Connect with us

রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রে খালেদা জিয়ার নামে সড়কের নামকরণ

Published

on

লভ্যাংশ

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। ‘খালেদা জিয়া স্ট্রিট’ নামে এ সড়ক দেশটির মিশিগান অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিএনপি মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করে।

শহর কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের ইতিহাস, নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্রের প্রতি এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মূলত, হ্যামট্রমিক সিটির জোসেফ ক্যাম্পাও এবং কোনাল্ট স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অংশটি খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাবটি সম্প্রতি সিটি কাউন্সিল অনুমোদন দেয়। প্রবাসীদের মতে, এটি কেবল একটি সড়কের নতুন পরিচয় নয়, বরং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগ্রামের এক আন্তর্জাতিক দলিল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো নেতার নামে রাস্তার নামকরণ এবারই প্রথম নয়। এর আগে শিকাগো শহরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছিল।

এমকে

শেয়ার করুন:-

রাজনীতি

আগামীর ফ্যাসিজম হবে আরও ভয়াবহ, শঙ্কা জামায়াত আমিরের

Published

on

লভ্যাংশ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটের গণরায় অস্বীকার করার মধ্য দিয়েই নতুন ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আগামীর এই ফ্যাসিবাদ অতীতের চেয়েও ভয়াবহ রূপ নেবে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘জেলা আমির সম্মেলন’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি নিরপেক্ষ বডি গঠনের জন্য অধ্যাদেশ জারি করা হলেও তা ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে দলীয় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। দলীয় ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের ফলে বিচারপতি খায়রুল হক, বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক এবং শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ বিচারপতি এনায়েতুর রহিমের মতো ব্যক্তিত্ব তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ ধরনের নিয়োগের কুফল দেশবাসী ভোগ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একই সঙ্গে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) গঠনের অধ্যাদেশও ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদের চেয়ে আগামীর ফ্যাসিবাদ আরও ভয়াবহ হবে।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় সংসদ ও সংসদের বাইরে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করা উচিত ছিল। কিন্তু সে ধরনের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। বরং বলা হচ্ছে দেশে তেলের কোনো সংকট নেই, কিছু লোক তেল মজুত করে চোরাই পথে বিক্রি করছে। এ ধরনের বক্তব্যকে তিনি সরকারের ব্যর্থতা উল্লেখ করে বলেন, এতে ভুক্তভোগী মানুষের কষ্ট আরও বাড়ছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, জনগণ কি জানে না কোথা থেকে তেলের ড্রাম উদ্ধার হচ্ছে? জ্বালানি সংকট না থাকলে প্রতিদিন ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং কেন হচ্ছে— সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। এসব বক্তব্যকে তিনি পরস্পরবিরোধী ও মিথ্যাচার বলে উল্লেখ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক যত প্রতিষ্ঠান আছে, সব ধ্বংসের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। ক্রিকেট বোর্ডের মতো একটি প্রতিষ্ঠানেও লোভ সামলাতে পারেনি। সেখানে কেউ বাপের তালিকায়, কেউ স্বামীর তালিকায়, কেউ অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিল আর তিনি ছিলেন ভাইয়ের তালিকায়। এভাবে ক্রিকেট বোর্ডটিকে পর্যন্ত দলীয়করণ করে ফেলা হয়েছে। সিভিল প্রশাসনে যে লোকগুলো সৎ ও দক্ষ, তাদের ডাম্পিং প্লেসে ওএসডি করা হচ্ছে অথবা কোনো খারাপ জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের মেধা থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং তাদের ওপর জুলুম করা হচ্ছে। সব দিকেই একটি মহা নৈরাজ্য তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের দ্রুত পরিবর্তন করা হচ্ছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে এবং মানবাধিকার কমিশন পদত্যাগ করে খোলা চিঠি দিয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, বিচারকদের স্বাধীন বলা হলেও তাদের ওপর হস্তক্ষেপ করে ২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে। অথচ তারাই বলে বিচারকরা স্বাধীন। যদি তারা স্বাধীনই হয়ে থাকে, তাহলে তাদের ওপর আপনারা ছড়ি ঘোরান কেন?

