জাতীয়
তিতুমীর কলেজ কেন্দ্রে আড়াই ঘণ্টায় ২৫১ ভোট: পরিস্থিতি সুন্দর ও স্বাভাবিক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে রাজধানীর মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজ কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত মোট ২৫১টি ভোট পড়েছে। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ১৮২ জন। সে হিসেবে সকাল ১০টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এখনো ভোট বাকি প্রায় ৯২ দশমিক ১১ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ১০টায় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার মো. শাহিনুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র মহিলা কেন্দ্র। সকাল ১০টা পর্যন্ত ২৫১টি ভোট কাস্ট হয়েছে, পরিস্থিতি সুন্দর ও স্বাভাবিক রয়েছে। মানুষজন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন। এমনটা হলেই সবকিছু সুন্দরভাবে ভোট সম্পন্ন হবে।
অন্যদিকে পুরো কেন্দ্রে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মোট ছয়টি বুথ রয়েছে মহিলা ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন। কেন্দ্রের সামনের সড়কের অস্থায়ী প্রচারণা বুথগুলোতে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
এর আগে, আজ সকাল সাড়ে সাতটায় সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশি সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেরও ব্যাপক নজরদারি রয়েছে। জানা গেছে, ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২৩ জনসহ কমনওয়েলথ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন।
এ ছাড়া আল-জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স ও এপির মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের ১৫০ জন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত আছেন।
এমএন
জাতীয়
ইইউর সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে আশাবাদ
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের (এমসি-১৪) সাইডলাইনে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল রবিবার (২৯ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে উভয় পক্ষ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অন্যদিকে ইইউ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন কমিশনার মারোস সেফকোভিচ। উপস্থিত ছিলেন ট্রেড ডিরেক্টর জেনারেল সাবিন ওয়েয়ান্ডসহ সংশ্লিষ্টরা।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউর অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরো সম্প্রসারণে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে দেশের অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যা টেকসই প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।
আসন্ন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সময়সীমা আরো তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানান মন্ত্রী। তাঁর মতে, এতে রপ্তানি প্রতিযোগিতা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবেলা সহজ হবে। একই সঙ্গে ইইউর সঙ্গে দ্রুত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রী আরো জানান, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সম্পন্ন করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ ও সিইপিএ নিয়ে আলোচনা চলছে।
শ্রম খাতে সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে এবং সংশোধিত শ্রম আইন শিগগিরই প্রণয়ন করা হবে।
ইইউর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণে সময় বৃদ্ধির অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি শ্রম খাতে চলমান সংস্কারের প্রশংসা করা হয়। প্রস্তাবিত এফটিএ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষে মূল্যায়নের কথাও জানানো হয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সমতাভিত্তিক পরিবেশ, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। ইইউ ভারসাম্যপূর্ণ সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, আর বাংলাদেশ বৈষম্যহীন ও ন্যায়সংগত আচরণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
বৈঠক শেষে ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয় বাংলাদেশ ও ইইউ।
জাতীয়
ক্রীড়া কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রথমবারের মতো সরকারি পর্যায়ে জাতীয় ক্রীড়াবিদদের বেতনের আওতায় আনা হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে তেজগাঁও নিজ কার্যালয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বেতন কাঠামোর আওতায় জাতীয় ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া ভাতা প্রদান কার্যক্রমের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়– “ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা”।
প্রথম পর্যায়ে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হচ্ছে। বেতনের পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সম্মাননাও দেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই বেতন কাঠামোর আওতায় আনা।
যেসব ক্রীড়াবিদ বেতনের আওতায় আসবেন, তাদের প্রতি চার মাস পরপর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে। পারফরম্যান্স বজায় রাখতে পারলে তারা এই সুবিধা অব্যাহত রাখতে পারবেন, আর পারফরম্যান্সে ঘাটতি দেখা দিলে তালিকা থেকে বাদ পড়বেন।
সবার জন্য সমান বেতন নির্ধারণ করা হলেও এর পরিমাণ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
জাতীয়
অবৈধ তেল মজুদকারী ধরতে লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
অবৈধভাবে তেল মজুদকারীদের ধরতে লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যারা তেল অবৈধভাবে মজুদকারীদের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দেবেন, তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হবে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও চক্র অবৈধভাবে তেল মজুদ ও পাচারের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে। এর ফলে সাধারণ জনগণকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে এবং বাজারে অস্থিতিশীলতা দেখা দিচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে সরকার সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধ করতে চায়। নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগ নিশ্চিত করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অবৈধ মজুদকারীদের জন্য আমরা পাম্পগুলোতে বাড়তি সরবরাহ করেও চাহিদা পূরণ করতে পারছি না। মার্চের ১ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ সরবরাহ করেছি। আগের বছর এ সময়ে দৈনিক ১২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন তেল সরবরাহ করা হয়েছিল।
এ বছরের একই সময়ে ২৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি তেল সরবরাহ করা হলেও সামাল দেওয়া যায়নি। কারণ, একদিকে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে তেল নিতে পাম্পে ভিড় করছেন, অন্যদিকে অবৈধ মজুদদাররা তেল মজুদ করছেন। যার ফলে গত ৬ মার্চ থেকে ফের আগের বছরের মতো তেল সরবরাহ দেওয়া হয়। পরে ঈদের আগে আবার ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি তেল সরবরাহ দেওয়া হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।’
বিপিসির চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘এখন প্রতিটি জেলায় ‘ভিজিল্যান্স টিম’ গঠন করে নজরদারি করা হচ্ছে। পাম্পগুলোতে তদারকি বাড়াতে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাম্পে কতটুকু তেল বরাদ্দ পাওয়ার কথা ও কতটুকু পাচ্ছে এগুলো তদারকি করবেন ট্যাগ অফিসাররা। পাশাপাশি সারা দেশেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জরিমানা আদায়ের সঙ্গে করাদণ্ডও দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে যারা অবৈধ মজুদদারীর তথ্য দিচ্ছে, তাদের এক লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
জাতীয়
সংসদে বিল আকারে উঠছে না গণভোট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সদ্য সমাপ্ত গণভোট যে অধ্যাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেটির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাওয়ায় তা বিল আকারে সংসদে পাস করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।
রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোট অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে। যে কারণে এটি করা হয়েছিল, সেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে। এটার অধীনে সামনে আর কোনো গণভোট অনুষ্ঠিত হবে না। তাই এটাকে আবার অনুমোদন করে বিল আকারে নিয়ে এসে আইন বানানোর কোনো অর্থ নেই।
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলো সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। সংসদ অধিবেশন বসার ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশগুলোর ভাগ্য নির্ধারণ করতে হয়। কিন্তু এই অধ্যাদেশের কাজ তো শেষ। এটি কোনো সংবিধানের অংশ ছিল না। আইন প্রণয়ন হয়েছিল একটি গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য, সেই অধ্যাদেশ ব্যবহারও শেষ হয়েছে।
বিশেষ কমিটির বৈঠক সম্পর্কে সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমরা ১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রত্যেকটি নিয়ে আলোচনা করেছি। অনেকগুলো অধ্যাদেশ যেভাবে আছে সেভাবেই পাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিছু কিছু অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে বিল হিসেবে আনা হবে। তবে হাতে সময় কম থাকায় (আগামী ১০ তারিখের মধ্যে) সবগুলোর বিল আনা সম্ভব হবে না। যেগুলো বাকি থাকবে, সেগুলো পরবর্তী সেশনে বিল আকারে নিয়ে আসা হবে।
কমিটির বৈঠকে বিরোধী দলীয় সদস্যদের মতপার্থক্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্য এবং সরকারি দলেরও কয়েকজন সদস্য কিছু কিছু অধ্যাদেশের বিষয়ে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) দিয়েছেন। রিপোর্টে তাদের বক্তব্য যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে। তবে বিল যখন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা উত্থাপন করবেন, তখন ফার্স্ট, সেকেন্ড ও থার্ড রিডিংয়ের সময় সবাই যার যার বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
নির্ধারিত ৩০ দিনের সময়সীমা পার হলে অধ্যাদেশগুলোর কী হবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ৩০ দিনের ভেতরে যে সমস্ত বিল বা অধ্যাদেশ আনা সম্ভব হবে না, সেগুলো অটোমেটিক ল্যাপস (বাতিল) হয়ে যাবে। তাতে অসুবিধার কিছু নেই। আমরা পরবর্তী সেশনে সেগুলো আবার বিল আকারে নিয়ে আসব। যেমন সীমানা নির্ধারণ বা আরপিও—এগুলোর ভবিষ্যৎ ইফেক্ট আছে, তাই এগুলোকে আইনে পরিণত করতে হবে।
মানবাধিকার কমিশন বা পুলিশ অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে তিনি জানান, এগুলো আইন মন্ত্রণালয়ের বিষয় হওয়ায় এ নিয়ে আইনমন্ত্রী বিস্তারিত কথা বলবেন। আগামী ২ এপ্রিল বিশেষ কমিটির রিপোর্ট সংসদে উত্থাপন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জাতীয়
শেষ মুহূর্তে স্থগিত চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর
দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠকে যোগ দিতে আগামী ২ এপ্রিল ঢাকায় আসার কথা ছিল চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন ওয়েইডংয়ের। তবে পদোন্নতিজনিত কারণে তার এই সফর স্থগিত করা হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে বেইজিং থেকে ঢাকায় জানানো হয় উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন ওয়েইডংকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করা হয়েছে। ফলে আগামী ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকটিতে তিনি অংশ নিতে পারবেন না।
এই পরিস্থিতিতে দুই দেশ পররাষ্ট্রসচিবদের বৈঠকটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়।
সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ এপ্রিল রাতে ঢাকায় আসার কথা ছিল সুন ওয়েইডংয়ের। পরদিন ৩ এপ্রিল পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সূচি নির্ধারণ করা ছিল। এ ছাড়া ৪ এপ্রিল দুপুরে ঢাকা ছাড়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করারও কথা ছিল সুন ওয়েইডংয়ের।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুনে দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের শেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বেইজিংয়ে।



