Connect with us

জাতীয়

১০০ দিনে সরকারের ছয় অগ্রাধিকার

Published

on

লভ্যাংশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী ১০০ দিনের ‘স্বল্পমেয়াদি’ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে নতুন সরকার। এ অনুযায়ী রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অগ্রাধিকার পাচ্ছে বলে জানা গেছে। বাকিগুলো হলো—অর্থনীতি পুনর্গঠন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান এবং ছয় মাসের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, সুশাসন নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকারের প্রথম ১০০ দিনের প্রধান কাজ হবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা। দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে দেশে একটি সুশাসন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর সরকার। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আইনানুসারে কাজ করা এবং সরকারের ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন সরকার এমন সময় দায়িত্ব নিল, যখন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সীমাহীন দুর্নীতি-দুঃশাসনে পর্যুদস্ত অর্থনীতিতে বিরাট ক্ষত রয়ে গেছে। ফলে দুর্বল শাসন কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে নতুন সরকার তাদের লক্ষ্য পূরণে কতটুকু সক্ষম হবে, সেটি দেখার বিষয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিকে সরকার গঠনের পর গতকাল বুধবার প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরাও যে যার দপ্তরে যান এদিন। এরপর তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনার একপর্যায়ে নিত্যপণ্যের দাম নাগালে রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানোসহ আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচি নির্ধারণ করে তা বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারের একাধিক মন্ত্রী জানান, মূলত ছয় মাসের ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ প্রণয়ন করা হবে। তবে সরকারের প্রথম ১০০ দিনে কী কী কাজ করা হবে, তারও একটি রূপরেখা তৈরি হচ্ছে। সরকারের দায়িত্বশীলরা বলছেন, প্রথম একশ দিন মূলত ‘রাষ্ট্র মেরামতের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময়। এই সময়ে বড় কোনো অবকাঠামোগত প্রকল্পের চেয়ে নীতিনির্ধারণী সংস্কার এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হবে।

গতকাল রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদের সময়কালের দুর্নীতি-দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল শাসন কাঠামো আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মনে শান্তি নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করছে। দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চলবে বিধিবদ্ধ নীতি-নিয়মে। দলীয় কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তি অথবা জোরজবরদস্তি নয়; আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা।’

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। নতুন সরকার কীভাবে তার প্রথম ১০০ দিনে পূর্বঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারে, তা নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা চলছে। কেননা, দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি, শিক্ষার উন্নয়ন এবং সুশাসনের রূপরেখা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি নতুন সরকারের জন্য অন্যতম প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ। নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে বেশকিছু বিষয়ের কথা আগেই জানিয়েছেন। ‘ন্যায্য, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নই নতুন প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক লক্ষ্য। প্রায় চার বছর আগে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা ঘোষণা করেছিলেন তারেক রহমান। সেটিই পরবর্তী সময়ে নির্বাচনী ইশতেহারে বিস্তৃত আকারে সন্নিবেশ করা হয়। যার মূলমন্ত্র হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। ভোটকেন্দ্রিক এমন প্রতিশ্রুতির আলোকে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রশাসনে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সংবিধাননির্ভর শাসন, গণভিত্তিক কল্যাণ কর্মসূচি এবং জনস্বার্থমুখী অর্থনীতি গড়া প্রাধান্য পাবে। পাশাপাশি তরুণদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষা পরিব্যাপ্তির প্রতিও নিবিড় মনোযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। মূলত, শিক্ষা ও দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের প্রাধান্য বিএনপির ইশতেহারের কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সব পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষি কার্ড প্রদানের পাশাপাশি তরুণদের জন্য চাকরি-সংস্থান সৃষ্টির ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিএনপির স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার বাইরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সুশাসন ও বিচার বিভাগীয় সংস্কার; সংবিধান সংস্কার কমিশন; বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা; দুর্নীতি বন্ধ ও মানবাধিকার রক্ষা; প্রধানমন্ত্রী পদে সময়সীমা কার্যকর; দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা; সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং নিত্যপণ্যের সরবরাহ চেইন সচল করা; নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য প্রতিটি পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ এবং এর মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান; খেলাপি ঋণ আদায়ে টাস্কফোর্স গঠন এবং ব্যাংক খাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে স্বাধীন কমিশন; শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদে বেকার ভাতা প্রদানের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করা।