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও হেলথ কার্ড বিতরণ করা হলেও এসব কার্যক্রমে দলীয়করণের অভিযোগ রয়েছে। তিনি একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, এক বিধবাকে কার্ড দেওয়ার কথা বলে তার জীবন নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। দেশে চাঁদাবাজির হার দিন দিন বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত চাঁদার কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকার দুর্নীতি দমন করার কথা বললেও বাস্তবে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে এবং সমাজের সৎ মানুষদের নীরব করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার ভুলের মধ্যে রয়েছে এবং তাদের উচিত সেই ভুল থেকে বেরিয়ে আসা। তিনি গণভোটের ফলাফল মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা করা হবে, তবে জনগণের ওপর ফ্যাসিবাদ কায়েমের কোনো প্রচেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

জুলাই সনদ পাশ কাটানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: এটিএম আজহার

Published

on

লভ্যাংশ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই এবং তা হতে দেওয়া হবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দিয়ে যারা এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন, তারা যদি সেই আত্মত্যাগের সঙ্গে বেইমানি করেন, তাহলে জাতি তাদের ক্ষমা করবে না।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের কাউন্সিল হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত হজযাত্রীদের গাইডলাইন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, অস্ত্র ও পেশিশক্তি দিয়ে মানুষকে দমিয়ে রাখা যায় না। ছাত্র-জনতার স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামীর মতো ত্যাগ অন্য কোনো দল স্বীকার করেনি। দলের শীর্ষ ১১ জন নেতাকে ‘বিচারিক হত্যা’ করা হয়েছে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য অসংখ্য নেতাকর্মী রাজপথে জীবন দিয়েছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নিজে ফাঁসির মঞ্চ থেকে আজ জনতার মঞ্চে এসেছেন উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, শাহাদাতের তামান্না লালন করেই তিনি সামনের সারিতে থেকে জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবেন। এ সময় তিনি হজ যাত্রীদের কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, ‘আল্লাহর পবিত্র ঘরে গিয়ে দোয়া করবেন, যাতে বাংলাদেশে দ্বীন কায়েমের মাধ্যমে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয়।’ তার মতে, ইসলামী শাসনব্যবস্থা ব্যতীত অন্য যত তন্ত্রমন্ত্র আছে, সবই স্বৈরতন্ত্র।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য আল্লাহ হজ ফরজ করেছেন। একইভাবে জমিনে দ্বীন কায়েম করাও ফরজ। ঈমান আনার সঙ্গে সঙ্গে নামাজ, রোজা, জাকাত ও হজের মতো অন্য সব বিধানকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এমপি বা মন্ত্রী হওয়া বড় কোনো সফলতা নয়। জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে জান্নাত লাভ করাই প্রকৃত সফলতা। আর সেই লক্ষ্য অর্জনে আল্লাহর বিধান পালনে জান ও মাল কোরবানি করতে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, ইসলামিক স্কলার মুফতি আলী হাসান ওসামা এবং পল্টন বটতলা মসজিদের খতিব মাওলানা জাকারিয়া নুর।

এ সময় হজযাত্রীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মাওলানা এমদাদুল্লাহ, আমির হামজা ও শাহ মুহাম্মদ ফয়সাল। অনুষ্ঠানে হজ গাইডলাইন বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল হক তানভীর।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা

Published

on

লভ্যাংশ

বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজধানী ঢাকায় বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ব্যানারে এই শোভাযাত্রাটি করা হয়। এটি প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নারী, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের ও পেশার মানুষ অংশ নেন এই শোভাযাত্রায়। দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপাদান যেমন, মাছ ধরার পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল ও কুলার উপস্থিতি ছিল এতে। বাঙালিয়ানার সাজ-পোশাকে চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি ছিল শিশুদের। দেশাত্মবোধক, জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শোভাযাত্রার আগে একটি সমাবেশ হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, দেশীয় সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পশ্চিমা ও বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

