জাতীয়
নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে রাজশাহী আসিনি: আসিফ নজরুল
রাজশাহীতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে কথা বলতে রাজি হননি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
শনিবার (০৮ নভেম্বর) সকালে তিনি রাজশাহী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) পরিদর্শন করেন। এ সময় সাংবাদিকরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে আমি রাজশাহীতে আসিনি।’
আসিফ নজরুল বলেন, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি); সারা দেশে শতাধিক টিটিসি আছে। এখানে যারা কাজ করেন, তারা কর্মসংস্থানের জন্য দেশে-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এ সময় তিনি রাজশাহী মহিলা টিটিসির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এটি বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম।
এর আগে, এদিন সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিনি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারসহ টিটিসির ঊর্ধ্বতন ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ এবং অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে।
পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ে কমপক্ষে আটটি পদক্ষেপ আলোচনায় রয়েছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়তি একদিন যোগ করা অথবা কর্মকর্তাদের সপ্তাহে দুদিন ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ দেওয়া।
এছাড়া অফিসের কাজ দ্রুত শুরু করা অথবা কাজের মোট সময় কমিয়ে আনার প্রস্তাবও রয়েছে। বিদ্যুৎ খরচ কমাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সপ্তাহের অর্ধেক ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রিসভায় ঠিক করা হবে কোন পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষে শিগগিরই সারা দেশের স্কুলগুলোতে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনেও ক্লাসের ব্যাপারে সরকার চিন্তাভাবনা করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রী নানা নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে এখন থেকে দেশের স্কুলগুলো পাঁচ দিনের পরিবর্তে সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস খোলা রেখে অন্তত তিন দিন অনলাইনে ক্লাস চালু রাখার চিন্তা রয়েছে।
বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে অনলাইন ভিত্তিক ক্লাস চালুর ব্যাপারে ৫৫ শতাংশ মানুষ একমত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
জাতীয়
আরও ১৪ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এবং ‘জেলা পরিষদ আইন, ২০০০’ অনুযায়ী তাদের এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন প্রশাসক পাওয়া জেলাগুলো হচ্ছে : ঢাকা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, পাবনা, নড়াইল, বরগুনা, জামালপুর, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, হবিগঞ্জ, চাঁদপুর ও ফেনী।
নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি অনুযায়ী ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রাপ্য হবেন।
জাতীয়
চিকিৎসাধীন মুগ্ধের বাবার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
চব্বিশের জুলাই গণআন্দোলনে শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন জুলাই শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমানকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাঃ আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু। এ সময় তাঁর শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন তিনি।
একই সাথে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাও তুলে দেন মীর মুগ্ধের পরিবারের হাতে। দায়িত্ব নেন চিকিৎসারও।
এসময় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাঃ আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন– ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, প্রফেসর ডাঃ মো. খালেকুজ্জামান, প্রফেসর ডাঃ মোঃ মহসীন হোসেন, প্রফেসর ডাঃ তৌফিকুজ্জামান, প্রফেসর ডাঃ আশরাফ, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এটিএম নূরন্নবী, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোস্তফা কামাল, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ শ্যামল, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সারোয়ার হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মাহবুব হাসান রিপন, সহকারী পরিচালক ডাঃ মেজবাহ, ডাঃ মোঃ সামিউর রহমান, ডাঃ হাসিবুল ইসলাম, ড্যাবের আইন বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ এম আর হাসান, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল নেতা আজহারুল ইসলাম হামীম, মোঃ আমান উল্লাহ ও অপু দেবনাথ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত সোমবার শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমানের হার্টে রিং পরানো হয়। রিং পরানোর পর এখন শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিজি হলেন নুরজাহান খানম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হয়েছেন অর্থ বিভাগে সংযুক্ত যুগ্নসচিব নুরজাহান খানম।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার চাকরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জাতীয়
জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করা হয় : হান্নান মাসউদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ অভিযোগ করেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরে প্রাপ্য সেবার জন্য গেলে জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে অধিদপ্তরে বাজেট দেওয়া হবে কি না-এটিও জানতে চেয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলাকালে প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের কাছে এই প্রশ্ন রাখেন হান্নান মাসউদ।
এ সময় প্রথমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরকে ‘বড়’ করা হবে কি না—এমন প্রশ্ন রাখেন তিন।
এর জবাবে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের কল্যাণার্থে ইতিমধ্যেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর নামে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নাম যোগ করে এই মন্ত্রণালয়টিকে বড় করার আপাতত কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।’
পরে সম্পূরক প্রশ্নে আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘অধিদপ্তর হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সে জায়গা থেকে আহত ও শহীদ পরিবাররা ঠিকমতো সেবা পাচ্ছে না বলে বিভিন্ন পর্যায়ে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সেখানে গেলে তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করারও বিভিন্ন অভিযোগ আমাদের কাছে আসে।
যেহেতু আমরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান থেকে উঠে এসেছি, সেই জায়গা থেকে এই ব্যাপারে মন্ত্রীর কোনো পদক্ষেপ আছে কি না?’



