রাজনীতি
শরীয়তপুরে ৩ আসনেই ধানের শীষের দাপুটে জয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত মধ্যরাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, শরীয়তপুরের তিনটি আসনেই অন্য সব দলের প্রার্থীদের বিপুল ব্যবধানে পরাজিত করে ধানের শীষের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসন থেকে ১০টি রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রতীক নিয়ে ১৭ জন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন ৪ জন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলসমূহ হলো— বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জনতার দল ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।
নির্বাচনের ফলাফলে তিনটি আসনেই বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা জয়লাভ করে। এদের মধ্যে শরীয়তপুর-১ সংসদীয় আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম। তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী জালালুদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী ১৪ হাজার ৬৮১ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়।
শরীয়তপুর-২ সংসদীয় আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সফিকুর রহমান কিরণ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৮১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহমুদ হোসেন পেয়েছেন ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী ৫৮ হাজার ৯২২ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।
শরীয়তপুর-৩ সংসদীয় আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৮৪ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী ৩৭ হাজার ৮৩২ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
এমএন
রাজনীতি
সংসদে যাচ্ছেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী, তাঁরা কারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী সাতজন প্রার্থীর সবাই বিএনপির সাবেক নেতা ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তাঁরা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং নিজ নিজ এলাকায় বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয়। শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেখানে ভোট বাতিল করা হয়। এই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।
বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিএনপি ও জোটভুক্ত দলগুলো পেয়েছে ২১২ আসন। আর জামায়াতে ইসলামী ও মিত্রদলগুলো পেয়েছে ৭৭টি আসন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন সাতটি আসন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে জিতলেন যাঁরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা (হাঁস প্রতীক) বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের জুনায়েদ আল হাবিব। তাঁর চেয়ে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পেয়েছেন রুমিন ফারহানা। তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে এবার তিনি স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদ। তিনি বিএনপির সাবেক নেতা, সাবেক প্রতিমন্ত্রী। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৯০১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ওবায়দুল হক নাসির। তিনি পেয়েছেন ৮২ হাজার ৭৬৯ ভোট। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় লুৎফর রহমানকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।
কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৬০৪ ভোট। তিনি ২০১৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা। তিনি পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৫০ ভোট। মজিবুর রহমান বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র আব্দুল হান্নান বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হান্নান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ১৭৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ। তিনি পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৫৫।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম ওরফে শাওন কলস প্রতীকে পেয়েছেন ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট। তিনি উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি। তাঁর নিকটতম প্রার্থী বিএনপির প্রার্থী রেদোয়ান আহমদ। তিনি পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৫০৯ ভোট। তিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী।
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া) আসনে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, তিনি ১ লাখ ৭ হাজার ২৪১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩৬ ভোট। এখানে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন সালমান ওমর। প্রার্থী হওয়ায় দল তাঁকে বহিষ্কার করে।
দিনাজপুর-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এ জেড এম রেজওয়ানুল হক বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৪৮৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আব্দুল আহাদ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৯৫ ভোট। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন এ কে এম কামরুজ্জামান। রেজয়ানুল হক বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে দল বহিষ্কার করে।
এমএন
রাজনীতি
বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়: তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানালেন মোদি
