আন্তর্জাতিক
ইরানের তেল-খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে চাই : ট্রাম্প
ইরানের তেলসম্পদ এবং ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপাারে কথা বলেছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরান থেকে তেল নেওয়া, কিন্তু (যদি আমি তা শুরু করি তাহলে) যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্বোধ লোক বলবে, ‘আপনি এটা কেন করছেন?’ তবে তারা নির্বোধ।”
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “আমরা খার্গ দ্বীপের দখল নিতে পারি, না ও নিতে পারি…এমনও হতে পারে যে খার্গ দ্বীপের দখল নিয়ে আমরা সেখানে কিছু সময়ের জন্য অবস্থানও নিতে পারি— আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে।”
খার্গ দ্বীপে ইরানের প্রহরা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় না খার্গ দ্বীপে ইরানের আর কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর আছে। আমরা খুব সহজেই সেটির দখল নিতে পারি।”
উল্লেখ্য, ইরান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ। বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানর খনিগুলোতে মজুত তেলের পরিমাণ কমপক্ষে ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১১.৮২%। ভেনেজুয়েলা ও সৌদি আরবের পর এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ। ইরানের অর্থনীতি অনেকাংশে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল এবং এর সিংহভাগ (প্রায় ৯০%) তেল চীনে রপ্তানি করা হয়।
অন্যদিকে, পারস্য উপসাগরের ইরানের উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে অবস্থিত ৫ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণ’ হিসেবে পরিচিত। দেশটির ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং তরল গ্যাসের চালান এই দ্বীপ থেকেই বহির্বিশ্বে যায়। কৌশলগতভাবেও এ দ্বীপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র : বিবিসি
আন্তর্জাতিক
হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগর নিয়ন্ত্রণে নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পর এবার ওমান উপসাগর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইরান। চাঞ্চল্যকর এমন দাবি করেছেন দেশটির নৌবাহিনীর একজন কমান্ডার। রোববার (২৯ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমান উপসাগর ইরানের সামরিক বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ওই অঞ্চলে মোতায়েনরত মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
তাসনিম নিউজকে ইরানি ওই কমান্ডার বলেছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী মার্কিন সেনাদের তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় আসার অপেক্ষায় রয়েছে। সীমার মধ্যে এলেই উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৎপরতা ও সামরিক মহড়ার মুখে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
ইরানের ওই কমান্ডার আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল এবং ওমান উপসাগর বর্তমানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির পূর্ব অংশে ইরানের এই একচ্ছত্র আধিপত্য ঘোষণার ফলে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ওপর বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হলো। ইরানের এই কঠোর অবস্থান এবং মার্কিন রণতরীর পিছু হটার খবর পুরো মধ্যপ্রাচ্যের রণকৌশলে নতুন মোড় নিতে পারে। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে তাদের জলসীমায় যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশের দাঁতভাঙা জবাব দিতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
আন্তর্জাতিক
জ্বালানি তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ তীব্র হওয়ায় সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে বড় পতন দেখা গেছে। বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া তেলের দাম প্রায় ৩.৫ শতাংশ বেড়ে ১০৩ ডলারে পৌঁছেছে। এর ফলে ব্রেন্ট তেল ইতিহাসে সর্বোচ্চ মাসিক লাভের পথে রয়েছে।
এদিকে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ৪.৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৪ শতাংশ কমেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান হুমকি দিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা জাহাজে হামলা চালানো হতে পারে। এই হুমকির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
সাধারণত বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন হয়। কিন্তু পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে।
ম্যাকুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞ শন ফোলি বলেছেন, সংঘাত কমানো না গেলে তেলের দাম আরো বাড়তে পারে। তার মতে, ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলার আশঙ্কাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
তারা বাব আল-মানদেব প্রণালি দিয়ে যাওয়া জ্বালানি বহনকারী জাহাজে হামলা করতে পারে। ফোলি সতর্ক করে বলেন, যদি এই জলপথও বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে বিশ্বের আরো প্রায় ১০ শতাংশ তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। এতে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার ওপর বড় চাপ পড়বে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর আগের দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রেন্ট তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭২ ডলার। পরে ১৮ মার্চ তেলের দাম ১১৯.৫০ ডলারে পৌঁছে যায়, যা ২০২২ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরান বিশ্ববিদ্যালয় ও মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বাড়িতে প্রতিশোধমূলক হামলার হুমকি দেওয়ার পর এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবার ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি ইরানের তেল দখল করতে পারেন এবং সম্ভবত দেশটির প্রধান জ্বালানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপও দখল করে নিতে পারেন।
