Connect with us

জাতীয়

ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, শতভাগ প্রস্তুতি সম্পন্ন: ইসি

Published

on

দর

আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

কমিশনের জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ইসির এখন কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা নেই। আমাদের প্রস্তুতি শতভাগ সম্পন্ন। ফেব্রুয়ারির প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্বাচন হলে আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী বিদেশ থেকে আনা ভোটের কালি এসে পৌঁছেছে। এটি নির্বাচন প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভোটের আগে প্রয়োজনীয় প্রায় সব মৌলিক কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ শুধু নির্বাচনের জন্য নয়, বরং দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য। যখন রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী ঘোষণা করেছে, তখন থেকেই ভোটের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। ভোটের মাঠে সবাই নেমে গেলে পরিস্থিতি আরও ভালো হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচিত সরকার ও গণতান্ত্রিক ধারার প্রবর্তন ছাড়া দেশে স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন আসবে না। তাই এবারের নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হতে হবে।

গত কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনে অনিয়মের কারণে জনগণের মধ্যে যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে, সেটি কাটিয়ে ওঠাই এবারের কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি আরও বলেন, ভালো নির্বাচন করা ছাড়া বিকল্প নেই। জাতির স্বার্থে, দেশের স্বার্থে এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের অবশ্যই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এবারের ভোটকে জনগণের জন্য উৎসবে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য।

ইসি সচিবালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বাসসকে জানান, নির্বাচনী সামগ্রী সংগ্রহ, আইন সংশোধন, ভোটার তালিকা হালনাগাদসহ মৌলিক প্রস্তুতির সবকিছুই নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। ডিসেম্বরের শুরুতে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগেই সব প্রস্তুতি শেষ হয়ে যাবে।

ইসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখ ১২ হাজার ৩৮৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৩৮২ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৭৭২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩০ জন। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দুই মাসে ভোটার বেড়েছে ১৩ লাখ ৪ হাজার ৮৮০ জন।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। এর আগে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি-আপত্তি জানানোর সুযোগ থাকবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচনী আইন সংশোধনের কাজও সম্পন্ন করেছে ইসি। গত ৩ নভেম্বর সরকার ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট প্রকাশ করেছে। এতে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু যুগান্তকারী বিধান।

সংশোধনের মূল দিকগুলো হলো— আদালত ঘোষিত ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ, বিমান ও কোস্টগার্ড) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একক প্রার্থীর আসনে ‘না ভোট’ পুনরায় চালু করা হয়েছে। সমান ভোট পেলে লটারির পরিবর্তে পুনঃভোট অনুষ্ঠিত হবে। জোটগত নির্বাচনে নিজ দলের প্রতীকে ভোট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্বাচনী জামানত নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। আচরণবিধি লঙ্ঘনের সর্বোচ্চ শাস্তি দেড় লাখ টাকা জরিমানা বা ছয় মাসের কারাদণ্ড।

অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুরো আসনের ভোট বাতিলের ক্ষমতা ইসিকে দেওয়া হয়েছে। আইটি সাপোর্টে পোস্টাল ভোটিং পদ্ধতি যুক্ত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে অনিয়ম হলে সেটি নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে নির্বাচনের পরও ইসি ব্যবস্থা নিতে পারবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নতুন তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছে ইসি। এগুলো হলো— জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টি।

জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ‘শাপলা কলি’, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলকে (মার্ক্সবাদী) ‘কাঁচি’ এবং বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টিকে ‘হ্যান্ডশেক’ প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। তিন দলের নিবন্ধন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি-আপত্তি জানানোর সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইসি চূড়ান্তভাবে দেশের ৬৪ জেলায় ৩০০ আসনে ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করেছে। পুরুষদের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি এবং মহিলাদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি কক্ষসহ মোট ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি ভোটকক্ষ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এবার প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটিংয়ের সুযোগ থাকছে। এ লক্ষ্যে ‘পোস্টাল ভোট রেজিস্ট্রেশন অ্যাপ’ চালু করা হচ্ছে। এটি উদ্বোধন করা হবে ১৬ নভেম্বর।

ইসি সচিব জানিয়েছেন, অ্যাপে নিবন্ধন করে প্রবাসী ভোটাররা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। কতদিন পর্যন্ত নিবন্ধন প্রক্রিয়া খোলা থাকবে, সেটি উদ্বোধনের সময় ঘোষণা করা হবে।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহ থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচনী সংলাপ শুরু হতে পারে।

সংলাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সহযোগিতা করতে আহ্বান জানানো হবে।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আমরা চাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক উৎসবে পরিণত হোক। জনগণ যেন স্বাধীনভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে- এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

পে স্কেল বাস্তবায়ন দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

Published

on

দর

নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন দাবিতে নতুন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিবৃতিতে আবদুল মালেক বলেছেন, ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নে লক্ষ্যে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি আসছে। প্রতিটি জেলায় যারা কর্মরত আছেন মনেপ্রাণে পে স্কেলের প্রত্যাশা করেন, তারা সবাইকে এই পে স্কেলের দাবি বাস্তবায়নের জন্য শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, ২০১৫ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত করে, ১৫ বছরের মধ্যে তিনটা টাইম স্কেল ও একটা সিলেকশন গ্রেড প্রথা বাতিল করে ব্লক পোস্টধারী ও পদোন্নতি বঞ্চিতদের করেছেন সর্বশান্ত। তদস্থলে দুইটি উচ্চতার গ্রেড প্রথা চালু করেছেন ১৬ বছরে, যা শুধুই শুভঙ্করের ফাঁকি।

তিনি আরও বলেন, ২০১৫-২৪ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পে স্কেল বাস্তবায়ন করেনি তৎকালীন সরকার, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাথে বেতন সমন্বয় করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করেননি ওই সময়। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে নবম জাতীয় পে কমিশন গঠন করে একটি সুপারিশ প্রণয়ন করে, যা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

উপজেলা পর্যন্ত বিএনসিসির কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

Published

on

দর

উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, যুবসমাজকে দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ মানবসম্পদে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কয়েকটি উপজেলায় বিএনসিসির কার্যক্রম চালু করে পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে বিস্তার করতে হবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিএনসিসির কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বগুণ, দেশপ্রেম ও নৈতিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বিএনসিসি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এবং এটি দেশের একটি কার্যকর ‘ডিফেন্স লাইন’ হিসেবেও কাজ করতে সক্ষম।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকাসক্তি, পড়াশোনায় অনাগ্রহ এবং ঝরে পড়ার প্রবণতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিএনসিসির মতো সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও বিস্তৃত করতে হবে। বিএনসিসির কার্যক্রমকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করারও গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া বিএনসিসি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছে, যা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ভিশন। এই ভিশন বাস্তবায়নে আমাদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে।

এসময় বিএনসিসির প্রতিনিধিরা সংগঠনের অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ ব্যয়, জনবল বৃদ্ধি এবং উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তারা জানান, স্বল্প ব্যয়ে বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ব্যবহার করে দেশব্যাপী কার্যক্রম বিস্তারের সুযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে অভিনন্দন ও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে আইএলও

Published

on

দর

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনে বাংলাদেশ বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণকারী ৪৭টি দেশ বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে।

একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে দেশগুলো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আওয়ামী লীগ শাসনামলে ২০১৯ সালের জুন মাসে আইএলও কনভেনশন ৮১, ৮৭ ও ৯৮ প্রতিপালনে ব্যর্থতার অভিযোগে সংস্থাটির সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের পাঁচজন শ্রমিক প্রতিনিধি একটি মামলা দায়ের করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সরকার ২০২১ সালে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি শ্রম খাত সংস্কার সংক্রান্ত রোডম্যাপ প্রণয়ন করে আইএলওর গভর্নিং বডিতে দাখিল করে। দাখিল করা এ রোডম্যাপে অর্জিত অগ্রগতির বিষয়ে গত পাঁচ বছরে গভর্নিং বডির আটটি অধিবেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বর্তমান সরকার নবম অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করে।

সোমবার মামলাটির আলোচনায় অংশ নিয়ে সব দেশের প্রতিনিধি বর্তমান সরকারের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সংস্থাটির ৫৬ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বডির ১৯টি রাষ্ট্র, দুটি আঞ্চলিক গ্রুপভুক্ত ২৮টি দেশ ও মালিকপক্ষ শ্রম খাত উন্নয়নে নতুন সরকারের সুদৃঢ় আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কারের অঙ্গীকারের ভূয়সী প্রশংসা করে চলমান মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছে।

