ব্যাংক
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও আজ ব্যাংক খোলা
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও আজ সারা দেশে ব্যাংক খোলা থাকবে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের জামানত ও ভোটার তালিকার সিডি কেনার অর্থ ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমার সুবিধার্থে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা খোলা থাকবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর।
এর আগে, ২৫ ডিসেম্বর বড় দিন উপলক্ষে ছুটি ছিল এবং গতকাল ছিল শুক্রবার।
এমকে
জাতীয়
রমজানে ব্যাংক লেনদেনের সময় পরিবর্তন
আসন্ন রমজান মাসে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ফলে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।
সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে। রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
ব্যাংক
গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারণার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের
নির্বাচন নিয়ে দেশের সব ব্যাংক শাখা ও উপশাখায় বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনসচেতনতা তৈরির জন্য গণভোট বিষয়ক প্রচারণামূলক ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এ লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোর ওপর অনুষ্ঠেয় গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিটি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখার দৃষ্টিনন্দন স্থানে দুটি করে খাড়া ব্যানার প্রদর্শন করতে হবে।’
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ‘প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে দেওয়া নির্দেশনার আলোকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গণভোটের প্রস্তাবিত সংস্কার বিষয়গুলো জনগণের সামনে তুলে ধরাই মূল উদ্দেশ্য।’
এর আগে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণার আহ্বান জানান। সেই আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটি ব্যাংক ইতোমধ্যে প্রচারণা শুরু করলেও কিছু ব্যাংক লিখিত নির্দেশনা না পাওয়ায় তা বাস্তবায়নে অনীহা প্রকাশ করে। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
গত সপ্তাহে রাজধানীর সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা ব্যাংকের একাধিক শাখায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণামূলক ব্যানার টানানো দেখা গেছে। এসব ব্যানারে লেখা রয়েছে—‘গণভোট ২০২৬, সংসদ নির্বাচন। দেশের চাবি আপনার হাতে। আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান, যেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে?’
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে গণভোটে জনসচেতনতা তৈরির জন্য মোট ১২টি বিষয়ে প্রচারণার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সরকারি দল ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না, সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, কোনও ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব ধাপে ধাপে বৃদ্ধি, ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন, বিচারব্যবস্থার পূর্ণ স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, ইন্টারনেট সেবা বন্ধ না করার নিশ্চয়তা, দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতির ইচ্ছামতো ক্ষমা না দেওয়ার বিধান, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা।
প্রজ্ঞাপনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রচারণামূলক ব্যানারের নমুনা ও ছবি সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
এমকে
ব্যাংক
সব ব্যাংকে নারীবান্ধব ওয়াশরুম নির্মাণের নির্দেশ
দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকে নারীবান্ধব ওয়াশরুম নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সকল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে পাঠিয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সংখ্যক নারীবান্ধব ওয়াশরুম না থাকায় নারী কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ব্যাংকে সেবা নিতে আসা নারীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই ভোগান্তি দূর করতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়সহ সকল শাখা ও উপশাখায় স্বাস্থ্যসম্মত ও নারীবান্ধব ওয়াশরুম থাকা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও উল্লেখ করেছে, যেসব ব্যাংকে ওয়াশরুমের সংস্কার প্রয়োজন বা পর্যাপ্ত স্যানিটারি সামগ্রীর অভাব রয়েছে, সেখানে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মূলত নারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নারী গ্রাহকদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সকল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয় এবং শাখা-উপশাখায় নারীবান্ধব ওয়াশরুম নির্মাণ, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং পর্যাপ্ত স্যানিটারি সামগ্রী রাখার এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংক
শূন্য হচ্ছে ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার
ব্যাংক খাতে সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এবার ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) গ্রাহকদের আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার শূন্য করার প্রক্রিয়া শুরু করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এসব প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর (নন-ভায়েবল) ঘোষণা করা হবে। এরপর ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে তাদের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা ও নেট অ্যাসেট ভ্যালু নির্ধারণ করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদের প্রকৃত অবস্থান কতটা নেতিবাচক—তা অডিট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। অডিট প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, অনিয়ম ও দায়ভার সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষা এবং আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তদারকির জন্য ‘ব্যাংকিং রেজুলেশন ডিভিশন’ গঠন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যত দুর্বল হয়ে পড়লে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে এ বিভাগের কাজ। পাঁচটি দুর্বল ব্যাংক দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে; প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও প্রতিষ্ঠান এর আওতায় আসতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অবসান নয়; বরং আর্থিক খাতে জবাবদিহি ও শৃঙ্খলার নতুন অধ্যায়ের সূচনা। শেয়ার শূন্য হওয়া বিনিয়োগকারীদের জন্য কঠিন হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি এই খাতের স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বহু এনবিএফআই সংকটে পড়ে। এর বেশির ভাগই বর্তমানে গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে পারছে না। এর মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠান প্রশান্ত কুমার হালদারের নিয়ন্ত্রণাধীন। শিল্পগোষ্ঠী এস আলমের একটি প্রতিষ্ঠানও তালিকায় রয়েছে।
সব মিলিয়ে নয়টি এনবিএফআইয়ের নিবন্ধন সনদ বা লাইসেন্স বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, এফএএস ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও প্রিমিয়ার লিজিং। এই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করতে সরকারকে ৫ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই অর্থ দিয়ে ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা পরিশোধ করা হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক আমানতের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা ক্ষুদ্র আমানতকারীদের এবং বাকি ১১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের। ব্যক্তি আমানতকারীদের সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৪০৫ কোটি টাকা আটকে আছে পিপলস লিজিংয়ে। এছাড়া আভিভা ফাইন্যান্সে ৮০৯ কোটি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ৬৪৫ কোটি এবং প্রাইম ফাইন্যান্সে ৩২৮ কোটি টাকা আটকে রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথমে ২০টি এনবিএফআই বন্ধের উদ্যোগ নিলেও ১১টি প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের পরিকল্পনা জমা দেয়। সেসব পরিকল্পনায় সন্তুষ্ট হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আপাতত চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এমকে
ব্যাংক
দুইদিনে সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক থেকে উত্তোলন ১০৭ কোটি টাকা
কার্যক্রম শুরুর প্রথম দুইদিনে পাঁচ ব্যাংকের একত্রে গঠিত সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক থেকে ১৩ হাজার ৩১৪ জন গ্রাহক ১০৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। তবে আশার বিষয় হলো এই সময়ে ৪৪ কোটি টাকা নতুন করে জমা করেছেন গ্রাহকরা।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
তিনি বলেন, কার্যক্রম শুরুর পরে টাকা উত্তোলন ও জমা হচ্ছে। কোথাও কোথাও জমার পরিমাণ উত্তোলন থেকে বেশি। দুই দিনে এক্সিম ব্যাংকে ৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা, ইউনিয়ন ব্যাংকে ১৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা, সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংকে তিন কোটি ৪৯ লাখ, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকে ৬৮ লাখ টাকা এবং গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংকে ৬২ লাখ টাকা জমা হয়েছে।
এছাড়া সর্বোচ্চ টাকা উত্তোলন হয়েছে এক্সিম ব্যাংক থেকে। ব্যাংকটি থেকে ছয় হাজার ২৬৫ জন তুলেছেন ৬৬ কোটি টাকা।
গভর্নর বলেন, সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকে গ্রাহকের টাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে আমাদের চ্যালেঞ্জ হবে, প্রবাসীদের আস্থা অর্জন করা, যাতে করে বৈদেশিক মুদ্রা এসব ব্যাংকে তারা পাঠান। এছাড়া ব্যবসায়ী কার্যক্রম ও আমদানি রপ্তানিতে ফের আস্থা অর্জন করাও অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন আহসান এইচ মনসুর।
এমকে



