লাইফস্টাইল
নিজের ফোনেই দেখতে পারবেন ভোটের ফলাফল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর ফলাফল দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে একটি আধুনিক মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষের থেকেই অ্যাপটি ব্যবহারে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জেনে নিতে পারবেন।
যেভাবে এই অ্যাপ ব্যবহার করে জানা যাবে ফলাফল
অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফরমে পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করা যাবে। ইনস্টলের পর অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।
সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করার প্রয়োজন হয় না।
তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে অ্যাপটি। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।
নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ নামে একটি অপশনটি থাকবে। সেখানে নির্বাচনের ধরণ (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন) নির্বাচন করে নিতে হবে।
এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।
কাস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড করা হবে। ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।
গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোনো প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়।
লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি সহজেই দেখা যাবে।
এমএন
লাইফস্টাইল
এটিএম বুথে কার্ড আটকে গেলে যা করবেন
বর্তমান সময়ে নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন আর্থিক লেনদেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড। তা ছাড়া ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা তুলতে চান না বেশির ভাগ গ্রাহক।
তাই আধুনিক ব্যাংকিংয়ের যুগে এটিএম বা অটোমেটেড টেলার মেশিন এখন অনেকের নিত্যসঙ্গী।
তবে হঠাৎ যদি এটিএম বুথে কার্ড আটকে যায়, তখন অনেকেই আতঙ্কে পড়েন। বিভিন্ন কারণে এটিএম মেশিনে কার্ড আটকে যেতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম হলো বারবার ভুল পিনকোড প্রবেশ করানো, এটিএম কার্ড বেরিয়ে আসার পরও সংগ্রহ না করা, বিদ্যুৎ চলে যাওয়া, মেশিনের যান্ত্রিক সমস্যা এবং ইন্টারনেট কানেকশন চলে যাওয়া।
কেন এমন হয় আর এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে কী করবেন, এসব বিষয়ে জানালেন ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞরা।
কার্ড আটকে যাওয়ার সাধারণ কিছু কারণ
ভুল পিন নম্বর প্রদান
• পরপর তিনবার ভুল পিন নম্বর দিলে নিরাপত্তার স্বার্থে মেশিন কার্ড আটকে দিতে পারে।
কার্ডের মেয়াদ শেষ
• মেয়াদোত্তীর্ণ কার্ড অনেক সময় মেশিন গ্রহণ করলেও লেনদেনের সময় আটকে ফেলতে পারে।
প্রযুক্তিগত ত্রুটি
• বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, নেটওয়ার্ক সমস্যা কিংবা সফটওয়্যার গ্লিচের কারণে কার্ড আটকে যেতে পারে।
কার্ডে চুম্বকীয় স্ট্রিপ বা চিপ নষ্ট
• কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ বা ইএমভি চিপ ক্ষতিগ্রস্ত হলে, মেশিন তা পড়ে নিতে ব্যর্থ হয় এবং কার্ড আটকে যেতে পারে।
সন্দেহজনক লেনদেন
• কার্ড যদি সন্দেহজনক বা ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেনে ব্যবহৃত হয় বলে মনে করে ব্যাংক। তবে সতর্কতামূলকভাবে এটিএম মেশিন কার্ড আটকে দিতে পারে।
করণীয় : বুথ ত্যাগ করবেন না
• কার্ড আটকে গেলে প্রথমেই আতঙ্কিত না হয়ে বুথে অপেক্ষা করুন। অনেক সময় মেশিন কিছুক্ষণ পর নিজেই কার্ড ফিরিয়ে দেয়।
ব্যাংকের হেল্পলাইন নম্বরে কল করুন
• প্রতিটি বুথেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের জরুরি যোগাযোগ নম্বর দেওয়া থাকে। এমন সমস্যার মুখোমুখি হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই নম্বরে ফোন করে পরিস্থিতি জানান।