আরও রয়েছে তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত করা। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমমর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন। প্রবাসীদের জন্য ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু এবং বিদেশে কেউ মারা গেলে মরদেহ সরকারি খরচে দেশে আনার প্রক্রিয়া সহজ করা। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়াও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির মধ্যে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষকদের ডিজিটাল সরঞ্জামের আওতায় আনাসহ সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হবে। এ ছাড়া সরকারি চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ সেল গঠন।

গতকাল সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, মোটামুটি প্রথম দিনে কেবিনেট মিটিং করতে হয়। আমরা কেবিনেটের সবাই বসেছিলাম, ওখানে উপদেষ্টারাও ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আমাদের উদ্দেশে কিছু বক্তব্য দিয়েছেন, অনুশাসনও দিয়েছেন। সাধারণত এটা হয় যে প্রথম ১০০ দিনে কী কী প্রায়োরিটি আছে, তা নির্ধারণ করা। তবে আমরা ১৮০ দিনের প্রায়োরিটি নির্ধারণ করেছি। সেটা আরও পরে আপনারা জানতে পারবেন।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ গতকাল কালবেলাকে বলেন, ‘আমরা নতুন সরকার হিসেবে মাত্র দায়িত্ব নিয়েছি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি। আমাদের কার্যক্রম দ্রুত এগোবে বলে বিশ্বাস করি।’ তিনি বলেন, ‘নতুন সরকার হিসেবে আমাদের প্রথম কাজ হলো রোজার মধ্যে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, যাতে মানুষের ভোগান্তি না হয়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে আপাতত মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে চাই। দুর্নীতিকে সহ্য করা হবে না। ইনশাআল্লাহ আমাদের ইশতেহার বাস্তবায়নে আমরা সফল হবো।’

বিশ্লেষক অভিমত, সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাহাবুল হক কালবেলাকে বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নের মধ্যে যে ব্যবধান ঐতিহাসিকভাবে বিদ্যমান, সেটি একটি বাস্তব সত্য। বিএনপির আগামী ১০০ দিনের যে কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে, তা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর কিছু অংশ বাস্তবায়ন সম্ভব হলেও সবকিছুই এই স্বল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা বাস্তবসম্মত নয়।

তিনি বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো মূলত নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত ও ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভরশীল। এই মুহূর্তে প্রশাসনে সততা ও দক্ষতা আনতে পারলে এবং বাজার ব্যবস্থায় কার্যকর নজরদারি বসাতে পারলে ১০০ দিনের মধ্যে এর সুফল পাওয়া যেতে পারে।

এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড চালু করা এবং বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জটিল ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। একটি নতুন ভাতাভোগী তালিকা প্রণয়ন বা কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন, যা মাত্র সাড়ে তিন মাসে বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব। তবে সরকারের আন্তরিকতা, সুশীল সমাজ ও প্রশাসনের সহযোগিতা থাকলে এই সময়ের মধ্যে কিছু মাইলফলক স্থাপন করা সম্ভব। যেমন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, জরুরিভিত্তিতে কিছু আইনি সংস্কারের উদ্যোগ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রাথমিক সাফল্য অর্জন করা যেতে পারে। শেষ পর্যন্ত ১০০ দিনের অগ্রাধিকার নির্ধারণী এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ এবং সৎ অভিপ্রায়, যা জনগণের আস্থা অর্জনে সহায়ক হবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মো. শামীম কালবেলাকে বলেন, নতুন সরকার ১০০ দিনের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে একটি ইতিবাচক কর্মসংস্কৃতি এবং সরাসরি উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেখাতে পারে। অতীত অভিজ্ঞতা বলে, শাসনতন্ত্রের ধারাবাহিকতা, নীতি সমন্বয় এবং জনমত গ্রহণযোগ্যতায় প্রথম পর্যায়ের সফলতা-পরবর্তী রূপান্তরকে সুসংহত করে। এ সময়ে শিক্ষা-দক্ষতার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার রূপরেখা এবং ইশতেহারকে বাস্তবায়িত করার জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা দরকার।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকারের প্রথম একশ দিনই হতে পারে সূর্যের হাসির মতো উজ্জ্বল। সুনির্দিষ্ট দক্ষতা, শিক্ষা ও সুশাসন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার প্রতিফলনে জাতীয় অগ্রগতির নতুন পথ প্রশস্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। বর্তমান সময়কে সংবেদনশীলতা, জবাবদিহি ও দূরদর্শিতার মাপকাঠিতে সফল করতেই হবে। রাষ্ট্রের সব স্তরে সর্বোচ্চ সততা ও দায়িত্বশীলতা হবে প্রাথমিক প্রতিশ্রুতির সফলতা। যার বাস্তবায়নই হবে নতুন সরকারের ভবিষ্যৎ সময়ের দিকদর্শন।

