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



