পুঁজিবাজার
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক পুঁজিবাজারে অস্থিরতা
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা এবং পাল্টা হিসেবে ইরানের আকাশপথের অভিযানে টালমাটাল হয়ে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন দেশে হামলার জেরে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে এশিয়া, ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজারগুলোতে সব জায়গায় শেয়ারবাজারে প্রভাব পড়েছে।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সোমবার সংকটগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ‘ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি’র উল্লেখ করে কুয়েতের শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সৌদি আরবের প্রধান সূচক টিএএসআই সূচক ২ দশমিক ২ শতাংশ, মিসরের ইজিএক্স ৩০ সূচক ২ দশমিক ৫ শতাংশ, বাহরাইনের বিএএক্স সূচক ১ শতাংশ, ওমানের এমএসএক্স সূচক ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে।
সোমবার (২ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন, সিএনবিসি, বিবিসি, দ্য ডন ও রয়টার্স’র থেকে তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধান সূচক কেএসই ১০০ আজ ১৬ হাজার পয়েন্ট কমেছে, যা এক দিনে এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ পতন। এ জন্য পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ (পিএসএক্স) শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ করে দেয়। এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে ভারতের নিফটি ৫০ সূচক ১ দশমিক ২৪ শতাংশ, জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ১ দশমিক ২৫ শতাংশ, হংকংয়ের হেংসেং সূচক ২ দশমিক ১৪ শতাংশ, চীনের সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক দশমিক ৪৭ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার মূল সূচক কোসপি ১ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া মালয়েশিয়ার প্রধান সূচক কেএলসিআই দশমিক ৯৬ শতাংশ ও তাইওয়ানের প্রধান সূচক দশমিক ৯০ শতাংশ পড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে লেনদেনের শুরু থেকেই সূচকের পতন ঘটতে শুরু করে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ডাউ জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক ৫৪৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১ শতাংশ, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১ দশমিক ১ শতাংশ ও নাসড্যাক সমম্বিত সূচক ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারের ফিউচার সূচকগুলোরও পতন ঘটে। ওয়ালস্ট্রিটের এসঅ্যান্ডপি ৫০০, নাসড্যাক কম্পোজিট, ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ফিউচার—সব কটিই প্রায় ১ শতাংশ করে কমেছে।
ফিউচার (ভবিষ্যৎ চুক্তি) হলো এমন ধরনের আর্থিক চুক্তি, যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা আগাম নির্ধারিত দামে ভবিষ্যতের কোনো তারিখে শেয়ার, পণ্য বা সূচক কেনাবেচার অঙ্গীকার করেন। বাজার খোলার আগেই ফিউচার লেনদেন দেখে বিনিয়োগকারীরা দিনটি সম্পর্কে আগাম ধারণা পান।
ইউরোপীয় শেয়ারবাজারগুলোতেও আজ বড় পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লন্ডনের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে আটটার কিছু পর প্যান-ইউরোপীয় সূচক স্টক্স ৬০০ সূচক প্রায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ ও লন্ডনের প্রধান শেয়ারসূচক এফটিএসই ১০০ সূচক প্রায় ১ শতাংশ পড়ে যায়। ইউরোপের অন্য বাজারগুলোতে পতন আরও বেশি ছিল। ফ্রান্সের সিএসি ৪০ সূচক ১ দশমিক ৮ শতাংশ ও জার্মানির ড্যাক্স সূচক ২ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। ইউরোপে তেল, গ্যাস ও প্রতিরক্ষা খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার ছাড়া প্রায় সব প্রধান খাতেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়।
ইউরোপের প্রতিরক্ষা তথা সামরিক খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ইতালির মহাকাশ ও প্রতিরক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাভিওর শেয়ার প্রায় ২ শতাংশ বাড়ে। যুক্তরাজ্যের বিএই সিস্টেমসের শেয়ারমূল্য প্রায় ৫ শতাংশ ও সুইডেনের যুদ্ধবিমান নির্মাতা এসএএবির শেয়ার প্রায় ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ইতালির লিওনার্দো ও জার্মানির রেঙ্ক—এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম প্রায় ৪ শতাংশ করে বাড়ে।
