আন্তর্জাতিক
হাদিকে হত্যায় ভারতকে অভিযুক্ত করে বিশ্বব্যাপী শিখদের বিক্ষোভ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদিকে হত্যার দায়ে ভারতকে অভিযুক্ত করে বিশ্বব্যাপী বিক্ষোভ করেছে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ। শিখ ফর জাস্টিস (এসএফজে) নামে একটি সংগঠনের নামে যুক্তরাষ্ট্রেরও ওয়াশিংটন, যুক্তরাজ্যের লন্ডন, কানাডার টরেন্টো, ভ্যানকুভার, ইতালির মিলান এবং অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে তারা বিক্ষোভ করেন।
সংবাদমাধ্যম কালিবার বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন তাদের নেতা হারদ্বীপ সিং নিজ্জার এবং ওসমান হাদিকে হত্যার পেছনে ভারতের হাত রয়েছে। তারা দাবি করেন দুজনই ভারতের বিরোধীতা করতেন। এ কারণে তাদের হত্যা করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার হওয়া এ বিক্ষোভের লক্ষ্য ছিল শিখ নেতাদের ওপর ভারত সরকারের চালানো দমন-নিপীড়ন চালানোর বিষয়ে বিশ্ববাসীকে জানানো।
২০২৩ সালে কানাডার ব্রাম্পটোনে হারদ্বীপ সিং নিজ্জারকে গুলি করে আততায়ীরা। শিখ কমিউনিটির অভিযোগ ভারত সরকার এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত ছিল।
নিজ্জারকে হত্যার ঘটনায় ভারত ও কানাডার সরকারের মধ্যে সম্পর্কে অবনতি ঘটেছিল।
ভারতের পাঞ্জাব রাজ্য মূলত শিখ অধ্যুষিত অঞ্চল। শিখরা সেখানে নিজেদের জন্য আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করতে চায়। এক্ষেত্রে প্রবাসী শিখরা বিশ্বব্যাপী কাজ করে থাকে।
এমকে
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক বিরল বিমান ধ্বংস করল ইরান
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিরল ও অত্যাধুনিক ক্ষমতাসম্পন্ন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
রোববার (২৯ মার্চ) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাতে টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ বিমান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। হামলার ফলে বিমানটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে শুক্রবার ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে ১২ মার্কিন সেনাসদস্য আহত হন এবং কয়েকটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অনলাইনে প্রকাশিত নতুন ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হামলায় একটি রোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমানও গুরুতর ক্ষতির শিকার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও আরব কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে, এই আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলোর মধ্যে একটি ই-৩ সেন্ট্রি ছিল।
ই-৩ সেন্ট্রি একটি এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (এডব্লিউএসিএস) বিমান, যা উন্নত রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে শত শত কিলোমিটার দূর থেকে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে সক্ষম। এটি আকাশ থেকে যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক পরিস্থিতির চিত্র কমান্ডারদের কাছে সরবরাহ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে মাত্র ১৬টি কার্যকর ই-৩ সেন্ট্রি বিমান ছিল, যা কয়েক দশক আগে প্রায় ৩০টির বহর থেকে কমে এসেছে।
এছাড়া, এই বহরের বিকল্প সহজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও জানানো হয়েছে। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বোয়িং ই-৭ ওয়েডগেটেইলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার প্রতিটির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার।
আন্তর্জাতিক
ইরান ইস্যুতে ইসলামাবাদে বৈঠকে ৪ প্রভাবশালী মুসলিম দেশ
ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছে চার প্রভাবশালী মুসলিম দেশ।
রোববার (২৯ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করে। এই বৈঠকে তুরস্ক, সৌদি আরব এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল চলমান উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
চলমান সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। দেশটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় তুরস্ক ও মিশরও সহায়তা করছে।
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। এমনকি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেও সরাসরি যোগাযোগ হয়েছে বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরান জানিয়েছে, তারা নিজেদের শর্ত ও সময় অনুযায়ীই যুদ্ধের অবসান চায়। যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আগ্রাসন বন্ধ, ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফোনে কথা বলেন। গত পাঁচ দিনের মধ্যে এটি তাদের দ্বিতীয় আলোচনা, যেখানে উত্তেজনা প্রশমিত করা ও সংলাপ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
ফোনালাপে পাকিস্তান ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এবং চলমান ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ উপসাগরীয় ও মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে সংলাপ ও উত্তেজনা হ্রাসের প্রচেষ্টা চালানোর কথাও জানানো হয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্টও আলোচনার জন্য পারস্পরিক আস্থা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
আন্তর্জাতিক
ঈদযাত্রা সার্বিকভাবে স্বস্তিময় ছিল : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঈদযাত্রা সার্বিকভাবে স্বস্তিময় ছিল। কিছু জায়গায় যানজট ও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটেছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সরকারের কার্যক্রম জোরদার করতে উচ্চপর্যায়ের এক সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, হাইওয়ে পুলিশ সামনে আরও তৎপর থাকবে। ভাড়া বেশি নেওয়ার বিষয়ে যেখানে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাস থেকে শতভাগ যাত্রী নামিয়ে সেই গাড়ি ফেরিতে তুলতে হবে।
