Connect with us

জাতীয়

বিএনপিকে ভোট দিতে চায় ৭০ শতাংশ মানুষ: ইএএসডির জরিপ

Published

on

সূচক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে, ১৯ শতাংশ মানুষ জামায়াতকে এবং নতুন দল এনসিপিকে (জাতীয় নাগরিক পার্টি) ২ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে চান বলে এক জরিপ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাবেক ভোটারদের ৬০ শতাংশও এবার ধানের শীষে ভোট দিতে আগ্রহী বলেও জানা গেছে।

বেসরকারি সংস্থা এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি) এই জনমত জরিপ চালায়। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি মিলনায়তনে জরিপের ফল তুলে ধরেন ইএএসডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হায়দার তালুকদার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সংস্থাটি জানায়, দেশের ৩০০ সংসদীয় আসন থেকে সশরীরে মোট ২০ হাজার ৪৯৫ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপ কার্যক্রম চলে ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

‘আগামী নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন’ প্রশ্নে ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা জানান, তারা বিএনপিকে ভোট দিতে চান। ১৯ শতাংশ ভোটার জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কথা বলেন। নতুন দল এনসিপি পেয়েছে ২.৬ শতাংশ সমর্থন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের পক্ষে মত দিয়েছেন ৫ শতাংশ এবং ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন ০.২ শতাংশ মানুষ।

জরিপে অংশ নেওয়া নারী ভোটারদের ৭১ শতাংশ বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছেন, যা পুরুষ ভোটারদের তুলনায় সামান্য বেশি। সংস্থাটির মতে, নারী ভোটারদের মধ্যে বিএনপির প্রতি আস্থার মাত্রা তুলনামূলক শক্ত অবস্থান নির্দেশ করে।

চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগে বিএনপির প্রতি সর্বোচ্চ ৭৪ শতাংশ সমর্থন মিলেছে। তবে বরিশাল ও খুলনায় জামায়াত তুলনামূলক এগিয়ে। বরিশালে ২৯ শতাংশ ও খুলনায় ২৫ শতাংশ মানুষ জামায়াতকে ভোট দিতে আগ্রহী। এদিকে উত্তরবঙ্গের রংপুর অঞ্চলে জাতীয় পার্টি ৫.২ শতাংশ সমর্থন পেয়েছে, যা অন্য বিভাগের তুলনায় বেশি। জাতীয় পার্টির সার্বিক সমর্থন ১.৪ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সমর্থন ০.১ শতাংশ।

জরিপ প্রতিবেদন বলছে, ‘নির্বাচনের পর কোন দল সরকার গঠন করবে’ প্রশ্নে ৭৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, বিএনপি সরকার গঠন করবে। ১৭ শতাংশ মনে করেন জামায়াত সরকার গঠন করতে পারে। এনসিপির সরকার গঠনের সম্ভাবনার কথা বলেছেন ১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ।

‘আগামী নির্বাচনে কে জিতবে’ প্রশ্নে ৭৪ শতাংশ বিশ্বাস করেন, তাদের নিজ নিজ আসনে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হবেন। ১৮ শতাংশ মনে করেন জামায়াতের প্রার্থী জয়ী হতে পারেন। ১.৭ শতাংশ মনে করেন এনসিপি প্রার্থী জিতবেন এবং ১ শতাংশের কিছু বেশি মনে করেন জাতীয় পার্টি জয়ী হতে পারে।

জরিপে আওয়ামী লীগের পূর্ববর্তী ভোটারদের বর্তমান রাজনৈতিক আগ্রহ বিশ্লেষণ করা হয়। দেখা যায়, আওয়ামী লীগের সাবেক ভোটারদের ৬০ শতাংশ এবার বিএনপিকে ভোট দিতে চান। ২৫ শতাংশ জানিয়েছেন তারা জামায়াতকে সমর্থন দেবেন এবং ১৫ শতাংশ অন্যান্য দলকে ভোট দিতে আগ্রহী।

‘গত নির্বাচনে কাকে ভোট দিয়েছেন বা দিতে চেয়েছিলেন’ প্রশ্নে ৩৫ শতাংশ জানান, তারা বিএনপিকে ভোট দিতে চেয়েছিলেন। ২৭ শতাংশ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছেন বা দিতে চেয়েছিলেন। আর জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ভোট দেওয়ার আগ্রহ ছিল ৫ শতাংশের কিছু বেশি মানুষের।

এমকে

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়া খোলার কাজ চলছে

Published

on

সূচক

ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বিকল্প এবং নতুন শ্রমবাজার সন্ধানে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করতে এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কর্মী পাঠাতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও লবিস্ট ফার্ম নিয়োগের মতো নানামুখী পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রধানমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সরকার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন বাজার খুঁজছে। শ্রমবাজার সম্প্রসারণে কিছু দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেমন ইউরোপের সার্বিয়া, গ্রীস, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল ও রাশিয়া; দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিল; এশিয়ার থাইল্যান্ড (কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান)।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সংসদ নেতা আরও জানান, বিদেশে বাংলাদেশি মিশনের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজন সাপেক্ষে দেশভিত্তিক স্থানীয় লবিস্ট বা বিশেষজ্ঞ ফার্ম নিয়োগের কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হয়েছে।

সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় সচল করতে সরকার নিরলস কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও উপদেষ্টা চলতি মাসের ৮-১১ তারিখ মালয়েশিয়া সফর করেছেন। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পথ সুগম হবে।

বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, সমুদ্র সম্পদ ও সুনীল অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সামুদ্রিক সম্পদ, মৎস্য, পর্যটন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রয়োজনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক রয়েছেন ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৯ জন। এরইমধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষককে ইংরেজি বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’র আওতায় বাকি সব শিক্ষককেও ইংরেজি প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, কঠোর অবস্থানে সরকার: ডা. জাহেদ

Published

on

সূচক

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব বা গণপিটুনির মতো ঘটনাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। যার ফলে সমাজে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার একটি বিপজ্জনক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে এগোচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ডা. জাহেদ বলেন, কোনো অবস্থাতেই গণপিটুনি বা মব জাস্টিস গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধী যত বড়ই হোক, শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা কেবল রাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, অতীতে কিছু সময়ে এসব কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণে সমাজে একটি ভুল প্রবণতা তৈরি হয়েছে। মানুষ মনে করছে, চাইলেই কাউকে শাস্তি দেওয়া যায়। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কেউ গুরুতর অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও তাকে পিটিয়ে মারা তো দূরের কথা, শারীরিকভাবে আঘাত করাও আইনসম্মত নয়।

তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা থাকতে পারে, তবে সেটি দূর করার জন্য সরকার কাজ করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিকল্পিত বা সংগঠিত সহিংসতাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। প্রকৃত অপরাধী ধরা পড়লেও তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। গণপিটুনির মাধ্যমে নয়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে হবে এবং যে কোনো অভিযোগ বা অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

সূচক

সরকার দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য আলফারুক আব্দুল লতীফের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক, দক্ষ ও সময়োপযোগী শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে পরিকল্পনা প্রণয়ন, কলেবর বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন ও প্রশিক্ষণ উন্নয়নসহ, দক্ষ ও সময়োপযোগী শক্তিতে রূপান্তর করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে এমন সক্ষমতায় উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যাতে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে ওঠে। এই লক্ষ্যে একটি নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল ও আধুনিক প্রতিরক্ষানীতি প্রণয়ন, সেনাবাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, নৌবাহিনীর মাধ্যমে সমুদ্রপথ, সামুদ্রিক সম্পদ ও ব্লু ইকোনমি সুরক্ষা এবং বিমান বাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা, নজরদারি ও দ্রুত মোতায়েন সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একইসঙ্গে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে আত্মনির্ভরতা বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারেও সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক, দ্রুত, স্বয়ংসম্পূর্ণ, রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকা এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পন্ন বাহিনী হিসাবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এছাড়া বর্তমান নিরাপত্তা বাস্তবতায় সরকার শুধু প্রচলিত অস্ত্র সংযোজনেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না; বরং সাইবার স্পেস, তথ্যযুদ্ধ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উপকূলীয় নিরাপত্তা, জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষা এবং আন্তঃবাহিনী সমন্বয়ের মতো নতুন ক্ষেত্রেও সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। বিমান বাহিনীতে ৪.৫ প্রজন্মের আধুনিক যুদ্ধবিমান সংযোজনের কথাও গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা, কল্যাণ, অবসরোত্তর মর্যাদা এবং ‘এক পদ, এক পেনশন’-এর মতো বিষয় বিবেচনায় নিয়ে একটি আধুনিক, জ্ঞানভিত্তিক, প্রযুক্তিমুখী ও জনআস্থাসম্পন্ন সশস্ত্র বাহিনী গড়িয়া তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর জন্য উন্নত অস্ত্রশস্ত্র, আধুনিক যুদ্ধবিমান, নৌযান ও সাবমেরিন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই আধুনিকায়ন কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলবে।