দ্বীপটিতে ইরানের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না তাদের কোনো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আছে। আমরা খুব সহজেই এটি দখল করতে পারি।’ ট্রাম্প এই সম্ভাব্য পদক্ষেপকে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যেখানে জানুয়ারিতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর যুক্তরাষ্ট্র তেল শিল্পকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা করছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে আরো তিন হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা এসে পৌঁছেছে। এরপর ইরানের সংসদ স্পিকার সতর্ক করে বলেন, তার দেশের বাহিনী ‘আমেরিকান সেনাদের জন্য অপেক্ষা করছে’।
সূত্র : বিবিসি
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক বিরল বিমান ধ্বংস করল ইরান
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিরল ও অত্যাধুনিক ক্ষমতাসম্পন্ন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
রোববার (২৯ মার্চ) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাতে টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ বিমান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। হামলার ফলে বিমানটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে শুক্রবার ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে ১২ মার্কিন সেনাসদস্য আহত হন এবং কয়েকটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অনলাইনে প্রকাশিত নতুন ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হামলায় একটি রোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমানও গুরুতর ক্ষতির শিকার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও আরব কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে, এই আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলোর মধ্যে একটি ই-৩ সেন্ট্রি ছিল।
ই-৩ সেন্ট্রি একটি এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (এডব্লিউএসিএস) বিমান, যা উন্নত রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে শত শত কিলোমিটার দূর থেকে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে সক্ষম। এটি আকাশ থেকে যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক পরিস্থিতির চিত্র কমান্ডারদের কাছে সরবরাহ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে মাত্র ১৬টি কার্যকর ই-৩ সেন্ট্রি বিমান ছিল, যা কয়েক দশক আগে প্রায় ৩০টির বহর থেকে কমে এসেছে।
এছাড়া, এই বহরের বিকল্প সহজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও জানানো হয়েছে। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বোয়িং ই-৭ ওয়েডগেটেইলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার প্রতিটির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার।
আন্তর্জাতিক
ইরান ইস্যুতে ইসলামাবাদে বৈঠকে ৪ প্রভাবশালী মুসলিম দেশ
ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছে চার প্রভাবশালী মুসলিম দেশ।
রোববার (২৯ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করে। এই বৈঠকে তুরস্ক, সৌদি আরব এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল চলমান উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
চলমান সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। দেশটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় তুরস্ক ও মিশরও সহায়তা করছে।
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। এমনকি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেও সরাসরি যোগাযোগ হয়েছে বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরান জানিয়েছে, তারা নিজেদের শর্ত ও সময় অনুযায়ীই যুদ্ধের অবসান চায়। যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আগ্রাসন বন্ধ, ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফোনে কথা বলেন। গত পাঁচ দিনের মধ্যে এটি তাদের দ্বিতীয় আলোচনা, যেখানে উত্তেজনা প্রশমিত করা ও সংলাপ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
ফোনালাপে পাকিস্তান ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এবং চলমান ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ উপসাগরীয় ও মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে সংলাপ ও উত্তেজনা হ্রাসের প্রচেষ্টা চালানোর কথাও জানানো হয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্টও আলোচনার জন্য পারস্পরিক আস্থা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
আন্তর্জাতিক
ঈদযাত্রা সার্বিকভাবে স্বস্তিময় ছিল : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঈদযাত্রা সার্বিকভাবে স্বস্তিময় ছিল। কিছু জায়গায় যানজট ও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটেছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সরকারের কার্যক্রম জোরদার করতে উচ্চপর্যায়ের এক সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, হাইওয়ে পুলিশ সামনে আরও তৎপর থাকবে। ভাড়া বেশি নেওয়ার বিষয়ে যেখানে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাস থেকে শতভাগ যাত্রী নামিয়ে সেই গাড়ি ফেরিতে তুলতে হবে।
এ সময় ট্রাক-লরি ঈদের আগে ও পরের তিনদিন মহাসড়কে চলাচল না করার কথা থাকলেও চলেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। কিছু জায়গায় যানজটের কারণ হিসেবে এটি দায়ী বলেও মনে করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামীতে যত্রতত্র হাইওয়ের পাশে টিকিট কাউন্টার থাকবে না।
মন্ত্রী বলেন, বাসে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) স্থাপন করা হবে।



