কর্পোরেট সংবাদ
দেশের ২৯টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাথে যুক্ত হলো নগদ, বিল দিন নিমিষেই
বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল লেনদেন আরও সহজ করতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের পরিধি বাড়িয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’। এখন থেকে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) আরও ২০টি অঞ্চলের গ্রাহকেরা নগদের মাধ্যমে তাদের বিদ্যুৎ বিল প্রদান করতে পারবেন। এর ফলে দেশের ২৪টি জেলার মোট ২৯টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকেরা ঝামেলা ছাড়াই মুহূর্তের মধ্যে বিল পরিশোধের সুবিধা পাবেন।
নতুন এই ২০টি সমিতি যুক্ত হওয়ার ফলে বিআরইবি-র অর্ধেকের বেশি গ্রাহক নগদের মাধ্যমে বিল দিতে পারবেন। প্রত্যেক গ্রাহক অ্যাপের মাধ্যমে এই সুবিধা নিতে পারবেন। সে জন্য অ্যাপে ‘বিল পে’ ট্যাবে গিয়ে ‘ইলেকট্রিসিটি’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘আরইবি পোস্টপেইড’ নির্বাচন করে বিল প্রদান করা যাবে।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ২০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) পোস্টপেইড বিল প্রদান করা যাবে নগদ অ্যাপ ব্যবহার করে। সমিতিগুলো হলো- ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪, নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, ঝালকাঠি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
এর আগে নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, রাজবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ও টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকেরা নগদের মাধ্যমে তাদের বিদ্যুৎ বিল প্রদান করে আসছেন।
বাংলাদেশের ৮০ ভাগ বিদ্যুৎ গ্রাহক আছেন আরইবির অধীনে। আর দেশের ৮ কোটির বেশি গ্রাহক আছেন নগদে। এই দুটি প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালে চুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকের জীবন আরো বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে কাজ করছে। নতুন যুক্ত হওয়া সমিতিগুলোর গ্রাহকেরাও এখন থেকে নগদের পল্লী বিদ্যুৎ বিল সেবা গ্রহণ করতে পারবেন মুহূর্তেই।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
দি প্রিমিয়ার ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুর মফিজ
দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের ভিত্তিতে মো. মনজুর মফিজকে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আগামী তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার এই নিয়োগ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে।
এর আগে তিনি ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চলতি দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এ বিষয়ে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, মো. মনজুর মফিজ ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ।
আমরা বিশ্বাস করি, তার দক্ষ নেতৃত্ব ব্যাংকের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিন দশকেরও বেশি সময়ের সমৃদ্ধ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিয়ে মো. মনজুর মফিজ ১৯৯৩ সালে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ডাচ-বাংলা ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, এবি ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে ফাইন্যান্সে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। করপোরেট ব্যাংকিং, ফান্ড ম্যানেজমেন্ট, রিটেইল ও এসএমই ডিপোজিট বৃদ্ধি এবং এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে তার উল্লেখযোগ্য দক্ষতা রয়েছে।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের ত্রৈমাসিক ব্যবসায় পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৯টি জোন ও ৪টি কর্পোরেট শাখার ত্রৈমাসিক ব্যবসায় পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ের ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আলতাফ হুসাইন সভায় সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম।
এছাড়া ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টরবৃন্দ, প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা, ৯টি জোনের জোনপ্রধান এবং ৪টি কর্পোরেট শাখার প্রধানরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি, লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কার্যপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কর্পোরেট সংবাদ
সরকারি ভাতা বিতরণে শীর্ষে নগদ, দেড় কোটি সুবিধাভোগীর পছন্দ
সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন ধরনের ভাতা বিতরণে আগের মতোই সমান জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ। গত কয়েক বছরের নিরবছিন্ন সেবা প্রদানের ধারাবাহিকতায় উন্মুক্ত ভাতা বিতরণ কার্যক্রমেও উপকারভোগীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে নগদ।
চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে মোট এক কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৭৯ জন সুবিধাভোগী স্বাচ্ছন্দ্যে সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য নগদকে তাদের পছন্দ প্রথম তালিকায় রেখেছেন। আগের মতোই তারা নগদের মাধ্যমেই সরকারি এই সুবিধা পেতে চেয়েছেন। এই প্রান্তিকে সুবিধাভোগীরা বেশ কয়েকটি ভাগে নগদের মাধ্যমে মোট তিন হাজার ৪৯ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৯ টাকার সরকারি সহায়তা পেয়েছেন।
এরমধ্যে (জানুয়ারি-মার্চ) নগদের মাধ্যমে বিতরণ হওয়া সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা এবং টাকার পরিমাণ ছিল সবচেয়ে বেশি। এই প্রান্তিকে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার মোট উপকারভোগী ছিল এক কোটি ৩১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৮ জন। তারা নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মোট দুই হাজার ৮৭৮ কোটি ৩৪ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ টাকা পেয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় টাকার এই অঙ্ক ৩০০ কোটি বেশি।
এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তির মোট চার লাখ ১২ হাজার ৬৯৭ জন উপকারভোগীর কাছে এই তিন মাসে মোট ৩২ কোটি ৬৭ লাখ ৮৫ হাজার ১৯২ টাকা সফলভাবে পৌঁছে দিয়েছে নগদ। একই সময়ে সেলাই ও এমব্রয়ডারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পাঁচ হাজার ৭৮৫ জন শিক্ষার্থীর কাছে দুই কোটি ৬৮ লাখ ৩১ হাজার ২৭২ টাকা বিতরণ করেছে নগদ। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি।
কারিগরি শিক্ষা উপবৃত্তির এক লাখ ২২ হাজার ৯৩৭ জন শিক্ষার্থীর কাছে নগদের মাধ্যমে পৌঁছে যায় ৪৫ কোটি ৫৮ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮০ টাকা। যা গতবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১০ কোটি টাকা বেশি। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি মোট ৩৮ হাজার ৫৫ জন উপকারভোগীর কাছে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ১৬ হাজার ৬২১ টাকা বিতরণ করেছে ডাক বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই প্রতিষ্ঠানটি। মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১০ লাখ ১১ হাজার ৫৫৭ জনের কাছে ৮৬ কোটি ৪৯ লাখ ৯৫ হাজার ২১৭ টাকা পৌঁছে দিয়েছে নগদ।
এসব অঙ্কের বাইরেও একই সময়ে সরকার সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির অর্থ বিতরণও নগদের মাধ্যমে করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম বলেন, “ভাতা, উপবৃত্তি ও সরকারি অনুদান বিতরণে নগদ সব সময়েই গ্রাহকের পছন্দের ওপরের দিকে থাকে। নগদের ওপর আস্থা রাখায় আমরা গ্রাহক এবং সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। আমরা মনে করি, গুণগত গ্রাহক সেবার কারণেই নগদের ওপর সবাই আস্থা রাখছেন। ফলে প্রতি প্রান্তিকেই নগদের মাধ্যমে ভাতাভোগীর সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে টাকার অঙ্কও।”
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সরকার ৯ হাজার কোটি টাকার সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা নগদের মাধ্যমে বিতরণ করে। চলতি অর্থবছরে এই অঙ্ক আরো অনেক বড় হবে। সহজে যেকোনো জায়গায় নগদের ক্যাশ আউট করার সুবিধা ও সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জের জন্য শুরু থেকেই ভাতাভোগীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে নগদ।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
রেমিট্যান্স সংগ্রহে শীর্ষ ১০ পুরস্কার পেল রূপালী ব্যাংক
রূপালী ব্যাংক পিএলসি ২০২৫ সালে রেমিট্যান্স সংগ্রহে দেশের সেরা ১০ ব্যাংকের স্বীকৃতি পেয়ে “শীর্ষ ১০ পুরস্কার” লাভ করেছে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর এনআরবি’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজ ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক
সেন্টার ফর এনআরবি’র চেয়ারপার্সন এম. এস. সেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিভিন্ন খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রূপালী ব্যাংকের পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন ব্যাংকের রেমিট্যান্স বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক এ. কে. এম. জাকির হোসেন।
রেমিট্যান্স আহরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে এই অর্জন রূপালী ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
কর্পোরেট সংবাদ
বিমানের নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদ
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন এভিয়েশন শিল্পে অভিজ্ঞ সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদ। এই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি আজ ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিমানে কাজে যোগদান করেছেন।
সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদের এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রিতে ২২ বছরের এবং একাউন্টস, ম্যানেজমেন্ট ও কাস্টমার সাপোর্ট-এ ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। অতীতে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফেব্রুয়ারী ২০০৪ থেকে জুলাই ২০০৭ পর্যন্ত তিনি বিমানের লন্ডন স্টেশনে কান্ট্রি ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিমানে ম্যানেজার (কার্গো সেলস) এবং অর্গানাইজেশন অ্যান্ড মেথড (O&M) অফিসার ও সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিমানের কর্মরত অবস্থায় তিনি বিমানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিকল্পনা, বিক্রয় বৃদ্ধি, স্টেশন কার্যক্রম সমন্বয়, কর্মী ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতার পরিচয় দেন। পরবর্তী পেশাগত জীবনে যুক্তরাজ্যে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেসরকারি ট্রাভেল ও এভিয়েশন খাতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল সাইকোলজি ও এডভান্স স্ট্যাটেস্টিক্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিপ্লোমা ও বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদ-কে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো যাচ্ছে। তাঁর দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে জাতীয় পতাকাবাহী এই সংস্থার কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে বলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স প্রত্যাশা করে।



