খেলাধুলা
খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের খেলোয়াড়ি জীবনে রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজার মতো প্রভাবশালী ক্রিকেটাররা খেলোয়াড়ি জীবনেই বেছে নিয়েছেন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম।
খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান কার্যক্রমে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খেলোয়াড় বন্ধুরা, আপনাদের সবার প্রতি আমার একান্ত আহ্বান, একান্ত অনুরোধ, পেশাদার খেলোয়াড়ি জীবনে আপনারা কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নন বা হবেন না দয়া করে। বরং ক্রীড়ানৈপুণ্য দিয়ে দেশের প্রতিনিধি হয়ে উঠবেন আপনারা।
দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবেন, গৌরব বয়ে নিয়ে আসবেন আপনারা। দেশে-বিদেশে বিজয়মালা বরণ করে বিশ্বে ক্রীড়াজগতে বাংলাদেশকে উচ্চতর মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করবেন ইনশাল্লাহ।’
সক্রিয় খেলোয়াড় থাকা অবস্থায় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া কতটা যৌক্তিক, এই আলোচনা বেশ পুরনো। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে জড়ানো আবার নতুন করে আলোচনায়।
কারণ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের দুই বড় তারকা সাকিব ও মাশরাফি দুজনই খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারের সময় বা কাছাকাছি সময়ে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।
মাশরাফি বিন মুর্তজা ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তখনও তিনি জাতীয় দলের হয়ে খেলছিলেন। একইভাবে সাকিব আল হাসানও পরবর্তীতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হন, যদিও সে সময় তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার পুরোপুরি শেষ হয়নি।
একজন পেশাদার খেলোয়াড়ের প্রধান দায়িত্ব মাঠের পারফরম্যান্সে মনোযোগ দেওয়া। রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা অনেক ক্ষেত্রে মনোযোগে বিঘ্ন ঘটাতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে প্রশ্ন তুলতে পারে নিরপেক্ষতা নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে মূলত খেলোয়াড়দের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাজনীতিতে জড়ানোর কারণেই দেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব দীর্ঘদিন মাঠের বাহিরে। বারবার তার দলে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হলেও রাজনৈতিক মামলার কারণে তার ফেরার পথ সংকুচিত হয়ে আছে। তিনি দেশের বাহিরে বিভিন্ন ঘরোয়া লিগ খেলে সময় পার করছেন।
খেলাধুলা
বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার চুক্তি বাতিল করল জিওস্টার
ভারতের বিলিয়নিয়ার মুকেশ আম্বানির বিনোদনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জিওস্টার বাংলাদেশে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) সম্প্রচারের চুক্তি বাতিল করেছে। এই সম্পর্কিত এক নথির বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির স্থানীয় অংশীদার নির্ধারিত সময়মতো অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত জানুয়ারিতে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই’র নির্দেশনা অনুযায়ী আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেয়। যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আইপিএল সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে। সেই সময় বাংলাদেশে এক হিন্দু ব্যক্তির হত্যাকাণ্ড ঘিরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল।
যদিও বাংলাদেশ সরকার এখন এই নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনা করছে এবং শনিবার (২৮ মার্চ) জানিয়েছে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মতামতের ওপর নির্ভর করবে, তবে জিওস্টারের এই চুক্তি বাতিলের ফলে অবস্থান পরিবর্তন হলেও চলতি মৌসুমে আইপিএলের কোনো স্থানীয় সম্প্রচারকারী থাকবে না।