যোগাযোগ করুন নিকটস্থ শাখায়
কার্ড না ফেরত পেলে আপনার ব্যাংকের নিকটস্থ শাখায় গিয়ে রিপোর্ট করুন। পরিচয়পত্র ও অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস সঙ্গে রাখুন।
কার্ড ব্লক করুন
• যদি সন্দেহ থাকে কার্ড অপব্যবহারের ঝুঁকি আছে, তবে সঙ্গে সঙ্গে হেল্পলাইনে ফোন করে কার্ডটি ব্লক করে দিন।
লিখিত অভিযোগ জমা দিন
• নিরাপত্তার স্বার্থে কার্ড আটকে যাওয়ার পর ব্যাংকে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিতে হয়। সেই অভিযোগ অনুযায়ী তারা কার্ড ফেরত দেয় বা নতুন কার্ড ইস্যু করে।
এসব সমস্যার বিষয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা পরামর্শ দিয়েছেন, কার্ড ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেমন: পিন নম্বর গোপন রাখা, মেয়াদোত্তীর্ণ কার্ড ব্যবহার না করা, সন্দেহজনক বুথে লেনদেন না করা এবং নিয়মিত কার্ড চেক করা।
এটিএম বুথে কার্ড আটকে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। ব্যাংকের সহায়তা নেওয়াই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ।
এমকে
লাইফস্টাইল
বাংলাদেশে কেন অনেক মানুষের জন্ম ১ জানুয়ারি
বাংলাদেশে বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় অধিকাংশ মানুষের জন্মদিন পহেলা জানুয়ারি। বাংলাদেশের জন্ম নিবন্ধন বা পাসপোর্টের জন্মতারিখ যাচাই করে এ তথ্য পাওয়া যায়। কী ভাবছেন আপনার জন্মদিনও পহেলা জানুয়ারি?
এ বিষয়ে কোনো গবেষণা না থাকলেও বিভিন্ন জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের জন্ম তারিখ দেখা গেছে ১ জানুয়ারি। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে এক শিশু বিশেষজ্ঞ ড. ইশতিয়াক মান্নান জানিয়েছেন, সব শিশু যে জানুয়ারির ০১ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছে ব্যাপারটি এমন নয়। বাংলাদেশে এখনো অনেক শিশু বাড়িতে, গ্রামীণ এলাকায় জন্মগ্রহণ করে। যেখানে শিক্ষার হার এখনো অনেকটা কম। যার ফলে শিশু বাবা-মা জন্মনিবন্ধনের ব্যাপারে অনেক তথ্য জানেন না।
তিনি আরও বলেন, তারিখ মনে না থাকার কারণে জন্মনিবন্ধনে তারিখও সঠিক হয় না। একই সঙ্গে বাড়িতে বা হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদেরও ঠিকভাবে নিবন্ধন হচ্ছে না। পরবর্তী সময়ে স্কুলে ভর্তির সময় তাদের জন্ম তারিখটা দরকার হয়ে পড়ে।
যার ফলস্বরূপ, তখন অনেকে ইচ্ছেমতো একটি তারিখ বসিয়ে দেন। নতুন করে জন্মদিন বসাতে গিয়ে তারা একটি সাধারণ তারিখ বসিয়ে দেন, যা সহজে মনে রাখা যায়। যেমন, পহেলা জানুয়ারি।
এমকে
লাইফস্টাইল
শীতকালে গলা ব্যথা এড়াতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি
চিকিৎসকদের মতে, দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হলো সকালের নাশতা। বিশেষ করে শীতকালে সকালে কী খাচ্ছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সুষম নাশতা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে ভুল ধরনের খাবার খেলে গোটা শীতকালজুড়ে গলার সমস্যা বা খুশখুশ ভাবের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
শীতকালে খালি পেটে কিছু খাবার খেলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে যায়।
এতে সহজেই ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথার সমস্যা দেখা দেয়। তাই এই সময়ে কিছু খাবার এড়ানো উচিত। চলুন, জেনে নিই।
ফ্রিজের খাবার ও ঠাণ্ডা দুধ: খালি পেটে খেলে শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায়, যা ঠাণ্ডা লাগা এবং গলা ব্যথার ঝুঁকি বাড়ায়।
টক খাবার: যেমন লেবুর রস বা ভিনেগারযুক্ত পানীয়, খালি পেটে গলার সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে এবং ঠাণ্ডা লাগার আশঙ্কা বাড়ায়।
চিনি বা মিষ্টি খাবার: সকালের শুরুতেই খেলে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয় এবং ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
সূত্র: এই সময়
লাইফস্টাইল
প্রতি রাতে এক কোয়া রসুন খেলে কী হয়?