এ সময় ট্রাক-লরি ঈদের আগে ও পরের তিনদিন মহাসড়কে চলাচল না করার কথা থাকলেও চলেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। কিছু জায়গায় যানজটের কারণ হিসেবে এটি দায়ী বলেও মনে করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামীতে যত্রতত্র হাইওয়ের পাশে টিকিট কাউন্টার থাকবে না।
মন্ত্রী বলেন, বাসে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) স্থাপন করা হবে।
আন্তর্জাতিক
ইরানে টানা স্থল হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
আরও ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পড়তে যাচ্ছে ইরান। এবার আকাশ ও নৌপথের পাশাপাশি দেশটিতে স্থল হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট বলেছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রস্তুতি নেওয়া। যেন কমান্ডার ইন চিফ (প্রেসিডেন্ট) সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেন। পরিকল্পনা করার অর্থ নয় যে প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে স্থল হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা অনুমোদন করবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট রোববার (২৯ মার্চ) এসব তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার সেনাকে জড়ো করা হয়েছে। আর এসব সেনাকে দিয়ে কয়েক সপ্তাহব্যাপী ইরানে স্থল হামলা চালানো হতে পারে। তবে এটি অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো হবে না। স্থল হামলার যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে সেটি ‘যুদ্ধে নতুন ধাপ’ সৃষ্টি করতে পারে। যেটি মার্কিন সেনাদের জন্য যুদ্ধ শুরুর সময়ের চেয়ে আরও বেশি বিপজ্জনক হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই স্থল হামলা অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো হবে না। এর বদলে ইরানে স্পেশাল ফোর্স এবং কামান সেনারা রেইড দেবে।
কিন্তু ইরান থেকে ‘শিগগিরই’ যুক্তরাষ্ট্র বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স। তিনি বলেন, সামরিক লক্ষ্য অর্জনের পর যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই ইরান থেকে সরে আসবে।
শনিবার (২৮ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও কিছু সময় সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। এর মূল লক্ষ্য হলো ইরানের সক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল করে দেওয়া।
তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে চাই, আমরা চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে যেন আবার এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি না হতে হয়। সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জানান, চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে। তবে এটি সাময়িক এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দাম আবার কমে আসবে।
তিনি বলেন, আমরা এক বা দুই বছর ধরে ইরানে থাকতে আগ্রহী নই। আমরা আমাদের কাজ শেষ করছি এবং খুব শিগগিরই সেখান থেকে বেরিয়ে আসব।
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্র স্থল হামলা চালালে আমিরাতকে তছনছ করা হবে: ইরানের হুঁশিয়ারি
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এখন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে স্থল হামলা চালায় তাহলে আমিরাতকে তছনছ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাদের বিশ্বাস, এই স্থল হামলা হবে আমিরাত থেকে। এ কারণে আমিরাতকেই তারা সরাসরি শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালাবেন।
সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট আইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারা এমন হুমকি দিয়েছেন।
গত শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের ওপর যৌথ হামলার পর যুদ্ধ এক মাসের বেশি সময় পার হয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে। এখন এই প্রণালি খোলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থল হামলার পরিকল্পনা করছেন।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, মার্কিনিদের স্থল হামলার টার্গেট হবে খার্গ দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে।
আর মার্কিনিদের স্থল হামলা শুরু হতে পারে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো থেকে। যেগুলোতে যুদ্ধের প্রথম থেকেই অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান।
ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মতে আমিরাত এখনই তাদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইরান এখন বুঝতে পেরেছে আমিরাত শুধুমাত্র মার্কিন সেনাদের ঘাঁটি দিয়েই বসে নেই। তারা এরচেয়েও বেশি সাহায্য করছে। এ কারণে ইরান সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমিরাতের প্রতি আর সহনশীল তারা থাকবে না।
তিনি বলেছেন, “ইরানের গোয়েন্দারা বিশ্বাস করে আমিরাত ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহার করতে নিজেদের কিছু আকাশ শক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েছে।”
এই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, ওমানে ইসরায়েল হামলা চালিয়ে ইরানের ওপর দায় চাপিয়েছে।
অপর এক কর্মকর্তা বলেছেন, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য ও রাশিয়ার কাছ থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী তারা জানতে পেরেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল হামলা অত্যাসন্ন। অর্থাৎ যে কোনো সময় হামলা হতে পারে। আর এ হামলা চালানো হবে আমিরাত থেকে।
তিনি বলেছেন, বিশেষ করে বাহরাইন ও আমিরাত থেকে হামলা হলেও; তারা এতদিন দেশগুলোর নিজস্ব অবকাঠামোতে হামলা চালাননি। এর বদলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালিয়েছেন। কিন্তু এখন আমিরাত থেকে যদি স্থল হামলা হয় তাহলে দেশটিকে সরাসরি ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তখন হামলা শুধুমাত্র সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। হামলা হবে সরকারের মালিকানাধীন বেসামরিক স্থাপনাতেও।
আর এ ব্যাপারে আমিরাতকে ইতিমধ্যে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সূত্র: মিডেল ইস্ট আই



