জাতীয়
ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে
দেশে প্রতিদিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অনেক সংগঠন। যাতায়াতের সুবিধা ও ভোগান্তি এড়াতে কর্মসূচিগুলোর সময়গুলো জানা জরুরি। রবিবার (৫ এপ্রিল) উল্লেখযোগ্য যেসব কর্মসূচির মধ্যে যেসব কর্মসূচি রয়েছে।
বিএনিপর আয়োজনে ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে সকাল ৮টায় রাজধানীর বাড্ডা এলাকার মাদানী অ্যাভিনিউতে ইন্টার চার্চ ফেলোশিপ, বৃহত্তর বাড্ডার উদ্যোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন খ্রিস্টান হাউজিং সোসাইটিতে শুভেচ্ছা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া বিকেল ৪টায় কাকরাইলের আর্চবিশপস হাউসে আরেকটি শুভেচ্ছা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। উভয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিকেল ৩টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা (অ্যাটর্নি জেনারেল) ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এছাড়া সকাল ৯টায় ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন উপস্থিত থাকবেন।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি
বিকেলে সাড়ে ৩টায় সাভারে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে জাতিসংঘের ইউএন-ওএইচআরএলএলএস সম্প্রতি একটি ইন্ডিপেনডেন্ট গ্র্যাজুয়েশন রেডিনেস অ্যাসেসমেন্ট সম্পাদন করেছে। উক্ত রেডিনেস অ্যাসেসমেন্টের প্রধান দিকগুলো সংশ্লিষ্ট সবার কাছে উপস্থাপনের লক্ষ্যে সকালে সাড়ে ৯টায় এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উদ্যোগে এবং জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউএন-ওএইচআরএলএলএস ও বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় একটি ন্যাশনাল মাল্টিস্টেকহোল্ডার কনসালটেশন আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ইউএনওএইচআরএলএলএসের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ রাবাব ফাতিমা এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
এনবিআরের কর্মসূচি
সকাল ১০টায় জাতীয় রাজস্ব ভবন সম্মেলন কক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় অংশ নেবেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান।
জাতীয়
সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা এসংক্রান্ত অধ্যাদেশটি এখন স্থায়ী আইনে পরিণত হলো।
রবিবার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের অষ্টম দিনে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানশিয়াল করপোরেশন ও স্বশাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ বিল-২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিলটি সংসদে বিবেচনার জন্য উত্থাপন করেন। বিলের ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় স্পিকার সরাসরি বিলের দফাগুলো ভোটে দেন এবং তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
নতুন আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) সব ক্যাডার এবং ক্যাডারবহির্ভূত সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। এ ছাড়া স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ ও পাবলিক নন-ফাইন্যানশিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রেও একই বয়সসীমা কার্যকর হবে।
তবে যেসব চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আগে থেকেই ৩২ বছরের বেশি ছিল (যেমন ৩৩, ৩৫, ৪০ বা ৪৫ বছর), সেগুলোও এখন এই আইনের অধীনে ৩২ বছরে নেমে আসবে।
বিলটি উত্থাপনের সময় সম্পূরক কার্যসূচি নিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিশেষ কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে। এই বিষয়গুলো জুলাই বিপ্লবের চেতনার সঙ্গে সম্পৃক্ত।’
তাই প্রতিটি অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।
জাতীয়
কাগজে থাকলেও বাস্তবে নেই, স্টেডিয়াম উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
কাগজে-কলমে অস্তিত্ব থাকলেও বাস্তবে কুমিল্লা দক্ষিণ মিনি স্টেডিয়ামের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না বলে জাতীয় সংসদে অভিযোগ করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মনিরুল হক চৌধুরী। জালিয়াতির মাধ্যমে স্টেডিয়ামের জমি রেকর্ড, অর্থ লুটপাট এবং ফাইল চুরির মতো গুরুতর অভিযোগ তুলে তিনি এটি উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
রবিবার (৫ এপ্রিল) স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আনীত নোটিশে এসব কথা বলেন তিনি।
মনিরুল হক বলেন, ২০০৪ সালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা সৃষ্টির পর সেখানে একটি মিনি স্টেডিয়াম তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।
দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর প্রশাসনিকভাবে এর নামকরণ ও বরাদ্দ নিশ্চিত করা হলেও বর্তমানে এর কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেও কুমিল্লা জেলায় এই নামে কোনো স্টেডিয়াম খুঁজে পাইনি। অথচ সরকারি নথিতে বলা হচ্ছে স্টেডিয়াম সেখানে আছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, স্টেডিয়ামের জন্য কেনা জমি রেকর্ডে ইচ্ছামাফিক গাফলতি করা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, ক্রীড়া সামগ্রী আত্মসাৎ এবং বরাদ্দকৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, কুমিল্লা দক্ষিণ উপজেলার নামে কেনা জমি ও বরাদ্দকৃত সম্পত্তির মূল ফাইলটিও দপ্তর থেকে উধাও করে দেয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে মনিরুল হক বলেন, বিষয়টি এখন আমার ইজ্জতের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি এই এলাকার প্রতিনিধি এবং ক্রীড়া অনুরাগী হিসেবে মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে পারছি না।