অনেক সময় ছোট ছোট অভ্যাসও আমাতের স্বাস্থ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তাই না? রসুন হলো সেই প্রাচীন প্রতিকারের মধ্যে একটি, যা মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিশ্বাস করে আসছে। এটি হজমে সাহায্য করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এটি সমর্থন করে, অ্যালিসিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো যৌগ থাকায় রসুনের গ্রহণযোগ্যতাও বেশি। কিন্তু আপনি কি জানেন যে রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র এক কোয়া রসুন খেলে তা শরীরের জন্য কীভাবে কাজ করে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
১. হজম উন্নত হয়
২০১৯ সালের গবেষণা অনুসারে, রসুন হজম এনজাইমকে উদ্দীপিত করে এবং পেট ফাঁপা কমিয়ে মসৃণ হজমে সহায়তা করে। কয়েক সপ্তাহ ধরে যদি প্রতি রাতে এক কোয়া কাঁচা রসুন খান তবে আপনি ধীরে ধীরে অনেকটাই হালকা বোধ করবেন এবং সকালে গ্যাসের সমস্যা কমে আসবে। এর প্রাকৃতিক প্রিবায়োটিক প্রভাব স্বাস্থ্যকর অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে বজায় রাখে, যা পুষ্টি শোষণ এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
২০২৩ সালের একটি গবেষণাপত্র অনুসারে, রসুন অ্যালিসিনে ভরপুর যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কারণ অ্যালিসিনে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা মৌসুমী সংক্রমণকে দূরে রাখতে সাহায্য করতে পারে। তাই প্রতি রাতে একটি রসুনের কোয়া খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী থাকে, বিশেষ করে ঠান্ডা মৌসুমে। এর অর্থ এই নয় যে আপনি অসুস্থ হবেন না, তবে এটি ধীরে ধীরে ঠান্ডা এবং ফ্লুর তীব্রতা কমাতে পারে।
৩. প্রদাহ কমায়
২০১৫ সালের গবেষণা অনুসারে, রসুন প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ সমৃদ্ধ। এক মাস রাত্রে নিয়মিত রসুন খেলে তা অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা সূক্ষ্মভাবে প্রতিফলিত হতে পারে। যেমন আরও বেশি শক্তি, ব্যথা কম হওয়া অথবা কেবল কম অলসতা বোধ করা।
৪. হৃদযন্ত্র ভালো রাখে
নিয়মিত রসুন খেলে তা কোলেস্টেরলের ভারসাম্য এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণা গবেষণায় দেখা গেছে যে, রসুন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে, উভয়ই হৃদরোগের প্রধান ঝুঁকির কারণ। এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, রক্তনালীকে শিথিল করে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। রাতে রসুন খেলে আমাদের শরীর এই যৌগগুলো প্রক্রিয়া করার জন্য দীর্ঘ সময় পায়।
৫. রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে
২০২৩ সালের গবেষণা অনুসারে, রসুনের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের একটি হালকা প্রভাব রয়েছে। প্রতি রাতে এক কোয়া রসুন খেলে তা আপনার শরীরকে আরও কার্যকরভাবে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। যদিও এটি চিকিৎসা পরামর্শ বা ওষুধের বিকল্প নয়, তবে এটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে যুক্ত করলে সুস্থ থাকা আরেকটু সহজ হবে।
এমকে
লাইফস্টাইল
শীতে শুষ্ক ত্বকে কোন প্রসাধনী ব্যবহার করবেন
শীত এলেই ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। চামড়ায় টান ধরে। এই শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় সঠিক সমাধান দরকার হয়। প্রয়োজন পড়ে ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়ার। তাই সঠিক ময়শ্চারাইজার, ক্রিম, টোনার বেছে নেওয়া জরুরি।
কিন্তু শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় কোন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করবেন, তাতে কী কী উপাদান থাকবে, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। ভুল প্রসাধনী ব্যবহারে ত্বক আরও খসখসে হয়ে উঠতে পারে।
শুষ্ক ত্বকের যত্নে কেন প্রসাধনী ব্যবহার করা জরুরি
শীতকালে ত্বক যতই শুষ্ক হয়ে যাক, নিয়মিত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিন ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করা আবশ্যক।
টোনার ত্বকের উপরে জমে থাকা মৃত কোষ সরিয়ে দেয় এবং ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখে। তাই স্কিন কেয়ার রুটিনে টোনার রাখা জরুরি।
যদি ত্বক বেশি শুষ্ক হয়, সিরাম ব্যবহার করুন। এটি ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি দেয়। আর শীতের দিনে ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম রাখার জন্য ময়শ্চারাইজার ছাড়া উপায় নেই। রোদে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, যাতে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ত্বককে আরও শুষ্ক না করে দেয়।
শুষ্ক ত্বকের জন্য প্রসাধনীতে থাকা উচিত গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো হলো-
১. হায়ালুরোনিক অ্যাসিড
এই উপাদান ত্বককে গভীরভাবে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। তাই হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সিরামও শীতকালে ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম রাখতে সাহায্য করে।
২. শিয়া বাটার
ত্বকের শুষ্ক ভাব এড়াতে শিয়া বাটার ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ত্বককে দীর্ঘক্ষণ আর্দ্র রাখে এবং নরম ও কোমল রাখে। ময়েশ্চারাইজার বা বডি লোশন কেনার সময় যাচাই করুন যে পণ্যের মধ্যে শিয়া বাটার রয়েছে কি না, যাতে শীতের দিনে ত্বক সুস্থ ও সতেজ থাকে।
৩. গ্লিসারিন
গ্লিসারিন শুষ্ক ত্বকের যত্নে অত্যন্ত কার্যকর। এটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে আর্দ্রতা যোগ করে এবং ত্বককে কোমল রাখে। তাই ফেসওয়াশ বা ময়েশ্চারাইজার বাছাই করার সময় নিশ্চিত করুন এতে গ্লিসারিন রয়েছে। এছাড়া শুষ্ক ত্বকের যত্ন আরও বাড়াতে সিরামাইড, ভিটামিন ই, এবং অ্যালোভেরা জেল জাতীয় উপাদানও ব্যবহার করতে পারেন, যা ত্বককে পুষ্টি এবং সুরক্ষা প্রদান করবে।
প্রসাধনীতে এড়িয়ে চলতে হবে যে উপাদান
শুষ্ক বা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য কিছু উপাদান থেকে দূরে থাকা জরুরি। যেসব প্রসাধনীর মধ্যে অ্যালকোহল, স্যালিসিলিক অ্যাসিড, প্যারাবেন, বা সালফেট থাকে, সেগুলো ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের উপাদান ত্বককে আরও শুষ্ক ও সংবেদনশীল করে তোলে। যদি কোনো উপাদান থেকে অ্যালার্জি বা ফুসকুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, পণ্যটি ব্যবহার করার আগে বাহুতে বা কানের পিছনে ২৪ ঘন্টা প্যাচ টেস্ট করুন। চুলকানি, লালভাব বা জ্বালা দেখা দিলে সেই পণ্য ব্যবহার করবেন না। গুরুতর অ্যালার্জির ক্ষেত্রে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সূত্র: ভোগ ইন্ডিয়া, টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এমকে



