জাতীয়
বাংলাদেশের জনগণ আর পুরনো ব্যবস্থায় ফিরতে চান না : আলী রীয়াজ
বাংলাদেশের নাগরিকরা অত্যন্ত সুস্পষ্ট এবং দ্বিধাহীনভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব সমূহের অনুকূলে জনগণ রায় দিয়েছেন। এই রায় থেকে এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের নাগরিকদের বৃহদাংশ আর পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে চায় না বা স্থিতাবস্থা বহাল রাখতে চান না। তারা চান পরিবর্তন, রাষ্ট্রব্যবস্থায় সংস্কার চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
গণভোটের আগে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়ার ভাষণের উদ্ধৃতি তুলে ধরে আলী রীয়াজ বলেন, একটি জাতীয় রূপান্তর কখনোই একক সিদ্ধান্ত বা একক শাসনের মাধ্যমে টেকসই হবে না। জনগণ রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি। পরিবর্তনের চূড়ান্ত বৈধতা আসে জনগণের সম্মতি থেকেই। তাই দেশের ভবিষ্যৎ দিক-নির্দেশনা নির্ধারণে জনগণকে সরাসরি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় হলো গণতান্ত্রিক পথের মূল ভিত্তি। এই লক্ষ্যেই আমরা গণভোটের আয়োজন করেছি যাতে দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কারের দিশা নির্ধারণে জনগণ সরাসরি নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারে। জনগণ আমার আহবানে সাড়া দিয়েছেন। সংস্কারের পক্ষে জনরায় এসেছে।
আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে দেওয়া জনগণের রায়কে কেবল সংখ্যার বিবেচনায় দেখলেই হবে না। জনগণের এই রায় হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন, যারা অকুতোভয়ে লড়াই করেছেন, তারা আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন তার স্বীকৃতি। তাদের দেওয়া দায়িত্ব পালনের জন্য জনগণের অঙ্গীকার।
প্রায় ১৬ বছর ধরে যে বীরের রক্তস্রোত, মাতার অশ্রুধারা, নির্যাতিতের হাহাকার; তার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের জনমত আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ এই গণভোট। সার্বভৌম জনগণের যে অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছিল ২০২৪ সালে; গণভোটের মধ্যে দিয়ে এই রায় পুনর্বার প্রকাশিত হলো। আমাদের এই বিষয়গুলো বিস্মৃতত হবার সুযোগ নেই।
আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটের মধ্যে দিয়ে সংস্কারের ব্যাপারে যে সুস্পষ্ট গণরায় প্রকাশিত হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলসমূহের। আর রাষ্ট্র সংস্কারের ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দল অঙ্গীকারবদ্ধ। ক্ষমতাসীন দল এবং জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রতিনিধিত্বকারী দলসমূহ এবং সংসদের বাইরেও যেসব রাজনৈতিক দল আছে তাদের সকলের প্রতি আহ্বান হচ্ছে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে এই গণরায় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
এমএন
জাতীয়
১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ সম্পন্ন হবে
আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে বলে নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যেই এই শপথ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা গঠনের সময় ও প্রক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নিয়মানুযায়ী যদি আমাদের বলা হয়; আগামীকাল বা পরশু (শপথ হবে), সেটার প্রস্তুতিও আছে। আবার যদি বলা হয়, তিন দিন পরে হবে তার প্রস্তুতিও আছে।
নতুন মন্ত্রীদের কে শপথ পড়াবেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা হ্যান্ডেল করেন সংসদ সচিবালয়। ওখানে কথা বলতে হবে। আমি যেটা জানতে পেরেছি সেটা ইনফরমাল। সেটা বলতে চাচ্ছি না।
শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, অপশন আছে- স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ পড়াতে পারেন। তারা না পারলে সরকার থেকে কাউকে মনোনয়ন করা হতে পারে। অথবা প্রধান বিচারপতি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন।
তিনি জানান, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার দেশি-বিদেশি অতিথি থাকবেন।
এমএন
জাতীয়
নতুন মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি : মন্ত্রিপরিষদ সচিব
আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। সংবিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠানে আনুমানিক এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের পর তাদের শপথের আয়োজন করবে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সংসদ সদস্যদের শপথের পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথের পর সংসদীয় দলনেতা নির্বাচন করা হবে। রাষ্ট্রপতি তাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন।
দলনেতা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নাম দেবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তাদের আহ্বান জানিয়ে চিঠি দেবে। রোজার আগেই মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। বলতে পারেন, এটা নিশ্চিত।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ হয়। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে ইসি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনের ফলাফলের গেজেট এখন জারি করা হয়নি।
জাতীয়
নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা যে দুই বিষয়ে শপথ নেবেন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ী হয়ে সরকার গঠনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। এরই মধ্যে সরকার গঠনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দুই বিষয়ে শপথ নেবেন। এর মধ্যে একটি জাতীয় সংসদ ও অন্যটি হলো সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আলী রীয়াজ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সংস্কারের পক্ষে গণরায় এসেছে। এটা জুলাইয়ের স্বীকৃতি। ১৬ বছরের অনাচারের বিরুদ্ধে জনআকাঙ্ক্ষা প্রকাশ। রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিকতা ও কমিটমেন্ট থাকলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সম্ভব।
আলী রীয়াজ আরো বলেন, আলাপ-আলোচনা ও ঐক্য বজায় রেখে সবার উচিত সনদ বাস্তবায়ন। অনেকে শুধু গণভোটে ভোট দিয়েছেন বলে সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এক ভাগ ভোট বেশি পড়েছে গণভোটে।
দেশের মানুষ পুরনো ব্যবস্থায় আর যেতে চায় না জানিয়ে তিনি বলেন, অধিকাংশ মানুষ আর পুরনো ব্যবস্থায় ফেরত যেতে চায় না। এ কারণেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। সংস্কার এগিয়ে নিতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকে। অঙ্গীকার অনুযায়ী দলগুলো কাজ করবে।
এমএন
জাতীয়
জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের উদ্দেশে বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তীতে নির্বাচনের ফলাফলকে শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে গ্রহণ করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত আপনার রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং কর্মীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার দল যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করেছে, তার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল—উভয়েরই দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। নীতিগত বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে—এমনটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে আপনি অতীতে যে ভূমিকা রেখেছেন ভবিষ্যতের দিনগুলোতে তা অব্যাহত রাখবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি।
তিনি বলেন, আমি মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আপনার ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষক মিশন
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস বলেছেন, ২০২৬ সালের সংসদীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য এবং দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে; যা গণতান্ত্রিক শাসন এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধির সংখ্যা আশাব্যঞ্জক নয়—এতে তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস এসব কথা বলেন।
ইভার্স ইজাবস বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে। নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো এই নির্বাচন সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক ছিল।
এটি একটি নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মৌলিক স্বাধীনতাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু স্থানীয় রাজনৈতিক সহিংসতা ঘটেছে, যা অনেক সময় অনলাইনে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার কারণে তৈরি হয় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
ইজাবস বলেন, সদ্য নিযুক্ত নির্বাচন কমিশন জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের জন্য একটি সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন মোট ২০০ জন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, যার মধ্যে ৯০ জন সংক্ষিপ্তকালীন পর্যবেক্ষক।
এটি ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।