১৭ ফেব্রুয়ারির এক চিঠিতে জিওস্টার জানায়, ‘চুক্তিটি তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হলো।’ এই চিঠি পাঠানো হয় বাংলাদেশের সম্প্রচারকারী টিস্পোর্টসকে, যারা ২০২৩ থেকে ২০২৭ মৌসুম পর্যন্ত আইপিএলের সম্প্রচার অধিকার সাবলাইসেন্স নিয়েছিল।
চুক্তি বাতিলের কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে—অংশীদারের ‘চুক্তিতে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধে ধারাবাহিক ব্যর্থতা।’
রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও দ্য ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানির যৌথ উদ্যোগ জিওস্টার এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের জবাব দেয়নি। একইভাবে টি-স্পোর্টস ও বাংলাদেশের ক্রীড়া ও তথ্য মন্ত্রণালয়ও কোনো মন্তব্য করেনি।
১৮.৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের আইপিএল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট লিগ, যা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যেও অত্যন্ত জনপ্রিয়। গত ২৮ মার্চ আইপিএলের নতুন মৌসুম শুরু হয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টে ঢাকায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে নয়াদিল্লীতে চলে যান, যা দুই দেশের পূর্বের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে প্রভাব ফেলে।
তবে সম্পর্ক উন্নতির ইঙ্গিতও দেখা যাচ্ছে। নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেব্রুয়ারিতে বলেছেন, পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পর্ক বজায় রাখবে।
এছাড়া, জিওস্টারের ১৭ ফেব্রুয়ারির আরেকটি চিঠিতে দেখা গেছে, একই ধরনের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে তারা বাংলাদেশে ওমেন’স প্রিমিয়ার লিগের সম্প্রচার চুক্তিও বাতিল করেছে।
খেলাধুলা
আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই: তথ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার নিয়ে নতুন করে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে সরকার। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, আইপিএল সম্প্রচারে আর বাধা নেই।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের কাছে আইপিএল দেখানোর ব্যাপারে কোনো আবেদন নিয়ে কেউ আসেনি। খেলাধুলা নিয়ে আমরা রাজনীতি করতে চাই না। কোনো চ্যানেল যদি আইপিএল দেখানোর জন্য আমাদের কাছে আবেদন করে আমরা ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করবো।’
স্টার স্পোর্টসের মাধ্যমে বাংলাদেশে আইপিএল দেখা গেলে সরকার বাধা দেবে না বলেও জানান তিনি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা কাউকে বাধা দেবো না। যদি দেখা যায়, যাবে। জোর করে কিছু করা হবে না।’
ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম লাভলু জানিয়েছেন, ‘স্টার স্পোর্টসে যদি আইপিএল দেখা যায় তো যাবে। আমাদেরকে কেউ এটা বন্ধ রাখতে বলেনি।’ পাশাপাশি তিনি বলেছেন, আগের অন্তর্বর্তী সরকারের নিষেধাজ্ঞার এখন কোনো কার্যকারিতা নেই।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও বলেছেন, খেলার মধ্যে রাজনীতি ঢোকানো ঠিক নয় এবং তিনি ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চান।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার সম্ভব নয় ভেবে তারা পিএসএলের স্বত্ব কিনেছেন, তাই এখন নতুন করে কিছু ভাবার সুযোগ নেই।
প্রসঙ্গত, মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেওয়ার পর আগের সরকার আইপিএল সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।’
মোস্তাফিজের বাদ দেওয়ার কারণ ছিল মূলত কলকাতা নাইট রাইডার্স ও বিসিসিআইকে দেওয়া উগ্রবাদীদের চাপ ও হুমকি। সে কারণে নিরাপত্তার অজুহাতে বাঁহাতি এই পেসারকে সরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেয় বিসিসিআই। এরপর নিরাপত্তার কারণে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতেও যায়নি বাংলাদেশ।
খেলাধুলা
মুস্তাফিজের কাছ থেকে শিখতে চান রউফ
দাপুটে জয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) একাদশ আসর শুরু করেছে লাহোর কালান্দার্স। দলের ৬৯ রানের বড় জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানও। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ১৯ রান খরচায় ১ উইকেট শিকার করেছেন ফিজ।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে মুস্তাফিজকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন হারিস রউফ। সেই সঙ্গে দলের বোলিং ইউনিট নিয়েও কথা বলেছেন।
