জাতীয়
গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইসির সংলাপ আগামীকাল
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সোমবার (৬ অক্টোবর) গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে দিনব্যাপী সংলাপ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রবিবার (৫ অক্টোবর) ইসির জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক মো. আশাদুল হক এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ১০টায় টিভি মিডিয়া ও দুপুর আড়াইটায় পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে বসবে সংস্থাটি। দু’দফায় ৪০ জনের মতো গণমাধ্যম প্রতিনিধির সংলাপে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
৭ অক্টোবর নারী নেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে ইসির। এরপর জুলাই যোদ্ধা, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও বসবে ইসি। ইতোমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সংলাপে উঠে আসা মতামত তার কমিশন বাস্তবায়ন করবে।
এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভোটের সংলাপ শুরু করে ইসি। ওইদিন সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সংলাপ শুরুর দিন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অর্ধেকেরও বেশি অংশ নেননি। ইসির প্রথম দিনের সংলাপে মোট ৩০ জন করে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
জাতীয়
মূলধন সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোর জন্য আইএফসি’র সহায়তার ঘোষণা দিলেন অর্থমন্ত্রী
মূলধন সংকটে থাকা দেশের রুগ্ন ব্যাংকগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে সরকারি, বেসরকারি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক খাতেও সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে সংস্থাটি।
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের কারসাজি রোধে পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে আর্থিক লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান জেপি মরগান। আইএমএফ-এর বসন্ত সভার তৃতীয় দিন শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আরও জানাচ্ছেন মুহিব্বুল্লাহ মুহিব।
বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর বসন্ত সভার তৃতীয় দিন বাংলাদেশের জন্য বড় সুখবর নিয়ে আসে সরকারের প্রতিনিধি দল। এ দিন ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি), বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জেপি মরগানসহ বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার প্রভাব বাংলাদেশের ওপর কমাতে অর্থনৈতিক বিষয়ে বিভিন্ন আশ্বাস পেয়েছে বাংলাদেশ।
মূলধন সংকটে থাকা ব্যাংক, সরকারি প্রকল্প, বেসরকারি সংস্থা ও অর্থনৈতিক খাতগুলোতে বিনিয়োগ ও সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে আইএফসি। এছাড়া প্রবাসীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা এবং দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা পাওয়ার বিষয়েও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
দিন শেষে তৃতীয় দিনের অর্জন নিয়ে কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী। তিনি জানান, আইএফসি বড় ধরনের ঋণ সহায়তা দেবে এবং ঋণনির্ভর সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও পাশে থাকবে।
অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক শেয়ারবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে জেপি মরগান। পরামর্শের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহায়তাও পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
দেশের অর্থনীতি আর গৎবাঁধা নিয়মে পরিচালিত হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
জাতীয়
আ.লীগ আমলের হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ: আইনমন্ত্রী
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. মনোয়ার হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান ৷ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারে সরকার সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এর পূর্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটির নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো হত্যা মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিগত ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের সমন্বয়ে ৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য বর্তমান সরকার ৮ মার্চ আইনমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্যবিশিষ্ট ‘কেন্দ্রীয় কমিটি’ গঠন করে। কেন্দ্রীয় কমিটি জেলা কমিটির কাছ থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যসহ যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত যে কোন ধরনের রাজনৈতিক (হত্যা মামলাসহ) মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করা হলে গঠিত জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটি মামলাগুলো পর্যালোচনা করবে। পর্যালোচনায় কোনো মামলা রাজনৈতিকভাবে হয়রানিমূলক বলে প্রতীয়মান হলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা থেকে ভুক্তভোগীদের প্রতিকার প্রদানে আন্তরিকভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এমএন
জাতীয়
আ.লীগ আমলে বিসিএস নিয়োগে দুর্নীতি-দলীয়করণ, ব্যবস্থা নেবে সরকার
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, আওয়ামী লীগের সময় বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি দলীয়করণের বিষয়ে দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে। প্রতিবেদন ও সুপারিশ পাওয়ার পর আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৫তম দিনের প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সংসদে অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
সকালে সংসদে লিখিত প্রশ্ন রাখেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৬ বছর প্রশাসনে দলীয়করণে চরম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে কতজন বিসিএস ক্যাডারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে, কতজন বিসিএস অফিসারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে, কতজন বিসিএস অফিসারকে ওএসডি করা হয়েছে?
তিনি আরেকটি প্রশ্নে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগগুলো নিয়ে সরকার তদন্তপূর্বক কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কিনা?
এ প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৬ বছর বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, ৩৯ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত এবং ৫৬৪ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করেছে। তাদের সময় বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি দলীয়করণের বিষয়ে দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ পাওয়ার পর সে বিষয়ে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাতীয়
জাতিসংঘ সমর্থন আদায়ে তিন দেশ সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিন দেশ সফরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান সুসংহত এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।
জানা গেছে, সফরের প্রথম পর্যায়ে ১৭ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত তুরস্কে অবস্থান করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত পঞ্চম আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে তিনি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন।
ফোরামে অংশগ্রহণের পাশাপাশি তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও পাকিস্তান ও গাম্বিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
মূলত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে বৈশ্বিক সমর্থন আদায়ই এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
তুরস্ক সফর শেষে ১৯ এপ্রিল বেলজিয়াম ও পরে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় যাবেন। এই সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নের পাশাপাশি জাতিসংঘের নির্বাচনে পূর্ণ সমর্থন নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।
জাতীয়
মুমেক অধ্যক্ষকে ঢামেকে বদলি, যোগদানপত্র গ্রহণ না করে ১৩ দিন পর ওএসডি
মুগদা মেডিকেল কলেজের (মুমেক) সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমানকে বদলির পরও ১৩ দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) যোগদান করতে দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত গত সোমবার (১৪ এপ্রিল) তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়ে মাতুয়াইল শিশু ও মাতৃ-স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ মার্চ এক আদেশে তাকে মুমেকের অধ্যক্ষ পদ থেকে সরিয়ে ঢামেকের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনি ১ এপ্রিল মুমেক থেকে অব্যাহতি নিয়ে ঢামেকে যোগদানপত্র জমা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেনি।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ২০২৪ সালে পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সে সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অংশগ্রহণ ও অর্থ সহায়তার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে ১৮ জুলাই তাকে অধ্যাপক পদ থেকে পদাবনতি দিয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজে বদলি করা হয়। তবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ১১ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার সেই আদেশ বাতিল করে।
চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি তিনি মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ সুপারনিউমারারি পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি, যার ধারাবাহিকতায় তাকে অধ্যক্ষ করা হয়।
অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কলেজটির দীর্ঘদিনের আর্থিক জটিলতা নিরসনে ভূমিকা রাখেন তিনি। বকেয়া বেতন পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ডোনেশনের মাধ্যমে একটি বাস সংগ্রহের সিদ্ধান্তও নেন।
তবে কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই মাত্র দুই মাস ২০ দিনের মাথায় তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ঢামেকে যোগদান আটকে রেখে তাকে আবারও ওএসডি করা হয়।
সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পার-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১১ ও ২০১৩ সালে পদোন্ননা থেকে বঞ্চিত হন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। পরবর্তীতে ২০২১ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেলেও একদিনের মধ্যেই সেই আদেশ বাতিল করা হয়।