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডলারে এ তথ্য জানান।
নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে তাঁর উল্লেখযোগ্য বিজয়ের জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তাঁর প্রচেষ্টার জন্য আমি শুভকামনা ও সমর্থন জানিয়েছি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে, আমাদের দুই দেশের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারতের অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছি।
এর আগে তারেক রহমানকে টুইট বার্তায় অভিনন্দনও জানান নরেন্দ্র মোদি।
এমএন
রাজনীতি
ঢাকা-৯ আসনে একা লড়ে ৪৪ হাজারের বেশি ভোট পেলেন তাসনিম জারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে বিজয়ী হতে না পারলেও রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থন বা প্রচলিত নির্বাচনী প্রচারের বিরুদ্ধে গিয়ে ভিন্নভাবে প্রচার করে তিনি পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।
শুক্রবার(১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, তিনি মোট কাস্টিং ভোটের প্রায় ২১ শতাংশ অর্জন করেছেন। কোনো দলের ছায়া ছাড়া নির্বাচনে নতুন প্রার্থী হিসেবে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছিল তাঁর সামনে। নির্বাচনে তিনি জয় পাননি। তবে একা লড়াই করে, যা এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন।
ঢাকা–৯ আসনে প্রাপ্ত ভোটের দিক দিয়ে তাসনিম জারার অবস্থান তৃতীয়। এই আসন থেকে ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির হাবিবুর রশিদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট।
তাসনিম জারা ভিন্ন ধরনের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে প্রশংসিতও হয়েছিলেন। তাঁর প্রচারে লাউড স্পিকার, মাইকের ব্যবহার ছিল না। তিনি গত ২৫ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর পক্ষে ভোট চাইতে ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন বলে জানিয়েছিলেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাঁর নির্বাচনী পোর্টালে ১৯ হাজার ৭৩১ জন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নিবন্ধন করেছিলেন।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আজ শুক্রবার তাসনিম জারার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিন ৯ ফেব্রুয়ারি তাসনিম জারা যখন খিলগাঁওয়ের গৌড়নগর পূর্বপাড়া (পানির ট্যাংক সংলগ্ন) ও নাগদারপাড় এলাকায় ভোট চাইছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর প্রতিবেদক। ওই সময় তিনি নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছিলেন। ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, অর্থ ও পেশিশক্তি ছাড়া রাজনীতি করা যায় না, এমন ধারণা রয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থী হলে পোস্টার দিয়ে ছেয়ে ফেলতে হবে, শোডাউন করতে হবে, মাইকিং করতে হবে—এগুলো আসলে জনগণের সেবা দেওয়ার জন্য করা হয় না। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ভোট নেওয়ার চিন্তা করা হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা ভেবেছি, এসব ছাড়া কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়। আমরা মানুষের ওপর বিশ্বাস রেখেছি। একজনের অপরজনের প্রতি যে আস্থা, সেটার ওপর ভরসা রেখেছি। মানুষ খুঁজে খুঁজে পরিচিত মানুষকে বের করে আমার জন্য ভোট চাইছেন। এর পাশাপাশি পায়ে হেঁটে ভোটারদের কাছে পৌঁছাচ্ছি। অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি মানুষের কাছ থেকে।’
তাসনিম জারা পেশায় চিকিৎসক। তাঁর ফেসবুক অনুসারী ৭২ লাখ। এ দুটো বিষয় প্রার্থী হিসেবে তাঁকে সুবিধা দিচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা সুবিধা দিচ্ছে। অনেক বছর ধরে অনেকে কাজ দেখেছেন, আমাকে চিনেছেন। আমার প্রতি তাঁদের ভরসা তৈরি হয়েছে।’
তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসনের ভোটার ছিলেন না। তাঁর ভোট ছিল ঢাকা-১১ আসনে। ঢাকা-৯ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৫৬। ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৮৮ জন। অর্থাৎ প্রায় ২১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন তাসনিম জারা।
এবার ওই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন মোট ১২ জন। এর মধ্যে তাসনিম জারাসহ দুজন নারী প্রার্থী ছিলেন। অপর নারী গণফোরামের নাজমা আক্তার পেয়েছেন ১৭১ ভোট। অপর আট প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহ ইফতেখার আহসান পেয়েছেন ৫ হাজার ৮২৭ ভোট, জাতীয় পার্টির কাজী আবুল খায়ের ১ হাজার ২০২, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. মনিরুজ্জামান ৪৬২, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) শাহীন খান ২০৪, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) মোহাম্মদ শফি উল্লাহ চৌধুরী ১২৪, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের নাহিদ হাসান চৌধুরী জুনায়েদ ১৩১, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মাসুদ হোসেন ১১৮ এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্ক্সবাদী) খন্দকার মিজানুর রহমান ৯৩ ভোট পেয়েছেন।
এমএন
রাজনীতি
ঢাকার ২০ আসনে কারা হলেন বিজয়ী, ব্যবধান কত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার ২০টি আসনের মধ্যে সবগুলোর ফলাফল সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে ১৩টিতে বিএনপি এবং ৭টিতে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। এর মধ্যে একটি আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা দেড়টা পর্যন্ত ২৯১টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা চলছে।
এবার দেখে নেওয়া যাক ঢাকার কোন আসনে কে বিজয়ী হলেন—
ঢাকা–১
ঢাকা-১ আসনে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।
ঢাকা–২
ঢাকা-২ আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জিতেছেন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫।
ঢাকা-৩
ঢাকা-৩ আসনে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।
ঢাকা–৪
ঢাকা-৪ আসনে প্রাথমিক ফলাফলে প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।
ঢাকা–৫
ঢাকা-৫ আসনে প্রাথমিক ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মো. নবী উল্লাহকে হারিয়েছেন।
মোহাম্মদ কামাল হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট। আর মো. নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।
ঢাকা–৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন।
ইশরাক হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ইশরাক হোসেন ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়েছেন।
ঢাকা–৭
ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
ঢাকা–৮
ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৫ হাজার ২৩৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
ঢাকা–৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি মোট ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন।
হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। আর এ আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।
ঢাকা–১০
ঢাকা-১০ আসনের ভোটে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের তুলনায় ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন।
নির্বাচনে শেখ রবিউল আলম মোট ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়েছেন। আর জসীম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট। এই আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৩ শতাংশ।
ঢাকা–১১
ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। এই আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন।
নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। অর্থাৎ নাহিদ কাইয়ুমের চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ঢাকা–১২
বিএনপির জোটে প্রার্থী ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হারিয়ে ঢাকা-১২ আসনে জিতেছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ আসনে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি মোট ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়েছেন।
সাইফুল আলমের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হক। তিনি বিএনপি জোটের প্রার্থী। তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।
ঢাকা–১৩
ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।
ববি হাজ্জাজ মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭। অন্যদিকে মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি।
ঢাকা–১৪
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তিনি জামায়াতের প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেম মোট ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।
ঢাকা-১৫
ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ঢাকা–১৬
ঢাকা-১৬ আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল হকের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন৷
নির্বাচনে আব্দুল বাতেন মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। আর আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
ঢাকা–১৭
ঢাকা-১৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।
ঢাকা–১৮
ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপির প্রার্থীকে ৩৩ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট (পোস্টাল ব্যালটসহ) ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়েছেন। আর এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।
ঢাকা–১৯
ঢাকা–১৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।
ঢাকা–২০
ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আসনটির ১৪৭টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।
এমএন
রাজনীতি
প্রথমবারের মতো সংসদে এনসিপি: নাহিদ-হাসনাতসহ সংসদে যাচ্ছেন যারা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত হয় নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সাফল্য পেয়েছে। দলটির আহবায়ক নাহিদ ইসলামসহ মোট ৬ জন নেতা বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদে দলটির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন।
বিজয়ীদের তালিকা ও নির্বাচনী এলাকা:
ঢাকা-১১: এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম (শাপলা কলি প্রতীক) ৯৩,৮৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১,৮৩৩ ভোট।
কুমিল্লা-৪: দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ১,০৪,৯৪৭ ভোট পেয়ে বিশাল জয় পেয়েছেন।
রংপুর-৪: এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসাইন ১,৪৭,৯৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
নোয়াখালী-৬: এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
কুড়িগ্রাম-২: দলটির যুগ্ম আহবায়ক আতিকুর রহমান মুজাহিদ ১,৭৯,৭৮৬ ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪: এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন এই আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে এবং ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ ছিল। এই নির্বাচনে তরুণ নেতৃত্বের এই জয় দেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এমএন