অন্যদিকে ভ্রমণ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় পতন দেখা যায়। অ্যাংলো-আমেরিকান ক্রুজ অপারেটর কার্নিভ্যাল ও এয়ারলাইনস গ্রুপ ইন্টারন্যাশনাল কনসোলিডেটেড এয়ারলাইনস গ্রুপের শেয়ারমূল্য ৩ শতাংশ কমে যায়। জার্মান পর্যটন কোম্পানি টুই এজির শেয়ার প্রায় ৯ শতাংশ ও লুফথানসার শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১ দশমিক ২৮ শতাংশ বা ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬ হাজার ৯১২ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা।
সূত্র মতে, চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১২৭.৫৬ পয়েন্ট বা ২.৪২৩ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৫৪.৭৪ পয়েন্ট বা ২.৭২ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৩০.৭০ পয়েন্ট বা ২.৯৩ শতাংশ।
সূত্র মতে, ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৫৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ৪৮২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ৮২৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৬৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা বা ২৩.৭১ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩২৪টি কোম্পানির, কমেছে ৩৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ১.০৪ শতাংশ ও ১.০৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৯৮০.০৭ পয়েন্টে ও ৯১৫৯.৮০ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক বেড়েছে ১.৪০ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১৫০.১৮ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ০.৮৩ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ১.৬৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩৩০৭.৭১ পয়েন্টে ও ৯০৪.৬২ পয়েন্টে।
সূত্র মতে, চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৬৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ১০৬ কোটি ২ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৬০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
সূত্র মতে, সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৭১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৩টির, কমেছে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির কোম্পানির শেয়ার দর।
এমএন
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ৪৪ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) কোম্পানিগুলোর মোট ৬৯ লাখ ২ হাজার ৪২৮টি শেয়ার ৫১ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ২১ কোটি টাকার, দ্বিতীয় স্থানে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ৯ কোটি ৩৫ লাখ ০৪ হাজার টাকার এবং তৃতীয় স্থানে উত্তরা ব্যাংকের ২ কোটি ১৫ লাখ ২৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার দর দশমিক ৪ পয়সা বা ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা মাইডাস ফাইন্যান্স পিএলসির ইউনিট দর ২ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- নূরানী ডাইংয়ের ২.৭০ শতাংশ, হাওয়েল টেক্সটাইলের ১.৯৯ শতাংশ, আনলিমা ইয়ার্ন ডাইংয়ের ১.৯৭ শতাংশ, ফনিক্স ফাইন্যান্সের ১.৯৬ শতাংশ, প্রাইম ফাইন্যান্সের ১.৮২ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্সের ১.৭২ শতাংশ এবং বে লিজিংয়ের ১.৬৪ শতাংশ দর কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধির শীর্ষে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০ কোম্পানির মধ্যে ৩০৮টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ডিএসইতে সর্বোচ্চ বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ টাকা বা ৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ পিএলসির দর বেড়েছে ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এসইএমএল গ্রোথ ফান্ডের ৬.০০ শতাংশ, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ৫.৮৫ শতাংশ, প্রাইম লাইফের ৫.০৩ শতাংশ, ভিএফএস থ্রেডের ৪.৬৭ শতাংশ, ইন্দো-বাংলা ফার্মার ৪.৬৫ শতাংশ, আইসিবি সোনালি ফান্ডের ৪.৪৪ শতাংশ ও আরামিটের ৪.৩৯ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সিটি ব্যাংক পিএলসির ২৭ কোটি ৯৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইস-ক্রিম পিএলসি। কোম্পানিটির ২১ কোটি ৮০ লাখ ৫৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ১৮ কোটি ৭৩ লাখ ১১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে রবি আজিয়াটা লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, সামিট অ্যালায়েন্স, ওরিয়ন ইনফিউশন, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড ও লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ পিএলসি।
এমএন




