রাজনীতি
যে ১৭৯টি আসনে থেকে লড়বে জামায়াত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোট ২৫৩টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৭৯টি আসনে নির্বাচন করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শরিক দলগুলোর আসনসংখ্যা ঘোষণা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
জামায়াতে ইসলামীর চূড়ান্ত ১৭৯টি আসনের মধ্যে রয়েছে —পঞ্চগড়-২ (বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলা), ঠাকুরগাঁও-১ (ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা), ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর উপজেলা এবং রানীশংকৈল উপজেলার আংশিক), ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ উপজেলা এবং রানীশংকৈল উপজেলার আংশিক), দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলা), দিনাজপুর-২ (বোচাগঞ্জ ও বিরল উপজেলা), দিনাজপুর-৩ (দিনাজপুর সদর উপজেলা), দিনাজপুর-৪ (খানসামা ও চিরিরবন্দর উপজেলা), দিনাজপুর-৬ (নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট উপজেলা), নীলফামারী-১ (ডোমার ও ডিমলা উপজেলা), নীলফামারী-২ (নীলফামারী সদর উপজেলা), নীলফামারী-৩ (জলঢাকা উপজেলা), লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা উপজেলা), লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলা), লালমনিরহাট-৩ (লালমনিরহাট সদর উপজেলা), রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া উপজেলা ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের আংশিক), রংপুর-২ (তারাগঞ্জ ও বদরগঞ্জ উপজেলা), রংপুর-৩ (রংপুর সদর উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনের প্রধান অংশ), রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর উপজেলা), রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ উপজেলা), কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর উপজেলা)।
এ ছাড়া কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও চর রাজিবপুর উপজেলা), গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ উপজেলা), গাইবান্ধা-২ (গাইবান্ধা সদর উপজেলা), গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ী উপজেলা), গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা), জয়পুরহাট-১ (জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলা), জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, কালাই ও ক্ষেতলাল উপজেলা), বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা উপজেলা), বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ উপজেলা), বগুড়া-৩ (আদমদীঘি ও দুপচাঁচিয়া উপজেলা), বগুড়া-৪ (কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলা), বগুড়া-৫ (শেরপুর ও ধুনট উপজেলা), বগুড়া-৬ (বগুড়া সদর উপজেলা), বগুড়া-৭ (গাবতলী ও শাজাহানপুর উপজেলা), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ উপজেলা), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (ভোলাহাট, গোমস্তাপুর ও নাচোল উপজেলা), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা), নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার উপজেলা), নওগাঁ-২ (পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলা), নওগাঁ-৪ (মান্দা উপজেলা), নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর উপজেলা), নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর উপজেলা), রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলা), রাজশাহী-২ (রাজশাহী সদর (সিটি কর্পোরেশন এলাকা), রাজশাহী-৩ (পরা ও মোহনপুর উপজেলা), রাজশাহী-৪ (বাগমারা উপজেলা), রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলা), রাজশাহী-৬ (বাঘা ও চারঘাট উপজেলা), নাটোর-১ (লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা), নাটোর-২ (নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা উপজেলা), নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলা), সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর উপজেলা ও সিরাজগঞ্জ সদরের আংশিক), সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর (আংশিক) ও কামারখন্দ উপজেলা), সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া উপজেলা), সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি ও চৌহালী উপজেলা)।
পাবনা-১ (সাঁথিয়া উপজেলা ও বেড়া উপজেলার আংশিক), পাবনা-২ (সুজানগর উপজেলা ও বেড়া উপজেলার আংশিক), পাবনা-৩ চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলা), পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা), পাবনা-৫ (পাবনা সদর উপজেলা), মেহেরপুর-১ (মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর উপজেলা), মেহেরপুর-২ (গাংনী উপজেলা), কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর উপজেলা), কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা ও মিরপুর উপজেলা), কুষ্টিয়া-৩ (কুষ্টিয়া সদর উপজেলা), চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা) (এ+), ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা উপজেলা) (সি), ঝিনাইদহ-২ (ঝিনাইদহ সদর ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলা), ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলা), ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ উপজেলা ও ঝিনাইদহ সদরের আংশিক), যশোর-১ (শার্শা উপজেলা), যশোর-২ (ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলা), যশোর-৪ (বাঘেরপাড়া ও অভয়নগর উপজেলা), যশোর-৫ (মণিরামপুর উপজেলা), যশোর-৬ (কেশবপুর উপজেলা), মাগুরা-১ (মাগুরা সদর (আংশিক) ও শ্রীপুর উপজেলা), নড়াইল-১ (কালিয়া উপজেলা ও নড়াইল সদরের আংশিক), নড়াইল-২ (নড়াইল সদর (আংশিক) ও লোহাগড়া উপজেলা), বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট উপজেলা), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলা), বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা উপজেলা), বাগেরহাট ৪ (মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা), খুলনা-১ (দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলা), খুলনা-২ (খুলনা সিটি কর্পোরেশন), খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া, ফুলতলা উপজেলা ও ক্যান্টনমেন্ট), খুলনা-৬ (পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলা) (এ+), সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া ও তালা উপজেলা), সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলা), সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলা), সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর উপজেলা), বরগুনা-২ (বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী উপজেলা), পটুয়াখালী-২ (বাউফল উপজেলা), বরিশাল-৪ (হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা), ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলা), পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী উপজেলা), পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলা), টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলা), টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভুঞাপুর উপজেলা), টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী উপজেলা), টাঙ্গাইল-৫ (টাঙ্গাইল সদর উপজেলা), টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর উপজেলা), টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল ও সখিপুর উপজেলা), জামালপুর-২ (ইসলামপুর উপজেলা), জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী উপজেলা), জামালপুর-৫ (জামালপুর সদর উপজেলা), শেরপুর-১ (শেরপুর সদর উপজেলা), শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা), ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা উপজেলা), ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া উপজেলা), নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া ও আটপাড়া উপজেলা), নেত্রকোণা-৪ (মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী উপজেলা), নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা উপজেলা), কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলা), কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলা), কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলা), মুন্সিগঞ্জ-৩ (মুন্সিগঞ্জ সদর ও গজারিয়া উপজেলা), ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা), ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ (আংশিক), সাভার (আংশিক) ও কামরাঙ্গীরচর), ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ উপজেলার আংশিক), ঢাকা-৬ (সূত্রাপুর, কোতোয়ালী (আংশিক) ও গেন্ডারিয়া থানা), ঢাকা-৭ (লালবাগ, চকবাজার, কামরাঙ্গীরচর ও কোতোয়ালী থানার আংশিক), ঢাকা-১০ (ধানমণ্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ ও নিউমার্কেট থানা), ঢাকা-১২ (তেজগাঁও, শিল্পাঞ্চল ও রমনা থানার আংশিক), ঢাকা-১৪ (মিরপুর, শাহআলী ও দারুস সালাম থানা), ঢাকা-১৫ (কাফরুল ও মিরপুর থানার আংশিক), ঢাকা-১৬ (পল্লবী ও রূপনগর থানা), ঢাকা-১৭ (গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট ও ভাসানটেক থানা), গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া উপজেলা), নরসিংদী-৪ (মনোহরদী ও বেলাবো উপজেলা), নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ উপজেলা), নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার উপজেলা)।
রাজবাড়ী-১ (রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা), রাজবাড়ী-২ (পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলা), ফরিদপুর-১ (মধুখালী, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা), ফরিদপুর-৩ (ফরিদপুর সদর উপজেলা), মাদারীপুর-৩ (কালকিনি ও ডাসার উপজেলা), গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার আংশিক), শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া উপজেলা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার আংশিক), সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা উপজেলা), সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা), সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলা), সিলেট-১ (সিলেট সদর উপজেলা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন), সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা), সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা), সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা), মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা), মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া উপজেলা), হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর উপজেলা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া উপজেলা), কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা), কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর উপজেলা), কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা), কুমিল্লা-৬ (কুমিল্লা সদর, দক্ষিণ উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা), কুমিল্লা-৮ (বরুড়া উপজেলা), কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা), কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলা), কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম উপজেলা), চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলা), চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ উপজেলা), ফেনী-৩ (দাগনভুঞা ও সোনাগাজী উপজেলা), ফেনী-১ (পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলা), নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ উপজেলা), নোয়াখালী-৪ (নোয়াখালী সদর ও সুবর্ণচর উপজেলা), নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা), লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর উপজেলা ও সদর উপজেলার আংশিক), লক্ষ্মীপুর-৩ (লক্ষক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আংশিক), চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই উপজেলা), চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি উপজেলা), চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ উপজেলা), চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড উপজেলা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আংশিক), চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান উপজেলা) (ডি), চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া উপজেলা), চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া (আংশিক) ও লোহাগাড়া উপজেলা), চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, পাহাড়তলী ও হালিশহর থানা (সিটি কর্পোরেশন এলাকা) (বি), চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী উপজেলা), কক্সবাজার-১ (চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা), কক্সবাজার-২ (কুতুবদিয়া ও মহেশখালী উপজেলা), কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর, ঈদগাওঁ ও রামু উপজেলা) ও কক্সবাজার-৪ (উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা)।
এমকে
রাজনীতি
‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকলে রাজপথে নামবে ১১ দল’
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন দ্রুত না ডাকলে রাজপথে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ।
তিনি বলেন, আগামীকালের মধ্যে সরকার এ বিষয়ে উদ্যোগ না নিলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, সকালে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এলডিপি, এবি পার্টি, ইসলামী পার্টি, লেবার পার্টিসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনকে ‘ইতিহাসের সেরা নির্বাচন’ বলা হলেও জনগণের ভোটাধিকারের পূর্ণ প্রতিফলন সেখানে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত নেতা বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য একদিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। কিন্তু জাতীয় সংসদের অধিবেশন ডাকা হলেও এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা হয়নি, যা নিয়ে জোটের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদ নেতা বা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে অধিবেশন ডাকার পরামর্শ দেবেন এবং রাষ্ট্রপতি তা আহ্বান করবেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।’
ড. হামিদুর রহমান আজাদ আরও বলেন, যদি সরকার দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে জনগণের প্রত্যাশা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য রাজপথে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বিরোধী দলগুলো। এ বিষয়ে শিগগিরই জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে।
তিনি জানান, আগামী ২৮ মার্চ জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক ডাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ওই বৈঠকে ভবিষ্যৎ আন্দোলনের রূপরেখা নির্ধারণ করা হতে পারে।
এ সময় তিনি আরও অভিযোগ করেন, ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ এবং প্রশাসনে দলীয়করণের প্রবণতা জনমনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে। এসব সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসন পরিচালনার দাবি জানান তিনি।
সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, সরকারকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সংসদ ও রাজপথ দুই জায়গাতেই বিরোধী দল তাদের দায়িত্ব পালন করবে। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের আংশিক নয়, পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চাই। জনগণের রায়ে এটি আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে, তাই সরকারকে তা বাস্তবায়ন করতেই হবে।’
রাজনীতি
জুলাই গণহত্যার দায় রাষ্ট্রপতি কোনভাবেই এড়াতে পারবেন না: ড. হেলাল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড হেলাল উদ্দিন বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট আ’লীগ সরকারের পরিচালিত গণহত্যায় নিরব সমর্থন দিয়েছে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন চুপ্পু। তিনি বলেন, চব্বিশের ছাত্র-জনতার ওপর র্নিবিচারে গুলি চালিয়ে হাজার-হাজার ছাত্র-জনতাকে শহীদ করার পরও রাষ্ট্রপতি নিরব ভূমিকা পালন করেছে। তিনি গণহত্যা বন্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং তিনি আওয়ামী লীগের গণহত্যাকে সমর্থন দিয়ে গেছেন। জুলাই গণহত্যার দায় রাষ্ট্রপতি কোনভাবেই এড়াতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পল্টন থানার পেশাজীবি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল চাকুরীতে কোটা প্রথা বাতিলের দাবিতে ছাত্রদের এক শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন। ঐ আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশে পুলিশ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ছাত্রদের আহত-নিহত করে। ফলে ছাত্রদের রক্তে রাজপথে রঞ্জিত হয়ে পড়ে। ছাত্রদের রক্তে ফুঁসে উঠে পুরো দেশবাসী। ছাত্রদেরর আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয় দেশের কৃষক, শ্রমিক, ঠেলা-ভ্যান ও রিকশা চালকসহ সকল পেশাজীবির মানুষ। ঐ আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনগণের তীব্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন চুপ্পু স্বপদে বহাল থাকে। নির্বাচিত সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করার ক্ষমতা থাকলেও সরকারি দলের স্বদিচ্ছা না থাকায় রাষ্ট্রপতি বহাল তবিয়তে রয়েছে। অনতিবিলম্বে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পল্টন থানার পেশাজীবি বিভাগের সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এবং পল্টন থানার পেশাজীবি বিভাগের পল্টন মোড় ওয়ার্ড সভাপতি আরিফুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খান, পল্টন থানা আমীর এডভোকেট মারুফুল ইসলাম, পল্টন থান সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলাম, সাবেক কমিশনার খন্দকার আব্দুর রব। এছাড়াও অনুষ্ঠানে পল্টন থানার পেশাজীবি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিজয়নগর সাংগঠনিক ওয়ার্ডের উদ্যোগে আয়েজিত রমজানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, রমজানের শিক্ষা হচ্ছে কথা ও কাজে মিল থাকা। মুখে যা বলবে বাস্তবে তা পরিণত করা। কিন্তু সরকার মুখে যেই কথা বলেছে বাস্তবে তার বিপরীত কাজ করছে। সরকার নির্বাচনের আগে দেশবাসীকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এখন গণভোট জয়যুক্ত হওয়রা পর সরকার গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে নারাজ। কারণ সরকারের উদ্দেশ্য খারাপ। এই সরকারও আওয়ামী লীগের মতোই দেশের জনগণকে শাসন ও শোষণ করতে চায়। যারা জনগণকে শাসন ও শোষণ করতে চাইবে তারাই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেবে না। গণভোটে জনগণের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
রাজনীতি
আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না মির্জা আব্বাসকে
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে দেশের বাইরে নেওয়ার মতো না থাকায় চিকিৎসকরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মির্জা আব্বাস বর্তমানে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, আপাতত মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না। তার পরিবার দেশের চিকিৎসার ওপর আস্থা রেখেছে। তবে পরবর্তীতে মেডিকেল বোর্ড প্রয়োজন মনে করলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
তিনি জানান, শুক্রবার মির্জা আব্বাসের চিকিৎসা ইস্যুতে একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করে। সেখানে উনার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে চিকিৎসকরা মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সম্মতিও নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী অস্ত্রোপচারের জন্য শুক্রবার ৩টা ১০ মিনিটে উনাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়।
এর আগে জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এভারকেয়ারে গিয়ে মির্জা আব্বাসের খোঁজখবর নেন। এ সময় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তার চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারের সময় অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
এমএন
রাজনীতি
মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। তাকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে দেখতে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব সুজন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মির্জা আব্বাসের মিডিয়া টিমের একজন কর্মকর্তা বলেন, বুধবার ইফতারে পানি খাওয়ার সময়ই হঠাৎ করে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাতে হাসপাতালে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি হাসপাতালে অবস্থানরত মির্জা আব্বাসের স্ত্রীর কাছে তার শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মহান রবের নিকট মির্জা আব্বাসের আশু আরোগ্য কামনা করেন। জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের মেডিকেল থানার সভাপতি ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।
এ ছাড়া মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তারা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
এর আগে বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গভীর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এমএন
রাজনীতি
প্রথম দিন ওয়াকআউট না করলেও পারত বিরোধী দল : স্পিকার
সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট করা তাদের সাংবিধানিক অধিকার হলেও, ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই এমন পদক্ষেপ না নিলেও পারত বলে মন্তব্য করেছেন নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।
স্পিকার বলেন, সংসদের নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা রক্ষার স্বার্থে তিনি ইতোমধ্যে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, সংসদে সব সদস্য সমানভাবে কথা বলার ও মত প্রকাশের সুযোগ পাবেন। আমরা চাই সংসদ কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গণতান্ত্রিক হোক।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর দেশ একটি নতুন গণতান্ত্রিক পরিবেশ পেয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে একটি বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য। এজন্য সব রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
স্পিকার আরও বলেন, দেশের স্বার্থে আমাদের সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে কোনো স্বৈরাচারী বা মাফিয়াচক্র আবারও পুনর্বাসিত হতে না পারে। তিনি জুলাই আন্দোলনে শহীদদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানান।
এদিকে গণপূর্ত বিভাগের সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু জানান, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের আগমন উপলক্ষে স্মৃতিসৌধ এলাকায় বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সকাল থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে বেলা ১১টার পর থেকে আবার দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
এমএন