মুস্তাফিজের কাছ থেকে শিখতে চান জানিয়ে হারিস রউফ বলেন, ‘মুস্তাফিজ বিশ্বের নানা প্রান্তে টি-টোয়েন্টি লিগ খেলে থাকে। বাংলাদেশের হয়ে অনেক ভালো পারফরম্যান্সও করেছে। আমাদের বোলিং লাইনআপকে শক্তিশালী বানিয়েছে মুস্তাফিজ। আমার চেষ্টা থাকবে তার কাছ থেকে কিছু শিখে নেওয়ার। উনি অনেক অভিজ্ঞ বোলার। চেষ্টা করব বোলিংয়ের নানা কৌশল উনার কাছ থেকে শিখে নেওয়ার এবং মাঠে সেসব কাজে লাগানোর।’
দলের বোলিং ইউনিট নিয়ে রউফ বলেন, ‘আমাদের বোলিং লাইনআপটা এমন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও আমি এরকম বোলিং লাইনআপ খুব একটা দেখিনি। টি-টোয়েন্টির সেরা বোলাররা আমাদের দলে আছে। পেস স্পিন দুই জায়গাতেই। বেঞ্চেও আমাদের ভালো বোলার রয়েছে। কন্ডিশন বুঝে কম্বিনেশন সাজানো হবে। আজকে উসামা মীর বেঞ্চে ছিল, চার পেসার খেলানো হয়েছে। উসামা টি-টোয়েন্টিতে ভালো বোলার। লাহোর সেরা বোলিংটাই খেলানোর চেষ্টা করবে।’
প্রসঙ্গত, পিএসএলের একাদশ আসরের উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নেমেছিল মুস্তাফিজ-ইমনের দল লাহোর কালান্দার্স। যদিও পারভেজ হোসেন ইমন তার অভিষেক রাঙাতে পারেননি। ১৩ বলে আউট হন ১৪ রান করে। বিপরীতে মুস্তাফিজুর রহমান বল হাতে চেনা ছন্দে ছিলেন। লাহোরের পরের ম্যাচ আগামী ২৯ মার্চ, প্রতিপক্ষ করাচি কিংস।
খেলাধুলা
ভিয়েতনামকে হারিয়ে এশিয়ান আর্চারিতে বাংলাদেশের স্বর্ণ জয়
একদিন আগেই ভিয়েতনামের কাছে বড় ব্যবধানে হার মানে বাংলাদেশ ফুটবল দল। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এশিয়ান আর্চারি টুর্নামেন্টে সেই ভিয়েতনামকেই কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত বিভাগের ফাইনালে হারিয়ে স্বর্ণপদক জয়ের নজির গড়েছে বাংলাদেশ। গত বছর এই টুর্নামেন্টে রিকার্ভ পুরুষ একক ইভেন্টে স্বর্ণ জিতেছিলেন বাংলাদেশের আর্চার আব্দুর রহমান আলিফ।
বাংলাদেশ এবার অনেক প্রত্যাশা নিয়ে গেলেও একক, মিশ্র কোনো ইভেন্টেই সেমিফাইনালে খেলতে পারেনি। একমাত্র কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টে গত বুধবার ফাইনালে উঠেছিল তারা। আজ অনুষ্ঠিত ফাইনালে বাংলাদেশের তিন কম্পাউন্ড আর্চার হিমু বাছাড়, রাকিব নেওয়াজ ও ঐশ্বর্য ভালো পারফর্ম করেছেন।
বাংলাদেশি আর্চারদের স্কোর ২৩১ পয়েন্ট, বিপরীতে ভিয়েতনামের আরচ্যাররা করেন ২২৫। ৬ পয়েন্ট বেশি থাকায় বাংলাদেশ ফাইনালে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
খেলাধুলা
স্বাধীনতা দিবসে মাঠে নামছেন আশরাফুল-নাফিসরা
প্রতি বছরের ন্যায় এবারো স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ টি-টোয়েন্টি প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ‘ইন্ডিপেনডেন্স ডে এক্সিবিশন ক্রিকেট ম্যাচ ২০২৬’ এ মুখোমুখি হবে লাল দল ও সবুজ দল।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। সাবেক ক্রিকেটারদের এই ম্যাচকে ঘিরে ইতোমধ্যে দুই দলের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বিসিবি।
এবারের খেলায় অংশ নিচ্ছেন না বেশ কয়েকজন সাবেক তারকা ক্রিকেটার। এরমধ্যে হাবিবুল বাশার সুমন, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আকরাম খান অন্যতম।
বিসিবি সবুজ দল
শাহরিয়ার নাফিস, জাভেদ ওমর বেলিম, হান্নান সরকার, নাদিফ চৌধুরী, ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স, তুষার ইমরান, শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ, মোহাম্মদ সেলিম, তালহা জুবায়ের, আনোয়ার হোসেন মনির, আব্দুর রাজ্জাক, হাসিবুল হোসেন শান্ত, জামাল উদ্দিন বাবু ও হাসানুজ্জামান ঝরু।
বিসিবি লাল দল
জাহাঙ্গীর আলম, মেহরাব হোসেন অপি, মোহাম্মদ আশরাফুল, নাসির উদ্দিন ফারুক, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ এহসানুল হক, খালেদ মাহমুদ পাইলট, আনোয়ার হোসেন (উইকেটকিপার), তারেক আজিজ খান, মাহবুবুল আলম রবিন, ডলার মাহমুদ, ইলিয়াস সানি, মুশফিকুর রহমান বাবু ও সাজ্জাদ আহমেদ শিপন।



