সারাদেশ
কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়মের অভিযোগ
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুনের বিরুদ্ধে। সরকারি সম্পদের অপব্যবহার, আর্থিক অনিয়ম, অফিসে হাজিরা দিয়ে বাসায় চলে যাওয়া, ষ্টাফদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ বিভিন্ন কারণে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগী ও সেবা প্রার্থীরা।
হাসপাতালের একাধিক সূত্র ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যোগদান করার পর থেকেই নানা অনিয়মে জর্জরিত কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সরকারি কোয়ার্টার আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ না থাকলেও বসবাসকারী কয়েকজন কর্মচারীর কাছ থেকে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এবং তা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎকরে আসছেন বলে অভিযোগ। এছাড়া হাসপাতালের বহির্বিভাগে সরকার নির্ধারিত তিন টাকার টিকিট পাঁচ টাকা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
অভিযোগ অনুযায়ী, অতিরিক্ত দুই টাকা ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয়। টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা জহুরুল ও জাহাঙ্গীর নামের দুই কর্মচারীর মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একাধিক সূত্র জানায়, সরকারি এ্যাম্বোলেন্স ব্যক্তিগত ও আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের আনা-নেওয়া ছাড়াও নিজে সফিপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে বসার সময় নিয়ে যান বলে জানায়।
এছাড়া ড্রাইভার রিপনকে দিয়ে তার ব্যক্তিগত কাজ এবং পরিবারের জন্য অতিরিক্ত ব্যবহারে অতিষ্ট হয়ে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে গেছে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের দিয়ে ব্যক্তিগত বাজার করা, রান্না করা ও বাসার বিভিন্ন কাজ করানো হলেও ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পায়না।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিজে একটি সরকারী কোয়ার্টার বরাদ্দ নিলেও একসঙ্গে দুটি সরকারি কোয়ার্টার দখলে রেখেছেন।
সকালে সরজমিনে দেখা যায়, অফিস সময়ের অনেক পরে নিজর সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে আসলেন এবং হাজিরা দিয়ে পুনরায় বাসায় চলে যান এবং কোয়ার্টারেই বেশীর ভাগ সময় অবস্থান করেন। এতে দাপ্তরিক কাজে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।
খোজ নিয়ে জানাযায়, স্থানীয় কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিককে নিজের নামের সিল ব্যবহার করতে দিয়ে ক্লিনিক থেকে নিয়মিত চাঁদা নেন ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন।
হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে সরকারি বায়োমেট্রিক মেশিন কেনার জন্য চাঁদা নেওয়া, জিহাদ নামে নিজের আত্মীয় দিয়ে টিকিট কাউন্টারের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত না করেই রোগীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া টিকিট দিয়ে প্রতি মাসে হাতিয়ে নেয় বিপুল টাকা। পরে তাকে সরিয়ে প্যাথলজি বিভাগের রিসিট কাটার দায়িত্ব দেওয়া হলে প্রায় দুই লাখ টাকা ইউজার ফি নিয়ে কিছুদিন পলাতক ছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তার আত্মীয় হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। নিজের খেয়াল খুশিমত চালাচ্ছেন হাসপাতাল। জাতীয় পর্যায়ে ফার্স্ট হওয়ার জন্য শুধুমাত্র মহিলাদের এন আই ডি এবং ফোন নাম্বার কালেক্ট করে সেগুলো ভায়া হিসেবে ইন্ট্রি দেয়ায় নির্দেশ দেয়ায় অনেক মহিলা ভায়া না করলেও সাধারন চিকিৎসা নিতে আসা রুগীদের এনআইডি কার্ড রেখে তাদের নাম রেজিষ্ট্রেশন করে রাখা হচ্ছে।
হাসপাতালের রোগীদের খাবার, ধোপা এবং স্টেশনারি এই তিন ধরনের জিনিসের টেন্ডার দেয়ার সরকারি নিয়ম থাকলেও তিনি শুধুমাত্র খাবার এবং ধোপার টেন্ডার দিয়েছেন। স্টেশনারি তিনি নিজেই কিনেন যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত।
হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য, রোগী ভর্তি সংখ্যা বেশি দেখানো, অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকলেও অজ্ঞাত কারনে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না উর্ধতন কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ফার্মাসিস্ট দিয়ে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং সেখানে তাদের অনৈতিক অর্থ আদায়ে অতিষ্ট হয়ে গেছে ভুক্তভোগী রোগীরা।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার আচরণ অনেক সময় অসৌজন্যমূলক ও কঠোর। এতে কর্মপরিবেশে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ধুপা ঠিকাদারের সাথে তার এবং তার পরিবারের বিশেষ সম্পর্ক তাকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে তার থেকে আর্থিক সুবিধা নেয়ারও অভিযোগ আছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে জানতে চাইলে তিনি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে দাবী করেন।
এ বিষয়ে গাজীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মামুনুর রহমান বলেন, “অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম চলতে থাকলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের দাবি।
সারাদেশ
চরপালংয়ে সেচ পাম্পে বোরকা পেঁচিয়ে নারীর মৃত্যু, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
শরীয়তপুর পৌরসভার চরপালং এলাকায় সেচ পাম্পে বোরকা পেঁচিয়ে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম সরদারের স্ত্রী।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে কীর্তিনাশা নদী পাড়সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাজারে যাওয়ার পথে নদীর পাড়ে স্থাপিত একটি সেচ পাম্পের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বাতাসে তার বোরকা ঘূর্ণায়মান যন্ত্রে পেঁচিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বোরকা পেঁচিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি মেশিনের ভেতরে আটকে পড়েন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাটি প্রাণঘাতী রূপ নেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেচ পাম্পটির চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়ার দাবি জানানো হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তাদের মতে, যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার সেলিম মিয়া জানান, মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পালং মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবীর হোসেন বলেন, সেচ পাম্পটি অরক্ষিত অবস্থায় ছিল। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সারাদেশ