এমএন

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস

Published

on

লভ্যাংশ

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একান্ত সচিব (পিএস) পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিকে আজই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালকের (ডিজি) অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে ড. খান মইনুদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।’ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মাউশির শীর্ষ পদে আসীন হতেই তিনি পিএস পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ড. খান মইনুদ্দিন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার সমিতির আহ্বায়ক এবং বিসিএস ১৬তম ব্যাচের একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলেও তিনি তৎকালীন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে মাউশির মাধ্যমিক উইংয়ের পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

প্রতিশোধ প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

লভ্যাংশ

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা বা অযথা বিতর্ক নয়। জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেওয়ার পর তিনি এ আহ্বান জানান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী একটি চক্র এখনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। তাই জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজন এড়িয়ে চলা সময়ের দাবি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, বিশ্বের সব দেশে জ্বালানি তেল বা ডিজেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে দেশে এখনও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি। এই খাতে প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার আন্তরিকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করছে।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জানান, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, পল্লী উন্নয়ন, সমাজসেবা ও জনপ্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তারেক রহমান বলেন, দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় নেতাদের অবদান যথাযথ সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করা জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করবে না। প্রথমেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কারটি গ্রহন করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তিনি ‘দাদু’র পদক গ্রহণ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ‘স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে’ সার্বিক অবদানের জন্য।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ‘স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে’ সার্বিক অবদানের জন্য।

খালেদা জিয়াসহ মরণোত্তর এই সম্মাননা পেয়েছেন সাতজন। এরা হলেন- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী, সমাজ সেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরী, সংস্কৃতিতে বশির আহমেদ এবং জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান।

মেজর জলিলের পক্ষে তার কণ্যা ব্যারিস্টার সারা জলিল, ড. আশরাফ সিদ্দিকীর পক্ষে তার মেয়ে ড. তাসনিম আরিফা সিদ্দিকা ,জাফরুল্লাহ চৌধুরীর পক্ষে তার ছেলে বারীশ হাসান চৌধুরী, মাহেরীন চৌধুরীর পক্ষে তার স্বামী মনসুর হেলাল, বশির আহমেদের পক্ষে তার হুমায়ারা বশির এবং কাজী ফজলুর রহমানের পক্ষে তার কন্যা তাবাসুম শাহনাজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সংস্কৃতিতে একেএম হানিফ (হানিফ সংকেত), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজ সেবায় সাইদুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) প্রধানমন্ত্রীর কাছে থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার নেন।

অধ্যাপক জহুরুল করিমের পক্ষে তার পুত্র হারুনুর রশীদ এবং একেএম হানিফ, জোবেরা রহমান, সাইদুল হক, মোহাম্মদ আবদুল বাকী, এম এ রহিম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, আবদুল মুকিত মজমুদার প্রত্যেকে নিজে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার নেন।

এ বছর যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারে মনোনীত করা হয়েছে তা হলো, মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসা বিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), জনসেবায় এসওএস শিশু পল্লী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

২০৩৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প: পানিসম্পদমন্ত্রী

Published

on

লভ্যাংশ

পদ্মা অববাহিকার বিশাল কৃষি অঞ্চলকে মরুময়তা থেকে বাঁচাতে ও শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এটি ২০৩৩ সালের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ তথ্য জানান তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে বিস্তৃত এবং যেখানে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি মানুষ বসবাস করে। প্রকল্পটি নদী নির্ভরশীল জনগণের জীবন রক্ষাকারী প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের ধারণা দীর্ঘদিনের। ১৯৬০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সময়ে প্রকল্পটি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মোট চারটি সমীক্ষা পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে ২০০২ সালে প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হয়। ২০০৪ সালে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বিস্তারিত সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হওয়ার পর, প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ নকশা চূড়ান্ত করা হয়।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