মামলা সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন অংশগ্রহণ করেন। জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ও শ্রমসচিব আব্দুর রহমান তরফদার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত গভর্নিং বডির সব সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং শ্রম অধিকার, শ্রমিক সুরক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার রয়েছে বলে জানান।

উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের জনগণ আমাদের নির্বাচিত সরকারকে বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট দিয়েছে। এ ম্যান্ডেটের মূলে রয়েছে নির্বাচনী ইশতেহার, যেখানে নাগরিক অধিকার বিশেষত মানবাধিকার, আইনের শাসন ও বাক-স্বাধীনতা, ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও যোগ্যতা বৃদ্ধি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের এসব অগ্রাধিকারের সঙ্গে আইএলওর ডিসেন্ট ওয়ার্ক এজেন্ডা সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫-কে আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে বলে তিনি অধিবেশনে উপস্থিত সবাইকে জানান। সরকার এ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জোর প্রচেষ্টা চালাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে প্রণীত সংশোধনীগুলোর বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বলে তিনি জানান। এর মধ্য দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও কর্মসংস্থান নির্ভর উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুসংহতকরণে, শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা এক্ষেত্রে আইএলও সহ সংশ্লিষ্ট সবার অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।

আলোচনায় ২২ সদস্যবিশিষ্ট আরব গ্রুপ, ৬ সদস্যবিশিষ্ট উপসাগরীয় অঞ্চলের গ্রুপ, নাইজার, চীন, রাশিয়া, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, তানজানিয়া, ইরান, লিবিয়া, ওমান, ফিলিপাইন, নেপাল, তিউনিসিয়া, ইথিওপিয়া, লাওস, কিউবা, মোজাম্বিক, গ্যাবন, উজবেকিস্তানসহ মোট ১৯টি দেশ, মালিকপক্ষ ও দুটি আঞ্চলিক গ্রুপ শ্রম খাতের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে। সমর্থনকারীদের মধ্যে ১৪টি দেশ, ২২ সদস্যের আরব গ্রুপ, ৬ সদস্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের গ্রুপ ও মালিকপক্ষ মামলাটি দ্রুত তুলে নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানায়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রম আইন সংশোধনের অগ্রগতি, পরিদর্শক নিয়োগ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতির প্রশংসা করে রোডম্যাপ পুরোপুরি বাস্তবায়নের জন্য আরও পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

‘জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে’

Published

on

দর

জ্বালানি তেলের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সতর্ক নজর রাখছে। জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, দাম সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) জ্বালানি বিভাগের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশজুড়ে অবৈধভাবে মজুদ করা ২ লাখ ৮৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি সতর্ক করেছেন, জনগণের মধ্যে এখনও অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে এবং অনেকেই বাড়িতে অতিরিক্ত তেল মজুদ করছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও দুইটি কার্গো আসছে। এপ্রিলে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার টন জ্বালানি তেল কয়েকটি জাহাজের মাধ্যমে দেশে পৌঁছাবে, যার মধ্যে একটি জাহাজ আজ এবং আরেকটি ৩ এপ্রিল পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন, এভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করলে বাজারে জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং জনগণকে অতিরিক্ত মজুদের জন্য উদ্বুদ্ধ হওয়া রোধ করা যাবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি

Published

on

দর

পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ১০৪৬ জন আহত হয়েছে। একই সময়ে রেলপথে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত, ২২৩ জন আহত হয়েছে। নৌপথে ০৮টি দুর্ঘটনায় ০৮ জন নিহত, ১৯ জন আহত ও ০৩ জন নিখোঁজ রয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে সর্বমোট ৩৭৭টি দুর্ঘটনায় ৩৯৪ জন নিহত ও ১২৮৮ জন আহত হয়েছে।

গণমাধ্যম বিশ্লেষণে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। একই সময়ে জাতীয় অর্থোপেডিক (পঙ্গু) হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ২১৭৮ জন ভর্তি হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই তথ্য তুলে ধরেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ঈদযাত্রা শুরুর দিন ১৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ২৮ মার্চ পর্যন্ত বিগত ১৫ দিনে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ১০৪৬ জন আহত হয়েছে। বিগত ২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ও ৮২৬ জন আহত হয়েছিল। বিগত বছরের সাথে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ৮.৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৮.২৬ শতাংশ, আহত ২১.০৫ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল।

