জাতীয়
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান শেষে ৯ দিন পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তাকে বহনকারী এমিরেটসের ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জানানো হয়।
সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা।
এ বছর প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছয় রাজনীতিবিদ ছিলেন। তাদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। এ ছাড়া জামায়াত নেতা নকিবুর রহমান তারেক যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিনিধি দলে যুক্ত হন।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে সাধারণ আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রম, ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটের বিষয় তুলে ধরেন।
এরপর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন মুহাম্মদ ইউনূস। রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র শান্তিপূর্ণ সমাধান যে তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন, সে কথা আবারও মনে করিয়ে দিয়ে সাত দফা প্রস্তাব রাখেন তিনি।
অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত থেয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের গ্লোবাল এডুকেশন ডিনারে মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘আনলক বিগ চেইঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়।
জাতীয়
ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির নির্দেশনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে ব্যালট, পেপারসহ সব নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহন ও বিতরণে কঠোর নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জারি করা এক পরিপত্রে ঢাকা থেকে জেলা, জেলা থেকে উপজেলা এবং উপজেলা থেকে ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নির্বাচনী দ্রব্য নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করতে সবাইকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তালিকা অনুসারে ব্যালট পেপার মুদ্রণ করা হবে। ইতোমধ্যে ডাকভোটে (ওসিভি ও আইসিপিভি) অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ভোটারদের প্রয়োজনীয় পোস্টাল, ব্যালট মুদ্রণ ও বিতরণ করা হয়েছে। সাধারণ ব্যালট পেপার মুদ্রিত হবে ঢাকার তেজগাঁওয়ের বিজি প্রেস, গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেস ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যালট পেপার গ্রহণের জন্য প্রতিটি নির্বাচনী আসন থেকে রিটার্নিং অফিসারের পক্ষে একজন সিনিয়র সহকারী কমিশনার বা সহকারী কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের পক্ষে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে ঢাকায় পাঠাতে হবে। তাদের সঙ্গে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত ক্ষমতাপত্র ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বাহিনী থাকতে হবে। একই সঙ্গে, ব্যালট পেপার গ্রহণের সময় প্রতিনিধিদের অবশ্যই প্রার্থীদের নাম ও প্রতীকসহ চূড়ান্ত তালিকা (ফরম-৫) মিলিয়ে দেখতে হবে। কোনো ভুল থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধন করতে হবে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের আগের দিন সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রিজাইডিং অফিসাররা তাদের ভোটকেন্দ্রের ব্যালট পেপার ও অন্যান্য সামগ্রী গ্রহণ করবেন। ভোটকেন্দ্রে সামগ্রী পৌঁছানোর পর ভোটগ্রহণের আগের দিন প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতিসাপেক্ষে এক-দুজন সহকারী ছাড়া বাকি সব কর্মকর্তা ভোটকেন্দ্রেই অবস্থান করবেন। তাদের ও নির্বাচনী সামগ্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা যাবে এমন কিছু মনিহারি দ্রব্যের তালিকাও পরিপত্রে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বলপয়েন্ট কলম, সাদা ও কার্বন কাগজ, ছুরি, সুতা, মোমবাতি, দিয়াশলাই, গামপট, স্ট্যাম্প, প্যাডের কালি এবং বিভিন্ন নির্দেশনামূলক প্লেকার্ড। এসব সামগ্রী স্থানীয়ভাবে ক্রয় বা মুদ্রণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এ ছাড়া, নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত সব ফরম, প্যাকেট, ম্যানুয়েল, পোস্টার ও লিফলেট গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেস থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এ ছাড়া স্ট্যাম্প প্যাড, অফিসিয়াল সিল, মার্কিং সিল, ব্রাস সিল, অমোচনীয় কালির কলম, হেসিয়ান ব্যাগ ইতোমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে। চার্জার লাইট, ক্যালকুলেটর, স্ট্যাপলার মেশিন ক্রয়ের জন্য প্রিজাইডিং অফিসারদের নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।
তবে, জেলায় সব নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছানোর পর সেগুলো পরীক্ষা করতে হবে। কোনো ঘাটতি, অতিরিক্ত বা অসংগতি ধরা পড়লে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানাতে বলা হয়েছে।
জাতীয়
পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচন স্থগিত
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশে পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আপিল বিভাগের আদেশেই এই সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, মহামান্য আদালত আমাদের বলেছেন- আমরা যেন পাবনা ১ ও ২ আসনে ভোটের কোনো কার্যক্রম না করি। সে জন্য এই দুই আসনে ভোটের কার্যক্রম আপাতত বন্ধ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৫ জানুয়ারি পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল করে নির্বাচন কমিশনের গত ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও এক প্রার্থীর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