প্রধানমন্ত্রী সংসদে আছেন, আমি উনার কাছে অনুরোধ করছি, এই স্টেডিয়ামটি কোথায় তা খুঁজে বের করে উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।
জাতীয়
স্পিকারের মাইক কাজ না করায় ৪০ মিনিট মুলতবি সংসদ অধিবেশন
সাউন্ড সিস্টেমের বিভ্রাটের কারণে সংসদের অধিবেশন ৪০ মিনিট মুলতবি করা হয়েছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫৬ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ মুলতবি ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
স্পিকার বলেন, ‘আবারও স্পিকারের মাইক কাজ করছে না।
এই কারণে ৪০ মিনিটের জন্য অধিবেশন মুলতবি করা হলো। প্রথম ২০ মিনিট নামাজের জন্য এবং পরবর্তী ২০ মিনিট মাইকের জন্য মুলতবি।’
তিনি বলেন, ‘সদস্যবৃন্দ স্পিকারের মাইক কাজ করছে না, আপনাদেরও মাইক কাজ করছে না। এ কারণে ৪০ মিনিট বিরতি দেওয়া হলো।
নামাজের টাইম হয়েছে, ২০ মিনিট বিরতি দিই। সদস্যবৃন্দ আজানের ২০ মিনিট বাকি এবং এই মাইক রিপেয়ার করার জন্য আরো ২০ মিনিট, মোট ৪০ মিনিট সময়ের জন্য অধিবেশন মুলতবি করা হলো।’
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন ও ছালেহ শিবলী
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (শিবলী)। রোববার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুলস অব বিজনেস-১৯৯৬ এর রুল ২৮(৪) অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক তথ্য প্রেস, মিডিয়া অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার ও প্রদানের ক্ষেত্রে মাহদী আমিন ও আবু -আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (শিবলী) মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে মাহদী আমিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি নির্বাচনের সময় গুলশানে দলের নির্বাচনী কার্যালয়ে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরেন।
এ ছাড়া শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান, যুব ও নারী ক্ষমতায়ন এবং ৩১ দফার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার বিষয়ে দেশে বিভিন্ন সভা, সেমিনার, কর্মশালা, সমাবেশ ও নীতি প্রণয়নে অবদান রেখেছেন মাহদী আমিন। ২০১৪ সালে তিনি বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা হন। ২০২৪ সালে মাহদী আমিন বিএনপির ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগে বহুমুখী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছালেহ শিবলী কর্মজীবনে বার্তা সংস্থা ইউএনবি, দৈনিক মানবজমিন, বাংলাবাজার পত্রিকা, চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০০৪ সালে তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকাকালীনও তাঁর প্রেস সচিব ছিলেন ছালেহ শিবলী। চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে কলকাতা উপ-হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জাতীয়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলেরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে মন্ত্রীর বেইলি রোডের সরকারি বাংলোতে তাদের মধ্যে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ সংস্কার, স্বাধীন পুলিশ কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী ইউএনডিপি প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান। এছাড়া, আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলের নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।
পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা পুলিশ সংস্কারে কাজ করছি। তবে তা রাতারাতি নয়, আমরা ধারাবাহিক বা পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। পুলিশের পুনর্গঠন, সংস্কার, সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপি বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারে।
পুলিশ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে ইউএনডিপির অবদান অনস্বীকার্য। গত ১৫-১৭ বছর যাবৎ সংস্থাটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে কাজ করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, কমিশনের অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়নেও ইউএনডিপি যাবতীয় সহযোগিতা করেছে এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের সঙ্গে স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ সম্পর্কে আবাসিক প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটিও পরবর্তী সময়ে অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, অধ্যাদেশটির দু-একটি সংজ্ঞা এমনভাবে দেওয়া হয়েছে, যাতে গুমের প্রকৃত নির্দেশদাতা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। মন্ত্রী এ সময় তার গুমকালীন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) তদন্তের ক্ষমতা প্রদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তাই তদন্ত করতে পারেন এবং এপিবিএন কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়। তবে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়ে প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, বাংলাদেশে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালি দয়ারাত্নে, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ আনোয়ারুল হক এবং ইউএনডিপি-বাংলাদেশের রুল অব ল, জাস্টিস অ্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ক অ্যাডভাইজর রোমানা স্কওয়েইগার উপস্থিত ছিলেন।