এবারের ঈদে ১২৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন নিহত, ১১৪ জন আহত হয়েছে। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৬.১২ শতাংশ, নিহতের ৩৮.৪৬ শতাংশ এবং আহতের ১০.৮৯ শতাংশ প্রায়।

এই সময় সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৭১ জন চালক, ৫৫ জন শিশু, ৫৪ জন পথচারী, ৫১ জন নারী, ৪২ জন শিক্ষার্থী, ১০ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৭ জন শিক্ষক, ০৪ জন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য, ০৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ০৩ জন প্রকৌশলী, ০২ জন সাংবাদিক, ০১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ০১ জন চিকিৎসকের পরিচয় মিলেছে।

সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২৭.১৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৭.৭৩ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ১৬.২২ শতাংশ বাস, ১৫.২৮ শতাংশ ব্যাটারীচালিত রিক্সা, ৮.৪৯ শতাংশ কার-মাইক্রো, ৭.৭৩ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৭.৩৫ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।

দুর্ঘটনার ৩৫.৮৩ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩২.৩৬ শতাংশ পথচারীকে গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা, ২২.২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায়, ০.৫৭ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনে, ০.৫৭ শতাংশ চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ও ৮.৩৮ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৪৩.০৬ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০.০৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২১.৯৬ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এ ছাড়া সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪.০৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.২৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৫৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার শপথ গ্রহণের ০২ দিন পরে রমজান শুরু, এক মাসের মাথায় ঈদযাত্রা। নতুন সরকারের ব্যর্থতা খুঁজতে নয়; বরং সরকারকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার মানসে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ঈদযাত্রায় প্রাণহানির পরিসংখ্যান তুলে ধরছি।

তিনি আরও বলেন, সরকার নতুন হলেও পুরনো আমলা, পূর্বের মাফিয়া নেতাদের অনুসারী বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের বর্তমান সরকার সমর্থিত নেতাদের চাপে আওয়ামী লীগ সরকারের মতো এবারও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআরটিএ, বিআইডব্লিউটিএসহ পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সস্থার ঈদ ব্যবস্থাপনা সভায় লাখো যাত্রীর পক্ষে কথা বলার মতো যাত্রী ও নাগরিক সমাজের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। মালিকরা একচেটিয়া সুবিধা লুফে নিতে এমন অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠন প্রভাবমুক্ত থাকায় ঈদযাত্রা খানিকটা স্বস্তিদায়ক হয়েছিল, যা সর্বমহলে প্রশংসা পেয়েছে। এবারের ঈদে বাস মালিক সমিতি এবং শ্রমিক ফেডারেশনের প্রভাবের কারণে ভাড়া নৈরাজ্য ও সড়ক দুর্ঘটনা, পরিবহনের বিশৃঙ্খলা অতীতের দুটি ঈদের তুলনায় বেড়েছে। সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা ছিল বাস মালিক সমিতি নিয়ন্ত্রিত। ফলে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পদ্ধতি অনুসরণের কারণে সড়ক পরিবহন সেক্টরে সরকারের কিছু কিছু কর্মকাণ্ড ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।

দুর্ঘটনার কারণসমূহ
দেশের সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা অবাধে চলাচল। জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকা, রেলক্রসিংয়ে হঠাৎ বাস উঠে আসা। সড়কে মিডিয়ামে রোড ডিভাইডার না থাকা, অন্ধবাঁকে গাছপালায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি। মহাসড়কের নির্মান ত্রুটি, যানবাহনের নানাবিধ ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।

উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন। অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন। বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানো। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যের কারণে বাসের ছাদে, খোলা ট্রাক ও পিকআপে, ট্রেনের ছাদে, বাসের ইঞ্জিন বনাটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীসাধারণের যাতায়াত।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ
সড়কে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো। ভাড়া আদায়ে স্মার্ট পদ্ধতি চালু করা। মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশা আমদাদি ও নিবন্ধন বন্ধ করা। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতে অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা। দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ, যানবাহনের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস প্রদান। বিআরটিএ অনুমোদিত ড্রাইভিং স্কুলের সরকার ঘোষিত ৬০ ঘণ্টা ইনক্লুসিভ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করা। পরিবহন সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, মালিক সমিতির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা। সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা।

মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা। উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেফটি অডিট করা।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইউনিট চালু করা। ঈদযাত্রা একসাথে এত বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি নানা পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি ঢাকার ওপর জনসংখ্যার চাপ কমানোর দাবি জানানো হয়েছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন যাত্রী কল্যাণ সমিতি অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সদস্য আলমগীর কবির, মনজুর হোসেন ঈসা, ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি বাদল আহমেদ, মনজুর হোসেন, আজাদ হোসেন টিপু প্রমুখ।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

দর দর
পুঁজিবাজার4 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না বিডি অটোকার্স

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ অটোকার্স লিমিটেডের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং শেয়ারের লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণ জানে না বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)...

দর দর
পুঁজিবাজার18 minutes ago

লভ্যাংশ পাঠিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরি থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত...

দর দর
পুঁজিবাজার28 minutes ago

সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ১৩০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর ১০০৬তম কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিশন সভায় সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ১ হাজার ৩০০...

দর দর
পুঁজিবাজার41 minutes ago

সূচক নিম্নমুখী, দুই ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ২৯২ কোম্পানির

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম দুই...

দর দর
পুঁজিবাজার21 hours ago

ব্লক মার্কেটে ৩৪ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৪২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক...

দর দর
পুঁজিবাজার21 hours ago

দরপতনের শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড...

দর দর
পুঁজিবাজার22 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে হাক্কানী পাল্প

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ১১১টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

দর
পুঁজিবাজার4 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না বিডি অটোকার্স

দর
পুঁজিবাজার18 minutes ago

লভ্যাংশ পাঠিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

দর
পুঁজিবাজার28 minutes ago

সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ১৩০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

দর
পুঁজিবাজার41 minutes ago

সূচক নিম্নমুখী, দুই ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ২৯২ কোম্পানির

দর
অর্থনীতি54 minutes ago

ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলাখ কোটি ছাড়াল, বেড়েছে ৮ গুণ

দর
জাতীয়1 hour ago

পে স্কেল বাস্তবায়ন দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

দর
জাতীয়1 hour ago

উপজেলা পর্যন্ত বিএনসিসির কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

দর
আইন-আদালত1 hour ago

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

দর
অর্থনীতি2 hours ago

সোনার দাম আরও বাড়লো, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

দর
সারাদেশ2 hours ago

তেল কিনতে গিয়ে হামলার শিকার চাকসু নেতা

দর
পুঁজিবাজার4 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না বিডি অটোকার্স

দর
পুঁজিবাজার18 minutes ago

লভ্যাংশ পাঠিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

দর
পুঁজিবাজার28 minutes ago

সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ১৩০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

দর
পুঁজিবাজার41 minutes ago

সূচক নিম্নমুখী, দুই ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ২৯২ কোম্পানির

দর
অর্থনীতি54 minutes ago

ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলাখ কোটি ছাড়াল, বেড়েছে ৮ গুণ

দর
জাতীয়1 hour ago

পে স্কেল বাস্তবায়ন দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

দর
জাতীয়1 hour ago

উপজেলা পর্যন্ত বিএনসিসির কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

দর
আইন-আদালত1 hour ago

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

দর
অর্থনীতি2 hours ago

সোনার দাম আরও বাড়লো, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

দর
সারাদেশ2 hours ago

তেল কিনতে গিয়ে হামলার শিকার চাকসু নেতা

দর
পুঁজিবাজার4 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না বিডি অটোকার্স

দর
পুঁজিবাজার18 minutes ago

লভ্যাংশ পাঠিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

দর
পুঁজিবাজার28 minutes ago

সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ১৩০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

দর
পুঁজিবাজার41 minutes ago

সূচক নিম্নমুখী, দুই ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ২৯২ কোম্পানির

দর
অর্থনীতি54 minutes ago

ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলাখ কোটি ছাড়াল, বেড়েছে ৮ গুণ

দর
জাতীয়1 hour ago

পে স্কেল বাস্তবায়ন দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

দর
জাতীয়1 hour ago

উপজেলা পর্যন্ত বিএনসিসির কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

দর
আইন-আদালত1 hour ago

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

দর
অর্থনীতি2 hours ago

সোনার দাম আরও বাড়লো, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

দর
সারাদেশ2 hours ago

তেল কিনতে গিয়ে হামলার শিকার চাকসু নেতা