জাতীয়
আবারও দেশে ভূমিকম্প অনুভূত
ভোলার মনপুরা উপজেলায় আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আনুমানিক ভোর ৬টার দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। এতে পুরো দ্বীপের বসতবাড়ি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ বিভিন্ন দালান-কোঠা কেঁপে ওঠে।
হাজিরহাট মার্কাজ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মো. ইউসুফ বলেন, ফজরের নামাজের সময় পুরো মসজিদ কাঁপতে থাকে, যা মুসল্লিরা স্পষ্টভাবে অনুভব করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারতের মনিপুর ও আসামসহ আশপাশের এলাকায় সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রভাবে ভোলার মনপুরা উপকূলে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৪ সালের মে মাসে ভারতের মনিপুরে সংঘটিত ৩ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশসহ ভোলার মনপুরা এলাকায় ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল।
জাতীয়
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অত্যাবশ্যকীয় সেবার আওতার মেয়াদ বাড়লো
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সব শ্রেণির চাকরি ‘অত্যাবশ্যকীয় সেবা’র (অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিস) আওতায় থাকছে আরও ছয় মাস। এজন্য গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রথম ১৯৯৯ সালের ১৩ এপ্রিল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১৯৫৮ সালের অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিসেস অর্ডিন্যান্সের ক্ষমতাবলে বোর্ডের কর্মীদের চাকরি অত্যাবশ্যকীয় সেবার আওতায় আনা হয়। এরপর দফা দফায় এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ বর্ধিত ছয় মাস মেয়াদ শেষ হয় গত ১২ এপ্রিল।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সব শ্রেণির চাকরির ক্ষেত্রে অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিসেস অর্ডিন্যান্সের প্রযোজ্যতার মেয়াদ ১২ এপ্রিল উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সব শ্রেণির চাকরির ক্ষেত্রে এ অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতার প্রয়োজনীয়তা এখনো রয়েছে।
তাই বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সব শ্রেণির চাকরির ক্ষেত্রে অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিসেস অর্ডিন্যান্সের প্রযোজ্যতা গত ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ৬ মাস বৃদ্ধিসহ ১৩ অক্টোবর থেকে আরও ৬ মাস বাড়ানো হলো।
অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিসেস অর্ডিন্যান্সের আওতায় আসার কারণে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী ঊর্ধ্বতনদের কোনো নির্দেশ অমান্য করতে পারবেন না। কর্মবিরতি বা ধর্মঘট ডাকতে পারবেন না, বিনা নোটিশে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না। এসব কাজ করলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
এ অর্ডিন্যান্সের অধীনে কেউ অপরাধে করলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
জাতীয়
ইসি নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে: ইইউ
নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের সামনে থাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেছে এবং কমিশন তা যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের প্রধান ড. ইভার্স ইয়াবস।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এক সৌজন্য বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পর্যবেক্ষণে ইইউ-এর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে ড. ইভার্স ইয়াবস বলেন, “আমরা মাত্র আমাদের মিশন শুরু করেছি। আমাদের একটি দক্ষ দল রয়েছে, যারা পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়ার শেষ পর্যন্ত কাজ করবে। পর্যবেক্ষণ শেষে সব বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশকে একটি প্রাণবন্ত গণতন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তাই এদেশের সম্পূর্ণ নির্বাচনি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের সুযোগকে ইইউ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
বহুমাত্রিক সমাজ ও দেশব্যাপী পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং বাংলাদেশকে একটি সুন্দর ও বৈচিত্র্যময় সমাজ হিসেবে উল্লেখ করে মিশন প্রধান জানান, তাদের পর্যবেক্ষক দল কেবল নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সারা বাংলাদেশের ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবে।
নির্বাচনে কোন কোন বিষয়ের ওপর ইইউ বিশেষ নজর দেবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানত প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলোই তাদের মূল ফোকাস। এর মধ্যে রয়েছে -সঠিক ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের সার্বিক আয়োজন ও পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা।
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে ইয়াবস বলেন, ইসি তাদের কাছে পুরো নির্বাচনি রূপরেখা ব্যাখ্যা করেছে। একই সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জের কথাও জানিয়েছে। বিশেষ করে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজন করা একটি বড় কারিগরি ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ। তবে ইইউ প্রতিনিধি দল বিশ্বাস করে, নির্বাচন কমিশন এই পরিস্থিতি দক্ষতার সাথে সামাল দিতে সক্ষম হবে।
বৈঠকে ইইউ’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন, মিশনের ডেপুটি চিফ অবজারভার ইনতা লেসি, লিগ্যাল অ্যানালিস্ট আইরিনি-মারিয়া গৌরানী এবং ইলেকশন অ্যানালিস্ট ভাসিল ভাসঙ্ক।
এমকে




