সারাদেশ
১৬ বছর পর স্বাধীনভাবে ভোট দিলাম: চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুলবুল
দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছরের রাজনৈতিক অচলায়তন ভেঙে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে স্বাধীনমতো আমরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলাম বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল। আজ বৃহস্পতিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার আঙ্গারিয়াপাড়া স্কুল কেন্দ্রে তিনি ভোট প্রদান করেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছর পর সুষ্ঠু পরিবেশে ও স্বাভাবিকভাবে স্বাধীনমতো আমরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলাম। আমি আমার ব্যক্তিগত ভোটটি দিয়ে এসেছি। দীর্ঘদিন পর উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এজন্য আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ভোটকেন্দ্রগুলোতে পুরুষ ও নারীদের লম্বা লাইন খেয়াল করলাম। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার আঙ্গারিয়াপাড়া স্কুল কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘সবাই যদি সজাগ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়েই বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হব ইনশাআল্লাহ।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কেমন হবে সেটি সকালবেলাতেই বলা কঠিন। আমি কেবল বের হলাম। বিভিন্ন কেন্দ্রগুলোতে যাব। সকল বিষয় দেখে এ নিয়ে মন্তব্য করা যাবে। এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে চাই না। এছাড়া লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে বলেছি। আজকে তাদের ভূমিকার ওপর নির্ভর করবে যে আসলে পরিস্থিতিটা কতটা মেইনটেইন করতে পারলেন।’
বুলবুলের কথায়, ‘তবে আমি আশাবাদী এটা হওয়া উচিত। কারণ এটা জাতির দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা। এই জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবারই সক্রিয়ভাবে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য একটা উৎসবমুখর নির্বাচনের পক্ষে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং সমআচরণ করা খুবই জরুরি বলে মনে করি। রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সবাই যদি সমান ভূমিকা পালন করেন এবং প্রার্থীদের পক্ষের ভোটার ও কর্মী সবাই যদি দায়িত্বশীল আচরণ করেন, তাহলে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের যে প্রয়োজন সেটি শেষ পর্যন্ত থাকা সম্ভব।”
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যদি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তাহলে অবশ্যই এই নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, আমি তা মেনে নেব। জনগণের ওপর সেই বিশ্বাস ও আস্থা আছে। তবে বলতে চাই, স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া, গণজাগরণ ও জনগণের ভালোবাসায় আস্থার জায়গা ‘দাঁড়িপাল্লা’র যে জোয়ার তৈরি হয়েছে, তাতে সারাদেশসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হব।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু বক্কর, জেলা মিডিয়া সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকি আসাদ, পৌর সেক্রেটারি ও সাবেক কাউন্সিলর তহুরুল ইসলাম সোহেল প্রমুখ।
এমএন
সারাদেশ
ছেলের বিজয় কামনায় ভোট দিলেন আখতারের মা
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন সকালে তার মাকে সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কাউনিয়ার টেপামধুপুর ইউনিয়নের ভায়ারহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তার মা রোকেয়া বেগম। তবে আখতার হোসেন নিজে ঢাকার ভোটার হওয়ায় এই আসনে ভোট দিতে পারেননি।
ছেলের প্রতীক ‘শাপলা কলি’ মার্কায় ভোট দিয়ে রোকেয়া বেগম আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, দোয়া করি দিছি। শাপলা কলি মার্কায় ভোট দিছি। আল্লাহ রহম করুক, বাবা যেন উঠি যায় (জয়লাভ করে)।
মাকে কেন্দ্রে নিয়ে আসা প্রসঙ্গে আখতার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, একজন সন্তান হিসেবে আমার মা আমাকে ভোট দিচ্ছেন, এই দৃশ্য দেখা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। আশা করছি, রংপুরের মানুষ সব বাধা উপেক্ষা করে শাপলা কলি প্রতীকেই ভোট দেবেন এবং শেষ পর্যন্ত আমরাই বিজয়ী হবো।
ভোটের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, গতকাল রাত থেকেই বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন অনিয়ম ও সংঘর্ষের খবর আমাদের কাছে আসছে। শাপলা কলি ও দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আমাদের নারী কর্মীদের হেনস্তা করা হচ্ছে; এমনকি গতকাল এক কর্মীর স্কার্ফ খুলে নেওয়া এবং মাইক কেড়ে নেওয়ার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনাও ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রশাসনের চরম দুর্বলতা লক্ষ্য করছি। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে। আমরা আহ্বান জানাই, আপনারা সাহসিকতার সঙ্গে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করুন। আপনাদের ভূমিকা স্বচ্ছ হলে জনগণ আপনাদের পাশেই থাকবে।
ভায়ারহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বুলবুল আহমদ জানান, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৭৫২ জন। এরমধ্যে নারী ভোটার ১ হাজার ৯৮৪ এবং পুরুষ ভোটার ১ হাজার ৭৬৪ জন। সকাল সাড়ে ৭টা থেকেই মোট ৭টি বুথে সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।
উল্লেখ্য, রংপুর-৪ আসনে এবার বহুমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সকাল থেকেই এই জনপদের কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি আশাব্যঞ্জক।
