রাজনীতি
তাসনিম জারার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ
নিজের পোলিং এজেন্টদের বিভিন্ন অজুহাতে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। এছাড়া নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নিজের নির্বাচনি এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তাৎক্ষণিক বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না এবং অনেককে বের করে দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ওনারা এখানকার ভোটার না। কিন্তু এমন কোনো নিয়ম নেই যে, পোলিং এজেন্ট হতে হলে ওই আসনের ভোটার হতে হবে। আমরা চাই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হবে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ঢাকা-৯ আসনের এই প্রার্থী ঢাকা-১১ আসনে ভোট দেন। এদিন সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তিনি খিলগাঁওয়ের তালতলা প্রাইম স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন।
এমএন
রাজনীতি
ভূমিধস বিজয়ের প্রত্যাশা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস জোর খাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শাহজানপুরে মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন। তবে ভূমিধস বিজয়ের প্রত্যাশাও করেন তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এ মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, “ সকাল থেকে তিনি (মির্জা আব্বাস) নিজের এলাকার এই কেন্দ্রে জোর দেখাচ্ছেন। তিন ঘণ্টা আমার পোলিং এজেন্টকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাদের প্রবেশ করানো হয়েছে। এই তিন ঘণ্টা কেন ঢুকতে দেওয়া হয়নি, কি হয়েছে সেখানে তার জবাব দিতে হবে।”
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বরাবরই নিজের অবস্থান উল্লেখ করে পাটোয়ারী বলেন,“প্রশাসনের সামনে সন্ত্রাসীরা আমার উপর হামলা চালিয়েছে। আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। প্রশাসনের সামনে যদি আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটে আমি ছেড়ে দেবে না, পাল্টা আঘাত করব। আগের মত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স।”
তিনি বলেন, “ভোট কেন্দ্র ঘুরে যা দেখেছি অধিকাংশ কেন্দ্রে ভালো ভোট হচ্ছে। কিন্তু এই কেন্দ্রে গণতন্ত্র নাই। এতকিছুর পরও আমি আশাবাদী। ভূমিধস বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ।”
এর আগে তিনি ঢাকা ৮ আসনে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মির্জা আব্বাসের মহিলা কলেজ কেন্দ্রে আসেন।
এমএন
রাজনীতি
তিনটি আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত দাবি ১১ দলীয় জোটের
কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ ও পটুয়াখালী-১ আসনের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিতের দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় জোট।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানান।
হেলাল বলেন,“তিনটি আসনের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেননি। বিভিন্ন অনিয়ম ও জোরপূর্বক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ভোট স্থগিত করে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।”
তিনি আরো অভিযোগ করেন, “নরসিংদী-৪ আসনের বেলাবো উপজেলার একটি কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারছেন—এমন অভিযোগ তারা পেয়েছেন।”
এছাড়া ওই আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা জোরপূর্বক সিল মারার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
হেলাল বলেন, “বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এখনো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আমরা চাই পরিছন্ন ও গ্রহণযোগ্য ফলাফল আসুক।”
তিনি জানান, অনিয়মের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট শতাধিক ভিডিও ফুটেজ ও অনলাইন লিংক নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কুমিল্লার একটি আসনে তাদের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে বলেও জানান হেলাল। নোয়াখালী ও ঝালকাঠির কয়েকটি কেন্দ্রেও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।
এর আগে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে প্রায় ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে আসে। প্রতিনিধি দলে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমসহ জোটের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন
রাজনীতি
নির্বাচন নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হলে মেনে নেব: তারেক রহমান
নির্বাচন নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হলে মেনে নেওয়ার কথা বলেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিতর্কহীন হয়, তাহলে অবশ্যই কেন মেনে নেব না? আমরা সব দলই মেনে নেব। তবে অবশ্যই এখানে একটা শর্ত আছে- নির্বাচন নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, আমি সবাইকে আহ্বান করব, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি যেন ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে তাদের এই অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। আমরা সকলে মিলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারি।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমি ঢাকা শহরের কিছু জায়গায় কেন্দ্র ঘুরে এসেছি। গতরাতেও তারা চেষ্টা করেছে, আজও নিশ্চয়ই তাদের সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে; তবে জনগণ একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোট প্রদান করতে পারছেন। কারণ গত এক যুগের বেশি সময় ধরে মানুষ এই অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এখন মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা আছে।
জয়ের ব্যাপারে বিএনপি কতটা আশাবাদী জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, আমরা আত্মবিশ্বাসী, আলহামদুলিল্লাহ বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। কত আসনে জয়ের আশা করছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা এতটুকু প্রত্যাশা করছি, যত আসন পেলে আমরা সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারব।
নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হলে জাতীয় সরকার গঠনের সম্ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, কম-বেশি সবাইকে নিয়ে দেশ পরিচালনা করতে চাই।
সারা দেশের ভোটের খবর কেমন জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, আমি এতক্ষণ বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরেছি, এখনও সারা দেশের খবর পাইনি। এই মাত্র অফিসে আসলাম। ৫ ঘণ্টা অতিবাহিত হয়েছে, কিন্তু আমি বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরছিলাম। ফলে আমি বিস্তারিত খবর নিতে পারিনি। মোবাইলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ দেখছিলাম। সেখানে দেখলাম, এখন বিভিন্ন জায়গায় অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটছে। কোনো একটি রাজনৈতিক দল কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা বারবার ঘটিয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই না এমন ঘটনা ঘটুক।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি দেশের মালিক হচ্ছে জনগণ। তারা যদি বেরিয়ে আসে এবং অধিকার প্রয়োগ করে, তবে ভোটের সংখ্যা যত বাড়বে সকল দলের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা যাবে।
তারেক রহমান বলেন, যারা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাদের প্রতি মানুষের বিরূপ ধারণা বাড়বে। এই ঘটনাগুলো ভালো না। তারা বিভিন্নভাবে অনৈতিক কাজ করার চেষ্টা করছে।
ভোটের ফল গণনায় দেরি হওয়ার আশঙ্কা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফল গণনা নিয়ে দেরি হওয়ার কোনো কারণ দেখি না। কেন দেরি হবে? সমগ্র দেশের মানুষ যেখানে ভোট দিয়েছে, সেখানে তারা তো ফল দ্রুতই চাইবে। নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করবে যত দ্রুত সম্ভব মানুষের ভোটাধিকারের ফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে।
বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমরা ৯১, ৯৬ ও ২০০১ সালেও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখেছি। ফল ঘোষণার সাধারণ একটা সময় তো আছেই। আমরা প্রত্যাশা করব এবারও মানুষ যত দ্রুত সম্ভব ভোটের ফল জানতে পারবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখছি, মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ রকম বিষয় তো মেনে নেওয়া যাবে না, কেউ মেনে নেবে না।
ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমি ঢাকা শহরে যেমন পরিবেশ দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে মানুষ অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছে।
এমএন
রাজনীতি
সেনাবাহিনীর ভূমিকা এখন পর্যন্ত প্রশংসনীয়: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনের মাঠে এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সেনাবাহিনী যদি ভোটগ্রহণের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বর্তমানের মতো দৃঢ় ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে, তবে জাতি একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার পাবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে আয়োজিত এক জরুরি ব্রিফিংকালে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে তাদের ভোটাধিকারসহ মৌলিক অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত ছিল। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের হারানো অধিকার ফিরে পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নির্বাচনী পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে জামায়াত আমির জানান, ঢাকা-১৫ আসনে সার্বিকভাবে ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক থাকলেও মিরপুর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় বালিকা শাখা কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, সেখানে হঠাৎ করে কিছু প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের লোকজন সাধারণ ভোটারদের মনে ভয়ভীতি সঞ্চার করেছে এবং অনেককে শারীরিকভাবে নাজেহাল করা হয়েছে।
এ ছাড়া তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্র দখল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন স্থানে প্রার্থীর গায়ে হাত দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে, তবে সেনাবাহিনীর সময়োচিত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আসে।
ডা. শফিকুর রহমান সুনির্দিষ্টভাবে লাকসাম ও ভোলার লালমোহন এলাকার উদাহরণ টেনে বলেন যে, সেখানে বিএনপির দলীয় লোকজন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি কোনো ধরনের জাল-জালিয়াতি বা অনিয়মের মাধ্যমে সরকার গঠিত হয়, তবে সেই সরকারের সাথে জনগণের কোনো আত্মিক সম্পর্ক বা বৈধতা থাকবে না।
জনগণের প্রকৃত রায় যাতে প্রতিফলিত হয়, সে জন্য তিনি প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান। বিশেষ করে ঢাকার বাইরে যেখানে অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে দ্রুত সেনাবাহিনী পাঠানোর দাবি জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ের শেষ পর্যায়ে তিনি তার নিজ আসনসহ সারাদেশে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণ করে শেষ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি মনে করেন, সাধারণ ভোটাররা যদি নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারেন, তবে অপশক্তির পরাজয় নিশ্চিত।
সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের অগাধ আস্থা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন উপহার দেওয়া এখন সময়ের দাবি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দিন শেষে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য ফলাফলের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা নতুন মাত্রা পাবে।
এমএন
রাজনীতি
পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে: এনসিপি
ভোটকেন্দ্রে দলের পোলিং এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।
মনিরা শারমিন বলেন, ‘নানাভাবে ভোটকে বিতর্কিত করার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। বেলা ১২টার পর থেকে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন অনিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে। পোলিং এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে, বিএনপির নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখল করে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর এজেন্টদের বিএনপির নেতাকর্মীরা মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্রে যেতে বাধা দিয়েছে।’
এমএন



