জাতীয়
সাবেক মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী মারা গেছেন
দিনাজপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক অর্থমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত আবুল হাসান মাহমুদ আলী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তিনি পরিবার-পরিজনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া অর্থমন্ত্রী, রাষ্ট্রদূত এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বেও ছিলেন।
জাতীয়
সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধি ও অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রিসভায়
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলে। নতুন সরবরাহ কম থাকায় মজুদ দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। দেশের জ্বালানি খাতে তৈরি হওয়া চাপ সামাল দিতে সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।
এরই অংশ হিসেবে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের। একই সঙ্গে ওয়ার্ক ফ্রম হোম কর্মসূচি বা অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জানা গেছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুল পর্যায়ে অনলাইন-সশরীরে এই দুই ব্যবস্থা সমন্বয়ে ক্লাস বিষয়ে আলোচনা চলছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।
এদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকালে বাধ্যতামূলকভাবে অফিসে ৪০ মিনিট অবস্থান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং অফিসকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ১১টি নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অধীন দপ্তর-সংস্থা এবং মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এই নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে।
জাতীয়
পে স্কেল বাস্তবায়ন দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন দাবিতে নতুন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে আবদুল মালেক বলেছেন, ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নে লক্ষ্যে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি আসছে। প্রতিটি জেলায় যারা কর্মরত আছেন মনেপ্রাণে পে স্কেলের প্রত্যাশা করেন, তারা সবাইকে এই পে স্কেলের দাবি বাস্তবায়নের জন্য শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
তিনি বলেন, ২০১৫ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত করে, ১৫ বছরের মধ্যে তিনটা টাইম স্কেল ও একটা সিলেকশন গ্রেড প্রথা বাতিল করে ব্লক পোস্টধারী ও পদোন্নতি বঞ্চিতদের করেছেন সর্বশান্ত। তদস্থলে দুইটি উচ্চতার গ্রেড প্রথা চালু করেছেন ১৬ বছরে, যা শুধুই শুভঙ্করের ফাঁকি।
তিনি আরও বলেন, ২০১৫-২৪ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পে স্কেল বাস্তবায়ন করেনি তৎকালীন সরকার, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাথে বেতন সমন্বয় করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করেননি ওই সময়। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে নবম জাতীয় পে কমিশন গঠন করে একটি সুপারিশ প্রণয়ন করে, যা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।
জাতীয়
উপজেলা পর্যন্ত বিএনসিসির কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, যুবসমাজকে দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ মানবসম্পদে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কয়েকটি উপজেলায় বিএনসিসির কার্যক্রম চালু করে পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে বিস্তার করতে হবে।
সোমবার (৩০ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিএনসিসির কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বগুণ, দেশপ্রেম ও নৈতিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বিএনসিসি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এবং এটি দেশের একটি কার্যকর ‘ডিফেন্স লাইন’ হিসেবেও কাজ করতে সক্ষম।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকাসক্তি, পড়াশোনায় অনাগ্রহ এবং ঝরে পড়ার প্রবণতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিএনসিসির মতো সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও বিস্তৃত করতে হবে। বিএনসিসির কার্যক্রমকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করারও গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া বিএনসিসি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছে, যা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ভিশন। এই ভিশন বাস্তবায়নে আমাদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে।
এসময় বিএনসিসির প্রতিনিধিরা সংগঠনের অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ ব্যয়, জনবল বৃদ্ধি এবং উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তারা জানান, স্বল্প ব্যয়ে বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ব্যবহার করে দেশব্যাপী কার্যক্রম বিস্তারের সুযোগ রয়েছে।
জাতীয়
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে অভিনন্দন ও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে আইএলও
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনে বাংলাদেশ বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণকারী ৪৭টি দেশ বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে।
একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে দেশগুলো।
আওয়ামী লীগ শাসনামলে ২০১৯ সালের জুন মাসে আইএলও কনভেনশন ৮১, ৮৭ ও ৯৮ প্রতিপালনে ব্যর্থতার অভিযোগে সংস্থাটির সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের পাঁচজন শ্রমিক প্রতিনিধি একটি মামলা দায়ের করে।
ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সরকার ২০২১ সালে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি শ্রম খাত সংস্কার সংক্রান্ত রোডম্যাপ প্রণয়ন করে আইএলওর গভর্নিং বডিতে দাখিল করে। দাখিল করা এ রোডম্যাপে অর্জিত অগ্রগতির বিষয়ে গত পাঁচ বছরে গভর্নিং বডির আটটি অধিবেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বর্তমান সরকার নবম অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করে।
সোমবার মামলাটির আলোচনায় অংশ নিয়ে সব দেশের প্রতিনিধি বর্তমান সরকারের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সংস্থাটির ৫৬ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বডির ১৯টি রাষ্ট্র, দুটি আঞ্চলিক গ্রুপভুক্ত ২৮টি দেশ ও মালিকপক্ষ শ্রম খাত উন্নয়নে নতুন সরকারের সুদৃঢ় আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কারের অঙ্গীকারের ভূয়সী প্রশংসা করে চলমান মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছে।
মামলা সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন অংশগ্রহণ করেন। জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ও শ্রমসচিব আব্দুর রহমান তরফদার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত গভর্নিং বডির সব সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং শ্রম অধিকার, শ্রমিক সুরক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার রয়েছে বলে জানান।
উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের জনগণ আমাদের নির্বাচিত সরকারকে বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট দিয়েছে। এ ম্যান্ডেটের মূলে রয়েছে নির্বাচনী ইশতেহার, যেখানে নাগরিক অধিকার বিশেষত মানবাধিকার, আইনের শাসন ও বাক-স্বাধীনতা, ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও যোগ্যতা বৃদ্ধি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের এসব অগ্রাধিকারের সঙ্গে আইএলওর ডিসেন্ট ওয়ার্ক এজেন্ডা সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫-কে আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে বলে তিনি অধিবেশনে উপস্থিত সবাইকে জানান। সরকার এ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জোর প্রচেষ্টা চালাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে প্রণীত সংশোধনীগুলোর বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বলে তিনি জানান। এর মধ্য দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও কর্মসংস্থান নির্ভর উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুসংহতকরণে, শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা এক্ষেত্রে আইএলও সহ সংশ্লিষ্ট সবার অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।
আলোচনায় ২২ সদস্যবিশিষ্ট আরব গ্রুপ, ৬ সদস্যবিশিষ্ট উপসাগরীয় অঞ্চলের গ্রুপ, নাইজার, চীন, রাশিয়া, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, তানজানিয়া, ইরান, লিবিয়া, ওমান, ফিলিপাইন, নেপাল, তিউনিসিয়া, ইথিওপিয়া, লাওস, কিউবা, মোজাম্বিক, গ্যাবন, উজবেকিস্তানসহ মোট ১৯টি দেশ, মালিকপক্ষ ও দুটি আঞ্চলিক গ্রুপ শ্রম খাতের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে। সমর্থনকারীদের মধ্যে ১৪টি দেশ, ২২ সদস্যের আরব গ্রুপ, ৬ সদস্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের গ্রুপ ও মালিকপক্ষ মামলাটি দ্রুত তুলে নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানায়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রম আইন সংশোধনের অগ্রগতি, পরিদর্শক নিয়োগ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতির প্রশংসা করে রোডম্যাপ পুরোপুরি বাস্তবায়নের জন্য আরও পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
জাতীয়
‘জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে’
জ্বালানি তেলের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সতর্ক নজর রাখছে। জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, দাম সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (৩০ মার্চ) জ্বালানি বিভাগের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশজুড়ে অবৈধভাবে মজুদ করা ২ লাখ ৮৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি সতর্ক করেছেন, জনগণের মধ্যে এখনও অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে এবং অনেকেই বাড়িতে অতিরিক্ত তেল মজুদ করছেন।
মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও দুইটি কার্গো আসছে। এপ্রিলে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার টন জ্বালানি তেল কয়েকটি জাহাজের মাধ্যমে দেশে পৌঁছাবে, যার মধ্যে একটি জাহাজ আজ এবং আরেকটি ৩ এপ্রিল পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন, এভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করলে বাজারে জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং জনগণকে অতিরিক্ত মজুদের জন্য উদ্বুদ্ধ হওয়া রোধ করা যাবে।