রাজনীতি
ফেনীতে ভোটকেন্দ্রে জামায়াতকর্মীর ওপর হামলা: অভিযুক্ত বিএনপির ২ কর্মী
ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদ নগর ইউনিয়নের মধ্যম ফরহাদ নগর গ্রামের মাহবুবুল হক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীর ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিএনপির দুই কর্মী বকু ও স্বপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে জামায়াতকর্মী রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে বকু ও স্বপনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি অতর্কিতভাবে রেজাউল করিমের ওপর হামলা চালায়।
ফরহাদ নগর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা বিষয়টি অবগত নই। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
ফেনী জেলা জামাতের আমির মাওলানা আব্দুল হান্নান বলেন, আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
ফেনী মডেল থানার ওসি ফৌজুল আজিম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এমএন
সারাদেশ
কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে হামলার শিকার হান্নান মাসউদের স্ত্রী
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ভোটগ্রহণ চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বুড়িরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আসাদিয়া কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তায় অবরোধ সৃষ্টি করে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
শ্যামলী সুলতানা জেদনী তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, বিএনপির লোকজন আমাকে রড দিয়ে মারছে। আমার ফোন কেড়ে নিয়েছে। আমাকে মারার ভিডিও ধারণ করেছে, ফোন ভেঙে ফেলেছে। আমার ড্রাইভারকে কয়েকজন মিলে এক সঙ্গে মারছে। প্রশাসন নিষ্ক্রিয়!
অভিযোগে বলা হয়, বিএনপি নেতা লিটন চৌধুরী ও স্বপন মেম্বারের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি বঁটি, রামদা ও শটগান নিয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয় এবং হামলা চালায়। এ সময় শ্যামলী সুলতানার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ভিডিও করতে গেলে অন্য একজনের মোবাইলও ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক মো. হাফিজুর রহমান দাবি করেন, অতিদ্রুত এসব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
বুড়িরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাফি ফরাজি জানান, হান্নান মাসুদ স্ত্রী কেন্দ্র পরিদর্শন করে যাওয়ার সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এখানে কাউকে হামলা করা হয়নি।
এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এমএন
সারাদেশ
আবার সুযোগ পাব কি-না জানি না, তাই ভোট দিতে এসেছি: ৯৫ বছরের শফিকুর
বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়েছে, দৃষ্টিও ঝাপসা। কিন্তু মনের জোর আর ভোটাধিকার প্রয়োগের অদম্য ইচ্ছা তাকে ঘর থেকে টেনে এনেছে ভোটকেন্দ্রে। তিনি ৯৫ বছর বয়সী শফিকুর রহমান, চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বড়দিঘীর পাড় এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাটহাজারীর দক্ষিণ পাহাড়তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায়, শফিকুর রহমান রিকশায় করে ভোট দিতে এসেছেন। ভোট দেওয়া শেষে মেয়ের জামাতার সঙ্গে ঘরে ফিরে যাচ্ছেন।
ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছর জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারিনি। এবার ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই ভোট দিতে এসেছি। অনেক বয়স হয়ে গেছে, আগামীবার ভোট পর্যন্ত বেঁচে থাকবো কি-না জানি না। তাই এবার ভোট দিতে এসেছি।’
তিনি বলেন, ’ভোট দিতে এসে কোনো হয়রানিতে পড়তে হয়নি। আমার পছন্দ মতো ভোট দিতে পেরেছি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়েছি।’
শফিকুরে সঙ্গে থাকা তার মেয়ের জামাতা বলেন, অনেক বয়স হয়েছে আমার শ্বশুরের। তিনি ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় তাকে কেন্দ্রে এনেছি। এখানকার ভোটের পরিবেশ ভালো।
ওই কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারের উপস্থিতি তেমন নাই। বাইরে বিএনপির নেতাকর্মীদের অবস্থান দেখা গেছে।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মীর মো. নাছির উদ্দীন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দিনসহ ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে আসনটিতে বিএনপির বিপরীতে তেমন কোনো শক্ত অবস্থান দেখা যায়নি।
ভোটারদের মতে, অনায়াসে জয় পাবে বিএনপি প্রার্থী মীর হেলাল।
আসনটিতে মোট ভোটার পাঁচ লাখ ১ হাজার ৯১৬ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৩টি।
এমএন
সারাদেশ
কলাপাড়ায় জাল ভোট ও গোপন কক্ষে ছবি তোলার দায়ে আটক ২
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে জালিয়াতি ও নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের দায়ে দুই জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পৃথক দুটি কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার(১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টায় কলাপাড়া পৌর শহরের খেপুপাড়া নেছারুদ্দিন কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- তাওহীদ ইসলাম (১৬) ও সহযোগী সোহাগ সিকদার (৪৬)। অপরদিকে সকাল নয়টার দিকে কুয়াকাটা পৌর শহরের ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে গোপন কক্ষে ছবি তোলার দায়ে বেলাল হোসেন (৪৬) নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। আপাতত তারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমএন