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করতেও ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী বিভিন্ন বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে নিয়মিত যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়া পরিচালনা করছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিয়মিত স্টাফ পর্যায়ে বৈঠক, প্রতিরক্ষা সংলাপ এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়ন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

সূচক

টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে তিনি মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন এবং এই মহান নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মাজার জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত জনসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাধারণ শিক্ষার্থীরা নববর্ষের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছিল। তাদের সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক আদর্শ, সংগ্রামী জীবন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের কথা স্মরণ করেন। পাশাপাশি তিনি তরুণ প্রজন্মকে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করব: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

সূচক

জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর, প্রত্যেকটি শব্দ, প্রত্যেকটি লাইন ইনশাআল্লাহ আমরা বাস্তবায়ন করব।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত জনসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদ সই করার জন্য সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ড. ইউনূস যখন ডেকেছিলেন, সবচেয়ে প্রথমে বিএনপি গিয়েছিল। বিএনপি জুলাই সনদে সই করেছিল। কাজেই যেই জুলাই সনদ বিএনপি সই করে এসেছে, সেই জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর, প্রত্যেকটি শব্দ, প্রত্যেকটি লাইন ইনশাআল্লাহ আমরা বাস্তবায়ন করব।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দেড় ঘণ্টায়...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেড শেয়ার দর ও লেনদেনের অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির কারণ জানে না বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 hours ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস পিএলসির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১৯ এপ্রিল দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কোম্পানিটির পর্ষদ...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 days ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো এসকোয়ার নিট

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এসকোয়ার নিট কম্পোজিট পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 days ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ইউনিলিভার কনজিউমার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 days ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পিপলস ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৩ এপ্রিল বিকাল ৩টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
সূচক
জাতীয়3 minutes ago

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়া খোলার কাজ চলছে

সূচক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার18 minutes ago

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত : ববি হাজ্জাজ

সূচক
জাতীয়36 minutes ago

মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, কঠোর অবস্থানে সরকার: ডা. জাহেদ

সূচক
আন্তর্জাতিক45 minutes ago

ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে : ট্রাম্প

সূচক
জাতীয়1 hour ago

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

সূচক
পুঁজিবাজার2 hours ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচক
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

সূচক
অর্থনীতি2 hours ago

দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনা ও রুপার দাম

সূচক
জাতীয়3 minutes ago

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়া খোলার কাজ চলছে

সূচক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার18 minutes ago

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত : ববি হাজ্জাজ

সূচক
জাতীয়36 minutes ago

মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, কঠোর অবস্থানে সরকার: ডা. জাহেদ

সূচক
আন্তর্জাতিক45 minutes ago

ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে : ট্রাম্প

সূচক
জাতীয়1 hour ago

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

সূচক
পুঁজিবাজার2 hours ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচক
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

সূচক
অর্থনীতি2 hours ago

দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনা ও রুপার দাম

সূচক
জাতীয়3 minutes ago

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়া খোলার কাজ চলছে

সূচক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার18 minutes ago

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত : ববি হাজ্জাজ

সূচক
জাতীয়36 minutes ago

মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, কঠোর অবস্থানে সরকার: ডা. জাহেদ

সূচক
আন্তর্জাতিক45 minutes ago

ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে : ট্রাম্প

সূচক
জাতীয়1 hour ago

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

সূচক
পুঁজিবাজার2 hours ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচক
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

সূচক
অর্থনীতি2 hours ago

দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনা ও রুপার দাম