জাতীয়
সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ৩২.৮৮ শতাংশ ভোট: স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এগোচ্ছে নির্বাচন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রথম সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী গড়ে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ভোটগ্রহণ দিনের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
সচিব বলেন, ‘সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের তথ্য আমাদের হাতে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সেখানে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ বন্ধ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।’
ইসি সচিব আরও জানান, সারা দেশের ৪২ হাজারের বেশি কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময় শেষে শুরু হবে ভোট গণনার কাজ।
এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো গোলযোগের খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্থান থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন থেকে নিয়মিত বিরতিতে ভোটের সর্বশেষ তথ্য গণমাধ্যমকে জানানোর কথা রয়েছে।
এমএন
জাতীয়
৩৬ হাজার ৩১ কেন্দ্রে দুপুর পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৭.৯১ শতাংশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দুপুর পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশন সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচনে মোট ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। এর মধ্যে এখন (দুপুর) পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রের ভোট প্রদানের তথ্য আমরা পেয়েছি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এসব কেন্দ্রে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে।
সচিব বলেন, “এখন পর্যন্ত ভোটের পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। আমি নিজে দুইটি কেন্দ্র ঘুরে এসেছি।”
কোনো কেন্দ্রে ভোট বন্ধ হবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে কয়েকটি অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করা ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।”
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন, পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী।
এমএন
জাতীয়
ভোটারদের মধ্যে যথেষ্ট উদ্দীপনা ও উৎসাহ দেখা যাচ্ছে: ইভার্স ইজাবস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস জানিয়েছেন যে, আজ দুপুর পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের মধ্যে যথেষ্ট উদ্দীপনা ও প্রাণের সঞ্চার লক্ষ্য করা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সকালের মতো বিকেলের শেষ সময় পর্যন্ত ভোটারদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং উৎসাহের ধারা অব্যাহত থাকবে। ইজাবস উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটাধিকার প্রয়োগে অত্যন্ত আগ্রহী এবং একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করছেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই শীর্ষ পর্যবেক্ষক জোর দিয়ে বলেন যে, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে এবং তারা কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ নন। বর্তমানে সারাদেশে তাদের পর্যবেক্ষকরা ছড়িয়ে রয়েছেন এবং তাদের কাছ থেকে নিয়মিত অনলাইন প্রতিবেদন ও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
ইভার্স ইজাবস আরও জানান যে, এই তথ্যগুলো নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে যাতে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়। তিনি মনে করেন, একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের এই ব্যাপক উপস্থিতির গুরুত্ব অপরিসীম।
নির্বাচন পরিচালনার গুণমান এবং সার্বিক প্রক্রিয়া নিয়ে ইইউ মিশন খুব শীঘ্রই তাদের মূল্যায়ন প্রকাশ করবে। ইভার্স ইজাবস জানিয়েছেন যে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে, যেখানে এই নির্বাচনটি ঠিক কীভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ের চিত্র কেমন ছিল তার বিস্তারিত বিবরণ থাকবে। তিনি বলেন যে, তাদের কাজ মূলত পর্যবেক্ষণ করা এবং তথ্য সংগ্রহ করা, যাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা যায়।
কার্জন হল কেন্দ্র পরিদর্শনকালে ইইউ মিশনের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা কেন্দ্রের বুথগুলোতে ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ভোটগ্রহণের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতিই এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার বড় মাপকাঠি হয়ে থাকবে বলে তারা মনে করছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের পরবর্তী গণতান্ত্রিক যাত্রার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহলের ধারণা।
এমএন
জাতীয়
উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ, অপেক্ষা ফলাফলের
সারা দেশে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কারের প্রশ্নে বহুল আলোচিত ঐতিহাসিক গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এখন দেশজুড়ে কেন্দ্রভিত্তিক ভোট গণনা চলছে।
ভোরের আলো ফোটার আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভোটকেন্দ্রগুলোর সামনে জমতে শুরু করে মানুষের ভিড়। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় পরিণত হয় দীর্ঘ সারিতে। নারী, পুরুষ, তরুণ, প্রবীণ— সব বয়সী ভোটারদের উপস্থিতিতে অধিকাংশ কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিলো।
সারা দেশে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেখা যায়। রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে সকাল থেকেই ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। কেউ পরিবারকে নিয়ে আসেন ভোটকেন্দ্রে, কেউ আবার আসেন প্রতিবেশীদের সঙ্গে।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সবশেষ হিসাবে দুপুর ২ টা পর্যন্ত সারাদেশে ভোট পড়েছিল ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান।
ইসি সচিব জানান, দেশের ২৯৯টি আসনে ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন এবং ভোটগ্রহণ সার্বিকভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু অনিয়ম বা গোলযোগের অভিযোগ পাওয়া গেলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছে কমিশন।
এবারের নির্বাচনে ভোটাররা সম্পূর্ণ নতুন এক অভিজ্ঞতার মধ্যদিয়ে গেছেন। তারা সংসদ সদস্য নির্বাচনের ব্যালটের পাশাপাশি সংবিধানের আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়েছেন। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ সারি লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে নারী ও প্রবীণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তরুণদের মধ্যে ভোট নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা থাকলেও সকালের দিকে মধ্যবয়সি মানুষের ভিড় বেশি ছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি এবং আনসারের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর কড়া নজরদারি লক্ষ করা গেছে। প্রার্থীদের বুথগুলোতে রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি থাকলেও বড় কোনো সংঘাত বা উত্তেজনার খবর পাওয়া যায়নি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত থাকায় আজ ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৭৫৫ জন দলীয় এবং ২৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এমএন
জাতীয়
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোট
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে ১১ দলীয় জোটের একটি প্রতিনিধি দল।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে প্রায় ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল প্রবেশ করে।
বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমসহ জোটের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সিইসি ছাড়াও আরও তিন নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বৈঠকের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে মাওলানা আবদুল হালিম সাংবাদিকদের জানান, আলোচনা শেষে ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানানো হবে।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচন ঘিরে এ বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমএন
জাতীয়
রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় তিনি রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, চামেলীবাগ গোল্ডেন ইরা কিডস স্কুল, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, মতিঝিল এজিবি কলোনী কমিউনিটি সেন্টার, টিএন্ডটি উচ্চ বিদ্যালয় ও তেজগাঁও কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত প্রিসাইডিং অফিসার ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ভোটের সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এখন পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে।
এবারের নির্বাচন ঐতিহাসিক ও জাতির কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন উপদেষ্টা।
এর আগে সকাল ১০টায় রাজধানীর ডিওএইচএস বারিধারাস্থ ‘বারিধারা স্কলার্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ’ ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি।
এমএন