এ ধারাবাহিকতায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্পের ডিপিপি ইতোমধ্যেই প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সাল থেকে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

লভ্যাংশ

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এবারের তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র রক্ষা ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছিল। পদকপ্রাপ্ত প্রত্যেকে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং সম্মানি চেক গ্রহণ করেন।

যারা পেলেন স্বাধীনতা পুরস্কার

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা ক্যাটাগরিতে মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল। একই ক্যাটাগরিতে প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এই পদক লাভ করে।

সংস্কৃতিতে বরেণ্য ব্যক্তিত্ব এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) এবং মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন বশির আহমেদ। সাহিত্যে মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন ড. আশরাফ সিদ্দিকী। ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন জোবেরা রহমান লিনু।

সমাজসেবা ও জনসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য এবার একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন– ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠান হিসেবে এস ও এস চিলড্রেন ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এই সম্মাননা পেয়েছে।

গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি), অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এই সম্মাননা লাভ করেন। এ ছাড়া জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আব্দুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে দেশের উন্নয়নে তাদের অবদানের কথা স্মরণ করেন। মন্ত্রিসভার সদস্য, পদস্থ কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন নাতনি জাইমা রহমান

Published

on

লভ্যাংশ

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেয়া ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ গ্রহণ করেছেন তার নাতনি জাইমা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার বড় ছেলে তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ দেওয়ার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মনোনীত অন্য ব্যক্তিরা হলেন, মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত),বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।

এ ছাড়া মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো— মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেয়া হয়। সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার6 hours ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার6 hours ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসি’র ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির তাঁর স্ত্রী, পুত্র ও দুই কন্যার নামে মোট ৪৬...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার8 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারীর সঙ্গে বিএসইসির বৈঠক

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনির সঙ্গে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ঊর্ধ্বতনের...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার10 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ২৬ কোটি টাকার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৬ কোটি...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার10 hours ago

দরপতনের শীর্ষে প্রিমিয়ার লিজিং

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার11 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে লিগাসি ফুটওয়ার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪টি কোম্পানির মধ্যে ১৩১টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার11 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার6 hours ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার6 hours ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

লভ্যাংশ
প্রবাস6 hours ago

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

লভ্যাংশ
আইন-আদালত7 hours ago

হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

লভ্যাংশ
আইন-আদালত7 hours ago

কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

লভ্যাংশ
জাতীয়7 hours ago

পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক7 hours ago

জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পাকিস্তান নৌবাহিনী

লভ্যাংশ
জাতীয়7 hours ago

প্রতিশোধ প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
অর্থনীতি7 hours ago

এপ্রিলের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার

লভ্যাংশ
বিনোদন8 hours ago

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার6 hours ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার6 hours ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

লভ্যাংশ
প্রবাস6 hours ago

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

লভ্যাংশ
আইন-আদালত7 hours ago

হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

লভ্যাংশ
আইন-আদালত7 hours ago

কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

লভ্যাংশ
জাতীয়7 hours ago

পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক7 hours ago

জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পাকিস্তান নৌবাহিনী

লভ্যাংশ
জাতীয়7 hours ago

প্রতিশোধ প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
অর্থনীতি7 hours ago

এপ্রিলের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার

লভ্যাংশ
বিনোদন8 hours ago

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার6 hours ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার6 hours ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

লভ্যাংশ
প্রবাস6 hours ago

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

লভ্যাংশ
আইন-আদালত7 hours ago

হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

লভ্যাংশ
আইন-আদালত7 hours ago

কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

লভ্যাংশ
জাতীয়7 hours ago

পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক7 hours ago

জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পাকিস্তান নৌবাহিনী

লভ্যাংশ
জাতীয়7 hours ago

প্রতিশোধ প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
অর্থনীতি7 hours ago

এপ্রিলের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার

লভ্যাংশ
বিনোদন8 hours ago

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত