সারাদেশ
ভোট শেষ হওয়ার আগেই রেজাল্ট শিটে অগ্রিম স্বাক্ষর: প্রিজাইডিং কর্মকর্তার ‘ভুল’ স্বীকার
মাদারীপুর-২ আসনের রাজৈর উপজেলার ৮৪নং নরারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে রেজাল্ট শিটে অগ্রিম স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রিজাইডিং অফিসার বাকি বিল্লাহর বিরুদ্ধে।
তিনি সরমঙ্গল ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে ভুল স্বীকার করেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে বিষয়টি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহানের নজরে এলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন। পরে প্রশাসনের যাচাই-বাছাইয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অভিযোগের পর জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলমকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজ উল আলমকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ইউএনও ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বাক্ষরিত রেজাল্ট শিট জব্দ করেন।
এ বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসার বাকি বিল্লাহ বলেন, কাজ এগিয়ে রাখার জন্য স্বাক্ষরগুলো নিয়ে রেখেছিলাম। আমার ভুল হয়ে গেছে।
রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজুল হক বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পাওয়া যায়। স্বাক্ষরিত শিটগুলো জব্দ করে নতুন শিট সরবরাহ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএন
সারাদেশ
এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটকক্ষে গিয়ে জানলেন আগেই ভোট দেওয়া হয়ে গেছে
গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর ও গাজীপুর সদরের একাংশ) আসনে ভোট দিতে গিয়ে বিপাকে পড়েন লাকী বেগম নামে এক নারী ভোটার। প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটকক্ষে প্রবেশ করার পর তিনি জানতে পারেন, তার ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মহিলা ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ।
ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—
- সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হারেছা খাতুন
- পোলিং কর্মকর্তা মাসুম খান
- পোলিং কর্মকর্তা সালমা আক্তার
হারেছা খাতুন গিলাশ্বর বালিকা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক এবং সালমা আক্তার দক্ষিণ ভাংনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। মাসুম খানের কর্মস্থলের তথ্য জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, সকালে ভোট দিতে কেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়ান লাকী বেগম। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ভোটগ্রহণ কক্ষে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার ভোট ইতোমধ্যে প্রদান করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেন।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি কীভাবে ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে।’
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সজীব আহমেদ বলেন, ‘একজন ভোটার অভিযোগ করেছিলেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরে ওই নারী ভোটারের ভোট নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী টেন্ডার ভোট হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।’
এমএন
সারাদেশ
মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৫
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের একটি ভোটকেন্দ্রের পাশে কয়েক দফা ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং একপর্যায়ে আলুর জমিতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় ৫ জনকে আটক করা হয়। একটি অবিস্ফোরিত ককটেলও উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মাকহাটি গুরুচরণ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কাছে এ ঘটনা ঘটেছে। এতে কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়।
গ্রেফতাররা: রহমত মাঝি (৪২), পারভেজ মাঝি (২৭), মো. কামাল (৩৭), আরশাদ মাঝি ও সালিম মাঝি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রথম বিস্ফোরণের ঘটে। তারপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হলেও বেলা ১২টার দিকে আরও দুই দফা ককটেল বিস্ফোরণ হয়। সেনাবাহিনী পৌঁছালে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করা ৫ জনকে আটক করা হয়।
এর আগে ভোররাতে মোল্লাকান্দির মহেশপুর এলাকা থেকে নাহিদ নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্য অনুসারে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২০টি ককটেলও উদ্ধার করা হয়।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা তীতুমীর জানান, বিস্ফোরণের সময় ভোটকেন্দ্রে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দৌড়াদৌড়ি শুরু হলে কেন্দ্রের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসার ৭–৮ মিনিট পর গেট খুলে দেওয়া হয় এবং ভোটগ্রহণ পুনরায় শুরু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফুটবল এবং ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে কেন্দ্রের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী এবং পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন আলী জানিয়েছেন, কেন্দ্রটিতে আইনশৃঙ্খলা জোরদার করা হয়েছে।
এমএন
সারাদেশ
ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে ফরিদপুরে বিএনপি ও খেলাফতের তিন নেতাকর্মী আটক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ফরিদপুরের সালথায় ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অভিযোগে বিএনপি ও খেলাফত মজলিসের তিন নেতাকর্মীকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সালথা উপজেলার ইউসুফদিয়া, নারানদিয়া ও জয়ঝাপ ভোট কেন্দ্র থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, ফরিদপুর খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা মো. আমজাদ হোসেন, সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ও মো. রবিউল। বিএনপি নেতা আবুল কামালকে জয়ঝাপ স্কুল ভোটকেন্দ্র এলাকা থেকে, খেলাফত নেতা আমজাদকে নারানদিয়া স্কুল ভোটকেন্দ্র এলাকা থেকে ও রবিউলকে ইউসুফদিয়া স্কুল ভোটকেন্দ্র এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, জয়ঝাপ, ইউসুফদিয়া ও নারানদিয়া স্কুল ভোটকেন্দ্রে কারচুপি ও বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে তিনকে আটক করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিবে। এতে যদি কেউ বাধা দেন, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারী রিটানিং অফিসার ও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আইনি ব্যবস্থা নেবেন। নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে। আমরা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে চাই।
এমএন
সারাদেশ
ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে নগদ টাকাসহ জামায়াতের ওয়ার্ড আমির আটক
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার রিজিয়া খাতুন প্রভাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের আমির শরীফ হাসানকে (৫৫) নগদ টাকাসহ আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে কেন্দ্রের সামনে থেকে এ ঘটনা ঘটে।
নেজারত শাখার ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দীন আল আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক শরীফ পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। তার কাছে থেকে নগদ ৭৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির মো. শরীফ পৌর এলাকার প্রভাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। স্থানীয়দের নজরে এলে তারা বিষয়টি জানায় পুলিশকে। কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে নগদ টাকাসহ আটক করে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নেজারত ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দীন আল আজাদ।
স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ খান বলেন, ‘জামায়াত নেতা শরীফ ভোটারদের নগদ টাকা বিতরণ করছিলেন। আমরা বিষয়টি দেখেছি।’
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, ওই জামায়াত নেতা টাকা রাখার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন। এ ব্যাপারে শরীফ হাসানের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সহিদুর রহমান জানান, পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে শরীফ হাসানকে সোপর্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা ওলামা জামায়েতর সভাপতি শুকুর আলী জানান, বিষয়টি পরিকল্পিত। যে টাকাগুলো ধরা হয়েছে, সেগুলো খাবার ও ভ্যানভাড়ার জন্য তার কাছে ছিলো।
সারাদেশ
বাগেরহাটে জামায়াত-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাগেরহাটের শরণখোলায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাতলা গ্রামে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে চারজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও আরও চারজনকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পথে দাঁড়ানো ও পথ আটকানোকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটি থেকে। এতে জামায়াতে ইসলামীর সাব্বির, তরিকুল, সোবহান, নাজমা ও ফরিদাসহ ১৫ জন এবং বিএনপির রফিকুল, ছিদ্দিকসহ চারজন আহত হয়েছেন।
একই দিন বেলা ১১টার দিকে কচুয়া উপজেলার বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে যৌথ বাহিনী দেশীয় অস্ত্রসহ নাহিদ নামে এক যুবককে আটক করেছে। তার কাছ থেকে রামদা, লাঠিসোঁটা এবং অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বাগেরহাট সদর উপজেলার হাড়িখালী কাঠের পোল এলাকায় যৌথ বাহিনী ফার্নিচারের দোকান থেকে আরও কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. আবদুর রউফ (এন) বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এসব দেশীয় অস্ত্র নাশকতার উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল।
পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী জানান, অপরাধীদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে আর যারা অপরাধ করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এমএন



