Connect with us

জাতীয়

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতেছে, রাষ্ট্র ও সংবিধানে কী কী বদল আসবে

Published

on

ব্লক

বিপুল ব্যবধানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ভোট জিতেছে। এর মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পথ খুলল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা তিনটায় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখের কিছু বেশি। সচিব আখতার হোসেন জানান, গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন। ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

‘হ্যাঁ’ জয়ে কী হবে

গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হওয়ার ফলে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পথ খুলল। এতে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কিছুটা কমার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কিছু ক্ষেত্রে বাড়বে। সাংবিধানিক পদে নিয়োগ হবে ক্ষমতাসীন দল, বিরোধী দল ও ক্ষেত্রবিশেষে বিচার বিভাগের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে। বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, প্রায় সব নির্বাহী কর্তৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া রাষ্ট্রপতিকে অন্য যেকোনো কাজ করতে হয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী।

এ ছাড়া কোনো বিষয়ে সংসদে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনতার আওতা বাড়বে। সব মিলিয়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরির সম্ভাবনা বাড়বে।

‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হওয়ায় আগামী সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট। সংবিধান সংশোধন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসবে। কোনো একটি দলের চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সংবিধান সংশোধন করা কঠিন হবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। এরপর সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের অঙ্গীকার করে। এ লক্ষ্যে ২০২৪ সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করে। এরপর আরও কয়েকটি খাতে সংস্কারের সুপারিশ দিতে কমিশন করা হয়।

প্রথমে গঠন করা ছয়টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলোর মধ্যে ১৬৬টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়। ৩০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কমিশনের দীর্ঘ আলোচনা শেষে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য ও সিদ্ধান্ত হয়। এগুলো নিয়ে তৈরি করা হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ।

এই প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত। অন্য প্রস্তাবগুলো সরকারি আদেশ, অধ্যাদেশ জারি বা আইন বিধি করে বাস্তবায়ন সম্ভব। বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের কিছু প্রস্তাব ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

কিন্তু সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো অধ্যাদেশ বা কোনো আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের সুযোগ নেই। জুলাই জাতীয় সনদে থাকা সংবিধান-সম্পর্কিত এই ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে গতকাল অনুষ্ঠিত হয় গণভোট। এসব প্রস্তাবের মধ্যে ১৯টি মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব হিসেবে চিহ্নিত করেছিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

মূলত সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলোর বাস্তবায়নে তিনটি স্তর। প্রথমত, আইনি ভিত্তি দিতে আদেশ জারি। গত ১৩ নভেম্বর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ জারি করেন রাষ্ট্রপতি।

বাস্তবায়নের দ্বিতীয় স্তরে হয়েছে গণভোট। এই গণভোট হয়েছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কার-সম্পর্কিত অংশ নিয়ে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় এখন তৃতীয় স্তর শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে। সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংস্কার পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের ফলাফল অনুসারে সংস্কার সম্পন্ন করবে। তবে পরিষদ নির্দিষ্ট সময়ে সংবিধান সংস্কার না করলে কী হবে, তা বাস্তবায়ন আদেশে উল্লেখ নেই।

সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী, এক ব্যক্তি জীবনে সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের পদে থাকবেন না, এমন বিধানও প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির ভিন্নমত ছিল।

এখন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতিকে কাজ করতে হয়। তবে জুলাই সনদের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে কারও পরামর্শ বা সুপারিশ ছাড়াই নিজ এখতিয়ারে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিতে পারবেন।

জুলাই সনদে আইনসভা বা সংসদকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করা এবং উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে গঠন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, সংবিধান সংশোধন করতে নিম্নকক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ এবং উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন লাগবে।

এমএন

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

‘জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে’

Published

on

ব্লক

জ্বালানি তেলের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সতর্ক নজর রাখছে। জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, দাম সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) জ্বালানি বিভাগের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশজুড়ে অবৈধভাবে মজুদ করা ২ লাখ ৮৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি সতর্ক করেছেন, জনগণের মধ্যে এখনও অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে এবং অনেকেই বাড়িতে অতিরিক্ত তেল মজুদ করছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও দুইটি কার্গো আসছে। এপ্রিলে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার টন জ্বালানি তেল কয়েকটি জাহাজের মাধ্যমে দেশে পৌঁছাবে, যার মধ্যে একটি জাহাজ আজ এবং আরেকটি ৩ এপ্রিল পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন, এভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করলে বাজারে জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং জনগণকে অতিরিক্ত মজুদের জন্য উদ্বুদ্ধ হওয়া রোধ করা যাবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি

Published

on

ব্লক

পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ১০৪৬ জন আহত হয়েছে। একই সময়ে রেলপথে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত, ২২৩ জন আহত হয়েছে। নৌপথে ০৮টি দুর্ঘটনায় ০৮ জন নিহত, ১৯ জন আহত ও ০৩ জন নিখোঁজ রয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে সর্বমোট ৩৭৭টি দুর্ঘটনায় ৩৯৪ জন নিহত ও ১২৮৮ জন আহত হয়েছে।

গণমাধ্যম বিশ্লেষণে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। একই সময়ে জাতীয় অর্থোপেডিক (পঙ্গু) হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ২১৭৮ জন ভর্তি হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই তথ্য তুলে ধরেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ঈদযাত্রা শুরুর দিন ১৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ২৮ মার্চ পর্যন্ত বিগত ১৫ দিনে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ১০৪৬ জন আহত হয়েছে। বিগত ২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ও ৮২৬ জন আহত হয়েছিল। বিগত বছরের সাথে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ৮.৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৮.২৬ শতাংশ, আহত ২১.০৫ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল।

এবারের ঈদে ১২৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন নিহত, ১১৪ জন আহত হয়েছে। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৬.১২ শতাংশ, নিহতের ৩৮.৪৬ শতাংশ এবং আহতের ১০.৮৯ শতাংশ প্রায়।

এই সময় সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৭১ জন চালক, ৫৫ জন শিশু, ৫৪ জন পথচারী, ৫১ জন নারী, ৪২ জন শিক্ষার্থী, ১০ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৭ জন শিক্ষক, ০৪ জন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য, ০৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ০৩ জন প্রকৌশলী, ০২ জন সাংবাদিক, ০১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ০১ জন চিকিৎসকের পরিচয় মিলেছে।

সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২৭.১৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৭.৭৩ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ১৬.২২ শতাংশ বাস, ১৫.২৮ শতাংশ ব্যাটারীচালিত রিক্সা, ৮.৪৯ শতাংশ কার-মাইক্রো, ৭.৭৩ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৭.৩৫ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।

দুর্ঘটনার ৩৫.৮৩ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩২.৩৬ শতাংশ পথচারীকে গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা, ২২.২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায়, ০.৫৭ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনে, ০.৫৭ শতাংশ চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ও ৮.৩৮ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৪৩.০৬ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০.০৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২১.৯৬ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এ ছাড়া সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪.০৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.২৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৫৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার শপথ গ্রহণের ০২ দিন পরে রমজান শুরু, এক মাসের মাথায় ঈদযাত্রা। নতুন সরকারের ব্যর্থতা খুঁজতে নয়; বরং সরকারকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার মানসে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ঈদযাত্রায় প্রাণহানির পরিসংখ্যান তুলে ধরছি।

তিনি আরও বলেন, সরকার নতুন হলেও পুরনো আমলা, পূর্বের মাফিয়া নেতাদের অনুসারী বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের বর্তমান সরকার সমর্থিত নেতাদের চাপে আওয়ামী লীগ সরকারের মতো এবারও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআরটিএ, বিআইডব্লিউটিএসহ পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সস্থার ঈদ ব্যবস্থাপনা সভায় লাখো যাত্রীর পক্ষে কথা বলার মতো যাত্রী ও নাগরিক সমাজের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। মালিকরা একচেটিয়া সুবিধা লুফে নিতে এমন অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠন প্রভাবমুক্ত থাকায় ঈদযাত্রা খানিকটা স্বস্তিদায়ক হয়েছিল, যা সর্বমহলে প্রশংসা পেয়েছে। এবারের ঈদে বাস মালিক সমিতি এবং শ্রমিক ফেডারেশনের প্রভাবের কারণে ভাড়া নৈরাজ্য ও সড়ক দুর্ঘটনা, পরিবহনের বিশৃঙ্খলা অতীতের দুটি ঈদের তুলনায় বেড়েছে। সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা ছিল বাস মালিক সমিতি নিয়ন্ত্রিত। ফলে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পদ্ধতি অনুসরণের কারণে সড়ক পরিবহন সেক্টরে সরকারের কিছু কিছু কর্মকাণ্ড ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।

দুর্ঘটনার কারণসমূহ
দেশের সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা অবাধে চলাচল। জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকা, রেলক্রসিংয়ে হঠাৎ বাস উঠে আসা। সড়কে মিডিয়ামে রোড ডিভাইডার না থাকা, অন্ধবাঁকে গাছপালায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি। মহাসড়কের নির্মান ত্রুটি, যানবাহনের নানাবিধ ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।

উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন। অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন। বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানো। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যের কারণে বাসের ছাদে, খোলা ট্রাক ও পিকআপে, ট্রেনের ছাদে, বাসের ইঞ্জিন বনাটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীসাধারণের যাতায়াত।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ
সড়কে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো। ভাড়া আদায়ে স্মার্ট পদ্ধতি চালু করা। মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশা আমদাদি ও নিবন্ধন বন্ধ করা। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতে অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা। দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ, যানবাহনের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস প্রদান। বিআরটিএ অনুমোদিত ড্রাইভিং স্কুলের সরকার ঘোষিত ৬০ ঘণ্টা ইনক্লুসিভ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করা। পরিবহন সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, মালিক সমিতির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা। সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা।

মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা। উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেফটি অডিট করা।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইউনিট চালু করা। ঈদযাত্রা একসাথে এত বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি নানা পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি ঢাকার ওপর জনসংখ্যার চাপ কমানোর দাবি জানানো হয়েছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন যাত্রী কল্যাণ সমিতি অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সদস্য আলমগীর কবির, মনজুর হোসেন ঈসা, ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি বাদল আহমেদ, মনজুর হোসেন, আজাদ হোসেন টিপু প্রমুখ।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আবু তাহের নদভীর ইন্তেকাল

Published

on

ব্লক

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি, জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার মহাপরিচালক এবং ইত্তিহাদুল মাদারিসিল কওমিয়া বাংলাদেশের সভাপতি দেশের শীর্ষ আলেমে দ্বীন পীরে কামেল আল্লামা আবু তাহের নদভী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে তিনি বন্দর নগরী চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তার ইন্তেকালে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়খ সাজিদুর রহমান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মুফতি কিফয়াতুল্লাহ আজহারী গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত জানিয়েছেন।

ওই শোকবার্তায় হেফাজত নেতারা বলেন, আল্লামা আবু তাহের নদভী ছিলেন একজন প্রাজ্ঞ আলেম, দক্ষ সংগঠক এবং দ্বীনের একনিষ্ঠ রাহবার। তার ইলমি অবদান, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে নিরলস প্রচেষ্টা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার ইন্তেকালে দেশ একজন নিবেদিতপ্রাণ আলেম ও অভিভাবককে হারাল। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন, যেন তিনি মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন, তার কবরকে প্রশস্ত ও নূরে ভরপুর করে দেন এবং তার সব ভুলত্রুটি মাফ করে দেন।

এছাড়া শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তারা বলেন, মহান আল্লাহ যেন তাদের এই শোক সহ্য করার তাওফিক দান করেন।

উল্লেখ্য, মরহুমের জানাজা সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

ব্লক

আগামী ৭ এপ্রিল দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই কোনো বাংলাদেশি মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এই সফর কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দিক থেকেই নয়, আঞ্চলিক কূটনীতির ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ। সফরের অংশ হিসেবে তিনি পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে অংশ নেবেন। দিল্লি হয়ে তাঁর মরিশাস যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সফরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির তাঁর সঙ্গে থাকবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সফরের প্রথম দিনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ভারত সরকারের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারকের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়েও আলোচনা চলছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সূত্র জানায়, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হারদ্বীপ সিং পুরির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান গতিপ্রকৃতি বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে। বিশেষ করে বাণিজ্য, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা—এসব বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

রপ্তানি ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ

Published

on

ব্লক

রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি তথা অর্থনৈতিক কূটনীতির সফল প্রয়োগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্কোন্নয়নে সরকার সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদ বাবুর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রশ্নের জবাব দেন। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই ও বহুমাত্রিক করে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের আলোকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি তথা অর্থনৈতিক কূটনীতির সফল প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে আন্তর্জাতিক সম্পর্কোন্নয়নে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, ইউরোপ, আমেরিকার মতো প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি দেশি পণ্যের নতুন নতুন বাজার অনুসন্ধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের উদীয়মান অর্থনীতির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা হচ্ছে।

সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (পিটিএ) এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলমান রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে আমাদের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কও জোরদার হবে। এ প্রসঙ্গে আমরা পুনরায় মহান সংসদ ও দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই দর্শনকে ধারণ করেই বর্তমান সরকার এসব চুক্তি সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার8 hours ago

ব্লক মার্কেটে ৩৪ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৪২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার8 hours ago

দরপতনের শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার8 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে হাক্কানী পাল্প

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ১১১টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার9 hours ago

শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে একমি পেস্টিসাইড

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড। ঢাকা স্টক...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার9 hours ago

সূচকের পতনে লেনদেন ছাড়ালো ৬৬৩ কোটি টাকা

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার12 hours ago

জেড ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার12 hours ago

সূচকের মিশ্র প্রবণতা, দেড় ঘণ্টায় লেনদেন ২৪৭ কোটি টাকা

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম দেড়...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
ব্লক
সারাদেশ4 hours ago

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সাক্ষাৎ

ব্লক
আন্তর্জাতিক4 hours ago

জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন কৌশল, পাকিস্তানে শিগগিরই লকডাউন

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

‘জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে’

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আবু তাহের নদভীর ইন্তেকাল

ব্লক
অর্থনীতি5 hours ago

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও রিজার্ভ ও আমদানি নিয়ে উদ্বেগ নেই: গভর্নর

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্লক
সারাদেশ5 hours ago

রাজশাহী মেডিকেলে মৃত ২৯ শিশুর কারোরই হাম শনাক্ত হয়নি

ব্লক
খেলাধুলা5 hours ago

বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার চুক্তি বাতিল করল জিওস্টার

ব্লক
আইন-আদালত5 hours ago

৬ দিনের রিমান্ডে সাবেক সেনাকর্মকর্তা আফজাল নাছের

ব্লক
সারাদেশ4 hours ago

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সাক্ষাৎ

ব্লক
আন্তর্জাতিক4 hours ago

জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন কৌশল, পাকিস্তানে শিগগিরই লকডাউন

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

‘জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে’

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আবু তাহের নদভীর ইন্তেকাল

ব্লক
অর্থনীতি5 hours ago

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও রিজার্ভ ও আমদানি নিয়ে উদ্বেগ নেই: গভর্নর

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্লক
সারাদেশ5 hours ago

রাজশাহী মেডিকেলে মৃত ২৯ শিশুর কারোরই হাম শনাক্ত হয়নি

ব্লক
খেলাধুলা5 hours ago

বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার চুক্তি বাতিল করল জিওস্টার

ব্লক
আইন-আদালত5 hours ago

৬ দিনের রিমান্ডে সাবেক সেনাকর্মকর্তা আফজাল নাছের

ব্লক
সারাদেশ4 hours ago

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সাক্ষাৎ

ব্লক
আন্তর্জাতিক4 hours ago

জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন কৌশল, পাকিস্তানে শিগগিরই লকডাউন

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

‘জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে’

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আবু তাহের নদভীর ইন্তেকাল

ব্লক
অর্থনীতি5 hours ago

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও রিজার্ভ ও আমদানি নিয়ে উদ্বেগ নেই: গভর্নর

ব্লক
জাতীয়5 hours ago

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্লক
সারাদেশ5 hours ago

রাজশাহী মেডিকেলে মৃত ২৯ শিশুর কারোরই হাম শনাক্ত হয়নি

ব্লক
খেলাধুলা5 hours ago

বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার চুক্তি বাতিল করল জিওস্টার

ব্লক
আইন-আদালত5 hours ago

৬ দিনের রিমান্ডে সাবেক সেনাকর্মকর্তা আফজাল নাছের