৪ দিন অনশনের পর স্ত্রীকে ফিরে পেলেন বিশ্বজিত
মাদারীপুরের ডাসারায় ৪ দিন অনশনে বসার পর নিজের স্ত্রীকে ফিরে পেয়েছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮)। দুই পরিবারের সম্মতিতে রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে এলাকাবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে বিশ্বজিতের সঙ্গে পাশের বাড়ির মনোতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চার বছর আগে তারা কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়ে করেন।
তবে সম্প্রতি একটি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর অনুশীলা বিশ্বজিতের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বৈবাহিক স্বীকৃতির দাবিতে গত মঙ্গলবার থেকে প্রেমিকার বাড়ির সামনে অনশন শুরু করেন বিশ্বজিত। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
স্থানীয় মুরুব্বি মিহির হালদার বলেন, দুই পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের ভুল বোঝাবুঝির সমাধান করা হয়েছে।
আমরা চাই নবদম্পতি সুখে-শান্তিতে জীবনযাপন করুক।
এ বিষয়ে ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সারা দেশে আলোচিত হয়েছিল। প্রশাসনের নজরে আসার পর দুই পরিবারকে সমাধানের জন্য বলা হয়। শেষ পর্যন্ত ভালোবাসার জয় হয়েছে, বিষয়টি জেনে ভালো লাগছে।
সারাদেশ
বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই জ্বালানির দাম বেড়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ রিংকু বলেছেন, বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বের প্রায় সব দেশেই জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। অনেক দেশে তা দ্বিগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও জ্বালানির দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে বাংলাদেশে এখনো জ্বালানির দাম বাড়েনি, যা বর্তমান সরকারের একটি সাফল্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকার চেষ্টা করছে যেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ভালো থাকতে পারে এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও কোনো সমস্যায় না পড়ে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, জনগণকে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করতে হবে।
ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখে জ্বালানি তেলের দামে কিছু সমন্বয় (অ্যাডজাস্টমেন্ট) আসতে পারে। তবে তা অবশ্যই জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে করা হবে।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের ওপর পড়ছে। যুদ্ধের কারণে দেশের অর্থনীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তিনি সৌদি আরবে জনশক্তি প্রেরণের মাধ্যমে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেন। তার সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি যখনই রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, তখনই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে।
বিএনপির এই নেত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে যুদ্ধকালেও ইরানসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশকে বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে মূল্যায়ন করছে। ফলে প্রবাসীরা সেখানে নিরাপদে আছেন এবং প্রয়োজনীয় তেল ও গ্যাস আমদানিতেও কোনো বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়নি।
নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর আগেও তিনি এখানে এসেছিলেন এবং তখনো পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক বলে তিনি উল্লেখ করেন। মানদণ্ড অনুযায়ী এই হাসপাতাল কোনো পর্যায়েই পড়ে না। এখানে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকট রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন মো. মাহমুদুল হাসান, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদসহ অন্যান্যরা।
রাজনীতি
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সাথে গণভোটের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সাথে গণভোটের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ধাওড়া গ্রামে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
আসাদুজ্জামান আরো বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে। তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়নি। যদি কেউ অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে তাহলে বিশেষ ক্ষমতা আইনে কালোবাজারি ও মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, দেশকে বাঁচাতে হলে খাল ও নদী খনন এবং দখল উচ্ছেদের বিকল্প নেই। যে যত বড়ই শক্তিশালী হোক না কেন খাল-জলাশয় ও নদী দখলমুক্ত করে খনন করা হবে। আগামী ১৮ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঝিনাইদহের শৈলকূপায় খান খনন কর্মসূচীতে অংশ নিবেন বলেও তিনি জানান।
ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুল মজিদ, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজালসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগন ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি
শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি: মির্জা ফখরুল
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়ার বৈঠক থেকেই মূলত মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ এবং যুদ্ধের সূচনা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী-এর নেতৃত্বে দেশব্যাপী যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং সেক্টরভিত্তিক সংগঠনের সিদ্ধান্তও এখান থেকেই আসে।
তিনি আরও দাবি করেন, শেখ মুজিবুর রহমান-এর নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, সে সময় তিনি পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন ।একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি এবং তা বিকৃত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আইনজীবীরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়ার বৈঠক থেকেই মূলত মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ এবং যুদ্ধের সূচনা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী-এর নেতৃত্বে দেশব্যাপী যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং সেক্টরভিত্তিক সংগঠনের সিদ্ধান্তও এখান থেকেই আসে।
তিনি আরও দাবি করেন, শেখ মুজিবুর রহমান-এর নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, সে সময় তিনি পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন ।একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি এবং তা বিকৃত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আইনজীবীরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।