হারানো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বক্তারা। পাশাপাশি বাঙালির প্রকৃত চেতনা জাগ্রত করার কথাও বলেন তারা। তবে সমাবেশে এমন সংস্কৃতি থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়, যা ইমান ও আকিদার ক্ষতি করে বা ইসলামী শরিয়ার বিরুদ্ধে যায়।

শোভাযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ রাজধানীর নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

মান্ডায় জামায়াতের উদ্যোগে ১৮ শিশুর বিনামূল্যে সুন্নাতে খতনা সম্পন্ন

Published

on

লভ্যাংশ

রাজধানীর মুগদায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ১৮ জন শিশুর বিনামূল্যে সুন্নাতে খতনা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের মান্ডা এলাকায় মুগদা পূর্ব থানা জামায়াতের কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সুন্নাহ অনুসরণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুগদা পূর্ব থানা আমির ও কাশবন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির চেয়ারম্যান মাওলানা ইসহাক। তিনি আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা ইসহাক বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে ইসলামের সৌন্দর্য ও নবীদের সুন্নাহর কোনো বিকল্প নেই। মানুষের কল্যাণের লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী যাবতীয় মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

থানা সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য ওসামা মুন্সি সুরুজ, শহীদুল ইসলাম শহীদ ও মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

খতনা শেষে শিশুদের সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

গণভোটের রায় না মানলে সংকটে পড়বে দেশ : শিশির মনির

Published

on

লভ্যাংশ

গণভোটের ফলাফল মেনে নিয়ে দ্রুত সংবিধান সংস্কার সভার (কনস্টিটিউশনাল রিফর্ম অ্যাসেম্বলি) অধিবেশন ডাকার আহ্বান জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে দেশ নতুন করে সাংবিধানিক ও অনাস্থার সংকটে পড়বে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে এক জাতীয় সেমিনারে কিনোট পেপার উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার : সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শিশির মনির বলেন, জগতে কোথাও কি শুনেছেন গণঅভ্যুত্থান সংবিধান মেনে হয়? সংবিধান মেনে তো অভ্যুত্থান হয় না, এটি হয় সংবিধানের বাইরে থেকে। এখন এই রাজনৈতিক বিষয়টিকে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটারে পরিণত করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, আগামী ১৯ তারিখ আদালত খুলবে। আমরা আশা করছি আদালত খোলার পর সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশের প্রশ্নটি উত্থাপিত হবে। যদি বাংলাদেশের আদালত তার মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, তবে এই ক্ষেত্রে তাদের উচিত হবে সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া।

সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে এই আইনজীবী বলেন, গণভোটের রেজাল্ট মেনে নিয়ে ১৮০ দিনের জন্য সংবিধান সংস্কার সভার অধিবেশন ডাকতে হবে। এরপর উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ—এই দুই ভাগে পার্লামেন্ট বিভক্ত হয়ে যাওয়ার কথা। উচ্চকক্ষ গঠিত হওয়ার কথা ১০০ জনকে নিয়ে, যেখানে ভোটের সংখ্যানুপাতে দলগুলো আসন পাবে। এই কর্মকাণ্ড যদি আপনারা প্রদর্শন না করেন, তবে তা হবে ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

তিনি বলেন, আমি সুইজারল্যান্ড থেকে শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত ২৬টি দেশের নজির সংগ্রহ করেছি। দুনিয়ার ইতিহাসে এমন একটা উদাহরণ নেই, যেখানে মানুষ গণভোটের রায় দিয়েছে আর সরকার তা মানেনি।

আদালত ও রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমরা রাজনৈতিকভাবে প্রবর্তন করেছিলাম। সেটাকে কোর্টে নিয়ে গিয়ে ‘অসাংবিধানিক’ বলা হলো। ফলে ১৭ বছর দেশে আগুন জ্বলল। এখন আবার কোর্ট বলছেন, সেটা সাংবিধানিক। রাজনৈতিক প্রশ্নের সমাধান যখন কোর্টে খোঁজা হয়, তখন সংকট আরও বাড়ে।

‘থুতু নিজের গায়েই পড়বে’— এমন মন্তব্য করে সরকারের উদ্দেশ্যে শিশির মনির বলেন, মিসাইল ছুড়লে তার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে হয়। তা না হলে সেই মিসাইল কার বাড়িতে গিয়ে পড়বে, কোনো শিশু বা নারীকে হত্যা করবে, তার ঠিক থাকে না। আপনারা ওপর দিকে চেয়ে থুতু দিচ্ছেন, অপেক্ষা করেন, কয়দিন পর এই থুতু ঘুরে আপনাদের নিজেদের গায়েই পড়বে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার17 hours ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার17 hours ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসি’র ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির তাঁর স্ত্রী, পুত্র ও দুই কন্যার নামে মোট ৪৬...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার19 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারীর সঙ্গে বিএসইসির বৈঠক

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনির সঙ্গে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ঊর্ধ্বতনের...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার21 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ২৬ কোটি টাকার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৬ কোটি...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার22 hours ago

দরপতনের শীর্ষে প্রিমিয়ার লিজিং

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার22 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে লিগাসি ফুটওয়ার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪টি কোম্পানির মধ্যে ১৩১টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার22 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
লভ্যাংশ
রাজনীতি4 minutes ago

আগামীর ফ্যাসিজম হবে আরও ভয়াবহ, শঙ্কা জামায়াত আমিরের

লভ্যাংশ
জাতীয়33 minutes ago

মধ্যরাতে শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
রাজনীতি35 minutes ago

জুলাই সনদ পাশ কাটানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: এটিএম আজহার

লভ্যাংশ
জাতীয়48 minutes ago

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট পেল কমিশনিং লাইসেন্স

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

স্থায়ী শান্তিচুক্তির পরিবর্তে অস্থায়ী সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার17 hours ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার17 hours ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

লভ্যাংশ
প্রবাস18 hours ago

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

লভ্যাংশ
আইন-আদালত18 hours ago

হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

লভ্যাংশ
আইন-আদালত18 hours ago

কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

লভ্যাংশ
রাজনীতি4 minutes ago

আগামীর ফ্যাসিজম হবে আরও ভয়াবহ, শঙ্কা জামায়াত আমিরের

লভ্যাংশ
জাতীয়33 minutes ago

মধ্যরাতে শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
রাজনীতি35 minutes ago

জুলাই সনদ পাশ কাটানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: এটিএম আজহার

লভ্যাংশ
জাতীয়48 minutes ago

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট পেল কমিশনিং লাইসেন্স

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

স্থায়ী শান্তিচুক্তির পরিবর্তে অস্থায়ী সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার17 hours ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার17 hours ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

লভ্যাংশ
প্রবাস18 hours ago

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

লভ্যাংশ
আইন-আদালত18 hours ago

হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

লভ্যাংশ
আইন-আদালত18 hours ago

কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

লভ্যাংশ
রাজনীতি4 minutes ago

আগামীর ফ্যাসিজম হবে আরও ভয়াবহ, শঙ্কা জামায়াত আমিরের

লভ্যাংশ
জাতীয়33 minutes ago

মধ্যরাতে শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
রাজনীতি35 minutes ago

জুলাই সনদ পাশ কাটানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: এটিএম আজহার

লভ্যাংশ
জাতীয়48 minutes ago

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট পেল কমিশনিং লাইসেন্স

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

স্থায়ী শান্তিচুক্তির পরিবর্তে অস্থায়ী সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার17 hours ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার17 hours ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

লভ্যাংশ
প্রবাস18 hours ago

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

লভ্যাংশ
আইন-আদালত18 hours ago

হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

লভ্যাংশ
আইন-আদালত18 hours ago

কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন